বিষয়বস্তুতে চলুন

তৈমুরি রাজবংশ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
তৈমুরি রাজবংশ
گورکانیان
বাবা-মা বাড়িবারলাস
দেশ
বর্তমান অঞ্চলমধ্য এশিয়া
বৃহত্তর ইরান
ভারতীয় উপমহাদেশ
প্রতিষ্ঠিত৯ এপ্রিল ১৩৭০[]
প্রতিষ্ঠাতাতৈমুর লং
সর্বশেষ শাসকবাহাদুর শাহ জাফর
উপাধি
ঐতিহ্যসুন্নি ইসলাম (হানাফি মাযহাব)
বিচ্ছেদ২১ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭
পদচ্যুতি
  • ১৫০৭ (তৈমুরি সাম্রাজ্য)
  • ২১ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭ (মুঘল সাম্রাজ্য)
ক্যাডেট শাখামুঘল রাজবংশ

তৈমুরি রাজবংশ, যারা নিজেদেরকে গুরকানি[] হিসেবে অভিহিত করত, ছিল তৈমুরি সাম্রাজ্যের (১৩৭০–১৫০৭) শাসক রাজবংশ। এটি ছিল তুর্ক-মঙ্গোল ঐতিহ্যের একটি সুন্নি মুসলিম[] রাজবংশ বা বারলাস গোষ্ঠী[][][][] যাদের উৎপত্তি হয়েছিল সেনাপতি তৈমুর লংয়ের (যিনি তামেরলেন নামেও পরিচিত) বংশ থেকে। "গুরকানি" শব্দটি গুরকান (گورکان) থেকে এসেছে—যা মঙ্গোলীয় শব্দ কুরগেন-এর ফারসি রূপ, যার অর্থ 'জামাতা'।[] এটি রাজবংশ দ্বারা ব্যবহৃত একটি সম্মানসূচক উপাধি ছিল কারণ তৈমুরিরা ছিল মঙ্গোল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চেঙ্গিজ খানের বংশের জামাতা।[] কারণ তৈমুর চেঙ্গিজ খানের সরাসরি বংশধর সারায় মুলক খানমকে বিবাহ করেছিলেন। তৈমুরি রাজবংশের সদস্যরা তৈমুরি রেনেসাঁর সূচনা করেছিলেন এবং তারা পারস্য সংস্কৃতির দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন।[][] তারা ইতিহাসে দুটি উল্লেখযোগ্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন—ইরানমধ্য এশিয়া ভিত্তিক তৈমুরি সাম্রাজ্য (১৩৭০–১৫০৭) এবং ভারতীয় উপমহাদেশ ভিত্তিক মুঘল সাম্রাজ্য (১৫২৬–১৮৫৭)।

তৈমুরি রাজবংশের উৎস মূলত খামাগ মঙ্গোলের শিকড় পর্যন্ত বিস্তৃত, যা ছিল সামরিক প্রধানদের বৃহত্তর উপজাতি বোরজিগিনের একটি উপশাখা। তারা বারলাস নামে একটি জাতিগত মঙ্গোল উপজাতি হিসেবে পরিচিত ছিল, যারা মূলত মঙ্গোল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চেঙ্গিজ খানের মঙ্গোল বাহিনীর অবশিষ্টাংশ ছিল।[][১০][১১] মঙ্গোলদের মধ্য এশিয়া বিজয়ের পর, কিছু ঐতিহাসিকের মতে বারলাসরা ছিল সেই রাজকীয় খেশিগ বাহিনী যাদেরকে নজরদারির জন্য মাওয়ারান্নাহর অঞ্চলে সদর দপ্তর স্থাপনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

বারলাসরা বর্তমান দক্ষিণ তুর্কিস্তানের শিমকেন্ত থেকে তারাজ এবং আলমাতি পর্যন্ত অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে। এই অঞ্চলটি একসময় ফারসিতে মোগলিস্তান বা "মঙ্গোলদের দেশ" নামে পরিচিত ছিল। সেখানে তারা স্থানীয় তুর্কীয় এবং তুর্কীয় ভাষাভাষী জনগণের সাথে ব্যাপকভাবে মিশে যায়। ফলে তৈমুরের রাজত্বকালের সময় বারলাসরা ভাষা ও অভ্যাসের দিক থেকে পুরোপুরি তুর্কীয় ভাবধারায় দিক্ষিত হয়ে পড়েছিল।

অতিরিক্তভাবে, সুন্নি ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে মধ্য এশীয় তুর্কি ও মঙ্গোলরা তাদের প্রশাসনিক কাজের জন্য পারস্যের সাহিত্য ও উচ্চতর সংস্কৃতি গ্রহণ করে, যা ইসলামি প্রভাবের শুরুর দিন থেকেই মধ্য এশিয়ায় প্রাধান্য বিস্তার করেছিল।[১২] তৈমুরি অভিজাতদের পারস্য-ইসলামি দরবারি সংস্কৃতিতে আত্মীকরণের ক্ষেত্রে ফারসি সাহিত্য এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।[১৩]


শাসকদের তালিকা

[সম্পাদনা]

তৈমুরি সাম্রাজ্য

[সম্পাদনা]
উপাধি ব্যক্তিগত নাম রাজত্বকাল
তৈমুর চাগতাই খানাতের ওপর শাসন করেছিলেন যেখানে সয়ুরঘাতমিশ খান এবং পরবর্তীতে সুলতান মাহমুদ খান নামমাত্র খান ছিলেন। তিনি নিজে মুসলিম আরবি উপাধি আমির গ্রহণ করেছিলেন। মূলত খানাতের অস্তিত্ব শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং তৈমুরি সাম্রাজ্য দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
আমির
 امیر 
তৈমুর লং 
 تیمور لنگ 
তৈমুর বেগ গুরকানি
 تیمور بیگ گورکانی 
১৩৭০–১৪০৫
আমির
 امیر 
পির মুহাম্মদ বিন জাহাঙ্গীর মির্জা
پیر محمد بن جہانگیر میرزا 
১৪০৫–১৪০৭
আমির
 امیر 
খলিল সুলতান বিন মিরান শাহ
 خلیل سلطان بن میران شاہ 
১৪০৫–১৪০৯
আমির
 امیر 
শাহরুখ মির্জা
 شاهرخ میرزا 
১৪০৫–১৪৪৭
আমির
 امیر 

উলুগ বেগ

 الغ بیگ 
মির্জা মুহাম্মদ তারাঘাই
 میرزا محمد طارق 
১৪৪৭–১৪৪৯
তৈমুরি সাম্রাজ্যের বিভাজন
মাওয়ারান্নাহর খোরাসান/হেরাত/ফারস/ইরাক-ই-আজম
আব্দুল লতিফ মির্জা
میرزا عبداللطیف 

পাদরকুশ (পিতৃঘাতী)

১৪৪৯–১৪৫০
* আলা আল-দৌলা মির্জা 
  علاء الدولہ میرزا بن بایسنقر
  ?
* আবুল কাসিম বাবর মির্জা
  میرزا ابوالقاسم بابر بن بایسنقر  
  ১৪৪৯–১৪৫৭
* সুলতান মুহাম্মদ 
  سلطان محمد ابن بایسنقر 
  ১৪৪৭–১৪৫১
আব্দুল্লাহ মির্জা
    میرزا عبد اللہ 
   ১৪৫০–১৪৫১
আবুল কাসিম বাবর মির্জা
   میرزا ابوالقاسم بابر بن بایسنقر 
   ১৪৫১–১৪৫৭
মির্জা শাহ মাহমুদ
    میرزا شاه محمود 
   ১৪৫৭
ইব্রাহিম সুলতান
    ابراهیم میرزا 
   ১৪৫৭–১৪৫৯
আবু সাঈদ মির্জা
    ابو سعید میرزا 
   (যদিও আবু সাঈদ মির্জা উজবেক প্রধান আবুল খায়ের খানের সহায়তায় মধ্য এশিয়ার তৈমুরি কেন্দ্রভূমির বেশিরভাগ অংশ পুনরায় একত্রিত করেছিলেন, তবে তিনি জাহান শাহের অধীনে থাকা কারা কোয়ুনলুদের সাথে ইরান ভাগ করে নিতে সম্মত হন। কিন্তু উজুন হাসানের অধীনে আক কোয়ুনলুরা প্রথমে জাহান শাহ এবং পরে আবু সাঈদকে পরাজিত ও হত্যা করে। আবু সাঈদের মৃত্যুর পর পুনরায় সাম্রাজ্য বিচ্ছিন্ন হওয়ার যুগ শুরু হয়।) 
   ১৪৫১–১৪৬৯
**মাওয়ারান্নাহর বিভক্ত হয় সুলতান হোসেন বায়কারা
    سلطان حسین میرزا بایقرا
   ১৪৬৯ প্রথম শাসনকাল
ইয়াদগার মুহাম্মদ মির্জা
    میرزا یادگار محمد 
   ১৪৭০ (৬ সপ্তাহ)
সুলতান হোসেন বায়কারা
    سلطان حسین میرزا بایقرا
   ১৪৭০–১৫০৬ দ্বিতীয় শাসনকাল
* বদিউজ্জামান মির্জা
    بدیع الزمان میرزا 
   ১৫০৬–১৫০৭
* মুজাফ্ফর হুসাইন মির্জা
    مظفر حسین میرزا 
   ১৫০৬–১৫০৭
মুহাম্মদ শায়বাক খানের অধীনে উজবেকদের হেরাত বিজয়
* আবু সাঈদের মৃত্যুর পর তার পুত্ররা মাওয়ারান্নাহরকে সমরকন্দ, বোখারা, হিসার, বালখ, কাবুল এবং ফারগানা অঞ্চলে ভাগ করে নেন।
সমরকন্দ বোখারা হিসার ফারগানা বালখ কাবুল
সুলতান আহমেদ মির্জা
 سلطان احمد میرزا
১৪৬৯–১৪৯৪
দ্বিতীয় উমর শেখ মির্জা
 عمر شیخ میرزا ثانی
১৪৬৯–১৪৯৪
সুলতান মাহমুদ মির্জা
 سلطان محمود میرزا
১৪৬৯–১৪৯৫
উলুগ বেগ মির্জা দ্বিতীয়
 میرزا الغ بیگ
১৪৬৯ – ১৫০২
সুলতান বাইসনঘুর মির্জা বিন মাহমুদ মির্জা
 بایسنقر میرزا بن محمود میرزا
১৪৯৫–১৪৯৭
সুলতান আলি মির্জা
 سلطان علی بن محمود میرزا
১৪৯৫–১৫০০
সুলতান মাসুদ মির্জা বিন মাহমুদ মির্জা
 سلطان مسعود بن محمود میرزا
১৪৯৫ – ?
জহির-উদ-দিন মুহাম্মদ বাবর
 ظہیر الدین محمد بابر
১৪৯৪–১৪৯৭
খসরু শাহ
 خسرو شاه

(ক্ষমতা দখলকারী) ? – ১৫০৪

মুাকিম বেগ আরঘুন
 مقیم ارغون

(ক্ষমতা দখলকারী) ? – ১৫০৪

মুহাম্মদ শায়বাক খানের অধীনে উজবেকগণ
 محمد شایبک خان ازبک
১৫০০–১৫০১
দ্বিতীয় জাহাঙ্গীর মির্জা
 جہانگیر میرزا

(সুলতান আহমেদ তামবোলের হাতের পুতুল)

১৪৯৭ – ১৫০৩
জহির-উদ-দিন মুহাম্মদ বাবর
 ظہیر الدین محمد بابر
১৫০৪–১৫০৪
মুহাম্মদ শায়বাক খানের অধীনে উজবেকগণ
 محمد شایبک خان ازبک
১৫০৩–১৫০৪
জহির-উদ-দিন মুহাম্মদ বাবর
 ظہیر الدین محمد بابر
১৫০৪–১৫১১
জহির-উদ-দিন মুহাম্মদ বাবর
 ظہیر الدین محمد بابر
(ভারত বিজয়ের আগে বাবরের শাসনাধীন এলাকা এই সময়ের মতো আর কখনো এত বিস্তৃত ছিল না। তার দাদা আবু সাঈদ মির্জার মতো তিনি ইরানের শাহ শাহ ইসমাঈল সাফাভীর সহায়তায় মধ্য এশিয়ার তৈমুরি কেন্দ্রভূমি পুনরায় একত্রিত করতে সক্ষম হন। তার শাসনকাল কাস্পিয়ান সাগর এবং ইউরাল পর্বতমালা থেকে গজনীর দূরবর্তী সীমা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং এতে কাবুলগজনি; কুন্দুজহিসার; সমরকন্দবোখারা; ফারগানা; তাশখন্দ এবং সেইরাম অন্তর্ভুক্ত ছিল।) 
১৫১১–১৫১২
উবাইদুল্লাহ সুলতানের অধীনে উজবেকরা পুনরায় মাওয়ারান্নাহর ও বালখ জয় করে
১৫১২
জহির-উদ-দিন মুহাম্মদ বাবর
 ظہیر الدین محمد بابر
১৫১২–১৫৩০
মধ্য এশিয়ায় তৈমুরি সাম্রাজ্য উজবেকদের বোখারা খানাতের অধীনে বিলুপ্ত হয়ে যায়। তবে তৈমুরি রাজবংশ ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে জহির-উদ-দিন মুহাম্মদ বাবরের নেতৃত্বে ভারত জয় করতে এগিয়ে যায় এবং ভারতের তৈমুরি রাজবংশ (মুঘল সাম্রাজ্য) প্রতিষ্ঠা করে।

মুঘল সাম্রাজ্য

[সম্পাদনা]
সম্রাটজন্মশাসনকালমৃত্যুটীকা
বাবর১৪ ফেব্রুয়ারি ১৪৮৩২১ এপ্রিল ১৫২৬ – ২৬ ডিসেম্বর ১৫৩০১৫৩০মায়ের দিক থেকে চেঙ্গিজ খানের সরাসরি বংশধর এবং পিতার দিক থেকে তৈমুর লংয়ের বংশধর ছিলেন। পানিপথের প্রথম যুদ্ধ এবং খানুয়ার যুদ্ধে বিজয়ের পর মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
হুমায়ুন৬ মার্চ ১৫০৮২৬ ডিসেম্বর ১৫৩০ – ১৭ মে ১৫৪০২৭ জানুয়ারি ১৫৫৬রাজত্বকাল সুরি সাম্রাজ্যের দ্বারা বাধাগ্রস্ত হয়। সিংহাসনে আরোহণের সময় অল্প বয়স ও অভিজ্ঞতার অভাবের কারণে তাকে ক্ষমতা দখলকারী শের শাহ সুরির তুলনায় কম কার্যকর শাসক হিসেবে গণ্য করা হতো।
শের শাহ সুরি১৪৮৬১৭ মে ১৫৪০ – ২২ মে ১৫৪৫২২ মে ১৫৪৫হুমায়ুনকে ক্ষমতাচ্যুত করেন এবং সুরি সাম্রাজ্যের নেতৃত্ব দেন।
ইসলাম শাহ সুরি১৫০৭১৫৪৫–১৫৫৪১৫৫৪সুরি সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় এবং শেষ কার্যকর শাসক। তার পুত্র সিকান্দার ও আদিল শাহের দাবি হুমায়ুনের ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।
হুমায়ুন৬ মার্চ ১৫০৮২২ জুন ১৫৫৫ – ২৭ জানুয়ারি ১৫৫৬২৭ জানুয়ারি ১৫৫৬পুনরুত্থানের পর তার শাসন ১৫৩০–১৫৪০ সালের প্রাথমিক রাজত্বকালের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ ও কার্যকর ছিল; তার পুত্র আকবরের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য রেখে যান।
আকবর১৫ অক্টোবর ১৫৪২১১ ফেব্রুয়ারি ১৫৫৬ – ২৭ অক্টোবর ১৬০৫২৭ অক্টোবর ১৬০৫তিনি এবং বৈরাম খাঁ পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে হেমুকে পরাজিত করেন এবং পরবর্তীতে চিত্তোরগড় অবরোধ এবং রণথম্ভোর অবরোধে বিখ্যাত জয়লাভ করেন। তিনি সাম্রাজ্যের ব্যাপক বিস্তার ঘটান এবং মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে উজ্জ্বল শাসক হিসেবে গণ্য হন কারণ তিনি সাম্রাজ্যের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তার বিখ্যাত স্থাপত্যগুলোর মধ্যে রয়েছে লাহোর দুর্গ এবং আগ্রা দুর্গ।[১৪]
জাহাঙ্গীর৩১ আগস্ট ১৫৬৯৩ নভেম্বর ১৬০৫ – ২৮ অক্টোবর ১৬২৭২৮ অক্টোবর ১৬২৭সম্রাট পিতার বিরুদ্ধে পুত্রদের বিদ্রোহ করার নজির স্থাপন করেন। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে প্রথম সম্পর্ক স্থাপন করেন।
শাহ জাহান৫ জানুয়ারি ১৫৯২১৯ জানুয়ারি ১৬২৮ – ৩১ জুলাই ১৬৫৮২২ জানুয়ারি ১৬৬৬তার অধীনে মুঘল শিল্প ও স্থাপত্য চরম শিখরে পৌঁছায়; তাজমহল, জামে মসজিদ, লালকেল্লা, জাহাঙ্গীরের সমাধিসৌধ, এবং শালিমার উদ্যান নির্মাণ করেন। তার পুত্র আওরঙ্গজেব তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন।
আওরঙ্গজেব৩ নভেম্বর ১৬১৮৩১ জুলাই ১৬৫৮ – ৩ মার্চ ১৭০৭৩ মার্চ ১৭০৭তিনি ইসলামি আইন পুনরায় ব্যাখ্যা করেন এবং ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী প্রণয়ন করেন; তিনি গোলকুন্ডা সালতানাতের হীরা খনিগুলো দখল করেন; তার শেষ ২৭ বছরের বড় অংশ মারাঠা বিদ্রোহীদের সাথে যুদ্ধে অতিবাহিত করেন। তার বিজয়ের ফলে সাম্রাজ্য সর্বোচ্চ বিস্তার লাভ করে; তবে অতি-বিস্তৃত সাম্রাজ্য মনসবদারদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল এবং তার মৃত্যুর পর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। তিনি নিজস্ব শৈলীর চারুলিপি ব্যবহার করে কুরআনের অনুলিপি তৈরির জন্য পরিচিত।
প্রথম বাহাদুর শাহ১৪ অক্টোবর ১৬৪৩১৯ জুন ১৭০৭ – ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৭১২২৭ ফেব্রুয়ারি ১৭১২প্রথম মুঘল সম্রাট যিনি নিয়ন্ত্রণহীন বিদ্রোহে জর্জরিত সাম্রাজ্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার শাসনের পর থেকে তার উত্তরসূরিদের নেতৃত্বের গুণাবলির অভাবে সাম্রাজ্যের ক্রমাগত পতন শুরু হয়।
জাহানদার শাহ১০ মে ১৬৬১২৯ মার্চ ১৭১২ – ১১ ফেব্রুয়ারি ১৭১৩১১ ফেব্রুয়ারি ১৭১৩প্রথম বাহাদুর শাহের পুত্র, তিনি একজন অজনপ্রিয় এবং অযোগ্য নামমাত্র শাসক ছিলেন; ভাইয়ের সাথে যুদ্ধে জয়ী হয়ে তিনি সিংহাসন লাভ করেছিলেন।
ফর‌রুখসিয়ার২০ আগস্ট ১৬৮৩১১ জানুয়ারি ১৭১৩ – ৯ এপ্রিল ১৭১৯৯ এপ্রিল ১৭১৯তার শাসনকাল কূটকৌশলী সৈয়দ ভাইদের আধিপত্য এবং বিদ্রোহী বান্দা সিং বাহাদুরের মৃত্যুদণ্ডের জন্য পরিচিত। ১৭১৭ সালে তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা অঞ্চলে শুল্কমুক্ত বাণিজ্যের অধিকার দিয়ে একটি ফরমান জারি করেন। এই ফরমান বাংলার মুঘল নিযুক্ত শাসক মুর্শিদকুলি খাঁ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।
রাফি উদ-দারাজাত১ ডিসেম্বর ১৬৯৯২৮ ফেব্রুয়ারি – ৬ জুন ১৭১৯৬ জুন ১৭১৯ 
রাফি উদ-দৌলতজুন ১৬৯৬৬ জুন – ১৭ সেপ্টেম্বর ১৭১৯১৮ সেপ্টেম্বর ১৭১৯ 
মুহাম্মদ ইব্রাহিম৯ আগস্ট ১৭০৩১৫ অক্টোবর – ১৩ নভেম্বর ১৭২০৩১ জানুয়ারি ১৭৪৬ 
মুহাম্মদ শাহ৭ আগস্ট ১৭০২২৭ সেপ্টেম্বর ১৭১৯ – ২৬ এপ্রিল ১৭৪৮২৬ এপ্রিল ১৭৪৮সৈয়দ ভাইদের হাত থেকে মুক্তি পান। মারাঠাদের উত্থান মোকাবিলার চেষ্টা করেন কিন্তু তার সাম্রাজ্য খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যায়। ১৭৩৯ সালে পারস্যের নাদের শাহের আক্রমণের শিকার হন।[১৫]
আহমেদ শাহ বাহাদুর২৩ ডিসেম্বর ১৭২৫২৯ এপ্রিল ১৭৪৮ – ২ জুন ১৭৫৪১ জানুয়ারি ১৭৭৫
দ্বিতীয় আলমগীর6 জুন ১৬৯৯৩ জুন ১৭৫৪ – ২৯ নভেম্বর ১৭৫৯২৯ নভেম্বর ১৭৫৯উজির ইমাদ-উল-মুলক এবং মারাঠা সহযোগী সদাশিবরাও ভাউ কর্তৃক তিনি নিহত হন বলে জানা যায়।
তৃতীয় শাহজাহান১৭১১১০ ডিসেম্বর ১৭৫৯ – ১০ অক্টোবর ১৭৬০১৭৭২ইমাদ-উল-মুলকের সহায়তায় দিল্লির জটিল পরিস্থিতির ফলে সিংহাসনে বসেন। পরে মারাঠা সরদারদের দ্বারা ক্ষমতাচ্যুত হন।[১৬][পূর্ণ তথ্যসূত্র প্রয়োজন][১৭]
দ্বিতীয় শাহ আলম২৫ জুন ১৭২৮১০ অক্টোবর ১৭৬০ – ৩১ জুলাই ১৭৮৮, ১৬ অক্টোবর ১৭৮৮ – ১৯ নভেম্বর ১৮০৬১৯ নভেম্বর ১৮০৬মারাঠারা তাকে মুঘল সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করে।[১৬] পরবর্তীতে ১৭৬১ সালে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের পর আহমদ শাহ দুররানি পুনরায় তাকে মুঘল সম্রাট হিসেবে স্বীকৃতি দেন।[১৮] ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে মুঘল সম্রাট, অযোধ্যার নবাব এবং বাংলা ও বিহারের নবাবের সম্মিলিত বাহিনী ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হয়। এই পরাজয়ের পর শাহ আলম দ্বিতীয় দিল্লি ছেড়ে এলাহাবাদে চলে যান এবং এলাহাবাদ সন্ধি (১৭৬৫) এর মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। ১৭৭২ সালে মহাদজী শিন্ডের অধীনে মারাঠাদের সুরক্ষায় তাকে দিল্লির সিংহাসনে পুনরায় বসানো হয়।[১৯] তিনি একজন আইনত সম্রাট ছিলেন। তার রাজত্বকালে ১৭৯৩ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নিজামত (মুঘল আধিপত্য) বিলুপ্ত করে এবং সাবেক মুঘল প্রদেশ বাংলার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে, যা আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ব ভারতে ব্রিটিশ শাসনের সূচনা করে।
দ্বিতীয় আকবর২২ এপ্রিল ১৭৬০১৯ নভেম্বর ১৮০৬ – ২৮ সেপ্টেম্বর ১৮৩৭২৮ সেপ্টেম্বর ১৮৩৭তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধে মারাঠাদের পরাজয়ের পর তিনি ব্রিটিশ পেনশনভোগী হয়ে পড়েন। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সুরক্ষায় থাকাকালীন কোম্পানির সাথে বিবাদের পর সরকারি মুদ্রা থেকে তার রাজকীয় নাম সরিয়ে দেওয়া হয়।
বাহাদুর শাহ জাফর২৪ অক্টোবর ১৭৭৫২৮ সেপ্টেম্বর ১৮৩৭ – ২১ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭৭ নভেম্বর ১৮৬২শেষ মুঘল সম্রাট। ১৮৫৮ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবং সিপাহি বিদ্রোহের পর দিল্লি পতনের ফলে তাকে বার্মায় নির্বাসিত করা হয়। তার মৃত্যুর মাধ্যমে মুঘল রাজবংশের শাসনের অবসান ঘটে কিন্তু পরিবারের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়নি।


তৈমুর বংশের বংশলতিকা

[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:রেখাচিত্র/শেষ

বারলাস বংশ

তৈমুরি সাম্রাজ্য

ফারগানার তৈমুরি সাম্রাজ্য

কাবুলের তৈমুরি সাম্রাজ্য

হেরাতের তৈমুরি সাম্রাজ্য

সমরকন্দের তৈমুরি সাম্রাজ্য

মাওয়ারান্নাহরের তৈমুরি সাম্রাজ্য

হিসারের তৈমুরি সাম্রাজ্য

খোরাসানের তৈমুরি সাম্রাজ্য

মুঘল সাম্রাজ্য

টেমপ্লেট:রেখাচিত্র/শুরু

তৈমুর লং শা. ১৩৭০–১৪০৫
জাহাঙ্গীরউমর শেখমিরান শাহশাহরুখ শা. ১৪০৫–১৪৪৭
পির মুহাম্মদ শা. ১৪০৫–১৪০৭বায়কারাখলিল শা. ১৪০৫–১৪০৯মুহাম্মদউলুগ বেগ (প্রথম) শা. ১৪৪৭–১৪৪৯ইব্রাহিমবাইসনঘুর
মানসুরআবু সাঈদ

শা. ১৪৫১–১৪৫৯

শা. ১৪৫৯–১৪৬৯
আব্দুল লতিফ শা. ১৪৪৯–১৪৫০আব্দুল্লাহ শা. ১৪৫০–১৪৫১আলা আদ-দৌলা শা. ১৪৪৭–১৪৪৮মুহাম্মদ শা. ১৪৪৯–১৪৫১বাবর (প্রথম)

শা. ১৪৪৯–১৪৪৯, ১৪৫১–১৪৫৭

শা. ১৪৪৭–১৪৫৭
হুসাইন বায়কারা শা. ১৪৬৯–১৪৭০, ১৪৭০–১৫০৬আহমেদ শা. ১৪৬৯–১৪৯৪মাহমুদ

শা. ১৪৬৯–১৪৬৯ শা. ১৪৬৯–১৪৯৫

শা. ১৪৯৪–১৪৯৫
উমর শেখ শা. ১৪৬৯–১৪৯৪উলুগ বেগ (দ্বিতীয়) শা. ১৪৬৯–১৫০২ইব্রাহিম

শা. ১৪৫৭–১৪৫৯

শা. ১৪৫৭–১৪৫৯
ইয়াদগার মুহাম্মদ শা. ১৪৭০–১৪৭০শাহ মাহমুদ

শা. ১৪৫৭–১৪৫৭

শা. ১৪৫৭–১৪৫৭
বদিউজ্জামান শা. ১৫০৬–১৫০৭মুজাফ্ফর হুসাইন শা. ১৫০৬–১৫০৭মাসুদ শা. ১৪৯৫–১৪৯৭বাইসনঘুর

শা. ১৪৯৫–১৪৯৭

শা. ১৪৯৭–১৪৯৯
আলি শা. ১৪৯৭–১৫০০বাবর (দ্বিতীয়)

শা. ১৪৯৪–১৪৯৭ শা. ১৪৯৭–১৪৯৭, ১৫১১–১৫১২ শা. ১৫০৪–১৫২৬

শা. ১৫২৬–১৫৩০
জাহাঙ্গীর শা. ১৪৯৭–১৫০৪আব্দুর রাজ্জাক শা. ১৫০২–১৫০৪
হুমায়ুন শা. ১৫৩০–১৫৪০, ১৫৫৫–১৫৫৬
আকবর (প্রথম) শা. ১৫৫৬–১৬০৫
জাহাঙ্গীর শা. ১৬০৫–১৬২৭
শাহ জাহান (প্রথম) শা. ১৬২৮–১৬৫৮
আওরঙ্গজেব আলমগীর (প্রথম) শা. ১৬৫৮–১৭০৭
বাহাদুর শাহ (প্রথম) শাহ আলম (প্রথম) শা. ১৭০৭–১৭১২আজম শাহ শা. ১৭০৭–১৭০৭কাম বখশ
জাহানদার শাহ শা. ১৭১২–১৭১৩আজিম আশ-শানরফি আশ-শানজাহান শাহমুহি আস-সুন্নাত
দ্বিতীয় আলমগীর শা. ১৭৫৪–১৭৫৯ফররুখসিয়ার শা. ১৭১৩–১৭১৯শাহ জাহান (দ্বিতীয়) শা. ১৭১৯–১৭১৯রফি আদ-দারাজাত শা. ১৭১৯–১৭১৯মুহাম্মদ শাহ শা. ১৭১৯–১৭৪৮শাহ জাহান (তৃতীয়) শা. ১৭৫৯–১৭৬০
শাহ আলম (দ্বিতীয়) শা. ১৭৬০–১৭৮৮, ১৭৮৮–১৮০৬আহমেদ শাহ শা. ১৭৪৮–১৭৫৪
দ্বিতীয় আকবর শা. ১৮০৬–১৮৩৭শাহ জাহান (চতুর্থ) শা. ১৭৮৮–১৭৮৮
বাহাদুর শাহ (দ্বিতীয়) শা. ১৮৩৭–১৮৫৭

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. (ফার্সি: گورکانیান, ফার্সি উচ্চারণ: [guːɹˌkʰɒːniːˈjɒːn]

উদ্ধৃতি

[সম্পাদনা]
  1. মুনতাখাব-আল লুবাব, খাফি খান নিজাম-উল-মুলকি, প্রথম খণ্ড, পৃ. ৪৯। লাহোরে মুদ্রিত, ১৯৮৫
  2. Maria E. Subtelny, Timurids in Transition: Turko-Persian Politics and Acculturation in Medieval Persia, Vol. 7, (Brill, 2007), 201.
  3. 1 2 3 B.F. Manz, "Tīmūr Lang", in এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ইসলাম, অনলাইন সংস্করণ, ২০০৬
  4. এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, "Timurid Dynasty", অনলাইন একাডেমিক সংস্করণ, ২০০৭। (উদ্ধৃতি: "তুর্কি-মঙ্গোল" রাজবংশ যা বিজয়ী তৈমুর (তামেরলেন) থেকে উদ্ভূত, এটি ইরান ও মধ্য এশিয়ায় শিল্প ও বুদ্ধিবৃত্তিক জীবনের উজ্জ্বল পুনর্জাগরণের জন্য পরিচিত। ... হেরাত রাজধানীতে বাণিজ্যিক ও শৈল্পিক সম্প্রদায়গুলোকে নিয়ে আসা হয়েছিল, যেখানে একটি গ্রন্থাগার স্থাপন করা হয়েছিল এবং রাজধানীটি একটি নবায়িত ও শৈল্পিকভাবে উজ্জ্বল পারস্য সংস্কৃতির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল।")
  5. "Timurids"The Columbia Encyclopedia (Sixth সংস্করণ)। New York City: কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ৫ ডিসেম্বর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০০৬
  6. এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা নিবন্ধ: "Consolidation & expansion of the Indo-Timurids", অনলাইন সংস্করণ, ২০০৭।
  7. A History of the Muslim World Since 1260: The Making of a Global Community, by Vernon Egger, p. 193
  8. ""The Man Behind the Mosque""। ৯ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০১৫
  9. Maria Subtelny, Timurids in Transition, p. 40: "তা সত্ত্বেও, উত্তরণের জটিল প্রক্রিয়ায়, তৈমুরি রাজবংশের সদস্যরা এবং তাদের পারস্য-মঙ্গোল সমর্থকরা পারস্য সাংস্কৃতিক মডেল ও রুচি গ্রহণ করে এবং পারস্য সংস্কৃতি, চিত্রকর্ম, স্থাপত্য ও সংগীতের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে পারস্য সংস্কৃতির সাথে মিশে গিয়েছিলেন।" p. 41: "এই রাজবংশের শেষ সদস্যদের, বিশেষ করে সুলতান-আবু সাঈদ এবং সুলতান-হুসেনকে প্রকৃতপক্ষে আদর্শ পারস্য-ইসলামি শাসক হিসেবে গণ্য করা হতো যারা পারস্য দরবারি সংস্কৃতির লালনের পাশাপাশি কৃষি উন্নয়নের দিকেও সমান মনোযোগ দিয়েছিলেন।"
  10. "Timur"Columbia Encyclopedia (Sixth সংস্করণ)। ২০০৫।
  11. "Consolidation & expansion of the Indo-Timurids"এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। ১২ জানুয়ারি ২০২৪।
  12. B. Spuler (২০০৬)। "Central Asia in the Mongol and Timurid periods"Encyclopædia Iranicaতার পিতার মতো উলুগ বেগও পুরোপুরি পারস্য ইসলামি সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে একীভূত ছিলেন এবং তার রাজত্বকালে উচ্চতর সংস্কৃতির ভাষা হিসেবে ফারসি প্রাধান্য পেয়েছিল। সমরকন্দ অঞ্চলে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব পর্যন্ত এই মর্যাদা বজায় ছিল [...] হোসেন বায়কারা সব সম্ভাব্য উপায়ে ফারসি সাহিত্য ও সাহিত্যিক প্রতিভার বিকাশকে উৎসাহিত করেছিলেন।
  13. David J. Roxburgh (২০০৫)। The Persian Album, 1400–1600: From Dispersal to Collection। Yale University Press। পৃ. ১৩০ফারসি সাহিত্য, বিশেষ করে কবিতা, তৈমুরি অভিজাতদের পারস্য-ইসলামি দরবারি সংস্কৃতিতে আত্মীকরণের প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছিল। তাই বাইসনঘুর কর্তৃক ফেরদৌসীর শাহনামার একটি নতুন সংস্করণ তৈরির নির্দেশ দেওয়া মোটেই আশ্চর্যজনক ছিল না।
  14. Klingelhofer, William G. (১৯৮৮)। "The Jahangiri Mahal of the Agra Fort: Expression and Experience in Early Mughal Architecture"। Muqarnas: ১৫৩–১৬৯। ডিওআই:10.2307/1523115আইএসএসএন 0732-2992জেস্টোর 1523115
  15. S. N. Sen (২০০৬)। History Modern India। New Age International। পৃ. ১১–১৩, ৪১–৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২২৪-১৭৭৪-৬
  16. 1 2 Advanced Study in the History of Modern India 1707–1813, পৃ. ১৪০
  17. S.R. Sharma (১৯৯৯)। Mughal Empire in India: A Systematic Study Including Source Material। খণ্ড ৩। Atlantic Publishers & Dist। পৃ. ৭৬৫। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৭১৫৬৮১৯২
  18. S.R. Sharma (১৯৯৯)। Mughal Empire in India: A Systematic Study Including Source Material। খণ্ড ৩। Atlantic Publishers & Dist। পৃ. ৭৬৭। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৭১৫৬৮১৯২
  19. N. G. Rathod, The Great Maratha Mahadaji Scindia, (Sarup & Sons, 1994), 8:

আরও পড়ুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]