দ্য অ্যাফ্লিক্টেড (চলচ্চিত্র)
| দ্য অ্যাফ্লিক্টেড Afflicted | |
|---|---|
চলচ্চিত্রের পোস্টার | |
| পরিচালক | জেসন স্টোডার্ড |
| প্রযোজক | লেসলি ইস্টারব্রুক জেসন স্টোডার্ড |
| রচয়িতা | জেসন স্টোডার্ড |
| শ্রেষ্ঠাংশে | লেসলি ইস্টারব্রুক কেন হডার |
| বর্ণনাকারী | র্যান্ডি জোন |
| সুরকার | দেগে লেগ |
| চিত্রগ্রাহক | লী ড্যসিয়েল |
| সম্পাদক | রবার্ট গ্যালওয়ে |
| প্রযোজনা কোম্পানি | অ্যাফ্লিক্টেড পিকচারহাউস |
| পরিবেশক | নকচার্লান ফিচার্স |
| মুক্তি |
|
| স্থিতিকাল | ৮৩ মিনিট |
| দেশ | যুক্তরাষ্ট্র |
| ভাষা | ইংরেজি |
| আয় | $২১২,৯৪০[১] |
দ্য অ্যাফ্লিক্টেড (অ্যানাদার আমেরিকান ক্রাইম নামেও পরিচিত) হলো ২০১১ সালের একটি জেসন স্টোডার্ড রচিত ও পরিচালিত মার্কিন ভৌতিক-রমাঞ্চকর চলচ্চিত্র।[২] এটি সীমিত প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল;[৩] এর কাহিনি নির্মিত হয়েছে মার্কিন নারী থেরেসা নরের অপরাধের ওপর ভিত্তি করে; যিনি ১৯৬৪ সালে তার স্বামীকে হত্যা করেন এবং পরবর্তী ১৯৮০-এর দশকে নিজের দুই সন্তানকে নির্যাতন ও হত্যা করেন[৪][৫] চলচ্চিত্রে লেসলি ইস্টারব্রুক অভিনয় করেছেন ম্যাগি চরিত্রে, একজন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত চার সন্তানের মা, যিনি বাইবেলের নিজস্ব বিকৃত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে সন্তানদের ওপর নির্যাতন শুরু করেন। কেল হডার তার স্বামী হ্যাঙ্কের ভূমিকায় সহ-অভিনয় করেছেন।[৬]
কাহিনি
[সম্পাদনা]কার্লার ষোলোতম জন্মদিনের কয়েক ঘণ্টা পর গভীর রাতে হ্যাংক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে, তার মানসিকভাবে অস্থির স্ত্রী ম্যাগি তাকে ধরে ফেলে। দু'জনের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা হয় এবং তারা একে অপরের প্রতি পরকীয়ার অভিযোগ তোলে। হ্যাংক যখন সন্তানদের নিয়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়, তখন ম্যাগি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং ক্ষিপ্ত হয়ে বেসবল ব্যাট দিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। এরপর লাশ লুকিয়ে রেখে সন্তানদের জানায় যে, হ্যাংক নাকি তার উপপত্নীর সঙ্গে পালিয়ে গেছে।
স্বামীকে হত্যার পর ম্যাগি নিজেকে বাড়িতে বন্দি করে ফেলে, মদ্যপানে ডুবে যায়, এবং স্থানীয় এক দূরদর্শন ধর্মপ্রচারক জন স্ট্যাকওয়েলের প্রতি বিকৃত মোহে আসক্ত হয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে তার আচরণ আরও অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। ম্যাগি চার সন্তানকেই নিয়মিত নির্যাতন করতে থাকে। ক্যাথি তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে সাহায্য চাইতে গেলে, ম্যাগি বাচ্চাদের বিদ্যালয় ছাড়িয়ে দেয়। আর্থিক সংকটে পড়লে বিলকে জোর করে দিনমজুরের কাজ করতে বাধ্য করে এবং কার্লাকে র্যান্ডি নামের এক ব্যক্তির কাছে দেহব্যবসার জন্য পাঠানো শুরু করে। নিজের শরীর নিয়ে গভীর হীনমন্যতায় ভুগতে থাকা ম্যাগি রাগ ঝাড়ে ক্যাথির ওপর। এক রাতে সে টিনজাত খাবার ও শুকরের চর্বি মিশিয়ে জোর করে ক্যাথিকে খাওয়ায়, এবং ক্যাথি প্রতিবাদ করলে ম্যাগি তাকে গুলি করে। এরপর ক্যাথিকে বাথটবে বাঁধা অবস্থায় ফেলে রাখে, এবং আঘাত সারানোর নামে ব্যর্থ ও বিপজ্জনক উপায়ে চিকিৎসা করতে গিয়ে পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তোলে। ম্যাগির দেওয়া ভদকা ও বড়ির মিশ্রণ, যা সে "অবেদনিক" হিসেবে ব্যবহার করছিল এবং ভুল চিকিৎসার ফলে ক্যাথির মৃত্যু হয়।
ম্যাগি ঘুমিয়ে পড়লে বিল ক্যাথির মৃতদেহ সরাতে বের হয়। এই সময় কার্লা পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তার বাবার পচতে থাকা লাশের সাথে হোঁচট খায়। ম্যাগি তাকে ধরে ফেলে এবং বাকি সন্তানদের সামনে কার্লাকে কাঠের পায়দান দিয়ে পিটিয়ে শাস্তি দিতে বাধ্য করে। এরপর কার্লাকে একটি আলমারিতে আটকে রাখে, যেখানে সে ক্ষুধা, আঘাত ও নিঃসঙ্গতায় মারা যায়।
কার্লার মৃত্যুর পর ম্যাগি এবার সবচেয়ে ছোট মেয়ে গ্রেসকেও র্যান্ডির কাছে পাঠানো শুরু করে, আর বিলকে কার্লার দেহ ফেলে দিতে ও আগুন লাগিয়ে পোড়ানোর নির্দেশ দেয়। পরে পোড়া দেহটি পুলিশ উদ্ধার করে এবং পাদ্রি জন সেটিকে শনাক্ত করেন। তিনি দ্রুত ম্যাগির বাড়িতে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। এদিকে র্যান্ডির দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়ে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত গ্রেস, বন্দুক দিয়ে ম্যাগিকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর অন্ধ আতঙ্কে বিলকেও ছুরিকাঘাতে হত্যা করে; যদিও সে বুঝতে পারেনি বিলও একইভাবে ম্যাগিকে হত্যা করার পরিকল্পনা করছিল। পাদ্রি জন এসে গ্রেসকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং সব হত্যার দায় নিজের ওপর নেওয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু অপরাধবোধ, ট্রমা ও ভয়ের চাপে গ্রেস শেষ পর্যন্ত নিজেকেই গুলি করে আত্মহত্যা করে।
অভিনয়ে
[সম্পাদনা]- লেসলি ইস্টারব্রুক ম্যাগি চরিত্রে
- কেন হডার হ্যাংক চরিত্রে
- জেডি হার্ট পাদ্রি জন স্ট্যাকওয়েল চরিত্রে
- মিশেল গ্রে হার্টসো ক্যাথি চরিত্রে
- সিমস হল্যান্ড কারলা চরিত্রে
- র্যান্ডি জোনস গ্রেস চরিত্রে
- ড্যানিয়েল জোনস র্যান্ডি চরিত্রে
- কোডি অ্যালেন বিল চরিত্রে
- কনস্ট্যান্স কলিন্স প্রধান শিক্ষক ওয়ালশ চরিত্রে
- রন স্ট্যাফোর্ড গোয়েন্দা ডিবোস চরিত্রে
- অ্যান্থনি গার্নার গোয়েন্দা ম্যাকডোনাল্ড চরিত্রে
- অ্যান্থনি ওসমেন্ট কর্মকর্তা উইলিয়ামস চরিত্রে
- ম্যাথিউ এম অ্যান্ডারসন কর্মকর্তা সালিনস্কি চরিত্রে
- জেজেল ফ্লেমিং সাক্ষী চরিত্রে
মুক্তি
[সম্পাদনা]দ্য অ্যাফ্লিক্টেড চলচ্চিত্রটি ২১ অক্টোবর ২০১১ তারিখে নকটার্নাল ফিচার্সের মাধ্যমে একটি সীমিত প্রেক্ষাগৃহ মুক্তি পায়,[৩] এবং এর সঙ্গে একোর্ট ইন্টারন্যাশনাল ও মিডনাইট রিলিজিং যৌথভাবে যুক্ত ছিল।[৩] উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে চলচ্চিত্রটি $৯০,২৭২ আয় করে, এবং ১১ নভেম্বর ২০১১-র মধ্যে মোট আয় দাঁড়ায় $২১২,৯৪০।[৭]
চলচ্চিত্রটি ৩ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মিডনাইট রিলিজিংয়ের মাধ্যমে ডিভিডিতে প্রকাশিত হয়।[৮]
প্রতিক্রিয়া
[সম্পাদনা]লেসলি ইস্টারব্রুকের অভিনয়ের প্রশংসা করে অ্যাইন'ট ইট কুল নিউজ তাদের পর্যালোচনা শেষ করে এই বলে যে, "দ্য অ্যাফ্লিক্টেড হয়তো সবার জন্য নয়, তবে এর সাহসী অভিনয় এবং দর্শকের মনে গভীর প্রভাব ফেলার ক্ষমতার জন্য এটি বিশেষভাবে আলাদা।"[৯] হরর নিউজের কোরি ডান্না চলচ্চিত্রটিকে "অত্যন্ত হতাশাজনক" বললেও ইস্টারব্রুকের অভিনয়ের উচ্চ প্রশংসা করেন। তিনি চলচ্চিত্রটিকে ৪/৫ চূড়ান্ত স্কোর দিয়ে মন্তব্য করেন যে, চলচ্চিত্রটি "বাস্তব ভয়ের" এমন এক দিক অনুসন্ধান করে যা "শোষণমূলক হওয়ার চেয়ে অনেক বেশি বেদনাদায়ক ও মানবিক।"[১০] অন্যদিকে, অ্যারো ইন দ্য হেড চলচ্চিত্রটিকে ১/৪ গ্রেড প্রদান করে এবং এটিকে "দেখার অযোগ্য" ও "এক সম্পূর্ণ জগাখিচুড়ি" বলে অভিহিত করে। তাদের পর্যালোচনার সমাপ্তি টানা হয় এভাবে: "কঠোর মন্তব্য করতে ভালো লাগছে না, কিন্তু এটি কেবলই একটি খারাপ চলচ্চিত্র। এ নিয়ে ভালো কিছু বলার নেই। অভিনয় অতিরিক্ত নাটকীয়, চরিত্রগুলোতে কোনো গভীরতা বা সূক্ষ্মতা অনুপস্থিত, ও গতি অত্যন্ত দুর্বল"[১১]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "The Afflicted (2011)"। boxofficemojo.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Ryan Turek (১৬ জুন ২০১১)। "Kane Hodder, Leslie Easterbrook-Starring Afflicted Picked Up"। comingsoon.net (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য) - 1 2 3 Alex Divincenzo (১৭ জুন ২০১১)। "The Afflicted with Kane Hodder and Leslie Easterbrook acquired; new poster"। JoBlo.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Brad Miska (১৬ জুন ২০১১)। "Midnight Releasing Acquires Leslie Easterbrook/Kane Hodder Starrer The Afflicted"। bloody-disgusting.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Steve Barton (১৬ জুন ২০১১)। "Midnight Releasing Announces They Are Afflicted"। dreadcentral.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Adrian Halen (১৮ জুন ২০১১)। "Kane Hodder's The Afflicted Slated for Release – New Stills!"। horrornews.net (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "The Afflicted (2011)"। the-numbers.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ মার্সি পাপান্দ্রেয়া (১৩ মার্চ ২০১২)। "Exclusive clips/pic: Enter the strip club in this clip from The Afflicted plus bonus stills"। JoBlo.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "AICN Horror looks at new horrors ATM! Forgetting the Girl! Purification! The Afflicted! The Midnight Disease! Plus a look back at Night Train Murders!"। aintitcool.com (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ এপ্রিল ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Corey Danna (৫ অক্টোবর ২০১২)। "Film Review: The Afflicted (2010)"। horrornews.net (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "The Afflicted"। JoBlo.com (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=এবং|ওয়েবসাইট=একাধিকবার নির্দিষ্ট করা হয়েছে (সাহায্য)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- উদ্ধৃতি শৈলী ত্রুটি: অনাবশ্যক প্যারামিটার
- ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র
- ২০১১-এর চলচ্চিত্র
- ২০১১-এর পরিচালনা অভিষেক চলচ্চিত্র
- ২০১১-এর লোমহর্ষক থ্রিলার চলচ্চিত্র
- ২০১১-এর স্বাধীন চলচ্চিত্র
- ২০১১-এর মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার চলচ্চিত্র
- ২০১০-এর দশকের মার্কিন চলচ্চিত্র
- ২০১০-এর দশকের ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র
- ২০১০-এর দশকের শোষণমূলক চলচ্চিত্র
- ২০১০-এর দকশের মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার চলচ্চিত্র
- ২০১০-এর দশকের ধারাবাহিক খুনি চলচ্চিত্র
- বিষয়শ্রেণী:মার্কিন শোষণ চলচ্চিত্র
- সত্য ঘটনা অবলম্বনে মার্কিন চলচ্চিত্র
- মার্কিন লোমহর্ষক রোমাঞ্চকর চলচ্চিত্র
- মার্কিন স্বাধীন চলচ্চিত্র
- মার্কিন অরৈখিক আখ্যান চলচ্চিত্র
- মার্কিন মনস্তাত্ত্বিক লোমহর্ষক চলচ্চিত্র
- মার্কিন মনস্তাত্ত্বিক রোমাঞ্চকর চলচ্চিত্র
- মার্কিন ব্যক্তির সাংস্কৃতিক চিত্রায়ণ
- মার্কিন ধারাবাহিক খুনি চলচ্চিত্র
- ধারাবাহিক খুনির সাংস্কৃতিক চিত্রায়ণ
- পরিবারহত্যা সম্পর্কে কল্পকাহিনি
- পরিবারহত্যা সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- মদ্যাসক্তি সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- জন্মদিন সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- শিশু নির্যাতন সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- শিশু মৃত্যু সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- শিশুশ্রম সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- শিশু পতিতাবৃত্তি সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- শিশু যৌন নির্যাতন সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- পারিবারিক সহিংসতা সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- কর্মহীন পরিবার সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পতিতাবৃত্তি সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ষণ সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- ধর্ম সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- আত্ম-হানি সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- ভাইবোন সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিধবাত্ব সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- ২০১১-এর পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- সাউথ ক্যারোলাইনার পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- সাউথ ক্যারোলাইনায় ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- সত্য ঘটনা অবলম্বনে লোমহর্ষক চলচ্চিত্র
- নরহত্যা সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- খুন-আত্মহত্যা সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- মার্কিন ধর্মীয় লোমহর্ষক চলচ্চিত্র
- ধর্মীয় থ্রিলার চলচ্চিত্র
- নির্যাতন সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- ইংরেজি ভাষার লোমহর্ষক থ্রিলার চলচ্চিত্র
- মার্কিন শোষণ চলচ্চিত্র
- ইংরেজি ভাষার স্বাধীন চলচ্চিত্র