তেলাপিয়া
| তেলাপিয়া | |
|---|---|
| তেলাপিয়া মাছ | |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | Animalia |
| পর্ব: | কর্ডাটা |
| শ্রেণী: | Actinopterygii |
| বর্গ: | Perciformes |
| পরিবার: | Cichlidae |
| উপপরিবার: | Pseudocrenilabrinae |
| গোত্র: | Tilapiini |
| গণ: | Oreochromis |
| প্রজাতি: | O. mossambicus |
| দ্বিপদী নাম | |
| Oreochromis mossambicus (Peters, 1852) | |
| প্রতিশব্দ | |
| |
তেলাপিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Oreochromis mossambicus) একটি মাঝারি আকারের মাছ। মাছটিকে ইংরেজিতে Mozambique tilapia বলে। দেহ চ্যাপ্টা। মাছটি ডিম পাড়ার পর নিজের মুখে রেখে দেয় বাচ্চা ফোটাবার জন্য। শরীর আশযুক্ত।
শ্রেনীবিন্যাস
[সম্পাদনা]তেলাপিয়া Cichlidae পরিবার (family) এর অন্তর্গত। এই পরিবারের মাছেরা সাধারণত ডিম পেড়ে মুখে রেখে বাচ্চা ফোটায়।ভারতে এই মাছ দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আমদানী করা হয়েছে।
বাসস্থান
[সম্পাদনা]এটি মিঠা পানির/জলের মাছ। সাধারণত খাল এবং বিলে পাওয়া যায়। তবে পুকুরেও সহজেই চাষ করা যায়।
চাষ পদ্ধতি
[সম্পাদনা]
মাছ এর চাষ পদ্ধতি খুব সহজ।কার্প মাছের সাথে এ মাছ চাষ করা যায়। তবে অধিক ফলনের জন্য বর্তমানে তেলাপিয়া চাষ পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশে কিছু নতুন কোম্পানী হয়েছে যারা মাছের খাবার উৎপন্ন করেন। এসব খাবার বা মৎস ফিড দিয়ে এ মাছ চাষ করলে চার মাসে মাছের ওজন ৫০০-৮০০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। এতে নিয়মিত খাবার প্রয়োগ ও চিকিৎসক দ্বারা মাছের যত্ন নিতে হয়। তেলাপিয়া গোত্রের নতুন সংযোজন মনোসেক্স যা অধিক ফলনশীল।এছাড়াও বায়োফ্লকে চাষ করার জন্য তেলাপিয়া মাছ উপযুক্ত। হেক্টর প্রতি উৎপাদন ২৫-৩০ টন।

মনোসেক্স তেলাপিয়া
[সম্পাদনা]তেলাপিয়া চাষের বড় বাঁধা হচ্ছে এর অনিয়ন্ত্রিত বংশবিস্তার।অনিয়ন্ত্রিত বংশবিস্তারের ফলে পুকুরে বিভিন্ন আকারের তেলাপিয়া মাছ দেখা যায়।এতে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায় না।প্রকৃতিগতভাবেই পুরুষ তেলাপিয়ার দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুত হয়।এই ধারণাকে কাজে লাগিয়েই শুধুমাত্র পুরুষ তেলাপিয়া মাছ চাষকেই মনোসেক্স তেলাপিয়া চাষ বলে।
বাজার চাহিদা
[সম্পাদনা]তেলাপিয়া বর্তমানে বাংলাদেশের মৎস্য চাষে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে।বর্তমানে পৃথিবীব্যাপি তেলাপিয়া মাছের বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে।এছাড়া আমাদের দেশের প্রকৃতি ও আবহাওয়া তেলাপিয়া মাছের চাষের জন্য উপযোগী।
বাংলাদেশে বর্তমান অবস্থা এবং সংরক্ষণ
[সম্পাদনা]আইইউসিএন বাংলাদেশ (২০০০) এর লাল তালিকায় এই প্রজাতিটি অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি বিদেশী মাছের তালিকায়। ১৯৫৪ সালে মশা ও ম্যালেরিয়া দমনের জন্য এ মাছ আমদানি করা হয়।[২]
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Bills, R. (২০১৯)। "Oreochromis mossambicus"। The IUCN Red List of Threatened Species (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৯। আইইউসিএন: e.T৬৩৩৩৮A৩১২৪৭৯৮।
- ↑ এ কে আতাউর রহমান, গাউছিয়া ওয়াহিদুন্নেছা চৌধুরী (অক্টোবর ২০০৯)। "স্বাদুপানির মাছ"। আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; আবু তৈয়ব, আবু আহমদ; হুমায়ুন কবির, সৈয়দ মোহাম্মদ; আহমাদ, মোনাওয়ার (সম্পাদকগণ)। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ। খণ্ড ২৩ (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। পৃ. ২৪২–২৪৩। আইএসবিএন ৯৮৪-৩০০০০-০২৮৬-০।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ উপসর্গ পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Photo of "Florida Red" hybrid. Retrieved 12 July 2007.