বিষয়বস্তুতে চলুন

দাসত্ব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

দাসত্ব বলতে বোঝায় একজন ব্যক্তিকে সম্পত্তি হিসেবে অধিকারভুক্ত করা, বিশেষ করে তার শ্রমকে কেন্দ্র করে।[] দাসত্ব সাধারণত জোরপূর্বক শ্রমের সঙ্গে জড়িত, যেখানে দাসের কাজের স্থান এবং বাসস্থান নির্ধারণ করে দাসাধিপতি। দাসত্বে পরিণত করা বলতে বোঝায় কাউকে দাসে পরিণত করা, আর ঐ ব্যক্তিকে বলা হয় দাস বা দাসত্বে নিপতিত ব্যক্তি (দেখুন: টেমপ্লেট:§l)।

জাঞ্জিবার সালতানাতের এক দাস বালকের ছবি, শিরোনাম "এক আরব প্রভুর সামান্য অপরাধের জন্য শাস্তি", আনুমানিক ১৮৯০

ঐতিহাসিকভাবে বহু ব্যক্তি আইন ভঙ্গ, ঋণের দায়, যুদ্ধে পরাজয় অথবা সস্তা শ্রমের জন্য শোষণের মাধ্যমে দাসে পরিণত হয়েছে। আবার অনেক সমাজে দাসত্ব আরোপ করা হয়েছে জাতি বা লিঙ্গভিত্তিক ব্যবধানের মাধ্যমে। অনেক সময় দাসদের সারাজীবনের জন্য দাসত্বে আবদ্ধ রাখা হতো, আবার কখনো নির্দিষ্ট সময় পরে মুক্তি দেওয়া হতো।[] যদিও দাসত্ব সাধারণত অনিচ্ছাকৃত এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে হয়, কিছু ক্ষেত্রে লোকেরা স্বেচ্ছায় দাসত্বে প্রবেশ করে ঋণ শোধ বা দারিদ্র্যের কারণে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করে।

মানব ইতিহাসে, দাসত্ব ছিল সভ্যতার একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য,[] এবং অধিকাংশ সমাজেই এটি বিদ্যমান ছিল।[][] তবে বর্তমানে দাসত্ব বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই নিষিদ্ধ, যদিও কিছু ক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি হিসেবে দাসত্বের অনুরূপ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।[][]

চাটেল দাসত্বে, দাসকে আইনগতভাবে দাসাধিপতির ব্যক্তিগত সম্পত্তি (চাটেল) হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অর্থনীতির ভাষায়, বাস্তবিক দাসত্ব বলতে বোঝায় অসাংবিধানিক শ্রমজবরদস্তিমূলক শ্রম-এর পরিস্থিতি, যা অধিকাংশ দাসের জীবনে ঘটে থাকে।[]

বিশ্বের শেষ দেশ হিসেবে ইসলামী প্রজাতন্ত্র মরিতানিয়া ১৯৮১ সালে দাসত্ব নিষিদ্ধ করে,[] এবং ২০০৭ সালে দাসাধিপতিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রবর্তন করে।[১০] তবে ২০১৯ সালেও প্রায় ৪ কোটির মতো মানুষ দাসত্বের শিকার ছিল, যাদের মধ্যে প্রায় ২৬% ছিল শিশু। আধুনিক যুগে ৫০% এর বেশি দাস জবরদস্তিমূলক শ্রম দিয়ে থাকে, যা সাধারণত কারখানা এবং ঘর্মশালাগুলিতে ঘটে থাকে এবং এগুলো সাধারণত বেসরকারি খাতে হয়।[১১]

উন্নত দেশগুলোতে মানব পাচার আধুনিক দাসত্বের একটি রূপ; অনুন্নত দেশগুলোতে ঋণ দাসত্ব প্রচলিত।[] অন্যান্য রূপের মধ্যে রয়েছে বন্দী গৃহকর্মী, জোরপূর্বক বিবাহ, এবং শিশু সৈন্যদের ব্যবহার।[১২] এছাড়াও, কিছু ইসলামী চরমপন্থী গোষ্ঠী এবং সন্ত্রাসবাদী সংগঠন মাঝে মাঝে শরিয়া আইনের তাদের ব্যাখ্যার ভিত্তিতে দাসত্বের চর্চা পুনরুজ্জীবিত করেছে।[১৩]

শব্দের উত্স

[সম্পাদনা]

ইংরেজি slave (দাস) শব্দটি পুরনো ফরাসি ভাষার esclave শব্দ থেকে মধ্য ইংরেজিতে প্রবেশ করে। এই শব্দটির মূল উৎস বাইজান্টাইন গ্রিকের σκλάβος (sklábos) অথবা εσκλαβήνος (ésklabḗnos)।

প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, যা ১৮শ শতক থেকে জানা যায়, গ্রিক শব্দ Σκλάβινοι (Sklábinoi) বা Έσκλαβηνοί (Ésklabēnoí), যেটি একটি স্লাভিক জনগোষ্ঠীর আত্মপরিচয় *Slověne থেকে এসেছে, তা থেকেই σκλάβος এবং εσκλαβήνος শব্দদ্বয় উদ্ভূত হয়েছে। এই শব্দগুলি ৮ম/৯ম শতকে 'যুদ্ধবন্দী দাস' বা 'দাস' অর্থে ব্যবহৃত হতো, কারণ ঐ সময় স্লাভিক জনগণ প্রায়ই বন্দি হয়ে দাসে পরিণত হতো।[১৪][১৫][১৬][১৭]

তবে এই ব্যাখ্যার বিরোধিতা ১৯শ শতক থেকেই হয়ে আসছে।[১৮][১৯]

একটি বিকল্প আধুনিক মতবাদ অনুসারে, মধ্যযুগীয় লাতিন শব্দ sclāvus, যা *scylāvus থেকে এসেছে, তার উৎস হতে পারে বাইজান্টাইন গ্রিক σκυλάω (skūláō বা skyláō) এবং σκυλεύω (skūleúō, skyleúō)। এই শব্দগুলোর অর্থ ‘যুদ্ধে নিহত শত্রুর দেহ লুট করা’ বা ‘যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংগ্রহ করা’।[২০][২১][২২][২৩] তবে এই ব্যাখ্যাও সমালোচনার মুখে পড়েছে।[২৪]

পরিভাষা

[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিকদের মধ্যে এই নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে যে, দাসত্বের শিকার ব্যক্তিদের বর্ণনার ক্ষেত্রে অস্বাধীন শ্রমিক বা দাসত্বে নিপতিত ব্যক্তি– এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করা উচিত কি না, নাকি শুধুই দাস শব্দটিই যথাযথ। যাঁরা পরিভাষা পরিবর্তনের পক্ষে, তাঁদের মতে দাস শব্দটি ভাষাগতভাবে দাসত্বের অপরাধকে চিরস্থায়ী করে তোলে, কারণ এটি ভুক্তভোগীদের মানুষ হিসেবে নয়, বরং সম্পত্তি হিসেবে উপস্থাপন করে। তাই তাঁদের মতে, ভাষায় পরিবর্তনের মাধ্যমে দাসদের ‘সম্পত্তি’ নয়, ‘মানুষ’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত (দেখুন: ব্যক্তি-প্রথম ভাষা)।

অন্যদিকে, কিছু ঐতিহাসিক দাস শব্দটির পক্ষপাতী, কারণ এটি পরিচিত এবং সংক্ষিপ্ত। আবার অনেকের মতে, এই শব্দটি দাসত্বের অমানবিক বাস্তবতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে, যেখানে ব্যক্তি শব্দটি এমন এক স্বায়ত্তশাসনের ইঙ্গিত দেয়, যা দাসত্বের মধ্যে অনুপস্থিত।[২৫]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দীর শেষভাগের কোরিন্থীয় কৃষ্ণচিত্র মৃন্ময় ফলক, যেখানে দাসদের খনিতে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে

দাসত্ব লিখিত ইতিহাসের আগেই বিদ্যমান ছিল এবং এটি বহু সংস্কৃতিতে দেখা গেছে।[]

শিকারি-সংগ্রাহক জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে দাসত্ব খুবই বিরল, কারণ এর জন্য অতিরিক্ত অর্থনৈতিক সম্পদ ও উল্লেখযোগ্য জনঘনত্ব প্রয়োজন। তবে কিছু সম্পদসমৃদ্ধ শিকারি-সংগ্রাহক জনগোষ্ঠীর মধ্যে, যেমন প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম উপকূলের স্যালমন-সমৃদ্ধ নদীঘেঁষা অঞ্চলের আমেরিকান আদিবাসীদের মধ্যে, দাসত্ব দেখা গেছে।

তবে দাসত্ব ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে নিওলিথিক বিপ্লবের সময় প্রায় ১১,০০০ বছর আগে কৃষি আবিষ্কারের পর থেকে।[২৬] প্রায় সব প্রাচীন সভ্যতায় দাসত্ব চর্চা করা হতো।[] এই ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে ছিল ঋণ-ভিত্তিক দাসত্ব, অপরাধের শাস্তিস্বরূপ দাসত্ব, যুদ্ধে বন্দি হওয়া ব্যক্তিদের দাসে রূপান্তর, শিশু পরিত্যাগের ফলে দাসত্বে পতন, এবং দাসদের সন্তানদের দাস করে রাখার প্রথা।[২৭]

সমসাময়িক দাসত্ব

[সম্পাদনা]
২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, জনসংখ্যার অনুপাতে বিভিন্ন দেশে আধুনিক দাসত্বের হার

যদিও বর্তমানে বিশ্বের সব দেশেই দাসত্ব আইনত নিষিদ্ধ, তবুও আজকের দিনে আনুমানিক ১.২ কোটি থেকে ২.৯৮ কোটি মানুষ দাসত্বের শিকার বলে ধারণা করা হয়।[২৮][২৯][৩০]

দাসত্বের একটি বিস্তৃত সংজ্ঞা অনুসারে, ১৯৯৯ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় ২.৭ কোটি মানুষ দাসত্বে আবদ্ধ ছিল।[৩১] ২০০৫ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার একটি প্রতিবেদনে ১.২৩ কোটি জোরপূর্বক শ্রমিকের কথা বলা হয়।[৩২]

সিদ্ধার্থ কারা ২০০৬ সালের শেষ নাগাদ বিশ্বজুড়ে ২.৮৪ কোটি দাসের হিসাব দেন, যা তিনটি ভাগে বিভক্ত: ঋণদাসত্ব বা ঋণজনিত দাসত্ব (১.৮১ কোটি), জোরপূর্বক শ্রম (৭৬ লক্ষ), এবং পাচারকৃত দাস (২৭ লক্ষ)।[৩৩] তিনি এক ধরনের গতিশীল মডেলও প্রস্তাব করেছেন, যার ভিত্তিতে প্রতি বছর বিশ্বে দাসের সংখ্যা নির্ধারণ করা যায়। তার হিসাবে, ২০০৯ সালের শেষ নাগাদ এই সংখ্যা ছিল ২.৯২ কোটি।

তুয়ারেগ সমাজ ঐতিহ্যগতভাবে শ্রেণিভিত্তিক, যেখানে আছে অভিজাত, অনুগত এবং গাঢ় ত্বকের দাস শ্রেণি।[৩৪]

২০০৩ সালে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে ঋণদাসত্বে প্রায় ১.৫ কোটি শিশু কাজ করছে, যারা তাদের পরিবারের ঋণ শোধের জন্য দাসত্বসদৃশ পরিবেশে বাধ্যতামূলক শ্রমে নিযুক্ত।[৩৫][৩৬]

স্লাভোই জিজেক মত দেন যে, ঠান্ডা যুদ্ধ-পরবর্তী বৈশ্বিক পুঁজিবাদী যুগে সমসাময়িক দাসত্বের নতুন রূপ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে আছে আরব উপদ্বীপে বেসিক নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত অভিবাসী শ্রমিক, এশিয়ার ঘর্মশালাগুলিতে শ্রমিকদের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, এবং মধ্য আফ্রিকায় প্রাকৃতিক সম্পদের শোষণে জোরপূর্বক শ্রমের ব্যবহার।[৩৭]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Allain, Jean (২০১২)। "The Legal Definition of Slavery into the Twenty-First Century"। Allain, Jean (সম্পাদক)। The Legal Understanding of Slavery: From the Historical to the Contemporary। Oxford: Oxford University Press। পৃ. ১৯৯–২১৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-১৬৪৫৩৫-৮
  2. Baker-Kimmons, Leslie C. (২০০৮)। "Slavery"। Schaefer, Richard T. (সম্পাদক)। Encyclopedia of Race, Ethnicity, and Society। খণ্ড ৩। SAGE Publishing। পৃ. ১২৩৪। আইএসবিএন ৯৭৮১৪১২৯২৬৯৪২
  3. 1 2 3 "Historical survey: Slave-owning societies"Encyclopædia Britannica। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  4. Pargas, Damian (২০২৩)। "Introduction: Historicizing and Spatializing Global Slavery"। The Palgrave Handbook of Global Slavery throughout History। Palgrave MacMillan। আইএসবিএন ৯৭৮-৩০৩১১৩২৬২৯
  5. Engerman, Stanley; Paquette, Robert; Drescher, Seymour, সম্পাদকগণ (২০০১)। Slavery (Oxford Reader) (Reprinted সংস্করণ)। Oxford University Press। পৃ. আইএসবিএন ৯৭৮০১৯২৮৯৩০২৪By the end of the twentieth century, slavery was no longer legally or morally acceptable anywhere in the world. Only two centuries ago, slavery was still among the most ubiquitous institutions in human societies, and had existed in most times and places throughout history.
  6. Bales 2004, পৃ. 4।
  7. White, Shelley K.; White, Jonathan M.; Korgen, Kathleen Odell (২০১৪)। Sociologists in Action on Inequalities: Race, Class, Gender, and SexualitySAGE Publishing। পৃ. ৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৮৩৩-১১৪৭-০
  8. 1 2 "Slavery in the 21st century"। Newint.org। ২৭ মে ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১০
  9. Okeowo, Alexis (৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Freedom Fighter: A slaving society and an abolitionist's crusade"The New Yorker। ৬ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৪
  10. Corrigan, Terence (৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "মরিতানিয়া: দেশটি গত মাসে দাসত্ব নিষিদ্ধ করেছে"South African Institute of International Affairs। The East African Standard। ৪ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০০৮
  11. Hodal, Kate (৩১ মে ২০১৬)। "প্রতি ২০০ জনে একজন দাস। কেন?"The Guardian। ৩০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  12. "ধর্ম ও নৈতিকতা – আধুনিক দাসত্ব: আধুনিক রূপ"BBC। ৩০ জানুয়ারি ২০০৭। ৬ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০০৯
  13. "ISIS and Their Use of Slavery"International Centre for Counter-Terrorism - ICCT (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০২৪
  14. "slave"। Oxford English Dictionary (2nd সংস্করণ)। ১৯৮৯।
  15. Jankowiak, Marek (ফেব্রুয়ারি ২০১৭)। "What Does the Slave Trade in the Saqaliba Tell Us about Early Islamic Slavery?"International Journal of Middle East Studies৪৯ (1): ১৬৯–১৭২। ডিওআই:10.1017/S0020743816001240আইএসএসএন 0020-7438
  16. "The international slave trade"Encyclopædia Britannica
  17. Lewis 1992, Chapter 1।
  18. Kluge, Friedrich (১৮৯৯)। "Artikel Sklave" [Article Slave]Etymologisches Wörterbuch Der Deutschen Sprache [Etymological dictionary of the German language] (জার্মান ভাষায়) (6 সংস্করণ)। Strassburg: Trübner। পৃ. ৩৬৬।
  19. Dostoevsky, Fyodor (১৯৮১)। "Самое последнее слово цивилизации"। В. Г. Базанов и др., ИРЛИ (সম্পাদক)। Polnoye sobraniye sochineniy. V 30 tomakh Полное собрание сочинений. В 30 томах [Full composition of writings. In 30 volumes] (রুশ ভাষায়)। খণ্ড ২৩. Дневник писателя за ১৮৭৬ год. Май-октябрь। Leningrad: Наука. Ленингр. отд-ние। পৃ. ৬৩, ৩৮২। ২০ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  20. Korth, Georg (১৯৭০)। "Zur Etymologie des Wortes 'Slavus' (Sklave)" [On the etymology of the word 'Slavus' (slave)]Glotta, Zeitschrift für Griechische und Lateinische Sprache (জার্মান ভাষায়)। ৪৮ (1/2)। Göttingen: Vandenhoeck & Ruprecht (GmbH & Co. KG): ১৪৫–১৫৩। জেস্টোর 40266114
  21. Kluge, Friedrich (১৯৮৯)। "Artikel Sklave"। Elmar Seebold (সম্পাদক)। Etymologisches Wörterbuch Der Deutschen Sprache (জার্মান ভাষায়) (22 সংস্করণ)। Berlin & New York: De Gruyter। পৃ. ৬৭৬। আইএসবিএন ৩-১১-০০৬৮০০-১
  22. Köbler, Gerhard (১৯৯৫)। "Sklave"Deutsches Etymologisches Rechtswörterbuch (জার্মান ভাষায়)। Tübingen: Mohr। পৃ. ৩৭১। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৮২৫২-১৮৮৮-১
  23. Scholten, Daniel (২০২০)। "Sklave und Slawe"। Deutsch für Dichter und Denker: Unsere Muttersprache in neuem Licht (জার্মান ভাষায়)। Bright Star Books। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৯৪৮২৮৭-০৬-১। ২৪ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  24. Ditten, Hans (১৯৭২)। "Kritik an G. Korth"। Byzantinoslavica। খণ্ড ৩৩। Prague: Academia, de l'Academie Tchecoslovaque des Sciences et Lettres। পৃ. ১৮৩–১৮৪।
  25. Waldman, Katy (১৯ মে ২০১৫)। "Slave or Enslaved Person? It's not just an academic debate for historians of American slavery"Slate। ২১ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  26. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; ebhellie নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  27. Harris, W. V. (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। Demography, Geography, and the Sources of Roman Slaves। Rome's Imperial Economy। Oxford University Press। পৃ. ৮৮–১১০। ডিওআই:10.1093/acprof:osobl/9780199595167.003.0005আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯৫৯৫১৬-৭
  28. "A Mauritanian Abolitionist's Crusade Against Slavery"The New Yorker। ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  29. "Forced labour – Themes"International Labour Organization। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০১০
  30. "Inaugural Global Slavery Index Reveals More Than 29 Million People Living In Slavery"Global Slavery Index 2013। ৪ অক্টোবর ২০১৩। ৭ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৩
  31. Bales 1999, পৃ. 9, Chapter 1।
  32. A Global Alliance Against Forced Labour। International Labour Organisation। ২০০৫। আইএসবিএন ৯৭৮-৯২-২-১১৫৩৬০-৩
  33. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Dhaliwal নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  34. Fortin, Jacey (১৬ জানুয়ারি ২০১৩)। "Mali's Other Crisis: Slavery Still Plagues Mali, And Insurgency Could Make It Worse"International Business Times
  35. Coursen-Neff, Zama; Tribune, International Herald (৩০ জানুয়ারি ২০০৩)। "For 15 million in India, a childhood of slavery"The New York Timesআইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  36. "Child Slaves Abandoned to India's Silk Industry"Human Rights Watch। ২৩ জানুয়ারি ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  37. Žižek, Slavoj (২০১৮)। The Courage of Hopelessness: A Year of Acting Dangerously। Melville House। পৃ. ২৯। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬১২১৯-০০৩-৭। ২৭ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০১৮ Google Books এর মাধ্যমে।

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]
সূত্রবিহীন উৎস
যুক্তরাষ্ট্র
আধুনিক যুগে দাসত্ব

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]
ঐতিহাসিক