তৃতীয় হক মন্ত্রিসভা
এ কে ফজলুল হকের তৃতীয় মন্ত্রিসভা | |
|---|---|
পূর্ব পাকিস্তানের ৩য় মন্ত্রিসভা | |
| ১৯৫৪–১৯৫৫ | |
১৫ মে ১৯৫৪ সালে ঢাকার গভর্নর হাউজের সামনে মন্ত্রিসভার সদস্যগণ | |
| গঠনের তারিখ | ৩ এপ্রিল ১৯৫৪ |
| বিলুপ্তির তারিখ | ৫ জুন ১৯৫৫ |
| ব্যক্তি ও সংস্থা | |
| গভর্নর | চৌধুরী খালিকুজ্জামান ইস্কান্দার মির্জা |
| মুখ্যমন্ত্রী | এ কে ফজলুল হক |
| মন্ত্রী সংখ্যা | ১৪ |
| মোট সংখ্যা | ১৪ |
| সদস্য দল | যুক্তফ্রন্ট |
| আইনসভায় অবস্থা | সংখ্যাগুরু ১১৩ / ৩০৯ (৩৭%) |
| বিরোধী দল | |
| বিরোধী নেতা | আতাউর রহমান খান |
| ইতিহাস | |
| নির্বাচন | ১৯৫৪ |
| সর্বশেষ নির্বাচন | ১৯৪৬ |
| আইনসভার মেয়াদ | দ্বিতীয় পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ |
| পূর্ববর্তী | আমিন মন্ত্রিসভা |
| পরবর্তী | প্রথম সরকার মন্ত্রিসভা |
হকের তৃতীয় মন্ত্রিসভা পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পূর্ববঙ্গে (পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান হিসেবে নামকরণ) গঠিত তৃতীয় মন্ত্রিসভা। এটি ১৯৫৪ সালে আইনসভা নির্বাচনের পর বিজয়ী যুক্তফ্রন্টের সদস্য দল কৃষক শ্রমিক পার্টির নেতা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে গঠিত হয়ে প্রায় দুই মাস পর্যন্ত স্থায়ী ছিল এবং প্রায় এক বছর পর প্রথম সরকার মন্ত্রিসভা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
পটভূমি
[সম্পাদনা]১৯৫৪ সালে পূর্ববঙ্গের সর্বপ্রথম প্রাদেশিক নির্বাচনে চারটি দলের ঐক্যজোট যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৮টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে।[১] ২৫ মার্চ ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের সদস্য দল কৃষক প্রজা পার্টির নেতা এ কে ফজলুল হককে পূর্ববঙ্গের গভর্নর চৌধুরী খালিকুজ্জামান মন্ত্রিসভার সদস্যদের একটি তালিকা পেশ করার জন্য আমন্ত্রণ জানায়, যদিও তিনি তখনো যুক্তফ্রন্টের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হননি।[২] গভর্নরের সাথে দেখা করার পর এ কে ফজলুল হক বলেছিলেন যে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম প্রস্তাব করতে ৭ দিনের বেশি সময় লাগতে পারে।[৩] ২ এপ্রিলে তিনি সৈয়দ আজিজুল হক ও আবু হোসেন সরকারের নাম সদস্য হিসেবে গভর্নরের নিকট দাখিল করেন। তিনি পরের দিন আরও কিছু নাম সদস্য হিসেবে পেশ করবেন বলে জানিয়েছিলেন।[৪] ৩ এপ্রিলে প্রাদেশিক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফজলুল হক ও তার প্রস্তাবিত ৩ মন্ত্রী ঢাকায় গভর্মেন্ট হাউজে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ করেন এবং একই দিনে গভর্নরের শাসনের অবসান ঘটে। মন্ত্রিসভায় এ কে ফজলুল হক অর্থ, স্বরাষ্ট্র ও রাজস্ব বিভাগ, আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ বিভাগ, আবু হোসেন সরকার বিচার, চিকিৎসা ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন এবং সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে এই মন্ত্রিসভা অসম্পূর্ণ এবং এর পূর্ণাঙ্গ সম্প্রসারণের পর দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হবে।[৫] মন্ত্রিসভা গঠনের পর যুক্তফ্রন্টের সদস্যদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের কোন কর্মীকে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে না দেখা যাওয়ায় ব্যাপারটি অনেকের মাঝে বিস্ময়ের সৃষ্টি করে।[৬] ৮ এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী এ কে ফজলুল হকের সাথে আলোচনার পরে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সাংবাদিকদের জানান যে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ সমস্যার সমাধান হতে যাচ্ছে।[৭] ১১ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় সদস্য হিসেবে কাদের নেওয়া হবে তা নিয়ে সোহরাওয়ার্দী ও হকের সাথে কয়েক দফা আলোচনা হয়।[৮][৯][১০][১১] ১ মে এ কে ফজলুল হক বলেছিলেন যে তিনি ৬ তারিখে গভর্নরের নিকট ২ জন হিন্দু সহ নতুন সদস্যদের নাম পেশ করবেন।[১২] ১৩ মে নতুন সদস্যদের নাম প্রস্তাব করা হয়। তবে নতুনদের মধ্যে কোন হিন্দু সদস্য ছিলেন না, বলা হয়েছিল যে পরবর্তীতে দুই জন সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বী ও রাজশাহী বিভাগ থেকে চার জন সহ মোট ছয় জন সদস্যের নাম প্রস্তাব করা হবে।[১৩] প্রধানমন্ত্রীর দাখিলকৃত নাম অনুযায়ী ১৫ মে সদস্য হিসেবে আরও ১০ জন দায়িত্ব গ্রহণ করেন।[১৪] ২০ মে ১৯৫৪ সালে মন্ত্রীদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করে দেওয়া হয়।[১৫]
পতন
[সম্পাদনা]৩০ এপ্রিলে ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় প্রদত্ত ভাষণে পূর্ববঙ্গের প্রধানমন্ত্রী দুই বাংলার মধ্যে সাদৃশ্য সম্পর্কে একটি বক্তব্য দিলে তা পাকিস্তানে সমালোচনার জন্ম দেয়।[১৬] তবে সমালোচনার প্রতিক্রিয়ায় তিনি দাবি করেছিলেন যে তার বক্তব্যকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।[১৭] ১৫ মে আদমজি পাটকলে বাঙালি মুসলমান ও অবাঙালি মোহাজের শ্রমিকদের মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ফলে প্রায় ১,৫০০ জন নিহত হয়।[১] ২৪ মে মার্কিন সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত একটি সংবাদে করা দাবি অনুযায়ী পূর্ববঙ্গের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে প্রয়োজনে তার প্রদেশ পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হবে।[১৮] যদিও এ কে ফজলুল হক খবরের দাবি অস্বীকার করে অভিযোগ করেছিলেন যে সংবাদপত্রে যা লেখা হয়েছে তা বানোয়াট ও অসত্য, বরং তিনি বলেছিলেন যে পূর্ববঙ্গের স্বায়ত্তশাসনের জন্য তারা লড়াই করে যাবে।[১৯] ৩০ মে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার অক্ষমতা ও জননিরাপত্তাকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে গভর্নর জেনারেল মালিক গোলাম মুহাম্মদ প্রদেশে গভর্নরের শাসন জারি করেন এবং মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রাক্তন প্রাদেশিক প্রধানমন্ত্রী এ কে ফজলুল হককে গৃহবন্দি করা হয়। যুক্তফ্রন্টের ১,৬০০ কর্মীদের সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়, যাদের মধ্যে ৩০ জন আইনসভা সদস্য ছিলেন।[১][২০] ১ জুন ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী বগুড়া এ কে ফজলুল হকের বক্তব্যকে রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে উল্লেখ করে দাবি করেছিলেন যে পূর্ববঙ্গের স্বাধীনতার বক্তব্য প্রকৃত অর্থে প্রাক্তন প্রাদেশিক প্রধানমন্ত্রী ও তার সমমনাদের পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে ভারতের উপর নির্ভরশীল হওয়ার শামিল যার ফলাফল হবে পূর্ববঙ্গের দাসত্ব।[২১] ২৩ জুলাই ১৯৫৪ সালে এ কে ফজলুল হক ঘোষণা করেন যে তিনি রাজনৈতিক জীবন থেকে চিরতরে অবসর নিয়েছেন।[২২] হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী যুক্তফ্রন্টের কেউ নন বরং তিনিই এর নেতা – এ কে ফজলুল হকের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫ সালে প্রাদেশিক পরিষদে তার উপর নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের অনাস্থা প্রস্তাবের উত্তরে সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভোট তার পক্ষে যায় এবং ফলশ্রুতিতে যুক্তফ্রন্ট থেকে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ বেরিয়ে আসে।[২৩] পরবর্তীতে প্রাদেশিক পরিষদে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সদস্য সংখ্যা কমে যায় কেননা তাদের একটা অংশ নেজামে ইসলাম ও কৃষক শ্রমিক পার্টিতে যোগ দেয়। এছাড়া দলের নামের থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দেওয়ার বিরোধিতা করে দলটিতে একটি অংশ আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে পৃথক দল গঠন করে যারা যুক্তফ্রন্টকে সমর্থন করেছিল।[২৪] ৫ জুন ১৯৫৫ সালে গভর্নরের শাসন তুলে নেওয়া হয়[২৫] যার ফলে মন্ত্রিসভা পুনরায় কার্যকর হয়ে উঠে। এ কে ফজলুল হক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন এবং পরের দিন আবু হোসেন সরকারের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গড়ে উঠে।[২৬]
সদস্য
[সম্পাদনা]মন্ত্রিসভা নিম্নলিখিত মন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত ছিল:[১৫]
| কার্যভার | মন্ত্রী | দায়িত্ব গ্রহণ | দায়িত্ব ত্যাগ | দল | |
|---|---|---|---|---|---|
| প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর | ৩ এপ্রিল ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | কেএসপি | ||
| বেসামরিক সরবরাহ দপ্তর | ১৫ মে ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | আঃ লীঃ | ||
| অর্থ দপ্তর | ৩ এপ্রিল ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | কেএসপি | ||
| আইন ও বিচার দপ্তর | ১৫ মে ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | কেএসপি | ||
| জনস্বাস্থ্য দপ্তর | ১৫ মে ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | আঃ লীঃ | ||
| শিক্ষা দপ্তর | ৩ এপ্রিল ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | কেএসপি | ||
| শিল্প ও শ্রম দপ্তর | ১৫ মে ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | আঃ লীঃ | ||
| পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় দপ্তর | ১৫ মে ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | আঃ লীঃ | ||
| রাজস্ব ও ভূমি সংস্কার দপ্তর | ১৫ মে ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | কেএসপি | ||
| জমিদারি অধিগ্রহণ দপ্তর | ১৫ মে ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | আঃ লীঃ | ||
| বাণিজ্য ও জ্বালানি উন্নয়ন দপ্তর | ১৫ মে ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | আঃ লীঃ | ||
| কৃষি, বন ও পাট দপ্তর | ১৫ মে ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | কেএসপি | ||
| চিকিৎসা ও কারা দপ্তর | ১৫ মে ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | কেএসপি | ||
| সড়ক ও গৃহায়ণ দপ্তর | ৩ এপ্রিল ১৯৫৪ | ২৯ মে ১৯৫৪ | নেজামে ইসলাম | ||
বিতর্ক
[সম্পাদনা]তৎকালীন সময় পাকিস্তান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং পূর্ববঙ্গের বিষয়াদির উপর মার্কিনীদের হস্তক্ষেপ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছিল। তাই এরূপ পরিস্থিতিতে নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত প্রতিবেদনের জেরে মন্ত্রিসভা ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনার জন্য পূর্ববঙ্গের জনগণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সন্দেহ করতে শুরু করে।[২২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "নির্বাচন ১৯৫৪"। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- ↑ "মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য যুক্তফ্রণ্ট নেতা জনাব এ, কে, ফজলুল হক আমন্ত্রিত"। দৈনিক আজাদ। ২৬ মার্চ ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "পূর্ব্ববঙ্গে মন্ত্রিসভা গঠন এক সপ্তাহের বেশী সময় লাগার সম্ভাবনা"। দৈনিক আজাদ। ২৭ মার্চ ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "জনাব এ, কে, ফজলুল হক কর্ত্তৃক ৩জন মন্ত্রীর নাম দাখেল"। দৈনিক আজাদ। ৩ এপ্রিল ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "পূর্ববঙ্গে নূতন মন্ত্রিসভার কার্য্যভার গ্রহণ"। দৈনিক আজাদ। ৪ এপ্রিল ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "নয়া মন্ত্রিসভা ও আওয়ামী লীগ"। দৈনিক আজাদ। ৫ এপ্রিল ১৯৫৪। পৃ. ৬।
- ↑ "মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ সংক্রান্ত অচলাবস্থার অবসান সম্ভাবনা"। দৈনিক আজাদ। ৯ এপ্রিল ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "জনাব ফজলুল হক ও সোহরওয়ার্দ্দীর আর এক দফা বৈঠক"। দৈনিক আজাদ। ১২ এপ্রিল ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "পূর্ব্ববঙ্গ মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ প্রশ্ন"। দৈনিক আজাদ। ১৪ এপ্রিল ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "হক-সোহরওয়ার্দ্দী আরও আলোচনা"। দৈনিক আজাদ। ১৫ এপ্রিল ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "হক-সোহরওয়ার্দ্দী আলোচনা"। দৈনিক আজাদ। ১৭ এপ্রিল ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "৬ই মে গবর্ণর সমীপে প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার পূর্ণ তালিকা পেশ"। দৈনিক আজাদ। ২ মে ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "পূর্ব্ববঙ্গ মন্ত্রিসভার জন্য আরও দশজনের নাম দাখিল"। দৈনিক আজাদ। ১৪ মে ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "পূর্ব্ববঙ্গের নয়া মন্ত্রীদের আনুগত্যের শপথ গ্রহণ"। দৈনিক আজাদ। ১৬ মে ১৯৫৪। পৃ. ১।
- 1 2 "পূর্ব্ব পাকিস্তান মন্ত্রিসভার দফতর বণ্টন সমাপ্ত"। দৈনিক আজাদ। ২১ মে ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ আল সাঈদ, আবু (২০১৯)। আওয়ামী লিগের শাসনকাল [১৯৫৬-৫৮ এবং ১৯৭১-৭৫]। ঢাকা: আগামী প্রকাশনী। পৃ. ১৭। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪০৪২১৫৯৬।
- ↑ "কলিকাতা সফরকালে প্রদত্ত বক্তৃতা"। দৈনিক আজাদ। ৮ মে ১৯৫৪। পৃ. ৫।
- ↑ "East Bengal Wishes To Be Independent Fazlul Huq's Interview With New York Times"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ মে ১৯৫৫। পৃ. ১।
- ↑ ""Deliberate Falsehood and Perversion Of Facts" Fazlul Huq Contradicts 'New York Times' Report"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ মে ১৯৫৫। পৃ. ১।
- ↑ "পূর্ববঙ্গে ৯২(ক) ধারা প্রয়োগঃ গবর্ণর জেনারেলের ঘোষণা"। দৈনিক আজাদ। ৩১ মে ১৯৫৪। পৃ. ১।
- ↑ "মোহাম্মদ আলীর বেতার বক্তৃতা"। দৈনিক আজাদ। ২ জুন ১৯৫৪। পৃ. ৮।
- 1 2 মিত্র, বিনয় (২০১৬)। "জনগণ নয়, নেতা ভুল করেছেন বারবার"। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সত্য অসত্য অর্ধসত্য। ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ। পৃ. ৩৮–৪৭। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৯০৪৪৪০৬।
- ↑ আহমেদ, সিরাজ উদ্দীন (১৬ মার্চ ২০২০)। "১৯৫৪–৫৫ যুক্তফ্রন্টে বঙ্গবন্ধু"। প্রথম আলো।
- ↑ মামুন, মুনতাসীর; রহমান, মো: মাহবুবর (২০১৫) [২০১৩]। "ভাষা আন্দোলন ও বাঙালির আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠা"। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস। সুবর্ণা। পৃ. ১৪০। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৯০৬৯৪৪৭।
- ↑ "Lifting of Sec.92-A Approved By G-G"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
- ↑ "SARKAR HEADS 5-MAN UNITED FRONT CABINET"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।