বিষয়বস্তুতে চলুন

দীনেন্দ্র চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দীনেন্দ্র চৌধুরী
দীনেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন একজন বাঙালি বিখ্যাত কিংবদন্তি সুরকার ও লোকসঙ্গীত শিল্পী
জন্ম
দীনেন্দ্র চৌধুরী

১৯৩৩ সালে
মৃত্যু২০০৭ (বয়স ৭৩৭৪)
জাতীয়তা
  • ব্রিটিশ ভারত ব্রিটিশ ভারত
  • পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তান
  • ভারত ভারত
অন্যান্য নাম"মানা"
পেশাঅধ্যাপক,শিল্পী,গবেষক,গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক।
পিতা-মাতা
  • শ্রীযুক্ত য্যোতিন্দ্রমোহন রায় চৌধুরী। (পিতা)
  • শ্রীযুক্তা স্নেহলতা রায় চৌধুরাণী। (মাতা)

দীনেন্দ্র চৌধুরী (৩০ শে অক্টোবর ১৯৩৩ - ৭ অক্টোবর ২০০৭) ছিলেন একজন প্রখ্যাত কিংবদন্তি গুণী সঙ্গীতজ্ঞ ও বিশিষ্ট লোকসঙ্গীত শিল্পী,লেখক,গবেষক,প্রশিক্ষক,গীতিকার,সুরকার, সংগ্রাহক,সঙ্গীত পরিচালক ও কলকাতার স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান তথা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের লোকসঙ্গীতের অধ্যাপক।

প্রাথমিক জীবন

[সম্পাদনা]

তিনি ব্রিটিশ ভারতের সিলেট অঞ্চলের সুনামগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত সুখাইড় জমিদার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন একজন সঙ্গীতজ্ঞ, রাগসঙ্গীত বিশেষজ্ঞ, ঢাকা বেতার কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সংগীতশিল্পী, জমিদার শ্রীযুক্ত য্যোতিন্দ্রমহোন রায় চৌধুরী এবং মাতা ছিলেন শ্রীযুক্তা স্নেহলতা রায় চৌধুরানী। তাঁর পিতামহ ছিলেন রায়বাহাদুর শ্রীযুক্ত মথুর চন্দ্র রায় চৌধুরী,যিনি সমাজসেবক ও তৎকালীন আসাম প্রদেশের বৃহত্তর জেলা শ্রীহট্ট (সিলেট) তথা বর্তমান সিলেট বিভাগের অন্তর্গত সুনামগঞ্জের একজন প্রতাপশালী জমিদার ছিলেন।

পারিবারিক ইতিহাস

[সম্পাদনা]

কর্মজীবন

[সম্পাদনা]

দীনেন্দ্র চৌধুরী লোকসঙ্গীতের প্রতি নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে লোকসঙ্গীত বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেছেন এবং বহু ছাত্র-ছাত্রীকে প্রভাবিত করেছেন। তিনি বহু লোকসঙ্গীতের গীতিকার ও সুরকার, সংগীত পরিচালক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। তাঁর সুরে ও সংগীত পরিচালনায় রচিত "শোনো একটি মুজিবরের থেকে" গানটি বিশেষভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

‎জনপ্রিয় গান সমূহ

[সম্পাদনা]

গীতিকার,সুরকার,পরিচালক

[সম্পাদনা]

বাংলা গান ও চলচ্চিত্র

[সম্পাদনা]

দীনেন্দ্র ও মুক্তিযুদ্ধ

[সম্পাদনা]

‎“শোনো একটি মুজিবের থেকে” একটি কালজয়ী গানের জন্মকথা ও দীনেন্দ্র চৌধুরীর অবদান।১৯৭১ সালের এপ্রিল মাস, তারিখটি সম্ভবত ১৩ বা ১৫। কলকাতার গড়িয়ার একটি সাধারণ চায়ের দোকানে জমে উঠেছিল এক অনন্য সৃষ্টির মুহূর্ত। এই দোকানটি ছিল শুধু চা-পানের স্থান নয়, বরং সেই সময়ের বিশিষ্ট গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের আড্ডার আখড়া। এখানেই বিখ্যাত গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী ও সুরকার দীনেন্দ্র চৌধুরী লোকসংগীত শিল্পী অংশুমান রায় এবং আকাশবাণীর প্রযোজক উপেন তরফদারের উপস্থিতিতে জন্ম নেয় বাংলার একটি ঐতিহাসিক গান—“শোনো একটি মুজিবের থেকে”। এই গানটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহিত করেছিল এবং পরবর্তীতে বাংলা সংগীতের একটি কালজয়ী সৃষ্টি হিসেবে স্থান করে নেয়। এই গানের পেছনে দীনেন্দ্র চৌধুরীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যিনি শুধু গানটির সুরই দেননি, বরং এর সঙ্গীত পরিচালনা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গানটিকে অমর করে তুলেছিলেন। তবে রেকর্ড কোম্পানির ভুলে সুরকার হিসেবে তাঁর নামের পরিবর্তে অংশুমান রায়ের নাম প্রকাশিত হয়, যা তিনি কখনো সংশোধন করেননি।

গানের জন্মকথা: গড়িয়ার চায়ের দোকান থেকে আকাশবাণী১৯৭১ সালে গড়িয়া এলাকা তখনো কলকাতার শহরতলির একটি শান্ত অঞ্চল। ১৯৪৭-এর দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গ থেকে আগত উদ্বাস্তুদের কলোনি গড়ে ওঠেছিল এখানে। রামগড়ের পদ্মশ্রী সিনেমা হলের কাছাকাছি একটি চায়ের দোকান ছিল স্থানীয় শিল্পী ও সাহিত্যিকদের নিয়মিত আড্ডার জায়গা। এই দোকানে প্রায়ই বসতেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, দীনেন্দ্র চৌধুরী এবং অংশুমান রায়। এঁরা শুধু বন্ধু ছিলেন না, সঙ্গীতের সহযাত্রীও ছিলেন। সেই দিনও তাঁরা চায়ের দোকানে আড্ডায় মগ্ন ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন উপেন তরফদার, যিনি আকাশবাণীর প্রযোজক হিসেবে একটি স্পুল টেপ রেকর্ডার নিয়ে এসেছিলেন। তিনি সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি শোনান।ভাষণটি শুনতে শুনতে গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার একটু অন্যমনস্ক হয়ে পড়েন। তিনি চারমিনার সিগরেটের প্যাকেটের ভেতরের সাদা কাগজে কলম দিয়ে কিছু লিখতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর তিনি সেই কাগজ দীনেন্দ্র চৌধুরীর হাতে তুলে দিয়ে বলেন, “দেখো তো, এটা চলবে কিনা?” কাগজে লেখা ছিল “শোনো একটি মুজিবের থেকে” গানের কথা। গৌরীপ্রসন্নের লেখা এই গান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এক গভীরভাবে প্রেরণাদায়ক হয়ে। দীনেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকসংগীত বিভাগের অধ্যাপক এবং সেই সময়ের একজন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিক্ষক। তাঁর সঙ্গীতি প্রতিভা এবং লোকসংগীতর প্রতি গভীর দক্ষ তাঁকে এই গানের সৃষ্টিতে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় নিয়ে আসে। গৌরীপ্রসন্নের হাতে কাগজটি পাওয়ার পর দীনেন্দ্র চৌধুরী সেটি ভালোভাবে পড়েন এবং তৎক্ষণাৎ গানের সুরের কথা ভাবতে শুরু করেন। তিনি হাতের কাছে থাকা একটি মোটা কাগজে আঙুল দিয়ে টুকটুক করে তবলার তালে সুর তৈরি করেন। এই সুর ছিল সহজ, কিন্ত গভীরভাবেগে পূর্ণ, যা মুক্তিযুদ্ধর প্রেক্ষাপটে মানুষের হৃদয়ে সরাসরি পৌঁছে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেছে। দীনেন্দ্র চৌধুরী শুধু সুরকারই ছিলেন না, তিনি গানটির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বও নেন। তিনি অংশুমান রায়ের সঙ্গে বসে হারমোনিয়ামের মাধ্যমে গানটির প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। অংশুমান রায়, যিনি গানটি পড়েই উৎসাহিত হয়ে বলেছিলেন, “গৌরীদা, এই গান আমি গাইবো,” দীনেন্দ্র চৌধুরীর নির্দেশনায় গানটির গাওয়ার প্রস্তুতি নেন। দীনেন্দ্রর সঙ্গীত পরিচালনায় গানটি একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়, যা আকাশবাণীর “সংবাদ পরিক্রমা” অনুষ্ঠানে প্রচারিত হয়। এই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মাঝে মাঝে গানটি বাজানোর সিদ্ধান্ত নেন প্রযোজক উপেন তরফদার, এবং দীনেন্দ্র চৌধুরীর তৈরি সুর এই গানকে একটি ঐতিহাসিক মাত্রা দেয়। দীনেন্দ্র চৌধুরীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল গানটির ইংরেজি সংস্করণের জন্য কণ্ঠশিল্পী নির্বাচন। গানটির ইংরেজি অনুবাদ, “A Million Mujiburs Singing”, দ্বৈত কণ্ঠে (নারী ও পুরুষ) রেকর্ড করার পরিকল্পনা করা হয়। দীনেন্দ্র চৌধুরী নারী কণ্ঠ হিসেবে করবীনাথকে বেছে নেন, যিনি অংশুমান রয়ের সঙ্গে এই গানটি গান। এই সিদ্ধান্ত গানটির বৈচিত্র্য এবং আকর্ষণ আরও বাড়ায়। গানটি ১৯৭১ সালে ‘হিন্দুস্তান রেকর্ড’-এর স্টুডিওতে রেকর্ড করা হয়। ৪৫ আরপিএম রেকর্ডের একপিঠে ছিল বাংলা সংস্করণ এবং অন্যপিঠে ইংরেজি সংস্করণ। তবে রেকর্ড কোম্পানির একটি ভুলে সুরকার হিসেবে দীনেন্দ্র চৌধুরীর নামের পরিবর্তে অংশুমান রায়ের নাম ছাপা হয়। এই ভুল সংশোধনের জন্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, কারণ দীনেন্দ্র চৌধুরী নিজে এই বিষয়ে কখনো আপত্তি করেননি। তাঁর এই উদারতা তাঁর ব্যক্তিত্বের একটি উজ্জ্বল দিক। তিনি সঙ্গীতর সৃষ্টিকে সবার উপরে রেখে ব্যক্তিগত স্বীকৃতির পেছনে ছুটেননি। তাঁর এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে সাহিত্যেক মহলে আরও সম্মানিত করে। গানের প্রভাব ও স্বীকৃতি“শোনো একটি মুজিবের থেকে” গানটি আকাশবাণী কলকাতার “সংবাদ পরিক্রমা” অনুষ্ঠানে প্রচারিত হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মুক্তিযোদ্ধারা এই গান শুনে নতুন উদ্দীপনা পেতেন, এবং এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি প্রতীকী সঙ্গীতে পরিণত হয়। গানটির সুর ও কথা মানুষের হৃদয়ে গেঁথে যায়, এবং এটি বাংলা সঙ্গীতের একটি কালজয়ী সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান এই গানের সঙ্গে জড়িত শিল্পীদের স্বর্ণপদক প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, দীনেন্দ্র চৌধুরী, অংশুমান রায়, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রণবেশ সেনের মতো শিল্পদের এই সম্মানে ভূষিত করার কথা ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ১৫ অগাস্ট, ১৯৭৫-এ শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার কারণে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। দীনেন্দ্র চৌধুরীর অবদান শুধু এই গানের সুর ও পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি একজন শিক্ষক, সঙ্গীত পরিচালক এবং লোকসঙ্গীতের প্রচারক হিসেবে বাংলা সঙ্গীতর জগতে একটি অমূল্য ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর সুরের সরলতা এবং গভীরতা গানটিকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। তবে রেকর্ড কোম্পানির ভুলে তাঁর নাম প্রকাশিত না হওয়া একটি দুঃখজনক ঘটনা ও সঙ্গীতের প্রতি তাঁর ভালোবাসা কখনো কমেনি। দীনেন্দ্র চৌধুরীর উদারতা এবং নিঃস্বার্থ মনোভাব তাঁকে একজন সত্যিকারের শিল্পী হিসেবে চিহ্নিত করে।এই গানের মাধ্যমে আমরা শুধু একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হই না, বরং দীনেন্দ্র চৌধুরীর মতো শিল্পীদের নিঃশব্দে অবদানের বাস্তবতাও জানতে পারি। তাঁর সুর, পরিচালনা এবং শিক্ষকতা এই গানকে একটি জাতীয় সম্পদে পরিণত করেছে। আমাদের উচিত তাঁর এই অবদানকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাঁর সঙ্গীতি উত্তরাধিকারকে ধরে রাখা।

‎"সংক্ষিপ্ত তথ্য"

‎গানের নাম: "শোনো একটি মুজিবের থেকে"

‎গায়ক: অংশুমান রায় (বাংলা); অংশুমান রায় ও করবীনাথ (ইংরেজি) রেকর্ডিং: ২২ এপ্রিল, ১৯৭১, হিন্দুস্তান।

‎সুরকার : দীনেন্দ্র চৌধুরী

‎গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

‎সঙ্গীত পরিচালক: দীনেন্দ্র চৌধুরী

‎রেকর্ড প্রভাব: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহিত করা।

‎স্বীকৃতি: বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বর্ণপদক প্রদানের পরিকল্পনা, যা শেখ মুজিবের হত্যার কারণে বাস্তবায়িত হয়নি। পরবর্তীতে ২০১২ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গানের গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, গায়ক ও সুরকার হিসেবে আংশুমান রায়কে "মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা" দেওয়া হয় কিন্তু রেকর্ড কোম্পানির ভুলে কারনে গানের মূল সুরকার দীনেন্দ্র চৌধুরী এই সম্মাননা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। দীনেন্দ্র চৌধুরীর অবদান এই গানের মাধ্যমে চিরস্থায়ী হয়ে আছে, এবং তাঁর নিঃস্বার্থ ভূমিকা আমাদের সঙ্গীতের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায়।

উল্লেখযোগ্য সৃষ্টিকর্ম

[সম্পাদনা]

‎লোকসঙ্গীত ও লালনগীতি

[সম্পাদনা]

লোকসঙ্গীতের সুর সম্রাট দীনেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন একজন লোকসংস্কৃতি ও লোকসঙ্গীতের প্রথম সারির ব্যক্তিত্ব। বলা হয়ে থাকে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অতুলপ্রসাদ সেন, রাজনীকান্ত সেন প্রমুখ যেভাবে বাংলা সংস্কৃতি ও লোকজ ভাবনাকে উচ্চমাত্রায় তুলে ধরেছিলেন, তাঁদের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে আবির্ভাব ঘটে দীনেন্দ্র চৌধুরীর মতো কিংবদন্তি মানুষের, যিনি বাংলা লোকসংস্কৃতিকে আধুনিক আয়োজনের মাধ্যমে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেন। তাঁর অবদানে লোকসঙ্গীত হয়ে ওঠে আরও শক্তিশালী, গবেষণাভিত্তিক এবং বিশ্বজনীন।

মৃত্যু

[সম্পাদনা]

উপমহাদেশের কিংবদন্তি এই শিল্পী ২০০৭ সালের ৭ অক্টোবর তিনি কলকাতায় পরলোকগমন করেন।

উত্তরাধিকার

[সম্পাদনা]

তাঁর সৃষ্ট সংগীত ও গবেষণাধর্মী কাজ বাংলা লোকসংগীতের ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে বিশেষভাবে সহায়ক।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]

১- []

  1. চৌধুরী, দিনেন্দ্র (৩০-০৫-২০২৫)। "সংগীত সাধক দিনেন্দ্র চৌধুরী"dhansiri। ২৫ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০-০৫-২০২৫ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |সংগ্রহের-তারিখ= এবং |তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)