দেয়াঙ পাহাড়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

দেয়াঙ পাহাড় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি ঐতিহাসিক পাহাড়। এটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরবর্তী বর্তমান আনোয়ারা-কর্ণফুলী বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অবস্থিত। এই অঞ্চলেই আরাকানিদের চাটিগাঁ দুর্গ ও দেয়াঙ কারাগার অবস্থিত ছিল,[১] যে কারাগারে ১৫শ খ্রিষ্টাব্দে মহাকবি আলাওল আরাকানিদের হাতে ধরা পড়ে বন্দী ছিলেন।[২] উনিশ শতকের শুরুর দিকে পর্তুগিজদের আগমনের পর অঞ্চলটি 'ফিরিঙ্গি বন্দর' নামে পরিচিত ছিল।[৩]

অনেকের মতে ধারণা করা হয় চট্টগ্রামের প্রাচীন পণ্ডিতবিহার বিশ্ববিদ্যালয় এই দেয়াঙ পাহাড়ে অবস্থিত ছিল।[৪][৫] চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে থেকে জানা যায় ১৯৪০ সালের ২৮ ডিসেম্বর, কলকাতায় অনুষ্ঠিত জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের এক সর্বভারতীয় সম্মেলনে মওলানা মুনিরুজ্জামান ইসলামবাদী সভাপতির ভাষণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে একটি ‘ইসলামিক ইউনিভার্সিটি’ নির্মাণের কথা উপস্থাপন করেন এবং একই লক্ষ্যে তিনি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার দেয়াঙ পাহাড়ে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নির্মানের জন্য ভূমি ক্রয় করেছিলেন।[৬][৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. জামাল উদ্দিন (নভেম্বর ২৪, ২০১৩)। "কালারপোল যুদ্ধের অজানা অধ্যায় - পোড়োজমিতে মিশে আছে চার শহীদের দেহভস্ম"দৈনিক আজাদী। চট্টগ্রাম: মোহাম্মদ খালেদ। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২২, ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. জামাল উদ্দিন (জুলাই ১৬, ২০১৫)। "শাহ সুজা ও পরীবানু"দৈনিক ভোরের কাগজ। চট্টগ্রাম: মোহাম্মদ খালেদ। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২২, ২০১৬ 
  3. "পর্তুগিজদের চাটিগাম"বণিক বার্তা। চট্টগ্রাম: bonikbarta.com। এপ্রিল ২২, ২০১৬। ২০১৬-০৮-০১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২১, ২০১৬ 
  4. মোহাম্মদ খালেদ, সম্পাদক (নভেম্বর ১৯৯৫)। "শিক্ষা"। হাজার বছরের চট্টগ্রাম (দৈনিক আজাদী ৩৫ বর্ষপূর্তি বিশেষ সংখ্যা) (মুদ্রণ) (প্রথম সংস্করণ)। চট্টগ্রাম: এম এ মালেক। পৃষ্ঠা ১৭৭। 
  5. জামাল উদ্দিন (সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৪)। "ভারতবর্ষে বৌদ্ধধর্মের প্রসার ও বিলুপ্তির ইতিহাস- আশ্রয়স্থল চট্টগ্রাম পণ্ডিত বিহার"nirvanapeace.com। nirvanapeace.com। ১২ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২১, ২০১৬..ঝিওরী গ্রাম থেকে দু’মাইল উত্তরে খিলপাড়া ও কৈনপুরা গ্রামে ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে আরও কয়েকটি বুদ্ধমূর্তি ও প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়। এ মূর্তিগুলোই ইতিহাসবিদদের সামনে পণ্ডিতবিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানস্থল যে দেয়াঙ পাহাড় তার প্রমাণ অনেকাংশে নিশ্চিত করে দেয়। 
  6. সিরাজুল ইসলাম, সম্পাদক (জানুয়ারি ২০০৩)। "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়"। [[বাংলাপিডিয়া]]ঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশআইএসবিএন 984-32-0576-6। ৫ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১০, ২০১৫  ইউআরএল–উইকিসংযোগ দ্বন্দ্ব (সাহায্য)
  7. "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়"chittagongdiv.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। chittagongdiv। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ১২, ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]