দ্য পারসুট অব হ্যাপিনেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দ্য পারসুইট অব হ্যাপিনেস
দ্য পারসুট অব হ্যাপিনেস চলচ্চিত্রের পোস্টার.jpg
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পোস্টার
পরিচালকগ্যাব্রিয়েল মুচ্চিনো
প্রযোজক
চিত্রনাট্যকারস্টিভেন কনরাড
উৎসদ্য পারসুইট অব হ্যাপিনেস by ক্রিস গার্ডনার
কুইন্সি ট্রুপ
শ্রেষ্ঠাংশে
বর্ণনাকারীউইল স্মিথ
সুরকারআন্দ্রিয়া গুয়েররা
চিত্রগ্রাহকফেডন পাপামাইকেল
সম্পাদকহিউজেস উইনবোর্ন
প্রযোজনা
কোম্পানি
পরিবেশকসনি পিকচার্স রিলিজিং
মুক্তি
  • ১৫ ডিসেম্বর ২০০৬ (2006-12-15)
দৈর্ঘ্য১১৭ মিনিট
দেশযুক্তরাষ্ট্র
ভাষাইংরেজি
নির্মাণব্যয়$৫৫ মিলিয়ন[১]
আয়$৩০৭.১ মিলিয়ন[১]

দ্য পারসুট অব হ্যাপিনেস ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি জীবনীধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র। গ্যাব্রিয়েল মুচ্চিনো ছবিটি পরিচালনা করেছেন এবং শ্রেষ্ঠাংশে রয়েছেন উইল স্মিথজাদেন স্মিথ। উইল স্মিথ গৃহহীন বিক্রেতা ক্রিস গার্ডনার ও জাদেন স্মিথ ক্রিস গার্ডনার জুনিয়রের চরিত্রে অভিনয় করেন। স্টিভেন কনরাড ছবিটির চিত্রনাট্য রচনা করেন। গার্ডনার ও কুইন্সি ট্রুপের ২০০৬ সালে রচিত আত্মজীবনী অবলম্বনে চিত্রনাট্যটি রচিত হয়েছে। গার্ডনার এক বছর ধরে গৃহহীন অবস্থায় যে সংগ্রামসঙ্কুল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যান, এটি তারই চিত্রায়ন। [২] ছবিটির শুদ্ধ নাম The pursuit of happiness হওয়ার কথা থাকলেও প্রকৃতপক্ষে এর নাম হয় The pursuit of happyness. গার্ডনারের ছেলে যে দিবাযত্নকেন্দ্রে পরিচর্যিত হয়, তার বাইরের দেয়ালের ম্যুরালের বানান তাকে এই নাম রাখতে অনুপ্রাণিত করে।

২০০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর কলাম্বিয়া পিকচার্স ছবিটি মুক্তি দেয়। এটি মোটামুটি ইতিবাচক সমালোচনাই লাভ করেছিল। স্মিথের অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। সেরা অভিনেতা ক্যাটাগরিতে এটি অস্কারগোল্ডেন গ্লোব এর মনোনয়ন পায়। [৩]

কাহিনীসংক্ষেপ[সম্পাদনা]

১৯৮১ সালে সান ফ্রান্সিসকোর বিক্রয়কর্মী ক্রিস গার্ডনার তার সারা জীবনের সঞ্চয় বহনযোগ্য হাড় শনাক্তকারী যন্ত্রে বিনিয়োগ করেন। তিনি চিকিৎসকদের এটি প্রদর্শনপূর্বক বলেন, এটি সাধারণ এক্স-রে অপেক্ষা অধিক কার্যকর, কারণ এতে কোয়ান্টাম শক্তির ধারণা ব্যবহার করা হয়েছে। এই শনাক্তকারী যন্ত্রগুলো তার জীবনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি এগুলোর অধিকাংশ বিক্রি করতে সক্ষম হলেও বিক্রি করার শ্লথ গতি ও ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাহিদা তার স্ত্রী লিন্ডাকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। লিন্ডা হোটেলে ভৃত্যের কাজ করে। তাদের ছেলে ক্রিস্টোফার জুনিয়রের বয়স শীঘ্রই পাঁচ বছর হবে। কিন্তু সাধারণ রঞ্জনরশ্মি যন্ত্র অপেক্ষা এগুলো অপেক্ষাকৃত অধিক দামি হলেও সামান্য ভালো ছবি তৈরি করতে পারে। এতে দ্রুতই ক্রিস সমস্যার সম্মুখীন হন। জীবনধারণের জন্য তিনি পর্যাপ্ত অর্থ রোজগার করতে পারেন না। লিন্ডাকেও দুই বেলা কাজ করতে হয়।

তার সাথে ডিন উইটারের ব্যবস্থাপক জে টুইস্টলের দেখা হয়। ক্রিস তার কাছে স্টকব্রোকারের চাকরির আবেদন করেন। ট্যাক্সিতে করে ঘোরার সময় রুবিকস কিউব সমাধান করে জে-কে ক্রিস মুগ্ধ করেন। জে চলে যায়। কিন্তু ক্রিসের কাছে কোনো অর্থ নেই। তাই সে পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। গার্ডিনারকে ক্রুদ্ধ গাড়িচালক বার্ট (বে এরিয়া র‍্যাপিড ট্রানজিশন) স্টেশন পর্যন্ত ধাওয়া করে। গার্ডিনার একটি ট্রেনে চড়ে বসলেও এ প্রক্রিয়ায় সে একটি শনাক্তকারী যন্ত্র হারিয়ে ফেলে।

কুশীলব[সম্পাদনা]

  • উইল স্মিথ - ক্রিস গার্ডনার
  • ট্যান্ডি নিউটন - লিন্ডা গার্ডনার
  • জাদেন স্মিথ - ক্রিস্টোফার গার্ডনার জুনিয়র
  • ব্রায়ান হো - জে টুইস্টি
  • ড্যান ক্যান্টেলানেটা - অ্যালান ফ্রাকেশ
  • জেমস ক্যারেন - মার্টিন ফ্রোম
  • কার্ট ফুলার - ওয়াল্টার রিবন
  • টাকায়ো ফিশার - মিসেস চু
  • মার্ক ক্রিস্টোফার লরেন্স - ওয়েন
  • ক্রিস গার্ডনার

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The Pursuit of Happyness"Box Office Mojo। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৬ 
  2. Pfeiffer, Antonia (2018). "The Pursuit of Happyness" - A Hollywood Interpretation কOf How To Achieve The American Dream. p. 7.
  3. https://variety.com/2016/film/news/will-smith-oscars-diversity-protest-nominations-1201684878/

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]