দোমুল্লাহ হাসান মাদ্রাসা
| দোমুল্লাহ হাসান মাদ্রাসা | |
|---|---|
Domulla Hasan madrasasi | |
দোমুল্লাহ হাসান মাদ্রাসার বর্তমান দৃশ্য | |
![]() | |
| বিকল্প নাম | দোমুল্লো হাসান মাদ্রাসা, বোজোরি আলাফ মাদ্রাসা |
| সাধারণ তথ্যাবলী | |
| অবস্থা | রাষ্ট্রীয় সুরক্ষাধীন[১] |
| ধরন | মাদ্রাসা |
| স্থাপত্যশৈলী | মধ্য এশীয় স্থাপত্য |
| ঠিকানা | কোকালদোশ এমএফওয়াই, মেহতার আনবার সড়ক |
| শহর | বোখারা প্রদেশ |
| দেশ | উজবেকিস্তান |
| স্থানাঙ্ক | ৩৯°৪৬′২৫″ উত্তর ৬৪°২৫′২১″ পূর্ব / ৩৯.৭৭৩৫৪° উত্তর ৬৪.৪২২৪৩° পূর্ব |
| উন্মুক্ত হয়েছে | ১৯শ শতাব্দী |
| স্বত্বাধিকারী | রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি |
| কারিগরি বিবরণ | |
| উপাদান | ইট |
| আকার | ২৩টি কক্ষ |
| তলার সংখ্যা | দুই তলা |
দোমুল্লাহ হাসান মাদ্রাসা (অন্য নাম: দোমুল্লো হাসান মাদ্রাসা, বোজোরি আলাফ মাদ্রাসা) হলো উজবেকিস্তানের বুখারা প্রদেশের ঐতিহাসিক শহর বুখারায় অবস্থিত একটি দুই তলা বিশিষ্ট মাদ্রাসা ভবন। এটি উজবেকিস্তানের স্থাবর বস্তুগত এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জাতীয় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে এটি পর্যটন সেবা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মাদ্রাসাটি ১৯শ শতাব্দীর শুরুতে বুখারা আমিরাতের তৎকালীন রাজধানী বুখারার কোকিলায়ি হোর্ড গুজারে (মহল্লা) নির্মিত হয়েছিল। এটি উজবেক শাসক আমীর হায়দারের শাসনামলে হাসান আখুন্দ ইবনে খাল আজ-জারির আল-বুখারী (দোমুল্লাহ হাসান)-এর ব্যক্তিগত অর্থায়নে নির্মিত হয়।[২][৩]
দোমুল্লাহ হাসান ১৭৭৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। আমীর হায়দার এবং আমীর নাসরুল্লাহ খানের আমলে তিনি প্রথমে মুফতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিখ্যাত কোকালদোশ মাদ্রাসায় অধ্যাপনা করেন এবং সেই প্রতিষ্ঠানের রেক্টর পদে উন্নীত হন। ১৮৫৭ সালের ২১ জুন ৭৮ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর তার পুত্র আব্দুল হক এই মাদ্রাসার প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন।[৩]
সোভিয়েত শাসন প্রতিষ্ঠার পর এই মাদ্রাসায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০১০ সালে গৃহীত রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অধীনে ২০১১ সালে মাদ্রাসাটির জরুরি সংস্কার, কাঠামোগত শক্তিশালীকরণ এবং চারপাশের এলাকা সৌন্দর্যায়নের পরিকল্পনা করা হয় এবং এর জন্য ৫ মিলিয়ন সুম (উজবেকিস্তানি মুদ্রা) বরাদ্দ করা হয়।[৪]
বর্তমানে ২০১৯ সালে অনুমোদিত জাতীয় ঐতিহ্যের তালিকার ভিত্তিতে এটি পর্যটন সেবা কেন্দ্র হিসেবে আধুনিক ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।[১] মাদ্রাসার প্রধান সড়কের দিকের নিচের তলার কক্ষগুলোকে বর্তমানে দোকানে রূপান্তরিত করা হয়েছে।[৩] এটি বুখারার কোকালদোশ এমএফওয়াই-এর মেহতার আনবার সড়কে অবস্থিত।
স্থাপত্য
[সম্পাদনা]মাদ্রাসা ভবনটি পোড়ানো ইট দিয়ে নির্মিত এবং এটি দুই তলা বিশিষ্ট।[২] এতে ছাত্রদের থাকার ও পড়াশোনার জন্য মোট ২৩টি হুজরা বা কক্ষ রয়েছে।[৩]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Моддий маданий мероснинг кўчмас мулк объектлари миллий рўйхатини тасдиқлаш тўғрисида Ўзбекистон Республикаси Вазирлар Маҳкамасининг 846-сон 04.10.2019 й. қарори"। Lex.uz। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২১।
- 1 2 "Медресе Домулло Хасан"। Rusrav.uz। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২১।
- 1 2 3 4 Jumanazar A. (২০১৭)। Buxoro taʼlim tizimi tarixi। পৃ. ২৪০–২৪১।
- ↑ "Государственная программа по исследованию, консервации, реставрации и приспособлению для современного использования объектов культурного наследия г. Бухары до 2020 года"। Nrm.uz। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০২১।
