দীপিকা পাড়ুকোন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(দীপিকা পাড়ুকন থেকে পুনর্নির্দেশিত)
Jump to navigation Jump to search
দীপিকা পাড়ুকোন
Deepika p Lux-Award 2016.jpg
স্থানীয় নাম ದೀಪಿಕಾ ಪಡುಕೋಣೆ
জন্ম (১৯৮৬-০১-০৫) ৫ জানুয়ারি ১৯৮৬ (বয়স ৩২)
কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
বাসস্থান মুম্বই
জাতীয়তা ভারতীয়
জাতিসত্তা কন্নড়ী
নাগরিকত্ব  ভারত
শিক্ষা সোসিয়োলজি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সোফিয়া হাইস্কুল
মাউন্ট কার্মল কলেজ
ইন্দিরা গান্ধী রাষ্ট্রীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
পেশা
কার্যকাল ২০০৬–বর্তমান
উল্লেখযোগ্য কাজ পিকু, রাম-লীলা
পিতা-মাতা

দীপিকা পাড়ুকোন (উচ্চারিত [d̪iːpɪkaː pəɖʊkoːɳ] (কন্নড়: ದೀಪಿಕಾ ಪಡುಕೋಣೆ; জন্ম ৫ জানুয়ারি ১৯৮৬) একজন ভারতীয় অভিনেত্রী ও মডেল। সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক গ্রহণকারী ভারতীয় তারকাদের একজন হিসেবে, তিনি বলিউড চলচ্চিত্রে তার কর্মজীবন প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি দুইটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। তিনি হিন্দি, তামিলকন্নড় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।[১]

পাড়ুকোন, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় প্রকাশ পাড়ুকোনের মেয়ে, কোপেনহেগেনে জন্মগ্রহণ করেন এবং বেঙ্গালুরুতে বেড়ে উঠেন। একজন তরুণী হিসেবে তিনি জাতীয় পর্যায়ে ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশীপে অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু ফ্যাশন মডেল হওয়ার জন্য তিনি খেলোয়াড় পেশার ইতি টানেন। তিনি শীঘ্রই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব পান, এবং ঐশ্বরিয়া কন্নড চলচ্চিত্রে নামমাত্র চরিত্রে ২০০৬ সালে প্রথম অভিনয় করেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে তার প্রথম বলিউড ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ওম শান্তি ওম মুক্তি পায় যেখানে তিনি দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন এবং ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ নারী অভিষেক পুরস্কার লাভ করেন। পাড়ুকোন লাভ আজ কাল (২০০৯) রোমান্স এবং লাফাঙ্গে পারিন্দে (২০১০) নাট্য চলচ্চিত্রে প্রধান ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য প্রশংসা লাভ করেন। তবে তার রোমান্টিক কমেডি বচনা অ্যায় হাসিনো (২০০৮) এবং কমেডি হাউসফুল (২০১০) চলচ্চিত্রে তার অভিনয় নেতিবাচক মন্তব্য লাভ করে।

২০১২ সালের বক্স অফিস হিট ককটেল পাড়ুকোনের কর্মজীবনের সন্ধিক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত হয়, যা তাকে সমালোচকদের কর্তৃক প্রশংসা অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন পুরস্কার সমারোহ অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য মনোনয়ন এনে দেয়। তিনি কমেডি ইয়ে যাবানি ইয়ে দিওয়ানি (২০১৩), চেন্নাই এক্সপ্রেস (২০১৩) এবং হ্যাপি নিউ ইয়ার (২০১৪) চলচ্চিত্রে সাফল্যের সাথে অভিনয় করেন যা সর্বোচ্চ-আয়কারী বলিউড চলচ্চিত্রের তালিকায় স্থান নেয়। তিনি ট্র্যাজেডি গোলিয়োন কি রাসলীলা রাম-লীলা (২০১৩) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রশংসা লাভ করেন, এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে, তার কমেডি-নাট্য চলচ্চিত্র পিকু মুক্তি পায়, একই সালের ১৮ ডিসেম্বর মুক্তিপ্রাপ্ত ঐতিহাসিক ছবি বাজীরাও মস্তানিতে তিনি মস্তানি চরিত্রে দারুণ অভিনয় করেছেন।

ব্যক্তি জীবন[সম্পাদনা]

দীপিকার ব্যক্তিজীবন সবসময়-ই আলোচনায় ছিল। তার ক্যারিয়ারের একটি উল্লেখযোগ্য সময় কেটেছে রনবীর কাপুরের সাথে প্রেমে।[২] এছাড়াও ক্রিকেটার যুবরাজ সিং, আই.পি.এল এর দল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর এর কর্ণধারের পুত্র সিদ্ধার্থ মালয় এর সাথেও তার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে। তার বর্তমান প্রেমিক রণবীর সিং এর সাথে তার পরিচয় সঞ্জয় লীলা ভানশালীর "গোলিয়োঁ কি রাসলীলা - রামলীলা " ছবির সেটে। তারপর থেকে তাদের প্রণয় জনমানুষের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত বিষয়।

দীপিকা নারীর অধিকার বিষয়ে সচেতন ও সম্প্রতি জনপ্রিয় পণ্য "ভোউগ" এর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র "মাই চয়েস" -এ তিনি তার অসাধারণ ব্যক্তিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তাছাড়াও, ছবির সেটে তার সময়ানুবর্তিতার সুনাম আছে।

প্রচার মাধ্যমে[সম্পাদনা]

ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজের তথ্য অনুসারে দীপিকা জেনিফার লরেন্সের সংগে ২০১৬ সালের বিশ্বের শীর্ষ ১০ জন সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেত্রীগনের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন[৩]

চলচ্চিত্র তালিকা[সম্পাদনা]

Deepika Padukone looks away from the camera
খেলে হাম জি জান সে চলচ্চিত্রের প্রিমিয়ারে পাড়ুকোন, ২০১০

সঙ্গীত ভিডিও উপস্থিতি[সম্পাদনা]

শিরোনাম বছর চরিত্র পারফর্মার অ্যালবাম সূত্র
"নাম হে তেরা" ২০০৫ নামবিহীন হিমেশ রেশমিয়া আপ কা সুরুর
[৪]
"ফির মিলে সার মেরা তুমহারা" ২০১০ স্বভূমিকায় বিবিধ  — [৫]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পাদটিকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Deepika Padukone -Biography"। DeepikaPadukone.com। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৪-১২ 
  2. "Deepika Padukone Affairs"। Thecelebsfact.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৬-২৬ 
  3. "বিশ্বের শীর্ষ ১০ জন সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেত্রীগন ২০১৬"ফোর্বস। ২৪ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০১৬ 
  4. "Naam Hai Tera"Saavn। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ 
  5. "Amitabh launches new version of Mile sur mera tumhara"Hindustan Times। ২৫ জানুয়ারি ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]