দ্য ডেইলি ম্যাশ
সাইটের প্রকার | ব্যাঙ্গাত্মক |
|---|---|
| উপলব্ধ | ইংরেজি |
| সম্পাদক | টিম টেলিং |
| স্লোগান | "ইটস্ নিউজ টু আস।" |
| ওয়েবসাইট | thedailymash |
| অ্যালেক্সা অবস্থান | |
| বাণিজ্যিক | হ্যাঁ |
| চালুর তারিখ | ২০০৭ |
| বর্তমান অবস্থা | সক্রিয় |
দ্য ডেইলি ম্যাশ (ইংরেজি: The Daily Mash) হল সাম্প্রতিক বিষয়াবলি ও অন্যান্য সংবাদের প্যারডি ভাষ্য প্রদানকারী একটি ব্রিটিশ বিদ্রুপাত্মক ওয়েবসাইট। নিল রাফেথি (দা সানডে টইমস-এর সাবেক রাজনৈতিক প্রতিবেদক) ও পল স্টোক্স (দা স্কটসম্যান-এর সাবেক ব্যবসায়িক সম্পাদক), একত্রে ২০০৭ সালে ওয়েবসাইটটি তৈরি করেন এবং নেতৃত্বস্থানীয় লেখকদের মধ্যে ছিলেন। উভয় লেখকই সে সময়ে এই এন্টারপ্রাইজ থেকে সম্মানী উপার্জন করতেন এবং ফ্রিল্যান্স অনুবাদক হিসেবেও নিয়োজিত ছিলেন। এই প্রকাশনা তাদের কিম্ভুতকিমাকার আচরণ, স্কটোলজিক্যাল হাস্যরস এবং অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ রাজনৈতিক বিদ্রুপের জন্য প্রশংসা অর্জন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দি ওনিয়ন প্রকাশনার সঙ্গে অনুকূলভাবে এর তুলনা করা হয়ে থাকে। এর বর্তমান সম্পাদক হাস্যরস লেখক এবং প্রাক্তন বিবিসি সাংবাদিক টিম টেলিং।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]সাংবাদিক পল স্টোক্স ও নিল রাফেথি কর্তৃক এপ্রিল ২০০৭ সালে দ্য ডেইলি ম্যাশ চালু হয়েছিল। স্টোক্স দ্য স্কটসম্যান-এর সাবেক ব্যবসায়িক সম্পাদক এবং স্কটল্যান্ড অন সানডে এবং ডেইলি রেকর্ড পত্রিকায় লিখতেন। রাফেথি হলেন দ্য সানডে টইমস-এর সাবেক রাজনৈতিক প্রতিবেদক, এছাড়াও তিনি প্রেস অ্যাসোসিয়েশন ও বিসনেস এম-এর জন্য লিখতেন এবং ছিলেন ফরেস্ট নামের ধূমপায়ীদের একটি 'লবি দলের সাবেক মুখপাত্র।[১] সাইটটি মূলত মার্কিন বিদ্রুপাত্মক প্রকাশনা দি অনিয়ন থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিল, যখন স্টোক্স ও রাফেথি ব্রিটেনে অনুরূপ একটি প্রকাশনার জন্য বাজারে ফাঁকা অবস্থা পেয়েছিলেন।[২][৩] দুইজন সাংবাদিকই প্রধানত স্কটিশ সংবাদপত্রের জন্য কাজ করতেন।
স্টোক্স ও রাফেথি উভয়ে সে সময়ে এই প্রত্রিকা থেকে সম্মানী গ্রহণ করতেন, এবং স্বল্পসময়ের জন্য ফ্রিল্যান্স লেখক হিসাবেও কাজ করেছেন। সাইটটি বিজ্ঞাপন ও ব্যবসায়ের মাধ্যমে রাজস্ব আয় করতো, এবং এটি একটি সফল মুনাফা আয়কারী এন্টারপ্রাইজ হয়ে ওঠে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী পাঠকের কারণে এটি বিজ্ঞাপনদাতাদের নিকট উপযুক্ত সুযোগ উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিল (সিটি কর্মীরা তাদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করায় দ্য ডেইলি ম্যাশ ও স্বাধীন প্রকাশনার নিকট অভিযোগ করে[৪])।[২]
প্রকাশনার প্রথম বছরের হাইলাইট হাল্ফউইট নেশন: ফ্রন্টলইন রিপোর্টিং ফ্রম দি ওয়ার অন স্টুপিড, বই হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে,[৫] ব্যাপক প্রশংসার পাশাপাশি[৬] যেটির বিরুদ্ধে অমেধাবী, মাত্রাতিরিক্ত অশোধিত হাস্যরসের অভিযোগ উঠে।[৭]
একটি অনলাইন জরিপ অনুযায়ী, সাইটের পাঠককুল প্রধানত সংবাদপত্র পড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক শিক্ষর্থীরা যারা প্রধানত দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট, দ্য গার্ডিয়ান এবং দ্য টাইমস পড়ে থাকে। একই জরিপ অনুযায়ী, এর পাঠকদের ৬৫ শতাংশের অধিক পাঠকদের £৩০,০০০ পউন্ডের বেশি এবং ২২ শতাংশের অধিক পাঠকদের £৭০,০০০ পাউন্ডের বেশি আয় রয়েছে।[২]
দ্য ম্যাশ রিপোর্ট
[সম্পাদনা]জুলাই ২০১৭ সালে, দ্য ডেইলি ম্যাশের শিরোনামে একটি টিভি অনুষ্ঠান, দ্য ম্যাশ রিপোর্ট শীর্ষক বিবিসি টু চ্যানেলে প্রথম প্রচারিত হয়।[৮] এটির প্রথম ধারাবাহিকে চারটি পর্ব রয়েছে। ১৮ জানুয়ারি ২০১৮-এ এর দ্বিতীয় ধারাবাহিকটি সম্প্রচার শুরু হয়েছে।
অভ্যর্থনা
[সম্পাদনা]দ্য ডেইলি ম্যাশ চলতি বিষয়াবলি ও অন্যান্য ঘটনার বিদ্রুপ উপস্থাপন করে থাকে এবং যুক্তরাজ্যের নেতৃস্থানীয় বিদ্রুপাত্মক খবরের ওয়েবসাইটে হিসাবে পরিচিত।[২][৯] সাইটটি "ভয় বা পক্ষপাত ব্যতীত বিদ্রুপ করে" এবং মূলধারার বিদ্রুপের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম রাজনৈতিকভাবে সঠিক হাস্যরস প্রদান করার লক্ষ্যে কাজ করে।[২] এই সাইটের হাস্যরস "নির্মম," "স্ক্যাটোলজিক্যাল," "কিম্ভুতকিমাকার" এবং "শ্রদ্ধাহীন" হিসাবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে।[২][১০] এটি সুপরিচিত ইউএস প্রকাশনা দ্য অনিয়ন-এর ব্রিটিশ বিকল্প এবং আপস্ট্রাট প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এবং পরর্তীতে এর কভারেজের কিছু ক্ষেত্রে সুবিধাজনকভাবে ও কিছু ক্ষেত্রে উচ্চতর আধুনিক হিসাবে বিবেচনা করা হয়।[২][৪][৯][১০][১১] তার রসবোধের থাকা সত্ত্বেও, বিভিন্ন ঘটনায় একে অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন বলে মনে করা হয়।[২][৪][১০] কিছু সমালোচক সাইটের সকল প্রবন্ধ বিদ্রুপ নয়, এবং কিছু বিষয়াদিতে অন্যন্য বিদ্রুপাত্মক ভাষাবিদ্যা উদ্ভাবনের অভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।[২][১০][১১]
দ্য ডেইলি ম্যাশ সইটের রচনাসমূহ কখনো কখনো অন্যান্য সংবাদ প্রকাশনা কর্তৃক মন্তব্য করা হয়ে থাকে। বহুল প্রশংসিত প্যপ্যারডি কভারেজ রয়েছে, গর্ডন ব্রাউনের উদ্দেশ্য জেরেমি ক্লার্কসনের বহু-প্রচারিত অপমানজনক মন্তব্য,[১২] টিম গ্রেট ব্রিটেনের পদক বিজয়ীদের বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান,[১৩] নর্দার্ন রক জাতীয়করণ,[১৪] পোপের সঙ্গে সাক্ষাতে গর্ডন ব্রাউন[১৫] এবং ব্যাংকারদের বোনাস।[১৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ রাফেথি, নিল (৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "Forget the nanny state, welcome to the bully state" (ইংরেজি ভাষায়)। দা ফ্রি সোসাইটি। ২৮ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০০৯।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 লুকহার্স্ট, টিম (১৭ আগস্ট ২০০৮)। "The Daily Mash - satirical, scatological and already profitable" (ইংরেজি ভাষায়)। দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট। ২৫ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ "Give us, this day, our Daily Mash" (ইংরেজি ভাষায়)। অল মিডিয়া স্কটল্যান্ড। ২০ এপ্রিল ২০০৭। ২৭ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২০।
- 1 2 3 ওল্টার, মার্টিন। "The Daily Mash bash is, sadly, no laughing matter for Citi" (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০০৯।
- ↑ "The Hot 100 2008" (ইংরেজি ভাষায়)। দা লিস্ট। ২০০৮। ১৩ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
- ↑ ইভিসন, জন। "Near death cures Tories" (ইংরেজি ভাষায়)। ফিনান্সিয়াল পোস্ট। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ হিকসন, এলা। "Why can't we have more good, old-fashioned fun this Christmas" (ইংরেজি ভাষায়)। দা স্কটসম্যান। ৫ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ বার্নহার্ট, জ্যাক (১৮ জুলাই ২০১৭)। "Politics has gone beyond satire – can the Mash Report catch up? - Jack Bernhardt" (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য গার্ডিয়ান। ১৭ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
- 1 2 "Mansized w00t!media feasts on The Daily Mash" (ইংরেজি ভাষায়)। হাও ডু। ১৭ আগস্ট ২০০৮। ১২ মে ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০০৮।
- 1 2 3 4 "'Bastard Americans ruin your life': Top 5 Daily Mash financial crisis satires"। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ। ৭ অক্টোবর ২০০৮। ২২ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
- 1 2 "দ্য ডেইলি ম্যাশ"। The Good Web Guide (ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
- ↑ ম্যাসি, অ্যালেক্স (৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)। "Dubious Proposition Of The Day" (ইংরেজি ভাষায়)। দা স্পেক্টটর। ৫ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ ওয়ালার, মার্টিন (৩০ আগস্ট ২০০৮)। "British Airways out of the medals in PR race"। দ্য টাইমস। ১২ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
- ↑ গুডলে, সিমন (২১ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "Business Diary: FSA fixer Sir Callum could be between Rock and a new place" (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ। ১১ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
- ↑ ক্যাম্পবেল, ডেভিড (২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)। "Citywire's Best of the Web" (ইংরেজি ভাষায়)। Citywire। ৫ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
- ↑ মার্শাল, ক্রিস (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)। "Citywire's Best of the Web" (ইংরেজি ভাষায়)। Citywire। ৫ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
