দি ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দি ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (আইবিবি)
আইবিবি-লোগো.png
আইবিবির লোগো
সংক্ষেপেআইবিবি
গঠিত১৯৭৩
নিবন্ধন নং৩৮৯৪১৪৫/৩ (১৯৭২-১৯৭৩)
উদ্দেশ্যদক্ষ ব্যাংকার গড়ে তোলা
সদরদপ্তরপুরানা পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ
যে অঞ্চলে কাজ করে
বাংলাদেশ
সদস্য
বাংলাদেশে কর্মরত সকল ব্যাংক
সভাপতি
গভর্নর (বাংলাদেশ ব্যাংক)
মহাসচিব
লাইলা বিলকিস আরা[১]
ওয়েবসাইটআইবিবি

দি ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (সংক্ষেপে আইবিবি) হচ্ছে বাংলাদেশের একটি পেশাজীবী সংগঠন যা বাংলাদেশে কর্মরত সকল ব্যাংকের কর্মকর্তাদের দক্ষ এবং যোগ্য পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্য নিয়ে দেশের কতিপয় বিশিষ্ট ব্যাংকার এবং অন্যান্য পেশাদার ব্যক্তির দ্বারা ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় ডিআর টাওয়ার (১২ তলা), ৬৫/২/২ বীর প্রতীক গাজী গোলাম দস্তোগীর সড়ক, পুরানা পল্টন, ঢাকায় অবস্থিত।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৭২ সালের ২ জুলাই বাংলাদেশের কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যাংকার এবং অন্যান্য পেশার কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি মিলে একটি বৈঠক করেন। ঐ বৈঠকে বাংলাদেশের ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতার উন্নতির জন্য একটি পেশাজীবী সংগঠন হিসাবে দ্য ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (আইবিবি) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি সোসাইটি নিবন্ধন আইন, ১৮৬০-এর অধীনে একটি সংঘ বা সংগঠন হিসেবে এটি নিবন্ধিত হয়।[২]

পরিচালনা[সম্পাদনা]

আইবিবি'র পরিচালনা একটি কাউন্সিল বা পরিষদের উপর নাস্ত থাকে। পরিষদের সভাপতি থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। এছাড়া, সংগঠনটির সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন একজন মহাসচিব। বর্তমানে এটির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লাইলা বিলকিস আরা। [৩]

কার্যক্রম[সম্পাদনা]

আইবিবি'র অন্যতম প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে দ্বি-স্তর বা দুই পর্বের ব্যাংকিং ডিপ্লোমা পরীক্ষা আয়োজন ও সনদ প্রদান। এই পরীক্ষা বছরে দুইবার জুন এবং ডিসেম্বর সেশনে পরিষদ নির্ধারিত দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকিং ডিপ্লোমার প্রথম স্তর হল জুনিয়র অ্যাসোসিয়েট অব দ্য ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (জেএআইবিবি) এবং দ্বিতীয় স্তর হল ডিপ্লোমাড অ্যাসোসিয়েট অব দ্য ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (ডিএআইবিবি)। জেএআইবিবি পরীক্ষার মুল লক্ষ্য ব্যাংকিং বিষয়ে প্রাথমিক এবং মৌলিক জ্ঞান লাভ করা এবং ডিএআইবিবি পরীক্ষার লক্ষ্য ব্যাংকিং ও ব্যাংকিং-এর সাথে জড়িত বিষয়ে উপর উন্নত জ্ঞান লাভ করা যাতে ব্যাংকাররা আরও ভাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সক্ষম হয়।[৪] জেএআইবিবি-তে মোট ৬টি বাধ্যতামূলক বিষয়ের উপর পরীক্ষা দিতে হয় এবং ডিএআইবিবি-তে ৫টি বাধ্যতামূলক ও ১টি ঐচ্ছিক (৬টি ঐচ্ছিক বিষয়ের মধ্য থেকে) বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। প্রতি পর্ব শেষে একটি করে মোট দুইটি সনদ প্রদান করা হয়।[৫][৬] জেএআইবিবি ও ডিএআইবিবি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য স্বর্ণপদক, রৌপ্যপদকসহ বিষয়ভিত্তিক নানা ধরনের পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। এছাড়া, প্রতি ষান্মাষিকে একটি করে জার্নাল প্রকাশ করা হয় যার নাম ‌‌'জার্নাল অব দ্য ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ'।[৭]

সদস্য[সম্পাদনা]

বাংলাদেশে পরিচালিত ব্যাংকসমূহ আইবিবি-এর সদস্য হতে পারে। বর্তমান সদস্য ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে:[৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "শিল্প বাণিজ্য"যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৭-১৭ 
  2. "The Institute of Bankers, Bangladesh » About IBB" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৭-১৭ 
  3. করেসপন্ডেন্ট, সিনিয়র (এপ্রিল ৮, ২০২১)। "আইবিবির নতুন মহাসচিব লাইলা বিলকিস আরা"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৭-১৭ 
  4. "ব্যাংকিং ডিপ্লোমা না থাকলেও বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট চান ব্যাংকাররা"শেয়ার বিজ। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৭-১৭ 
  5. প্রতিবেদক, নিজস্ব। "ব্যাংকিং ডিপ্লোমা: প্রস্তুতির পাঁচ পথ"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৭-১৭ 
  6. "'ব্যাংকিং ডিপ্লোমা' পরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা ও গ্রহণেযোগ্যতা"www.bankingnewsbd.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৭-১৭ 
  7. দারাশিকো, নাজমুল হাসান (ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯)। "আইবিবি ও ব্যাংকিং ডিপ্লোমা"দেশ রূপান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১১-২৫ 
  8. "The Institute of Bankers, Bangladesh » Membership" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৭-১৭