দৈনিক কালবেলা
| ধরন | দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকা |
|---|---|
| ফরম্যাট | ব্রডশিট ও অনলাইন সংস্করণ |
| মালিক | কালবেলা মিডিয়া লিমিটেড বিশ্বাস বিল্ডার্স লিমিটেড |
| প্রকাশক | মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু |
| সম্পাদক | সন্তোষ শর্মা |
| লেখক কর্মী | ২৫০ জন |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ২৫ জানুয়ারি, ১৯৯১ |
| রাজনৈতিক মতাদর্শ | গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নির্ভর আদর্শ |
| ভাষা | বাংলা |
| সদর দপ্তর | নিউ মার্কেট সিটি কমপ্লেক্স, ঢাকা, বাংলাদেশ |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| প্রচলন | ১ লাখ ৪০ হাজার (২০২২) |
| ওয়েবসাইট | www |
দৈনিক কালবেলা বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিক পত্রিকা। সংবাদপত্রটি ২৫ জানুয়ারি ১৯৯১ সালে প্রথম প্রকাশনার অনুমতি পায় বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে।[১] কালবেলা মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে দৈনিক পত্রিকাটির প্রকাশক সন্তোষ শর্মা। ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় পত্রিকাটির সদরদপ্তর অবস্থিত। ২০২২ সালের জুন থেকে আবেদ খান সংবাদপত্রটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।[২][৩] পত্রিকার বর্তমান সম্পাদক সন্তোষ শর্মা।[৪] ২০২২ সালের সরকারি একটি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে দৈনিক কালবেলার প্রত্যাহিক প্রচারসংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার।[৫][৬]
ইতিহাস
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]দৈনিক কালবেলা ১৯৯১ সালে সরকার কর্তৃক প্রকাশের অনুমতি পায়। ২০২২ সালে সাংবাদিক আবেদ খান সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন। ২০২৩ সালের নভেম্বরে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করেন বর্তমান সম্পাদক সন্তোষ শর্মা। [৭]
পত্রিকার বিবরণ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]পত্রিকাটি ব্রডশিট আকারে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। ছাপা পত্রিকাসহ অনলাইন মাধ্যমে পত্রিকাটি পড়া যায়।
নিয়মিত আয়োজন
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- যত মত তত পথ
- বাণিজ্যবেলা
- দেশকাল
- প্রয়োজন আছে
- বিশ্ববেলা
- তারাবেলা
- যন্তর মন্তর
- খেলা
- শেষপাতা
সমালোচনা ও বিতর্ক
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার বাংলাদেশ বছরের প্রথম ছয় মাসের তথ্যের ভিত্তিতে দৈনিক কালবেলাকে গণমাধ্যমে অপতথ্যের সবচেয়ে বড় উৎস হিসেবে চিহ্নিত করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দৈনিক কালবেলার মোট ৬৮১টি প্রতিবেদনের মধ্যে ৭৮টি প্রতিবেদনকে মিথ্যা তথ্য হিসেবে শনাক্ত করা হয়। দেশের ১৬৪টি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই তথ্য উঠে আসে, যেখানে দৈনিক কালবেলা তাদের ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পাতায় প্রকাশিত ২০টি মিথ্যা সংবাদ প্রতিবেদনের জন্য দায়ী ছিল।[৮]
২০২৬ সালের ৫ আগস্ট কালবেলার ফেসবুক পেজ থেকে একটি মন্তব্য প্রকাশের ঘটনা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। বিডিটুডে জানায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের লাইভ সম্প্রচারের সময় কালবেলার ফেসবুক পেজ থেকে “joy bangla” লেখা একটি মন্তব্য প্রকাশিত হয়। পরে কালবেলা কর্তৃপক্ষ জানায়, মন্তব্যটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং তাদের সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিষয়টি নজরে আসার পর মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীকে সাময়িকভাবে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।[৯] পরবর্তীতে কালবেলা জানায়, তদন্ত শেষে ওই কর্মীকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।[১০]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- ↑ "কালবেলা"। kalbela.com। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ প্রতিবেদক, জ্যেষ্ঠ। "দৈনিক কালবেলায় যোগ দিলেন আবেদ খান"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ dailyjagaran.com। "দৈনিক কালবেলায় যোগ দিলেন বরেণ্য ও কিংবদন্তিতুল্য সাংবাদিক আবেদ খান"। dailyjagaran.com। ১ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ কালবেলা। "কালবেলা | বিডি নিউজ | বাংলা নিউজ"। কালবেলা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "পত্র-পত্রিকার প্রচার সংখ্যা ও বিজ্ঞাপন হার" (পিডিএফ)। dfp.portal.gov.bd। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর। ১০ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০২১।
- ↑ পারভীন, চৌধুরী সাহেলা (১১ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "পত্র-পত্রিকার প্রচার সংখ্যা ও বিজ্ঞাপন হার" (পিডিএফ)। চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর। ২ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০২৩।
- ↑ "কালবেলা থেকে আবেদ খানের বিদায়"। Bangladesh Journal Online। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ "Misinformation in Bangladeshi Media: Statistics for the first six months of 2024"। রিউমর স্ক্যানার বাংলাদেশ (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪। ১০ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "কালবেলার ফেসবুক পেইজ থেকে 'joy bangla' মন্তব্য, কর্মীকে অব্যাহতি"। বিডিটুডে। ৫ আগস্ট ২০২৬।
- ↑ "কালবেলার পেজ থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য, সংশ্লিষ্ট কর্মী চাকরিচ্যুত"। কালবেলা। ৫ আগস্ট ২০২৬।