দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ড
| দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ড | |
|---|---|
| ২০২৫ বাংলাদেশে হিন্দু বিরোধী সহিংসতা এবং ডিসেম্বর ২০২৫-এর রাজনৈতিক সহিংসতার অংশ | |
| স্থান | স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকা, ভালুকা, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ |
| তারিখ | ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ রাত ৯:০০ ঘটিকা (আনুমানিক) (বিএসটি (ইউটিসি+০৬:০০)) |
| হামলার ধরন | গণপিটুনি, গণ সহিংসতা |
| নিহত | ১ |
| ভুক্তভোগী | দীপু চন্দ্র দাস (বয়স ২৭) |
| অপরাধীগণ | ১৪০–১৫০ জনের উন্মত্ত উগ্রবাদী জনতা (পুলিশ প্রতিবেদন অনুযায়ী) |
| কারণ | ধর্ম অবমাননার অভিযোগ (কথিত প্রমাণ নেই) |
২০২৫ সালের ১৮ই ডিসেম্বর, বাংলাদেশের ভালুকায় একটি কারখানার অনুষ্ঠানে ইসলাম সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার কথিত অভিযোগে দীপু চন্দ্র দাস নামক এক সনাতন ধর্মাবলম্বী যুবককে প্রহার, গাছে ঝুলিয়ে এবং দগ্ধ করে হত্যা করা হয়।
প্রেক্ষাপট
[সম্পাদনা]যুবনেতা শরিফ উসমান হাদির উপর প্রাণঘাতী হামলার পর বাংলাদেশে সহিংসতা বৃদ্ধি পায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। হাদি ১৮ই ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে গুপ্তহত্যার চেষ্টায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।[১] তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভার পতন ও দেশত্যাগে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।[১] তার মৃত্যুর ঘটনা সারাদেশে তীব্র দাঙ্গার জন্ম দেয়, যার ফলে সংবাদপত্রের কার্যালয়, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং ভারতীয় কূটনৈতিক মিশনসমূহে হামলা চালানো হয়।[২]
সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা
[সম্পাদনা]শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন ও সহিংসতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়।[৩] ২০২২ সালের জাতীয় আদমশুমারি অনুসারে, বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ হিন্দু বসবাস করেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.৯৫%।[৪]
দীপু চন্দ্র দাস
[সম্পাদনা]দীপু চন্দ্র দাস ভালুকা উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় অবস্থিত 'পায়োনিয়ার নিট কম্পোজিট ফ্যাক্টরি'র একজন শ্রমিক ছিলেন।[৫][৬] ২৭ বছর বয়সী দীপু ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার মুকামিয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বিবাহিত এবং তিন বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানের পিতা ছিলেন।[৫] দীপু ভালুকার ডুবালিয়া পাড়া এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।[৭]
হত্যাকাণ্ড
[সম্পাদনা]২০২৫ সালের ১৮ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায়, বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত 'পায়োনিয়ার নিট কম্পোজিট ফ্যাক্টরি'র একটি অনুষ্ঠানে দীপুর বিরুদ্ধে ইসলামের নবী মুহাম্মদ সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ তোলা হয়।[৮][৯] এই অভিযোগ দ্রুত কারখানা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়,[৮] এবং একটি উগ্রবাদী উন্মত্ত জনতা দীপুকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে সমবেত হয়।[১০]
আনুমানিক রাত ৯টার দিকে, জনতা দীপুর ওপর চড়াও হয়ে তাকে নির্মমভাবে প্রহার করে,[৫] একটি গাছে ঝুলিয়ে দেয় এবং তার শরীরে অগ্নিসংযোগ করে।[১১][৮] সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জনতা ইসলামি স্লোগান দিতে দিতে দীপুর ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে।[১২]
তদন্ত
[সম্পাদনা]ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।[৬] তারা দীপুর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করে।[৫] প্রাথমিকভাবে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি; পুলিশ জানায় যে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।[৬] পরবর্তীতে দীপুর ভাই, অপু চন্দ্র দাস, ভালুকা থানায় ১৪০–১৫০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।[৫] ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দীপুর মৃতদেহ তারাকান্দার মুকামিয়াকান্দা গ্রামে তাঁর পৈতৃক নিবাসে ফিরিয়ে আনা হয়।[৫]
২০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে, মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা করেন যে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে র্যাব সাতজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।[১৩][১৪] র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) স্পষ্টভাবে জানায় যে, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় "ধর্মীয় অবমাননার" কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি। র্যাব এমন কোনো সাক্ষীও পায়নি যিনি ধর্মীয় অবমাননা সম্পর্কিত কিছু দেখেছেন বা শুনেছেন। ময়মনসিংহ র্যাব কমান্ডার মো. শামসুজ্জামান বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।[১০][১৫] র্যাব-১৪ এর পরিচালক জানান, ফ্লোর ম্যানেজার দীপুকে চাকরি থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার পর তাকে ক্ষুব্ধ জনতার হাতে তুলে দেন। কেন তাকে পুলিশের হাতে না দিয়ে জনতার হাতে তুলে দেওয়া হলো, তদন্তকারীরা তার উত্তর খুঁজছেন। এখানে পূর্বশত্রুতা অথবা জনতার চাপ একটি কারণ হতে পারে।[১৬][১৭]
২২শে ডিসেম্বরের মধ্যে, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ দীপুর দুই সহকর্মীসহ মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করে। এই মামলায় ময়মনসিংহের একটি আদালত গ্রেফতারকৃতদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।[১৮]
প্রতিক্রিয়া
[সম্পাদনা]অভ্যন্তরীণ
[সম্পাদনা]সরকার
[সম্পাদনা]বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানায় এবং ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দেয়।[১৯] শিক্ষা উপদেষ্টা সি. আর. আবরার দীপুর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং সরকারি সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।[২০]
বেসরকারি
[সম্পাদনা]বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানায় এবং উল্লেখ করে যে, এই হত্যাকাণ্ড সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করেছে।[২১][২২] বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) শত শত দর্শকের নীরবতাকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে এই "বর্বর অপরাধ"-কে সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক অবক্ষয়ের লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করে নিন্দা জানায়।[২৩] এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার[২৪] এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দও নিন্দা জ্ঞাপন করেন।[২৫][২৬]
বাংলাদেশের বহু মানুষ এই হত্যাকাণ্ডকে উদযাপন করে, যার মধ্যে একজন সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীও ছিলেন।[২৭]
আন্তর্জাতিক
[সম্পাদনা]ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই "বর্বর হত্যাকাণ্ড" এবং সংখ্যালঘুদের ওপর ক্রমাগত হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশ সরকারকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়।[২৮] ভারতীয় রাজনীতিবিদরা এই সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানান। অন্ধ্রপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ মন্তব্য করেন যে, "হিন্দুদের লক্ষ্যবস্তু করার ধরনটি নিষ্ঠুর ও সুস্পষ্ট"।[২৯] কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভারত সরকারকে বাংলাদেশের সাথে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি উত্থাপন করার আহ্বান জানান এবং সাংসদ শশী থারুর ঘটনাটিকে "অসহনীয়ভাবে মর্মান্তিক" বলে অভিহিত করেন।[২১] বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি এই হত্যাকাণ্ডকে "সভ্যতার ওপর সরাসরি আঘাত" হিসেবে বর্ণনা করেন।[৩০] জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ-এর নেতাসহ মুসলিম নেতৃবৃন্দও এই নির্মম হত্যাকান্ডকে লজ্জাজনক ও ইসলাম-বিরোধী বলে নিন্দা করেন।[৩১] অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ধর্ম অবমাননার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট এই সহিংসতার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানায়।[৩২][৩৩]
কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করেন। সঙ্গীতশিল্পী টনি কক্কর "ধর্মের নামে কেন সহিংসতা?" শীর্ষক একটি গান প্রকাশ করেন।[৩৪][৩৫] সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা জ্ঞাপন করেন জাহ্নবী কাপুর,[৩৬][৩৭] ইধিকা পাল,[৩৮] ঋদ্ধি সেন, মেখলা দাশগুপ্ত,[৩৯] এবং বিক্রম চ্যাটার্জি।[৪০]
বিক্ষোভ
[সম্পাদনা]বাংলাদেশ
[সম্পাদনা]দীপু চন্দ্র দাসের হত্যার বিচারের দাবিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী এবং ডাকসু নেতৃবৃন্দ "অগ্নিসন্ত্রাস"-এর নিন্দা জানিয়ে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতির দায়ে আইন ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাদের পদত্যাগের দাবিতে সমাবেশ করেন।[৪১][৪২][৪৩] বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল[৪৪][৪৫] এবং জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।[৪৬][৪৭] সরকারি ব্রজমোহন কলেজ[৪৮] এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও হিন্দু শিক্ষার্থীরা অনুরূপ বিক্ষোভ ও আলোক প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করেন।[৪৯]
ভারত
[সম্পাদনা]ভারতের একাধিক শহরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। নয়া দিল্লিতে, বজরং দল সহ বিভিন্ন সংগঠন বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।[৫০][৫১] হাইকমিশনারকে হুমকি দেওয়ার প্রতিবেদনের ফলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়, যা ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অপপ্রচার হিসেবে নাকচ করে দেয়, যদিও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্যের বিরোধিতা করে।[৫২][৫৩][৫৪] আগরতলায় বাংলাদেশের মিশনের নিকটেও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।[৫৫][৫৬] কলকাতা শহরে বাংলাদেশ মিশনের বাইরে এবং সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জুড়ে অনুরূপ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।[৫৭]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Who was Sharif Osman Hadi; why is Bangladesh on fire over his death?"। Al Jazeera। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Sharif Osman Hadi death: Bangladesh urges citizens to 'resist mob violence', condemns lynching of Hindu man"। The Statesman। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Hindu man lynched to death in Bangladesh over alleged blasphemy"। The Hindu। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh violence live updates, Sharif Osman Hadi's death"। Sunday Guardian Live। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 3 4 5 6 "Mob kills man over 'hurting religious sentiments'"। The Daily Star। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 3 "Hindu man lynched, body set ablaze over blasphemy allegation in Mymensingh: BBC Bangla"। The Business Standard। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Hindu man lynched in Bangladesh over blasphemy charges amid unrest over youth leader's death"। India TV News। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 3 "Hindu man lynched, body set ablaze in Bangladesh's Mymensingh over alleged Blasphemy"। Mangalorean। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'Factory dispute', 'he apologised, wasn't spared': Chilling twist in Bangladesh lynching case"। Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 "ময়মনসিংহের ভালুকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বী যুবককে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা, কী ঘটেছিলো সেখানে"। BBC News বাংলা। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Roy, Rajesh; Nagpal, Piyush; Alam, Julhas (২৩ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Protest erupts in India's capital city over lynching of Hindu man in Bangladesh"। Associated Press। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
Hadi's death triggered widespread violence in Dhaka. The offices of two national daily newspapers were torched and Indian diplomatic missions were targeted. A Hindu man also was burned alive, which sparked the protest Tuesday in India.
- ↑ "Who was Dipu Chandra Das? The Hindu Man Lynched by a Muslim Mob in Bhaluka"। The Daily Guardian। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Staff, Al Jazeera। "Bangladesh holds state mourning, funeral for slain uprising activist"। Al Jazeera (ইংরেজি ভাষায়)।
the interim government announced the arrests of seven people suspected in the death of Dipu Chandra Das, a 27-year-old Hindu man, in what the government has called a "lynching" in Mymensingh on Thursday.
- ↑ "Seven Arrested In Bangladesh Over Killing Of Hindu Youth, Says Yunus"। Zee News। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "No evidence of religious slurs in Mymensingh killing, 10 held: RAB"। jagonews24.com। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "RAB says factory floor manager 'handed Dipu Das over' to enraged crowd"। The Financial Express (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "No evidence of religious slurs in Mymensingh killing, 10 held: RAB"। jagonews24। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "12 accused put on three-day remand over Dipu Chandra Das murder"। Daily Sun (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "ময়মনসিংহের ভালুকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বী যুবককে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা, কী ঘটেছিলো সেখানে"। BBC News বাংলা। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Education adviser visits family of Dipu Chandra Das"। Dhaka Tribune। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 "Congress MP Shashi Tharoor questions Bangladesh over the mob lynching of Hindu man Dipu Chandra Das"। The News Mill। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh: Seven arrested over lynching of Hindu youth in Mymensingh"। The Tribune (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ প্রতিবেদকঢাকা, নিজস্ব। "দীপু দাসের হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে দেশে আইনের শাসন নেই: সিপিবি"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "ময়মনসিংহের ভালুকায় এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যা ও মৃত লাশে আগুন দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা"। Bangladesh Jamaat-e-islami। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "দিপু চন্দ্র ও শিশু আয়েশাকে পুড়িয়ে হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ হেফাজতের"। দৈনিক ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "দিপু চন্দ্র ও শিশু আয়েশাকে পুড়িয়ে হত্যার তীব্র নিন্দা হেফাজতের"। Jugantor। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Hasnat, Saif; Mashal, Mujib (২২ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Lynching of a Hindu in Bangladesh Fans Fears of Rising Intolerance"। New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫।
But the religiously motivated murder of Mr. Das was openly celebrated by many. "You have brought joy to the hearts of the people," Jubayer Ahmad Tasrif, who is planning to run in parliamentary elections, said in a video he posted on Facebook.
- ↑ "India urges justice for Dipu killing, voices concern over attacks on minorities in Bangladesh"। The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Pawan Kalyan, Priyanka Gandhi Condemn Lynching of Hindu Worker in Bangladesh"। India Today (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Horror in Bangladesh: Hindu man lynched and set on fire amid violent protests"। Northeast Herald। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Clarion, Team (২২ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Lynching of Hindu Youth in Bangladesh 'Shameful, Against Islam': Jamiat Chief"। Clarion India (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Those responsible for violence and killings must be brought to justice without delay: Amnesty"। Prothomalo (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Banerjee, Aveek (২০ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Amnesty International Condemns Bangladesh Violence, Lynching Of Hindu Man; Calls For Probe"। News18। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'Hindu Muslim Na Koi...': Tony Kakkar Mentions Bangladesh Lynching Incident In New Track Chaar Log, Gives Befitting Reply To Lollipop Song Trolls - Watch"। Free Press Journal (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'ধর্মের নামে রক্তারক্তি, ঈশ্বর দেখছেন', গানেই বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদ নেহা-টনি কক্করের"। sangbadpratidin। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Janhvi Kapoor condemns 'barbaric' lynching of Dipu Chandra Das in Bangladesh, internet praises her courage"। Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'Barbaric!': Janhvi Kapoor condemns death of Dipu Chandra Das in Bangladesh, netizens praise her stand"। Wion (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "বাংলাদেশের অস্থিরতায় মন ভারী ইধিকার"। alokitobangladesh। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Saregamapa fame singer Mekhla Dasgupta writes a cryptic post amid Bangladesh Unrest"। www.aajkaal.in। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Bharat, E. T. V. (২০ ডিসেম্বর ২০২৫)। "মানুষের বিরুদ্ধে মানুষের ঘৃণা... বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিবাদী গর্জন এপার বাংলার তারকাদের"। ETV Bharat News। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "দিপু চন্দ্র ও শিশু আয়েশা হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন"। thedailycampus। ২১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫। [Protest and human chain at DU demanding justice for the murder of Dipu Chandra and child Ayesha]
- ↑ "দিপু চন্দ্র ও শিশু আয়েশা হত্যার প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ"। jagonews24.com। ২১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "ময়মনসিংহে হিন্দু যুবক হত্যার প্রতিবাদে ঢাবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ"। এখন টিভি। ২১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Dipu Das, Ayesha killings: Chhatra Dal protests at DU demanding justice"। Dhaka Tribune। ২১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Chhatra Dal protests killings of Dipu, Ayesha at Dhaka University"। bdnews24.com। ২১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Silent march at DU Jagannath Hall protests killings of Ayesha, Dipu"। Dhaka Tribune। ২১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Students of Jagannath Hall Protest, Demand Justice for Dipu Das and Ayesha"। Khaborwala। ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ প্রতিনিধি, বরিশাল। "শিশু আয়েশা ও দীপু হত্যার প্রতিবাদে আলোক প্রজ্বলন | কালবেলা"। Kalbela। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ dailyapandesh.com। "ওসমান হাদী-দীপু দাস হত্যার প্রতিবাদ ইবির সনাতনী শিক্ষার্থীদের"। Apan Desh | আপন দেশ। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Sharma, Saurabh (২৩ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Hundreds protest in New Delhi over killing of Hindu man in Bangladesh"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Hindu man killed in Bangladesh: Major showdown in Delhi; protesters break barricades, clash with cops"। The Times of India। ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫। আইএসএসএন 0971-8257। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh High Commission in Delhi temporarily suspends visa services"। Prothomalo (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh missions in Delhi, Agartala suspend issuing visas"। নিউ এজ। ২২ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Dhaka rejects Indian press note on New Delhi protest: Foreign adviser"। The Business Standard। ২১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Singh, Bikash (২০ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Protests erupt in Agartala over alleged lynching of Hindu man in Bangladesh"। The Economic Times। আইএসএসএন 0013-0389। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Protests outside Bangladesh missions in several Indian cities over killing of Dipu Chandra Das"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Singh, Shiv Sahay (২৬ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Protest continues in Bengal against lynching in Bangladesh" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।