ত্রয়ী সার্বভৌম এবং পঞ্চ সম্রাট
তিন অধিপতি ও পাঁচ সম্রাট ত্রয়ী সার্বভৌম এবং পঞ্চ সম্রাট Three Sovereigns and Five Emperors 三皇五帝 | |||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| সরকার | রাজতন্ত্র | ||||||
| চীনা সার্বভৌম | |||||||
• আনু. 2852 – আনু. 2738 BC | ফুশি | ||||||
• আনু. 2737 – আনু. 2638 BC | নুওয়া | ||||||
• আনু. 2637 – আনু. 2598 BC | শেন্নং | ||||||
• আনু. 2597 – আনু. 2514 BC | পীত সম্রাট | ||||||
• আনু. 2513 – আনু. 2436 BC | ঝুয়ান্ষু | ||||||
• আনু. 2435 – আনু. 2366 BC | সম্রাট কু | ||||||
• আনু. 2365 – আনু. 2256 BC | সম্রাট ইয়াও | ||||||
• আনু. 2255 – আনু. 2206 BC | সম্রাট শুন | ||||||
| |||||||
চীনা পুরাণ এবং ঐতিহ্যবাহী চীনা ইতিহাসলেখ্য অনুসারে, তিন অধিপতি ও পাঁচ সম্রাট (চীনা: 三皇五帝; পিনইন: Sān huáng wǔ dì) ছিলেন এক ধারাবাহিক ঋষিপ্রজ্ঞ চীনা সম্রাটগণ, যাঁরা ছিলেন চীনের আদি সম্রাট।[১] আজ তাঁরা সাংস্কৃতিক নায়করূপে গণ্য হন,[২] কিন্তু প্রাচীনকালে তাঁরা দেবত্বপ্রাপ্ত "পূর্বরাজ পিতৃপুরুষ" হিসেবে ব্যাপকভাবে পূজিত হতেন। প্রাপ্ত ইতিহাস অনুসারে, শিয়া রাজবংশের পূর্বে তাদের অস্তিত্ব ছিল [৩], যদিও ধারণা করা হয় যে পরবর্তী সময়ে [৪] কিছুটা নিরাকার রূপে তাদের অস্তিত্ব ছিল যা চীনা জনগণকে সাহায্য করেছিল, বিশেষ করে শাং রাজবংশের [৫] আত্মা হিসেবে নুওয়ার অস্তিত্বের গল্প এবং শেনংকে হাউ জি- এর ধার্মিক রূপ এবং ঝৌ রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।[৬]
পুরাণকথায়, তিন অধিপতি ছিলেন অর্ধদেবতা, যাঁরা মানবজাতির সৃষ্টিতে সহায়তা করেছিলেন এবং তাঁদের মৌলিক দক্ষতা ও জ্ঞান দান করেছিলেন। পঞ্চ সম্রাট ছিলেন আদর্শ ঋষিপ্রজ্ঞ ব্যক্তিত্ব, যাঁদের নৈতিক চরিত্র অতুলনীয় ছিল, এবং তাঁরা সেই সুবর্ণযুগের অধিবাসী, যখন "মানবিক শৃঙ্খলা ও ঐশ্বরিক শক্তির মধ্যে সংযোগ ছিল জীবনের কেন্দ্রবিন্দু", এবং যেখানে ঋষিগণ নিজেরাই দেবত্বের আধার ছিলেন অথবা মানবজাতিকে ঐশ্বরিক শক্তির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে সহায়তা করতেন।[৭]
এই সময়কাল পর্যন্ত সিংহাসন পরিত্যাগ পদ্ধতি প্রচলিত ছিল, পরে শিয়ার চী বলপ্রয়োগে ক্ষমতা দখল করে উত্তরাধিকারভিত্তিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- ↑ "三皇五帝 – 国学网" (Chinese (China) ভাষায়)। ১৬ আগস্ট ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
- ↑ Hucker, Charles (১৯৯৫)। China's Imperial Past: An Introduction to Chinese History and Culture। Stanford University Press। পৃ. ২২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০৪৭-২৩৫৩-৪।
- ↑ Morton, W. Scott; Lewis, Charlton M. (২০০৫)। China: its history and culture (4th সংস্করণ)। McGraw-Hill। পৃ. ১৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-০৭-১৪১২৭৯-৭।
- ↑ Scarpari, Maurizio (২০০৬)। Ancient China: Chinese Civilization from the Origins to the Tang Dynasty। Barnes & Noble। পৃ. ২৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৬০৭-৮৩৭৯-৫।
- ↑ Ni, Xueting C. (২০২৩)। Chinese Myths: From Cosmology and Folklore to Gods and Immortals। Amber Books। পৃ. ৭৬–৭৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৩৮৮৬-২৬৩-৩।
- ↑ Asim, Ina (২০০৭)। "Keynotes 2"। University of Oregon। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৩।
- ↑ World Religions: Eastern Traditions (2nd সংস্করণ)। Oxford University Press। ২০০২। পৃ. ৩২৪, ৩২৬। আইএসবিএন ০-১৯-৫৪১৫২১-৩। ওসিএলসি 46661540।