দোলমাবাহজে প্রাসাদ

স্থানাঙ্ক: ৪১°০২′২২″ উত্তর ২৯°০০′০৬″ পূর্ব / ৪১.০৩৯৪৪° উত্তর ২৯.০০১৬৭° পূর্ব / 41.03944; 29.00167
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দোলমাবাহচে প্রাসাদ
Dolmabahçe Sarayı
Istanbul asv2020-02 img51 Dolmabahçe Palace (cropped).jpg
বসফরাস (ইস্তাম্বুল অংশ) থেকে দোলমাবাহজে প্রাসাদের একটি দৃশ্য
দোলমাবাহজে প্রাসাদ ইস্তানবুল-এ অবস্থিত
দোলমাবাহজে প্রাসাদ
সাধারণ তথ্য
ধরনপ্রাসাদ (১৮৫৬–১৯২২)
স্থাপত্য রীতিবারোক পূনর্জাগরণ এবং রোকোকো পূনর্জাগরণ
অবস্থানইস্তাম্বুল, তুরস্ক
স্থানাঙ্ক৪১°০২′২২″ উত্তর ২৯°০০′০৬″ পূর্ব / ৪১.০৩৯৪৪° উত্তর ২৯.০০১৬৭° পূর্ব / 41.03944; 29.00167
নির্মাণ শুরু হয়েছে১৮৪৩
সম্পূর্ণ১৮৫৬
গ্রাহকউসমানীয় সুলতান
স্বত্বাধিকারীতুরস্ক রাষ্ট্র
নকশা এবং নির্মাণ
স্থপতিগারাবেত বালয়ান
ওয়েবসাইট
https://www.millisaraylar.gov.tr/en

দোলমাবাহচে প্রাসাদ (তুর্কি: Dolmabahçe Sarayı দোল্‌মাবাহ্‌চে সারায়ি) ইস্তাম্বুলের বেসিকতাসে অবস্থিত একটি উসমানীয় প্রাসাদ, যা বসফরাস প্রণালির ইউরোপীয় তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত। ধারণা করা হয়, এই প্রাসাদ ১৮৫৩ সালে নির্মাণ করা হয়। এই প্রাসাদ ১৮৫৬-১৯২২ সাল পর্যন্ত উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। (ইলদিয প্রাসাদ অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ব্যবহৃত হয়েছিল)

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দোলমাবাচে প্রাসাদ তৎকালীন উসমানীয় সাম্রাজ্যের ৩১তম সম্রাট সুলতান প্রথম আব্দুল মজিদের আদেশে নির্মাণ করা হয়। ১৮৪৩-১৮৫৬ সালের মধ্যে এটি নির্মিত হয়। হাজি সাইদ আগা এই প্রাসাদ নির্মাণের প্রধান দায়িত্ব পালন করেন। যদিও এর স্থপতি হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন গারাবেত বালিয়ান, তাঁর পুত্র নিগোয়ায়োস বালিয়ান এবং এভানিস কালফা।

Facade of the Selamlık

নির্মাণে খরচ হয়েছে পাঁচ মিলিয়ন অটোমান স্বর্ণমুদ্রা, বা ৩৫ টন সোনার, ক্যারেটের সমতুল্য। বর্তমান (২০২১) বাজারমূল্যে তা ১.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ।[১][২] এই অর্থপরিমাণ তৎকালীন বার্ষিক কর-রাজস্বের প্রায় এক চতুর্থাংশের মত। প্রকৃতপক্ষে, নির্মাণের অর্থায়ন করা হয়েছিল অপকৃষ্টতার বিপুল পরিমাণ কাগজের অর্থের মাধ্যমে, সেইসাথে বিদেশী ঋণও নেওয়া হয়। এই বিশাল খরচ রাষ্ট্রীয় কোষাগারের উপর একটি বিশাল বোঝা চাপিয়ে দেয় এবং অটোমান সাম্রাজ্যের অবনতিশীল আর্থিক পরিস্থিতির জন্য অবদান রাখে, যা শেষ পর্যন্ত অক্টোবর ১৮৭৫ এর পাবলিক ঋণ কে পরিশোধে অক্ষম করে দেয়, একই সাথে ১৮৮১ সালে ইউরোপীয় শক্তি সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ এর উপর আর্থিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ফেলে।

প্রাসাদটি ১৮৫৬ সাল থেকে ১৯২৪ সালে খিলাফতের বিলুপ্তির আগ পর্যন্ত ছয়জন সুলতানের বাসস্থান ছিল: এখানে বসবাসকারী শেষ রয়েল ছিলেন খলিফা আব্দুল মাজিদ এফেন্দি। একটি আইনের মাধ্যমে, যা ৩ মার্চ, ১৯২৪ সালে কার্যকর হয়েছিল, প্রাসাদটির মালিকানা নতুন তুর্কি প্রজাতন্ত্রের জাতীয় ঐতিহ্যে স্থানান্তরিত করে দেয়। মুস্তফা কামাল আতাতুর্ক, তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি, গ্রীষ্মকালে প্রাসাদটিকে রাষ্ট্রপতির বাসভবন হিসাবে ব্যবহার করতেন এবং এখানে তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ প্রণয়ন করতেন। আতাতুর্ক তার চিকিৎসার শেষ দিনগুলি এই প্রাসাদে কাটিয়েছিলেন, সেখানেই তিনি ১০ নভেম্বর, ১৯৩৮ সালে মারা যান।

বর্তমানে, প্রাসাদটি তুরস্কের গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি এর জন্য ব্যবহৃত হয় যা পরিচালনা করে মিল্লি সারাইলার দাইরে বাস্কানলিগি (জাতীয় প্রাসাদের অধিদপ্তর)।

অবস্থান[সম্পাদনা]

বসফোরাস অংশ থেকে প্রাসাদের দৃশ্য

দোলমাবাহজের স্থানটি মূলত ছিল বসফরাস উপসাগর, যা অটোমান নৌবহরের নোঙর রাখার জন্য ব্যবহৃত হত। ধীরে ধীরে এলাকাটি ১৮ শতকের রাজউদ্যানে পরিণত হয়, যার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতেন অটোমান সুলতানগণ; এই বাগানই থেকেই মুলত "দোলমাবাহচে" (বাগানঘেরা) নামটি এসেছে, তুর্কি "দোলমা" অর্থ "ভরপুর" এবং "বাহচে" অর্থ "বাগান"। ১৮ এবং ১৯ শতকে এখানে বিভিন্ন ছোট ছোট গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদ এবং কাঠের প্যাভিলিয়ন তৈরি করা হয় যা শেষ পর্যন্ত বেশকিতাশ ওয়াটারফ্রন্ট প্যালেস নামে একটি প্রাসাদ কমপ্লেক্সে পরিণত হয়। ১১০,০০০ মি এলাকাটির পূর্ব দিকে বসফোরাস অংশ, অন্যদিকে এর খাড়া মিনারটি পশ্চিমে ঘেরা, ৪৫,০০০ মি নতুন নির্মাণের পরে মনোব্লক দোলমাবাহচে প্রাসাদ বাগান কমপ্লেক্সের জন্য অপেক্ষাকৃত সীমিত জায়গা রয়ে যায় যা সাধারণত এমন একটি প্রাসাদকে ঘিরে থাকে।[৩][৪]

Design and layout[সম্পাদনা]

The Ceremonial Hall, with the chandelier once thought to have been a gift by Queen Victoria

Dolmabahçe is the largest palace in Turkey. It has an area of ৪৫,০০০ মি (১১.১ একর), and contains 285 rooms, 46 halls, 6 baths (hamam) and 68 toilets.[৩][৪]

The design contains eclectic elements from the Baroque, Rococo and Neoclassical styles, blended with traditional Ottoman architecture to create a new synthesis. The palace layout and décor reflect the increasing influence of European styles and standards on Ottoman culture and art during the Tanzimat period. The exterior, in particular the view from the Bosporus, shows a classical European two-wing arrangement which is divided by a big avant-corps with two side avant-corps.

Floor plan of the palace

Functionally, on the other hand, the palace retains elements of traditional Ottoman palace life, and also features of traditional Turkish homes. It is strictly separated structurally in a southern wing (Mabeyn-i Hümâyûn, or Selamlık, the quarters reserved for the men) which contains the public representation rooms, and a northern wing (Harem-i Hümâyûn, the Harem) serving as the private residential area for the Sultan and his family. The two functional areas are separated by the big Ceremonial Hall (Muayede Salonu) with a floor area of ২,০০০ মি (২২,০০০ ফু) and a ৩৬ মি (১১৮ ফু) high dome. Since the harem had to be completely isolated from the outside world, the main entrance for the visitors is located on the narrow southern side. There, the representation rooms are arranged for receptions of visitors and of foreign diplomats. The harem area includes eight interconnected apartments for the wives of the sultan, for his favourites and concubines, and for his mother, each with its own bathroom.

Décor and equipment[সম্পাদনা]

Crystal Staircase with Baccarat crystal banisters and chandelier
The Blue Hall
The Sultan's hamam decorated with Egyptian alabaster

Whereas the Topkapı Palace has exquisite examples of Iznik tiles and Ottoman carving, the Dolmabahçe palace is extensively decorated with gold and crystal. Fourteen tonnes of gold were used to gild the ceilings.[৫] Over 100 kg of gold[৬] was used to decorate the palace which roughly translates to US$6 million.

The world's largest Bohemian crystal chandelier is in the Ceremonial Hall. The chandelier was originally assumed to have been a gift from Queen Victoria; in 2006, however, a receipt was discovered showing it had been paid for in full by the Sultan. It has 750 lamps and weighs 4.5 tonnes.

Dolmabahçe has the largest collection of Bohemian and Baccarat crystal chandeliers in the world. The famous Crystal Staircase has the shape of a double horseshoe and is built of Baccarat crystal, brass and mahogany.

Expensive stones such as Marmara (Proconnesian) marble, Egyptian alabaster (calcite, also known as onyx-marble), and Porphyry from Pergamon were used for the decoration.

The palace includes a large number of Hereke palace carpets made by the Hereke Imperial Factory. The Hereke carpet featured in the main hall happens to be the largest Hereke rug[৬] in the world. Also featured are 150-year-old bearskin rugs originally presented to the Sultan as a gift by Tsar Nicholas I.

A collection of 202 oil paintings is on display in the palace. A highlight of the collection are 23 paintings by Ivan Aivazovsky which he created as a court painter during his stays in Istanbul.[৭] The collection also includes paintings by Gustave Boulanger, Jean-Léon Gérôme, Eugène Fromentin, Stanisław Chlebowski, Félix Ziem, Karl Joseph Kuwasseg, Fausto Zonaro, Théo van Rysselberghe and Alexander Sandor Svoboda. There are also paintings by Turkish painters such as Osman Hamdi Bey, Halil Pasha and Osman Nuri Pasha in this art museum.

From the very beginning, the palace's equipment implemented the highest technical standards. Gas lighting and water-closets were imported from Great Britain, whereas the palaces in continental Europe were still lacking these features at that time. Later, electricity, a central heating system and an elevator were installed.

গঠনশৈলি[সম্পাদনা]

এই প্রাসাদ মোট ১,১০,০০০ বর্গ মিটার এলাকা জুড়ে অবস্থিত।[৩][৪]

প্রাসাদটি তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত।

  • মাবেইন-ই হুমায়ুন (এই অংশ পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত)
  • মুয়ায়েদে সালোনু (বাণিজ্যিক হল)
  • হারেম-ই হুমায়ুন (সুলতানের পরিবারবর্গের বাসস্থান)

মূল প্রাসাদটির আয়তন ৪৫,০০০ বর্গ মিটার (১১.২ একর)। এই প্রাসাদে মোট ২৮৫ টি কক্ষ, ৪৬ টি হলরুম, ৬ টি রাজকীয় স্নানাগার (হামাম) এবং ৪৮ টি টয়লেট রয়েছে।

মেধল হল (প্রধান প্রবেশ)[সম্পাদনা]

এই প্রাসাদ দেখতে গেলে প্রথমেই মেধল হল পড়ে। এই হলরুম সমুদ্র ও তীরের সম্মুখভাগে অবস্থিত। এই রুমটি উসমানীয় সাম্রাজ্যের সভাকক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হত।

রাজ্যের সচিবদের কক্ষ[সম্পাদনা]

মেধল হলের পরেই ডানদিকে তৎকালীন রাজ্যের হিসাবরক্ষকদের হল অবস্থিত। এই রুমটি “টাইল্ড রুম” হিসেবে পরিচিত। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মূল্যবান চিত্রশৈলি এই হলে রয়েছে, যা হলের দেয়ালে শোভা বৃদ্ধি করেছে।

মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের কক্ষ[সম্পাদনা]

মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক স্বাধীন তুরস্কের স্থপতি ও প্রথম রাষ্ট্রপতি। তিনি এই প্রাসাদে তাঁর জীবনের শেষ সময়গুলো কাটান চিকিৎসার জন্য। তিনি ১০ নভেম্বর, ১৯৩৮ সালে সকাল ৯.০৫-এ মৃত্যুবরণ করেন। তিনি যেই ঘরে থাকতেন, সেই ঘরেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন, যা বর্তমানে যাদুঘরের একটি অংশ হিসেবে সংরক্ষিত। সে সময় পুরো প্রাসাদের সকল ঘড়ি ৯.০৫ এ বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা আর চালু করা হয় নি। কিন্তু পরবর্তীতে পুরাতন ঘড়িগুলোর পাশাপাশি নতুন ঘড়ি লাগানো হয়। তবে পুরাতন ঘড়িগুলো এখনো ৯.০৫-এ বন্ধ আছে।

ভিজিট আওয়ার[সম্পাদনা]

দলমাবা’চ প্রাসাদ যাদুঘরটি সরকারী ছুটির দিন (সোমবার ও বৃহস্পতি বার ব্যতীত) সকাল ৯.০০ থেকে বিকাল ৪.০০ পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Dolmabahce Palace
  2. Goldgrambars.com
  3. Dolmabahçe Palace Museum ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জুলাই ১৭, ২০১১ তারিখে উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "IstanbulNet" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  4. Turkish Ministry of Tourism site about Dolmabahçe Palace উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "CultureTourism" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  5. Dolmabahçe Palace, Emporis
  6. "The City Opens Your Eyes Because It Wants to Be Seen", A Companion to Early Modern Istanbul, BRILL, পৃষ্ঠা 25–60, ২০২১-১০-২১, আইএসবিএন 9789004444928, এসটুসিআইডি 240471363 Check |s2cid= value (সাহায্য), ডিওআই:10.1163/9789004468566_003, সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-০৭ 
  7. Historical Ottoman Palace reopens as museum, EuroAsiaNews.com, March 22, 2014

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]