দোয়েল চত্বর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
দোয়েল চত্বর - পশ্চিম দিক থেকে

দোয়েল চত্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভিতরে কার্জন হলের সামনে অবস্থিত, বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েলের একটি স্মারক ভাস্কর্য। এর স্থপতি হলেন আজিজুল জলিল পাশা। এটি বাংলাদেশের জাতীয় বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক যা বাংলাদেশের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।

লোক ও কারুশিল্পীরা দোয়েল চত্বর এলাকায় প্রায় ৪০টি মৃৎশিল্পের দোকানসহ মোট ৫০টি বাঁশ, বেত ও কাঠের হস্তশিল্পের দোকানে নানা বাহারি পণ্যের পসরা নিয়ে বসে। এখানে পাওয়া যায়, মাটির তৈরি বিভিন্ন তৈজসপত্র, ছোট-বড় বিভিন্ন আকারের হাঁড়ি-পাতিল, কলস, সরা, ফুলদানি, বাহারি খেলনা, মাটির সানকি, কাপ-পিরিচ, জগ, থালা, বাটি, পোড়ামাটির ভাস্কর্য, মাটির তৈরি ফলমূল, অলঙ্কার, বৈশাখী চুরি, বেত ও কাঠের শোপিস, পাটের শিকা, পুতুল, হ্যান্ডপার্স, সাইডব্যাগ, হোগলা পাতা ও নারিকেলের খোসার তৈরি নানা ধরনের শোপিস। এছাড়াও নকশী করা তালপাতার পাখা, বাঁশের বাঁশি, কুলো, ডালা, পাখি, নৌকা, একতারা, ডুগডুগি, ঢোল, মাথার মাথাল, সাপের বীণ, পুঁতির মালা, কুড়েঘর ও গ্রাম্য চিত্রকর্মসহ হাজারও বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী পণ্য রয়েছে।[১][২][৩]

দোয়েল চত্বর এলাকায় হস্তশিল্পকর্মের দোকান

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বৈশাখী সম্ভারে দোয়েল চত্বরের মৃৎশিল্পের দোকান"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। এপ্রিল ১২, ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১, ২০১৯ 
  2. "বৈশাখী কেনাকাটা"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। এপ্রিল ৭, ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১, ২০১৯ 
  3. "বৈশাখী কেনাকাটায় চেনা ফুটপাত দোয়েল চত্বর"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। এপ্রিল ১০, ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১, ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]