তৌবা গ্রেট মসজিদ
| তৌবা গ্রেট মসজিদ | |
|---|---|
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | সুন্নি ইসলাম |
| ধর্মীয় অনুষ্ঠান | সুফিবাদ |
| যাজকীয় বা সাংগঠনিক অবস্থা | মসজিদ |
| অবস্থা | সক্রিয় |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | তৌবা, দিউরবেল |
| দেশ | সেনেগাল |
| স্থানাঙ্ক | ১৪°৫১′৪৭.২″ উত্তর ১৫°৫২′৩১.৭″ পশ্চিম / ১৪.৮৬৩১১১° উত্তর ১৫.৮৭৫৪৭২° পশ্চিম |
| স্থাপত্য | |
| ধরন | মসজিদের স্থাপত্য |
| প্রতিষ্ঠাতা | আহমদ বামবা |
| প্রতিষ্ঠার তারিখ | ১৮৮৭ (একটি জামাত হিসেবে) |
| সম্পূর্ণ হয় | ১৯৬৩ |
| বিনির্দেশ | |
| ধারণক্ষমতা | ৭,০০০ মুসল্লি |
| দৈর্ঘ্য | ১০০ মিটার (৩৩০ ফুট) |
| প্রস্থ | ৮০ মিটার (২৬০ ফুট) |
| গম্বুজসমূহ | ১৪ |
| মিনার | সাত |
| মিনারের উচ্চতা | ৯৬ মিটার (৩১৫ ফুট) [ল্যাম্প ফল] |
তৌবা গ্রেট মসজিদ (আরবি: الجامع الكبير في توبا, ফরাসি: Grande Mosquée de Touba) তৌবা, সেনেগাল শহরের একটি মসজিদ। এটি আহমাদ বাম্বা ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৬৩ সালে নির্মাণ সম্পন্ন হয়। বাম্বা ১৯২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে এই মসজিদের ভেতরে সমাহিত করা হয়।[১] তার মৃত্যুর পর থেকে এই মসজিদ তার পরিবারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এটি শহরের বৃহত্তম স্থাপনা এবং আফ্রিকার অন্যতম বৃহৎ মসজিদ, যেখানে প্রায় ৭,০০০ মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন।[১] এটি গ্র্যান্ড মাগাল অব তৌবা নামক এক বৃহৎ তীর্থযাত্রার কেন্দ্রস্থল।
এই মসজিদ মুরিদিয়া ভ্রাতৃসংঘের প্রধান কেন্দ্র, যা একটি সুফি তরীকা। ফলে এটি এই ভ্রাতৃসংঘের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]তৌবা গ্রেট মসজিদের নির্মাণ পরিকল্পনা আহমাদ বাম্বার জীবনের শেষ কয়েক বছরে, আনুমানিক ১৯২৪-১৯২৭ সালের মধ্যে গৃহীত হয়। তিনি এটিকে নিজের সমাধির স্থান হিসেবেও নির্ধারণ করেন। তখনকার সেনেগালের ঔপনিবেশিক শাসক ফরাসিরা ১৯২৬ সালে কিছু দ্বিধাদ্বন্দ্বের পর এই পরিকল্পনার অনুমোদন দেয়। কিন্তু প্রথম দফার অর্থ তছরুপের কারণে নির্মাণকাজ বিলম্বিত হয়। পরে আহমাদ বাম্বার পুত্র এবং উত্তরসূরি মামাদু মুস্তাফা এমবাকে-এর তত্ত্বাবধানে ধীর গতিতে নির্মাণকাজ এগিয়ে চলে। ১৯৩২ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্পন্ন হয়, কিন্তু ১৯৩৯-১৯৪৭ সময়কালে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদটি উদ্বোধন করা হয়। মামাদু মুস্তাফাকেও এখানে সমাহিত করা হয়।[২]
নকশা
[সম্পাদনা]মসজিদটি ১০০ মিটার (৩৩০ ফুট) দীর্ঘ ও ৮০ মিটার (২৬০ ফুট) প্রশস্ত। এতে সাতটি মিনার, তিনটি বৃহৎ গম্বুজ এবং আরও এগারোটি গম্বুজ রয়েছে। পাশাপাশি, এতে দুটি অজুখানা রয়েছে। প্রধান মিনারের উচ্চতা ৯৬ মিটার (৩১৫ ফুট)।[২] এই প্রধান মিনারটি সাধারণত ল্যাম্প ফল নামে পরিচিত। এটি মুরিদিয়া তরীকার দ্বিতীয় খলিফার দ্বারা ইব্রাহিমা ফল-এর সম্মানে নামকরণ করা হয়, যিনি বায়ে ফল সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা।[৩]
মসজিদের নিকটস্থ এলাকায় আহমাদ বাম্বার পুত্রগণ, যারা মুরিদিয়া তরীকার খলিফা ছিলেন, তাদের সমাধিসৌধ রয়েছে। এছাড়াও, এই পবিত্র নগরীর কেন্দ্রে একটি ১,৬০,০০০ খণ্ড বইয়ের গ্রন্থাগার,[২] খলিফার আনুষ্ঠানিক দরবার, একটি পবিত্র "দয়া কূপ" এবং একটি কবরস্থান অবস্থিত।
গ্যালারি
[সম্পাদনা]আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "The Mourides: Inside the grand mosque in Touba, Senegal"। বিবিসি নিউজ। ৪ আগস্ট ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০১৪।
- 1 2 3 Triaud, J. L. (২০০৫)। "Ṭūbā"। Bearman, P.; anor (সম্পাদকগণ)। Encyclopaedia of Islam (2nd সংস্করণ)। Leiden: Brill। ডিওআই:10.1163/1573-3912_islam_SIM_7599। আইএসবিএন ৯৭৮৯০০৪১৬১২১৪।
- ↑ Mbacke, Saliou (জানুয়ারি ২০১৬)। The Mouride Order (পিডিএফ)। World Faiths Development Dialogue। Georgetown University: Berkley Center for Religion, Peace, and World Affairs। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০১৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
উইকিমিডিয়া কমন্সে তৌবা গ্রেট মসজিদ সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।