থর এক্সপ্রেস
| সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| পরিষেবা ধরন | আন্তঃনগর ট্রেন | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| প্রথম পরিষেবা | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৬ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| শেষ পরিষেবা | ৮ আগস্ট ২০১৯ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| বর্তমান পরিচালক | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| যাত্রাপথ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| শুরু | ভগৎ কি কোঠি (যোধপুর) | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| বিরতি | ৪ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| শেষ | করাচি ক্যান্টনমেন্ট | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ভ্রমণ দূরত্ব | ৭০৯ কিলোমিটার (৪৪১ মাইল) | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| যাত্রার গড় সময় | ১৩ ঘণ্টা, ৫ মিনিট | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| পরিষেবার হার | সাপ্তাহিক | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| যাত্রাপথের সেবা | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| শ্রেণী | ইকোনমি | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ঘুমানোর ব্যবস্থা | নেই | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| খাদ্য সুবিধা | নেই | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| কারিগরি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ট্র্যাক গেজ | ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
থর এক্সপ্রেস (হিন্দি: थार एक्सप्रेस, উর্দু: تھر ایکسپریس, রাজস্থানি: थार एक्सप्रेस, সিন্ধি: ٿر ايڪسپريس) একটি আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ট্রেন ছিল, যা ভারতের রাজস্থানের যোধপুরের উপশহর ভগৎ কি কোঠি থেকে পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের করাচির করাচি ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে চলাচল করত। ভারতীয় উপমহাদেশেের থর মরুভূমি থেকে এই ট্রেনের নামকরণ করা হয়েছে। মরুভূমিটি ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত এবং প্রায় ২,০০,০০০ কিমি২ (৭৭,০০০ মা২) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত যা একে বিশ্বের ১৭তম বৃহত্তম মরুভূমি করে তুলেছে।[১]
সমঝোতা এক্সপ্রেস-এর পরে এটি ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের দ্বিতীয় ট্রেন যা সিমলা চুক্তির ভিত্তিতে চালু করা হয়। ২০০৬ সালে পুনরায় চালু হওয়ার আগে, যোধপুর-হায়দ্রাবাদ রেলপথটি ৪১ বছর ধরে বন্ধ ছিল।[২]
৯ আগস্ট ২০১৯ তারিখে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় থর এক্সপ্রেস অনির্দিষ্টকালের জন্য বাতিল করা হয়।[৩]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]
ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৯২ সালে হায়দ্রাবাদ-যোধপুর রেলওয়ে যোধপুর-হায়দ্রাবাদ মূল রেলপথ দুটি অংশে নির্মাণ করে। প্রথম অংশ ছিল লুনি–শাদিপল্লি সেকশন যা ছিল একটি মিটারগেজ লাইন। দ্বিতীয় অংশ ছিল শাদিপল্লি–হায়দ্রাবাদ সেকশন, যা মূলত ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) ব্রড-গেজ রেলপথ হিসেবে নির্মাণ করা হয়। কিন্তু তখন যাত্রী পরিবহন কম থাকায় ১৯০১ সালে এটি ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট ৩ ৩⁄৮ ইঞ্চি) মিটারগেজে রূপান্তর করা হয় এবং প্রথম অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।[৪][৫]

১৯০১ সালে সিন্ধু মেইল ট্রেন বোম্বে (বর্তমানে মুম্বাই) থেকে করাচি পর্যন্ত চলাচল শুরু করে। এই ট্রেনের রুট ছিল আহমেদাবাদ–পালানপুর–মারওয়ার–পালি–লুনি–মুনাবাও–খোখরাপার–মিরপুরখাস ও হায়দ্রাবাদ হয়ে। এটি ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। দেশভাগের পর যোধপুর রাজ্য ও উত্তর বোম্বে প্রেসিডেন্সির রেল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ভাগ হয়ে যায় ভারতের রাজস্থান রাজ্য ও পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে। ফলে মূল লাইনটি দু'ভাগে বিভক্ত হয়—ভারতের অংশে যোধপুর–মুনাবাও লাইন এবং পাকিস্তানের অংশে খোখরাপার–হায়দ্রাবাদ লাইন নামে পরিচিত হয়। এই অবস্থায় সিন্ধ মেইল-এর সূচনা বিন্দু পরিবর্তন করে ভারতের যোধপুর ও পাকিস্তানের হায়দ্রাবাদ করা হয় এবং ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে এই ট্রেন চলাচল করে। কিন্তু ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হলে সব যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময় পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান রেলপথে বোমা হামলা চালায় এবং বোম্বে-করাচি ট্রেনের যাত্রা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।[৬][৭][৮]
২৮ জুন ১৯৭৬ সালে ভারত ও পাকিস্তান সিমলা চুক্তি (২ জুলাই ১৯৭২) পর একটি রেল যোগাযোগ চুক্তি স্বাক্ষর করে। যার উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা। এই চুক্তির ভিত্তিতেই পরে সমঝোতা এক্সপ্রেস চালু হয়। এছাড়াও দিল্লি-লাহোর বাস পরিষেবা ও শ্রীনগর–মুজাফফরাবাদ বাস পরিষেবা পৃথক চুক্তির মাধ্যমে চালু করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
ভারতের দিক থেকে জোধপুর–মুনাবাও লাইন সম্পূর্ণভাবে ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) ব্রডগেজে রূপান্তরিত হয় ২০০৩ সালে এবং মুনাবাও রেল স্টেশনে অভিবাসন ও শুল্ক অফিস স্থাপন করা হয়, যেখানে বর্তমানে চেকিং সম্পন্ন হয়। অন্যদিকে পাকিস্তানে, খোখরাপার–হায়দ্রাবাদ লাইন আবার মূল ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) ব্রডগেজে রূপান্তর করা হয় এবং জিরো পয়েন্ট রেল স্টেশন ২০০৬ সালে সীমান্ত থেকে কয়েকশ মিটার দূরে নির্মাণ করা হয়, যেখানে বর্তমানে অভিবাসন ও শুল্ক চেকিং হয়। এই উন্নয়নের ফলে দুই দেশ রেল সংযোগ পুনরায় চালুর জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এর আগে এটি সম্ভব ছিল না কারণ হায়দ্রাবাদ বা মিরপুরখাসে গেজ পরিবর্তনের প্রয়োজন হতো। ১৯৬৫ সালের আগে পাকিস্তানের শেষ স্টেশন ছিল খোখরোপার যা সীমান্ত থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
দুই দেশের গেজ রূপান্তরের পর, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৬ সালে সিমলা চুক্তির ভিত্তিতে থর এক্সপ্রেস চালু হয় এবং এটি সমঝোতা এক্সপ্রেস-এর পর দুই দেশের মধ্যে সংযোগকারী দ্বিতীয় রেলপথ হয়ে ওঠে।[৯] পরবর্তীতে পুনর্নবীকরণযোগ্য রেল যোগাযোগ চুক্তি নিয়মিত নবায়ন করা হয়, এবং সর্বশেষ নবায়ন হয় ১৯ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত।[১০][১১]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Mughal, Owais (২৯ অক্টোবর ২০০৪)। "Pakistan Railway Train Names"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুন ২০১৭।
- ↑ Rail Agreement of India and Pakistan, Retrieved 20 August 2020
- ↑ hindustantimes.com, Retrieved 21 August 2020
- ↑ "Administration Report on the Railways in India – corrected up to 31st March 1918"; Superintendent of Government Printing, Calcutta; page 188; Retrieved 6 Feb 2016
- ↑ "IR History: Part III (1900-1947)"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৪।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;IndTrনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ পাকিস্তানে কীভাবে পৌঁছাবেন, The Hindu, ১২ মে ২০১৭
- ↑ "[IRFCA] Indian Railways FAQ: Geography : International"। IRFCA।
- ↑ zeenews.india.com, Retrieved 21 August 2020
- ↑ economicetimes.com, Retrieved 21 August 2020
- ↑ Cross-Border Rail Link Restored After 40 Years International Railway Journal April 2006 page 2