দক্ষিণ সুদানে ইসলাম
অবয়ব
| দেশ অনুযায়ী ইসলাম |
|---|
|
|
২০১১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে দক্ষিণ সুদান। ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা দক্ষিণ সুদানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। ২০১১ সালে সুদান থেকে পৃথক হবার জন্য আয়োজিত গণভোটকে স্বাগত জানিয়েছিলেন দেশটির মুসলমানরা।[১]
১৯৫৬ সালে পরিচালিত এক জরিপ অনুযায়ী, দেশটির ভূখণ্ডে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষই খ্রিষ্টান অথবা উপজাতীয় ধর্মবিশ্বাসে বিশ্বাসী ছিলেন, ১৮% মানুষ ছিলেন মুসলিম।[২] কিন্তু ব্যাপক মিশনারী তৎপরতা ও গৃহযুদ্ধের ফলে মুসলিমদের আনুপাতিক হার কমে যায়৷ পাশাপাশি ২০১১ সালে স্বাধীনতার সময় অনেক মুসলিম সুদানে চলে আসেন৷[৩]
২০১২ সালে পিউ রিসার্চ সেন্টার কর্তৃক পরিচালিত এক জরিপ অনুসারে, ২০১০ সালে দেশটির ভূখণ্ডে বসবাসকারী মুসলমানের সংখ্যা প্রায় ৬১০,০০০, যা দক্ষিণ সুদানের মোট জনসংখ্যার ৬.২%।[৪][৩]
- দক্ষিণ সুদানের মুসলিম শিশুরা
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "South Sudan's Muslims welcome secession"।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ "South Sudan's Muslims welcome secession"। Agence France-Presse। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১১।
- 1 2 INSAMER। "South Sudanese Muslims - İnsamer - İnsamer"। INSAMER (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ "Pew Forum on Religion"। ২১ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০১৯।