দোসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
দোসা
Dosa and ghee.jpg
চাটনির সাথে দোসা
অন্যান্য নামচাপটি / চাপড়া পিঠা / চটা পিঠা
প্রকারপ্রধান খাবার
উৎপত্তিস্থলভারত
অঞ্চল বা রাজ্যদক্ষিণ ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, মায়ানমার, সিংগাপুর এবং মালয়েশিয়া
পরিবেশন তাপমাত্রাগরম
প্রধান উপকরণচাল এবং কলাইয়ের ডাল
ভিন্নতাডিম দোসা, মশলা দোসা, রাভা দোসা, পেঁয়াজ দোসা এবং আরো অনেক।
রান্নার বই: দোসা  মিডিয়া: দোসা

দোসা হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশের একটি রুটিজাতীয় খাবার যা আটার গোলা বা খামি থেকে তৈরী করা হয়। এর প্রধান উপাদান চাল এবং কলাইয়ের ডাল। দোসা দক্ষিণ ভারতীয়দের খাদ্যাভ্যাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এটা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান সহ ভারতীয় উপমহাদেশে জনপ্রিয়। প্রথাগতভাবে গরম সাম্বার, আলু তরকারি, পনির বা চাটনির সংগে দোসা পরিবেশন করা হয়। বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে এটা চাপটি, চাপড়া পিঠা, চটা পিঠা নামে পরিচিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সস্তা

পুষ্টি[সম্পাদনা]

প্রথাগতভাবে কলাপাতায় পরিবেশিত দোসা সাথে চাটনি এবং সাম্বার।

দোসায় উচ্চমাত্রায় শর্করা থাকে। কোন চিনি বা সম্পৃক্ত চর্বি থাকেনা। যেহেতু এর প্রধান উপাদান চাল এবং কলাইয়ের ডাল তাই এতে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন থাকে।[১] গাঁজন প্রক্রিয়া ভিটামিন বি এবং সি'র পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।[২]

প্রস্তুতপ্রণালী[সম্পাদনা]

দোসা তৈরি।

প্রকারভেদে দোসা তৈরির একধিক পদ্ধতি আছে। এখানে সাধারণ একটি পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো।

  1. চাল, ডাল ও মেথি ভালো করে ধুয়ে ৩-৪ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
  2. চিড়া ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
  3. চাল, ডাল, মেথি ও চিরা মিক্সারে মিহি করে বেটে নিতে হবে।
  4. মিশ্রণটিতে সামান্য লবণ , চিনি, বেকিং সোডা মিশিয়ে নিতে হবে।
  5. চুলায় তাওয়া বসিয়ে তাতে তেল দিয়ে ব্রাশ করে নিতে হবে।
  6. মিশ্রণ গোলা চামচে নিয়ে তাওয়ার উপর গোল করে বিছিয়ে দিতে হবে রুটির আকারে।
  7. দোসার একদিক ভাজা হয়ে এলে উলটে দিতে হবে।
  8. দোসার দুদিক ভাজা হয়ে গেলে একইভাবে বাকি দোসাগুলোও বানিয়ে নিতে হবে।

পরিবেশন[সম্পাদনা]

সহজে তৈরি খাবার হিসেবে দোসার সাথে বিভিন্ন সবজি এবং সস দিয়ে খাওয়া হয়। অঞ্চল ও ব্যক্তিভেদে দোসাতে ব্যবহৃত সবজি তরকারীর ধরণ আলাদা হয়। সাধারণত সাম্বার, ভেজা চাটনি, শুকনা চাটনি, ভারতীয় আচার ইত্যাদি দিয়ে দোসা পরিবেশন করা হয়।

প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Srilakshmi, B. (২০০৬) [2002]। Nutrition Science (Revised 2nd সংস্করণ)। New Age International (formerly Wiley Eastern Ltd.)। পৃষ্ঠা 403। আইএসবিএন 978-81-224-1633-6। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৫-২২ 
  2. Nutrition and Dietetics - Higher Secondary - First Year (PDF)। Directorate of School Education, Government of Tamil Nadu। ২০০৪। পৃষ্ঠা 31। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৮-৩০