দ্য কর্ডোবা ফাউন্ডেশন
ফাউন্ডেশনের লোগো | |
| সংক্ষেপে | TCF, কর্ডোবা ফাউন্ডেশন |
|---|---|
| গঠিত | ২০০৫ |
| প্রতিষ্ঠাতা | আনাস আল-তিকরিতি |
| ধরন | থিঙ্ক ট্যাঙ্ক, গবেষণা ইনস্টিটিউট |
| উদ্দেশ্য | ইসলামি বিশ্ব ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে বোঝাপড়ার সেতুবন্ধন তৈরি |
| সদরদপ্তর | লন্ডন, যুক্তরাজ্য |
যে অঞ্চলে কাজ করে | বিশ্বব্যাপী |
দাপ্তরিক ভাষা | ইংরেজি |
সভাপতি | আনাস আল-তিকরিতি |
| সম্পৃক্ত সংগঠন | মুসলিম ব্রাদারহুড (অভিযোগিত) |
| ওয়েবসাইট | www |
দ্য কর্ডোবা ফাউন্ডেশন (ইংরেজি: The Cordoba Foundation) একটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা ও পরামর্শদাতা সংস্থা, যার ঘোষিত লক্ষ্য হলো “মুসলিম বিশ্ব ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়ার সেতুবন্ধন তৈরি করা”।[১] দ্য কর্ডোবা ফাউন্ডেশন ২০০৫ সালে লন্ডনে আনাস আল-তিকরিতি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।[১] আনাস পূর্বে মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন অব ব্রিটেনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।[২] সংগঠনটি যুক্তরাজ্যের রাজধণির মুসলমান্দের উপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতে সমর্থ হয়েছে। নানা প্রকাশনা ছাপার মাধ্যমে তারা ইসলামি সমাযে জনমত গঠনের কাজ করে থাকে।
কার্যক্রম
[সম্পাদনা]দ্য কর্ডোবা ফাউন্ডেশন তাদের লক্ষ্য পূরণে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, যেমন:[৩] মুসলিম নেতৃবৃন্দের জন্য লবিং ও জনসংযোগ প্রশিক্ষণ দেওয়া। বিশ্বব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায়ের অংশীদারদের একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা। মুসলিম চিন্তাবিদ ও শিক্ষার্থীদের জন্য বক্তৃতা সফর ও বিনিময় কার্যক্রমের আয়োজন করা। "বিশ্বজনীনতা, সামাজিক ন্যায়বিচার, সংস্কৃতির সংযোগ এবং ধর্মতাত্ত্বিক অধ্যয়নের পুনর্বিবেচনা" বিষয়ে গবেষণা ও প্রকাশনা করা। সংগঠনের মূল আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোর উপর সম্মেলন, সেমিনার ও আলোচনাসভা আয়োজন করা।
প্রকাশনা
[সম্পাদনা]দ্য কর্ডোবা ফাউন্ডেশন বিভিন্ন গবেষণাপত্র ও সাময়িকী প্রকাশ করে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- আর্চেস কোয়ার্টারলি – ইসলামিক-পশ্চিমা সম্পর্কের বর্তমান প্রবণতার বিশ্লেষণভিত্তিক একটি সাময়িকী
- অকেজনাল পেপারস – আন্তঃসাংস্কৃতিক বিনিময় বিষয়ে নীতিনির্ধারণ ভিত্তিক প্রবন্ধের একটি সিরিজ
- এন ইন্ট্রোডাকশন টু ইফেকটিভ লবিং এন্ড ক্যাম্পেয়িং এবং ওয়ার্কিং Working ওয়ার্কিং উইথ দ্য মিডিয়া: অ্যা গাইড ফর মুসলিম গ্রুপ - রাজনৈতিক কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুতকৃত টুলকিট।
সমালোচনা
[সম্পাদনা]দ্য কর্ডোবা ফাউন্ডেশনের নেতা আনাস আল-তিকরিতি প্রকাশ্যে হামাসকে এবং এর পদ্ধতিকে সমর্থন করেছেন।[৪] ২০১৬ সালে যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্স প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তাকে মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থক হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়।[৫] মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত দ্য কর্ডোবা ফাউন্ডেশনকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।[৬] একই ধরনের অভিযোগ দ্য সানডে টেলিগ্রাফ–এ অ্যান্ড্রু গিলিগান এবং আল জাজিরার আফরিন মাকসুদ-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।[৪] এ প্রতিবেদনগুলো প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন কর্তৃক শুরু করা মুসলিম ব্রাদারহুডবিষয়ক তদন্তের (জেনকিনস প্রতিবেদন) প্রাক্কালে প্রকাশিত হয়।[৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "About Us / Who We Are"। The Cordoba Foundation। ৩১ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৫।
- ↑ Altikriti, Anas। "Full profile"। The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৫।
- ↑ Foundation, The Cordoba। "What We Do | The Cordoba Foundation - Cultures in Dialogue"। www.thecordobafoundation.com। ২৩ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৫।
- 1 2 "How the Muslim Brotherhood fits into a network of extremism"। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৫।
- ↑ "'Political Islam', and the Muslim Brotherhood Review - Sixth Report of Session 2016–17" (পিডিএফ)। Parliament of the United Kingdom। House of Commons। পৃ. ১০। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- ↑ "UAE Cabinet approves list of designated terrorist organisations, groups | WAM"। www.wam.ae। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৫।
- ↑ Mendick, Robert (১৯ অক্টোবর ২০১৪)। "Downing Street set to crack down on the Muslim Brotherhood"। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট
- কর্ডোবা ফাউন্ডেশন সম্পর্কিত নিবন্ধ ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ আগস্ট ২০১৫ তারিখে – বিবিসি ওয়াচ