দ্য বুক অফ মুহাম্মাদ'স ল্যাডার
দ্য বুক অফ মুহাম্মাদ'স ল্যাডার (আক্ষ. 'মুহাম্মদের সিঁড়ি সম্পর্কিত বই') লাতিন ভাষায় লেখা বর্ণনা, যেখানে ইসলামের নবী মুহাম্মদ-এর রাতের সফর তথা মিরাজের ঘটনা এবং স্বর্গে আরোহণের কাহিনি স্থান পেয়েছে। এটি আরবি ভাষার প্রাচীন উপাদান থেকে অনূদিত হয়ে লাতিন ভাষায় (Liber scalae Machometi) লেখা হয়েছে এবং প্রাচীন ফরাসি ভাষায় (Livre de l'eschiele Mahomet) রূপান্তরিত হয়েছে। যদিও বইটিকে মুহাম্মদের বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে এটি মুহাম্মদের চাচাতো ভাই ইবনে আব্বাস (মৃত্যু ৬৮৭) লিপিবদ্ধ করেছেন, বাস্তবে এটি একটি ছদ্মনামধারী রচনা এবং ১৩শ শতাব্দীতে রচিত। অ্যাপোক্যালিপটিক সাহিত্যের ধারায় অন্তর্ভুক্ত এই বইটিতে মুহাম্মদের মিরাকল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে যে কীভাবে ফেরেশতা জিবরাইল তাঁকে মক্কা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসে নিয়ে যান এবং সেখান থেকে সাত আসমানের দিকে আরোহণ করান। বইটিতে মুহাম্মদের সাত স্তরের নরকে ভ্রমণ এবং তাঁর সরাসরি আল্লাহর দর্শন বর্ণনা রয়েছে, যেখানে তিনি কিয়ামতের দিন বিশ্বাসীদের পক্ষে সুপারিশের ক্ষমতা লাভ করেন। এটি দান্তে আলিগিয়েরি (মৃত্যু ১৩২১)-এর কাছে পরিচিত ছিল এবং ধারণা করা হয় যে, তার ডিভাইন কমেডি আংশিকভাবে মুহাম্মদের সিঁড়ির বই দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে।
উৎপত্তি
[সম্পাদনা]মুহাম্মদের সিঁড়ির বই একটি জটিল ইতিহাসের অধিকারী। এটি শুধুমাত্র লাতিন এবং প্রাচীন ফরাসি ভাষায় টিকে আছে, যেগুলোর শিরোনাম যথাক্রমে Liber scalae Machometi (লাতিন) এবং Livre de l'eschiele Mahomet (ফরাসি)।[১] এই সংস্করণগুলির ভূমিকায় বলা হয়েছে যে, ক্যাস্টাইলের রাজা আলফোনসো এক্স (দশম) টলেডোর আব্রাহাম-কে আরবি আল-মিরাজ নামক একটি গ্রন্থকে কাস্টিলিয়ান (প্রাচীন স্প্যানিশ) ভাষায় অনুবাদ করে অধ্যায় আকারে বিন্যস্ত করার নির্দেশ দেন। ফরাসি ভূমিকায় আরও বলা হয়েছে যে, আলফোনসো এক্স সিয়েনার বোনাভেন্তুরা-কে কাস্টিলিয়ান থেকে লাতিন ও ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করতে বলেন। একটি উপসংহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি ১২৬৪ সালে ফরাসি অনুবাদ সম্পূর্ণ করেন।[২] কাস্টিলিয়ান সংস্করণ, যা বর্তমানে প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত, সম্ভবত ১২৬২ সালের আগে প্রণীত হয়েছিল।[৩]
ফরাসি অনুবাদের ক্ষেত্রে আলফোনসো এক্স ও বোনাভেন্তুরার সম্পৃক্ততা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। একটি মত অনুযায়ী, ফরাসি অনুবাদটি ১২৬৪ সালের কিছু সময় পরে লাতিন থেকে অনূদিত হয়েছিল এবং এটি প্রোভঁসের কোনো অনুবাদক করেছিলেন, সম্ভবত আলফোনসো এক্স-এর আদেশে নয়।[২] আবার অন্য একটি মত অনুসারে ফরাসি অনুবাদটি লাতিনের আগেই তৈরি হয়েছিল।[৪]
রচনার উৎস
[সম্পাদনা]আব্রাহাম অব টলেডো যে আরবি মূল পাঠের সঙ্গে কাজ করেছিলেন, সেটির প্রকৃতি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। মুহাম্মদের সিঁড়ির বই-এর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ কোনো আরবি পাঠ অদ্যাবধি জানা যায়নি। এটি সম্ভব যে আরবি গ্রন্থটি বিশেষভাবে অনুবাদের উদ্দেশ্যে হাদিস থেকে ইসরা ও মিরাজ সম্পর্কিত একটি সংকলন ছিল।[১][২] উৎসসমূহ পুনর্গঠন করা হয়েছে ধরে নিয়ে বলা যায় যে, এই রচনাটি আংশিকভাবে আব্রাহাম অব টলেডোর একটি মৌলিক রচনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। পাশাপাশি যে পাঠসমূহ আমাদের কাছে বর্তমান, সেগুলোতে খ্রিস্টান বংশোদ্ভূত ইসলামি ব্যাখ্যামূলক উপাদানও প্রতীয়মান হয়, যা সম্ভবত বোনাভেন্তুরা সংযোজন করেছিলেন।[১] অন্যদিকে, একটি যুক্তি হলো যে আরবি মূল সংকলনটি কোনো মুসলিমই রচনা করেছিলেন, কারণ এটি প্রামাণ্য মুসলিম উৎসের উপর নির্ভরশীল, যার মধ্যে রয়েছে কুরআন এবং তাফসির। খ্রিস্টান (এবং ইহুদি) ব্যাখ্যার প্রভাব ব্যাখ্যা করা যেতে পারে এইভাবে যে, রচয়িতা জনপ্রিয় উপকথা ও তুলনামূলকভাবে কম নির্ভরযোগ্য হাদিসের উপর নির্ভর করেছিলেন, যেখানে এই ধরনের উপাদান আগে থেকেই মিশে গিয়েছিল।[৫] এটি নিয়ে প্রায় কোনো সন্দেহ নেই যে মুহাম্মদের সিঁড়ির বই-এর পাঠ একটি মিশ্র রচনা।[৬]
আনা একেভারিয়া তিনটি আরবি ইসলামি গ্রন্থকে চিহ্নিত করেছেন, যেগুলো মুহাম্মদের সিঁড়ির বই তৈরিতে "নিঃসন্দেহে ভূমিকা রেখেছে"। এই গ্রন্থগুলো হলো: ইবনে হিশাম-এর সম্পাদিত ইবনে ইসহাকের সিরা (প্রায় ৮২৮ সালের), আত-তাবারির তাফসির (প্রায় ৮৬১ সালের), এবং আল-আশআরি (মৃত্যু ৯৩৬)-এর কিতাব শাজারাতুল ইয়াকিন।[৭] এগুলোর সঙ্গে ফ্রেডরিক কোলবি আবু আল-হাসান বাকরি-র নামে বর্ণিত মিরাজ কাহিনিও যুক্ত করেছেন।[৮] আরেকটি আরবি উৎস, কিতাব আল-ওয়াজেহ বিল-হক, ১৩শ শতকের স্পেনে নিশ্চিতভাবেই বিদ্যমান ছিল। অন্য আরেকটি সম্ভাব্য আরবি উৎস ছিল আল-কুশায়রি-র কিতাব আল-মিরাজ।[৭]
প্রাথমিক লাতিন জীবনীগ্রন্থগুলোতে ইসরা ও মিরাজের বিবরণ অন্তর্ভুক্ত ছিল না। প্রথমবার এগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয় ১৩শ শতকের শুরুতে রচিত ভিটা মুহাম্মেতি গ্রন্থে। একই সময়ে মুহাম্মদের এই ভ্রমণগুলোর বিবরণ লুকাস দে তুই-এর ক্রনিক, রদ্রিগো হিমেনেস দে রাদা-এর হিস্টোরিয়া আরাবাম, এবং আলফোনসো এক্স-এর এসতোরিয়া দে স্পেন গ্রন্থেও সংযোজন করা হয়। রদ্রিগো এবং মার্ক অব টলেডোর সম্পর্ক নির্দেশ করে যে, যেসব আরবি গ্রন্থের উপর ভিত্তি করে মুহাম্মদের সিঁড়ির বই তৈরি হয়েছিল, সেগুলো ১৩শ শতকের প্রথম কয়েক দশকে টলেডোতে বিদ্যমান ছিল।[৯]
সারসংক্ষেপ
[সম্পাদনা]ধারার দিক থেকে মুহাম্মদের (স.) সিঁড়ির বই একটি অ্যাপোক্যালিপস।[১০] এতে মোট ৮৫টি অধ্যায় রয়েছে এবং এটি তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত।[৫] প্রথম চারটি অধ্যায়ে বর্ণনা করা হয়েছে ইসরা বা রাতের সফর, যেখানে ফেরেশতা জিবরাইল মুহাম্মদকে(স.) মক্কা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসের টেম্পল মাউন্ট-এ নিয়ে যান।[১][৫] এর পরের অংশ, অধ্যায় ৫–৭৯, মূলত তাঁর মিরাজ বা সাত আসমানের মধ্যে দিয়ে আরোহণ নিয়ে, যেখানে তিনি একটি সিঁড়ির মাধ্যমে উপরে উঠেছিলেন।[৫] এই অংশে মুহাম্মদের(স.) সাতটি নরক স্তরে ভ্রমণের বর্ণনাও রয়েছে।[১] এছাড়াও এতে রয়েছে মুহাম্মদের(স.) সরাসরি আল্লাহর দর্শন এবং কিয়ামতের দিনে বিশ্বাসীদের পক্ষে সুপারিশ করার ক্ষমতা লাভের বিবরণ। একপর্যায়ে মুহাম্মদ(স.) উল্লেখ করেন যে, আল্লাহ ১৮,০০০ সমান্তরাল জগত সৃষ্টি করেছেন।[১১] শেষের ছয়টি অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে তাঁর মক্কায় প্রত্যাবর্তন এবং কীভাবে তিনি এই অভিজ্ঞতা তাঁর কুরাইশ সম্প্রদায়ের কাছে বর্ণনা করেছিলেন।[৫] মুহাম্মদের(স.) এই বিবরণ ইবনে আব্বাস লিপিবদ্ধ করেছেন বলে বলা হয়।[১২]
পাণ্ডুলিপি
[সম্পাদনা]কাস্তিলিয়ান সংস্করণটি হারিয়ে গেছে,[১][২] যদিও এর কিছু অংশের উদ্ধৃতি এস্কোরিয়াল-এর একটি পাণ্ডুলিপিতে থাকতে পারে।[১৩] ফ্রান্সিসকো আইসিমেনিস (১৪শ শতক) এবং আন্তোনিও দে তর্কেমাদা (১৫শ শতক) কাস্তিলিয়ান সংস্করণ সম্পর্কে জ্ঞাত ছিলেন।[১৩] কেউ কেউ ধারণা করেছেন যে কাস্তিলিয়ান সংস্করণটি শুধুমাত্র একটি খসড়া ছিল এবং মূলত লাতিন সংস্করণকেই প্রকাশের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।[১] লাতিন সংস্করণ দুটি পাণ্ডুলিপিতে সংরক্ষিত রয়েছে এবং ফরাসি সংস্করণ একটিতে।[১৪][১৫] সবগুলো পাণ্ডুলিপি ১৩শ[১৪] বা ১৪শ শতকের।[১৫] এছাড়াও এই গ্রন্থের অনেকগুলো সম্পাদনা ও আধুনিক অনুবাদ হয়েছে।[১৬]
- ভ্যাটিকান সিটি, বিবলিওথেকা অ্যাপোস্টোলিকা ভ্যাটিকানা, লাতিন ৪০৭২।[১৭]
- প্যারিস, বিবলিওথেক নাসিওনাল দ্য ফ্রান্স, লাতিন ৬০৬৪।[১৮]
- অক্সফোর্ড, বডলিয়ান লাইব্রেরি, লাউড মিসল ৫৩৭ (ফরাসি)।[১৯]
উত্তরাধিকার
[সম্পাদনা]মুহাম্মদের মই প্রায় নিশ্চিতভাবেই আরবি ভাষা থেকে অনূদিত হয়েছিল কারণ এটিকে ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলির একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। অনুবাদকরা এটিকে মুহাম্মদের বাণীর একটি প্রামাণিক নথি হিসেবে মনে করেছিলেন। দুটি লাতিন পাণ্ডুলিপিতে মুহাম্মদের মই তোলেদান কালেকশনের সঙ্গে কপি করা হয়েছে, যা মুসলিম লেখনীর ১২শ শতকের লাতিন অনুবাদের একটি সংগ্রহ।[১৫] এটি খ্রিস্টানদের দ্বারা মুহাম্মদের "দ্বিতীয় বই" হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে, যা কুরআনের পরের স্থান দখল করে, যদিও এ দাবি মুহাম্মদের কোনো লেখারই ঐশী অনুপ্রেরণার বিষয়টি অস্বীকার করেছিল।[২০] ফরাসি ভূমিকায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে পাঠক যেন ইসলামের "ভ্রান্তি ও অবিশ্বাস্য জিনিসগুলো" এই গ্রন্থে দেখতে পান।[১৫] মুহাম্মদের আত্মীয়স্বজনরা তার বর্ণনার প্রতি যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন, সেটি সম্ভবত অনুবাদকরা খ্রিস্টান পাঠকদের কাছে যে গ্রহণযোগ্যতা আশা করেছিলেন তা-ই প্রতিফলিত করে:
তুমি আমাদের বোঝাতে চাও যে এক রাতের মধ্যেই তুমি জেরুজালেমের মন্দিরে গিয়েছিলে এবং যা কিছু এর ভেতরে রয়েছে সব দেখেছিলে এবং এরপর তুমি সব আসমান, পৃথিবী, স্বর্গীয় উদ্যান ও নরকের অঞ্চলগুলো দেখেছিলে! ... এবং আমরা জানি এখানে থেকে ঐ মন্দির পর্যন্ত অন্তত এক মাসের পথ! এখন বলো, আমরা কীভাবে তোমার বলা সবকিছুকে বিশ্বাস করব?[২১]
মুহাম্মদের মই দান্তে আলিঘিয়েরি (মৃত্যু ১৩২১) দ্বারা পরিচিত ছিল এবং সম্ভবত লাতিন সংস্করণ থেকে উবার্তির ফাজিও (মৃত্যু ১৩৬৭) এবং লেচে থেকে রবার্তো কারাসিওলো (প্রায় ১৪৯০) থেকে সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছিলো।[১৩] পশ্চিম ইউরোপে এটি ১৫শ শতক পর্যন্ত কুরআনের পর ইসলামের দ্বিতীয় গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হতো।[১৪] এটি জুয়ান গিল ডি জামোরার (মৃত্যু প্রায় ১৩১৮) লিবার ইলুসট্রিয়াম পারসোনারুম এবং প্রিমেরা ক্রোনিক জেনারেলে মুহাম্মদের দ্বিতীয় গ্রন্থ হিসেবে উদ্ধৃত হয়েছে।[২২] ১৯০৭ সালে মিগুয়েল আসিন প্যালাসিওস প্রথম প্রস্তাব করেন যে এটি দান্তের ডিভাইন কমেডি-র একটি সম্ভাব্য উৎস হতে পারে।[২৩] তখন থেকেই এর প্রভাব নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক চলতে থাকে। অনেকে যুক্তি দিয়েছেন যে মুহাম্মদের মই-এর পাল্টা হিসেবে ডিভাইন কমেডি এক ধরনের খ্রিস্টান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রচিত হয়েছিল, যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো একমত সিদ্ধান্ত নেই।[২৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 Echevarría 2012, পৃ. 425।
- 1 2 3 4 Hyatte 1997, পৃ. 21।
- ↑ Echevarría 2005, পৃ. 135।
- ↑ Colby 2008, পৃ. 156।
- 1 2 3 4 5 Hyatte 1997, পৃ. 19।
- ↑ Colby 2008, পৃ. 158।
- 1 2 Echevarría 2005, পৃ. 136–138।
- ↑ Colby 2008, পৃ. 156–157।
- ↑ Echevarría 2005, পৃ. 137–140।
- ↑ Hyatte 1997, পৃ. 26।
- ↑ Hyatte 1997, পৃ. 25।
- ↑ Hyatte 1997, পৃ. 20।
- 1 2 3 Cerulli 1969।
- 1 2 3 Echevarría 2012, পৃ. 426।
- 1 2 3 4 Hyatte 1997, পৃ. 22।
- ↑ তালিকার জন্য দেখুন Echevarría 2012, পৃ. 426–427। একটি ইংরেজি অনুবাদ রয়েছে Hyatte 1997, পৃ. 97–198-এ।
- ↑ "Bibliographic References: Manuscript - Vat.lat.4072"। DigiVatLib। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০২৫।
- ↑ 1.° Chronica Sarracenorum : interprete Roberto Cuccatore , seu Kethenensi , Anglo : praefixus prologus, ubi de doctrina Mahumetis. — 2.° Alcoranus : eodem interprete, cujus praemittitur ad Petrum Venerabilem epistola de Alcorano. — 3.° Sarraceni epistola Christianum ad suam sectam invitantis, cum Christiani responso. — 4.° Petri Venerabilis ad S. Bernardum epistola de impia Sarracenorum doctrina. — 5.° Scala Mahumedis ; id est, quomodò per scalam Mahumedes ascendit in coelum : interprete Bonaventura de Senis. (ফরাসি ভাষায়)। ১২০১–১৩০০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: তারিখ বিন্যাস (লিঙ্ক) - ↑ "Bodleian Library MS. Laud Misc. 537"। digital.bodleian.ox.ac.uk (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০২৫।
- ↑ Echevarría 2005, পৃ. 135–136।
- ↑ Hyatte 1997, পৃ. 24।
- ↑ Echevarría 2005, পৃ. 142–144।
- ↑ Echevarría 2005, পৃ. 133–134।
- ↑ Hyatte 1997, পৃ. 25–26।
গ্রন্থপঞ্জি
[সম্পাদনা]- Cerulli, Enrico (১৯৬৯) [1960]। "Bonaventura da Siena"। Dizionario Biografico degli Italiani, Volume 11: Boccadibue–Bonetti (Italian ভাষায়)। Rome: Istituto dell'Enciclopedia Italiana। আইএসবিএন ৯৭৮-৮-৮১২০০০৩২-৬।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - Colby, Frederick S. (২০০৮)। Narrating Muḥammad's Night Journey: Tracing the Development of the Ibn ʿAbbās Ascension Discourse। State University of New York।
- Echevarría, Ana (২০০৫)। "Eschatology or Biography? Alfonso X, Muhammad's Ladder and a Jewish Go-Between"। Leyla Rouhi; Cynthia Robinson (সম্পাদকগণ)। Under the Influence: Questioning the Comparative in Medieval Castile। Brill। পৃ. ১৩৩–১৫২।
- Echevarría, Ana (২০১২)। "Liber scalae Machometi"। David Thomas; Alex Mallett (সম্পাদকগণ)। Christian–Muslim Relations: A Bibliographical History। খণ্ড ৪ (১২০০–১৩৫০)। Brill। পৃ. ৪২৫–৪২৮।
- Hyatte, Reginald (১৯৯৭)। The Prophet of Islam in Old French: The Romance of Muhammad (1258) and The Book of Muhammad's Ladder (1264)। Brill।