থেলস্টন পেইন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
থেলস্টন পেইন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামথেলস্টন রডনি ও’নীল পেইন
জন্ম (1957-02-13) ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৭ (বয়স ৬৪)
ফোল বে, সেন্ট ফিলিপ, বার্বাডোস
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
ভূমিকাউইকেট-রক্ষক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ১৮৭)
৭ মার্চ ১৯৮৬ বনাম ইংল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৪৪)
১৯ এপ্রিল ১৯৮৪ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ ওডিআই২৮ মার্চ ১৯৮৭ বনাম নিউজিল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭৮ - ১৯৯০বার্বাডোস
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৬৮ ৩৮
রানের সংখ্যা ১২৬ ৩,৩৯১ ৭৯৫
ব্যাটিং গড় ৫.০০ ৩১.৫০ ৩৬.৮৫ ২৯.৪৪
১০০/৫০ ০/০ ০/১ ৬/২৫ ১/৩
সর্বোচ্চ রান ৬০ ১৪০ ১০০*
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৫/০ ৬/০ ১০৩/৮ ৩০/৩
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৭ জুন ২০২০

থেলস্টন রডনি ও’নীল পেইন (ইংরেজি: Thelston Payne; জন্ম: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৭) বার্বাডোসের ফোল বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।[১][২]

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোস দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, বামহাতে ব্যাটিং করতেন থেলস্টন পেইন

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৭৮-৭৯ মৌসুম থেকে ১৯৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত থেলস্টন পেইনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ৬৮টি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ করেন। অধিকাংশ খেলাই বার্বাডোসের পক্ষে খেলেছেন।

দক্ষ উইকেট-রক্ষক হিসেবে থেলস্টন পেইনের সুনাম ছিল। সর্বদাই তিনি সৌর টুপি পরিধান করতেন। খেলোয়াড়ী জীবনের অধিকাংশ সময়ই তাকে জেফ ডুজনের ছত্রচ্ছায়ায় অবস্থান করতে হয়েছিল। পরবর্তীকালে থেলস্টন পেইন উল্লেখ করেন যে, ‘আমি সর্বদাই ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতাম। কয়েকবছর বিদেশ সফর করে মাত্র একটি টেস্ট ও সাতটি ওডিআইয়ে অংশ নেই। অন্যদের ব্যর্থতাগুলো আমাকে দেখতে হয়। ১৯৮৩ সালে আমি ধারাবাহিকভাবে তিনটি সেঞ্চুরি হাঁকাই ও আমি জানি যে, আমি ব্যাটসম্যান হিসেবে বেশ ভালো খেলা উপহার দিতে পারবো। ’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্ট ও সাতটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন থেলস্টন পেইন। ৭ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। অন্যদিকে, ১৯ এপ্রিল, ১৯৮৪ তারিখে কাস্ট্রিজে অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। ২৮ মার্চ, ১৯৮৭ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি।

১৯৮৪ সালে ইংল্যান্ড, ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া ও পরবর্তীতে নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও শারজায় দলে দ্বিতীয় পছন্দের উইকেট-রক্ষক হিসেবে ছিলেন।

ইংল্যান্ডের মুখোমুখি[সম্পাদনা]

সচরাচর ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে জেফ ডুজনের সহকারী হিসেবে থাকতেন। তবে, ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ চলাকালে জেফ ডুজন আঘাতপ্রাপ্ত হলে টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ হয় তার। পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে পাঁচটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করলে স্বাগতিকরা সাত উইকেটে জয়লাভে সক্ষম হয়। ব্যাট হাতে মাত্র পাঁচ রান তুলতে পেরেছিলেন তিনি। তবে, জেফ ডুজনের সুস্থতায় তাকে আবারও মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়েছিল।

সাতটি ওডিআইয়ে অংশ নিলেও সর্বদাই দলে তিনি আসা-যাওয়ার পালায় থাকতেন। কেবলমাত্র ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমের বিশ্ব সিরিজ কাপে উপর্যুপরী দুইবার খেলার সুযোগ পান। দুই মাস পর নিজস্ব সর্বশেষ ওডিআইটি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার জন্যে পীড়াদায়ক অধ্যায় ছিল। রিচার্ড হ্যাডলি’র ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করলেও গর্ডন গ্রীনিজডেসমন্ড হেইন্সের নিরবচ্ছিন্ন জুটির কল্যাণে কোন উইকেট না হারিয়েই তার দল জয় পায়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. List of West Indies Test Cricketers
  2. "West Indies – Test Batting Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০২০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]