দ্য ঘোস্ট ক্লাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
দ্য ঘোস্ট ক্লাব
শিল্পভৌতিক গবেষণা
প্রতিষ্ঠাকাল১৮৬২, লন্ডন, ইংল্যান্ড, যুক্তরাজ্য
সদরদপ্তরলন্ডন, ইংল্যান্ড, যুক্তরাজ্য
প্রধান ব্যক্তি
অ্যালেন মার্দি
চেয়ারম্যান
ভ্যারনন হল্ট
সাধারন সম্পাদক
ডেরেক গ্রিন
তদন্ত কর্মকর্তা
ফিলিপ হাসিসন
ইভেন্ট অফিসার
ডা. পুল ফুলসাম
বিজ্ঞান অফিসার
ক্যারন ক্লিফ
মিডিয়া কর্মকর্তা
সারা ডারনেল
জার্নাল ইডিটর
জেমস থাচি
টেকনিকাল অফিসার
রিচার্ড স্টেক
ঘোস্ট ক্লাব ওয়েবমাস্টার
আয়অলাভজনক
ওয়েবসাইটhttp://www.ghostclub.org.uk/

দ্য ঘোস্ট ক্লাব ভৌতিক গবেষনার জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি সংস্থা। এটি ১৮৬২ সালে লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[১] ভৌতিক গবেষনার জন্য প্রতিষ্ঠিত সংস্থা গুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে পুরাতন সংস্থা।[১] এই সংস্থার প্রধান উদ্ধেশ্য হলো ভৌতিক কর্মকান্ড নিয়ে গবেষনা করা ও এর রিপোর্ট প্রকাশ করা।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮৫৫ সালে ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের এক সভায় ভূতবিষয়ক আদিভৌতিক এবং অলৌকিক নানা ঘটনা নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং এই আলোচনা থেকেই ঘোস্ট ক্লাব প্রতিষ্ঠার কথা চিন্তা করা হয়। ১৮৬২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘দ্য ঘোস্ট ক্লাব’। এই ক্লাবের অন্যতম প্রতিষ্ঠা সদস্য ছিলেন চার্লস ডিকেন্স। প্রতিষ্ঠার পর তারা প্রথম ১৮৬২ সালে অনুসন্ধান করেন ‘ড্যাভেনপোর্ট ব্রাদার্স’ নিয়ে। ইরা ইরাস্টাস ডেভেনপোর্ট এবং উইলিয়াম হেনরি ডেভেনপোর্ট ছিলেন দুই ভাই। আমেরিকান এই দুই জাদুকর দাবি করতেন তারা অতিপ্রাকৃত দৃষ্টিবিভ্রম তৈরি করতে সক্ষম। ‘স্পিরিট ক্যাবিনেট’ নামে একটি প্ল্যানচেট টেবিলের মাধ্যমে তারা মৃত আত্মাদের সাথে কথা বলতে পারে। ঘোস্ট ক্লাবের অনুসন্ধানে পরে এটি মিথ্যা প্রমানিত হয় যদিও তারা গবেষনার সমস্ত তথ্য নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন।

লন্ডনের এই সংগঠন মূলত ভূত, আত্মা এবং অপদেবতা নিয়ে গবেষণা করে থাকে। ১৯৭০ সালে চার্লস ডিকেন্স মৃত্যুবরণ করলে এই ক্লাবটি ধীরে ধীরে অচল হয়ে পরে।

১৮৮২ পুনরায় কার্যক্রম চালু[সম্পাদনা]

১৮৮২ সালে খ্রিস্টধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘অল সেইন্টস ডে’তে ‘দ্য ঘোস্ট ক্লাব’ আবার চালু হয়। বিখ্যাত সাংবাদিক-কবি অ্যালারিক আলেকজান্ডার ওয়াটসের ছেলে আলফ্রেড অ্যালারিক ওয়াটস নতুনভাবে ক্লাবটি চালু করার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। অনেকের কাছে তিনিই ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা। আলফ্রেড ক্লাবটি টিকিয়ে রেখেছিলেন ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত। তার সময়ই মূলত এটি জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তখন ক্লাবের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮২ জন। তাদের সবাই ছিল পুরুষ ও কোন মেয়ে সদস্য গ্রহণ করা হত না। প্রতি বছরের ২ নভেম্বর তৈরি করা হতো জীবিত এবং মৃত সব সদস্যের নামের তালিকা। ক্লাবের সঙ্গে সংযুক্ত সবাই ছিলেন সদস্য, হন তিনি জীবিত বা মৃত। ১৯৩৬ সালে ভেঙে যায় ‘দ্য ঘোস্ট ক্লাব’। সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, গচ্ছিত সব তথ্যই দান করা হবে ব্রিটিশ জাদুঘরে।

উল্লেখযোগ্য সদস্য[সম্পাদনা]

১৮৬২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঘোস্ট ক্লাবে অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

অনেক বইয়েই ঘোস্ট ক্লাবের নাম পাওয়া যায়, তাদের মধ্যে,

  • নো কমন টাস্ক (১৯৮৩) (পিটার আন্ডারউড)[২]
  • দিস হন্টেড ইসলি (১৯৮৪) (পিটার আন্ডারউড)[৩]
  • ঘোস্ট হান্টারস অ্যালমানাক (১৯৯৩) (পিটার আন্ডারউড)[৪]
  • নাইটস ইন হন্টেড হাউস (১৯৯৪) (পিটার আন্ডারউড)[৫]
  • সাম আনসিন পাওয়ার (১৯৮৫) (ফিলিপ পাউল)[৬]
  • দ্য এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ঘোস্টস এন্ড স্পিরিটস (১৯৯২) (রোজমেরি এলেন গিলে)[৭]
  • উইল স্টোর ভার্সেস দ্য সুপারন্যাচারাল (২০০৬) (উইল স্টোর)[৮]
  • দ্য গাইড টু মিসটেরিয়াস গ্লাসগাউ (২০০৯) (জিওফ হোল্ডার)[৯]
  • ঘোস্ট হান্টিং: অ্য সার্ভাইবার’স গাইড (২০১০) (জন ফ্রেসার)[১০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Peter Underwood (1978) "Dictionary of the Supernatural", Harrap Ltd., London, আইএসবিএন ০-২৪৫-৫২৭৮৪-২, Page 144
  2. Peter Underwood (1983) No Common Task: Autobiography of a Ghost Hunter, Harrap Ltd., London, আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৪৫-৫৩৯৫৯-৬
  3. Peter Underwood (1984) This Haunted Isle, Javelin Books, Poole, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭১৩৭-১৬৯৯-৩
  4. Peter Underwood (1993) The Ghosthunters Almanac, A Guide to Over 120 Hauntings, Eric Dobby Publishing Ltd., Orpington, আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৫৮৮২-০১০-১
  5. Peter Underwood (1994) Nights in Haunted Houses, Headline Book Publishing, London, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৪৭২-৪২৫৮-১
  6. Philip Paul (1985) Some Unseen Power - Diary of a Ghost-Hunter, R. Hale, London, আইএসবিএন ০-৭০৯০-২৩৮৪-৭
  7. Rosemary Ellen Guiley (1992) The Encyclopaedia of Ghosts and Spirits, Checkmark Books, New York, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৬০-৪০৮৬-৫
  8. Will Storr (2006) Will Storr Versus the Supernatural: One Man's Search for the Truth about Ghosts, Ebury Press, London, আইএসবিএন ৯৭৮-০-০৯-১৯০১৭৩-৮
  9. Geoff Holder (2009) The Guide to Mysterious Glasgow, The History Press, London, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৫২৪-৪৮২৬-৮
  10. John Fraser (2010) Ghost Hunting: a Survivor's Guide, The History Press, London, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৫২৪-৫৪১৪-৬