তুমি কে? আমি কে? রাজাকার রাজাকার
| ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থান |
|---|
| বিষয়ক ধারাবাহিক নিবন্ধশ্রেণীর অংশ |



তুমি কে? আমি কে? রাজাকার রাজাকার, কে বলেছে? কে বলেছে? স্বৈরাচার স্বৈরাচার হলো ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই থেকে বাংলাদেশ কোটা সংস্কার আন্দোলনে ব্যবহৃত একটি স্লোগান, যা শেখ হাসিনা প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের "রাজাকারের নাতি-নাতনি" বলার কারণে প্রতিবাদস্বরুপ ব্যবহৃত হয়েছিল।[১] এই স্লোগানটি আন্দোলনকে তীব্রতর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং পরবর্তীতে এটি আন্দোলনের প্রধান স্লোগানে পরিণত হয়।[২][৩][৪] ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে, ২০২৪ সালের বাংলাদেশ কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সংবাদ সম্মেলনে বিক্ষোভ সম্পর্কিত একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে শিক্ষার্থীদের মন্তব্য করেছিলেন।[৫][৬] বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন যে হাসিনা পরোক্ষভাবে তাদের রাজাকার বলে সম্বোধন করেছেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা রাজাকার সম্পর্কিত একাধিক স্লোগান ব্যবহার করেছিল।[৭][৮][৯] পরবর্তী সময়ে স্লোগানগুলিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক বর্ণনার বিপরীত হিসেবে ভুল ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে।[১০]
পটভূমি
[সম্পাদনা]৫ জুন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা আন্দোলন শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা কমানর জন্য আন্দোলন শুরু করে। জুলাই মাসের শুরু থেকেই সারাদেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পরে এবং বিক্ষোভ শুরু হয়।[১১] ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে, চীনে রাষ্ট্রীয় সফরের পর এক সংবাদ সম্মেলনে এটিএন নিউজের বার্তা প্রধান প্রভাষ আমিন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিক্ষোভ সম্পর্কে একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন, যেখানে তিনি বলেন,
আমার সামনে যদি দুটি সমান মেধাবী প্রার্থী থাকে—একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, আর একজন রাজাকারের সন্তান—তাহলে আমি নিঃসন্দেহে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকেই চাকরি দিতে চাই।
হাসিনা প্রশ্নের উত্তরে বলেন,
মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? যদি মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিরা কোটা সুবিধা না পান, তাহলে কি সেগুলো রাজাকারদের নাতি-নাতনিদের কাছে যাবে? দেশবাসীর কাছে এটাই আমার প্রশ্ন। তাহলে কি রাজাকারদের নাতি-নাতনিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা নয়?
আমার অপরাধ কী? জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা সবকিছু ছুঁড়ে ফেলে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। দিনরাত না খেয়ে, মাটি ভাঙা, রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ের সাথে লড়াই করে এ দেশে বিজয় এনেছে। সবাই উচ্চ পদে বসে আছে কারণ তারা বিজয় এনেছে। সংঘাত তৈরি করা এখানে একটি কৌশল। তার মানে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান-নাতিরা প্রতিভাবান নয়, কিন্তু রাজাকারদের সন্তান-নাতিরা প্রতিভাবান, তাই না? এটা ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে যারা প্রতিভাকে না বলে তাদের কাছে তারা পরাজিত হয়। মনে রাখা উচিত যে মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করেছিলেন। তাদের প্রতিভা কোথায়? এটাই আমার প্রশ্ন।
প্রাথমিক পরীক্ষা, লিখিত পরীক্ষা, তারপর ভাইভাতে কতটা যোগ্যতা আছে। সেই সময়, যদি তুমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হও, তাহলে তুমি সেই বাস্তবতা বুঝতে পারবে। তাছাড়া মুক্তিযোদ্ধার সব কোটা সবসময় পূরণ হয় না, যার যোগ্যতা থাকে তাকে তালিকা থেকে দেওয়া হয়। অনেক চাকরি মেধা তালিকা থেকে দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা দেওয়া আছে, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের সেখানে অগ্রাধিকার পেতে হবে এবং এটা দিতে হবে।[১২]
এরপরে ১৫ জুলাই গভীর রাতে ঢাবি ক্যাম্পাসের আবাসিক হলে এই স্লোগান প্রথম ব্যবহার হয়।[১৩] তারপরে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্লোগানটি ছড়িয়ে পরে।[১৩] একে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরোধী মতকে রাজাকার ট্যাগিং করার একটি উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।[১৪][১৫][১৬] এই স্লোগানটি আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধিতে অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করে, এবং পরবর্তীতে এটি আন্দোলনের মূখ্য স্লোগান হয়ে ওঠে।[১৭][১৮]
স্লোগানের ভাষা
[সম্পাদনা]শেখ হাসিনার মন্তব্যের জবাবে, ১৫ জুলাই ভোরে শিক্ষার্থীরা নানা স্লোগান ব্যবহার শুরু করে।[১৯] যেমন
তুমি কে? আমি কে?
রাজাকার, রাজাকার।
কে বলেছে? কে বলেছে?
স্বৈরাচার, স্বৈরাচার!/ (কোথাও কোথাও "সরকার, সরকার")[২০]
চাইতে গেলাম/চেয়েছিলাম অধিকার।
হয়ে গেলাম রাজাকার।[২০]

বিক্ষোভকারীরা যুক্তি দিয়েছিলেন যে হাসিনার বক্তব্য পরোক্ষভাবে তাদের "রাজাকার" হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং কোটা সংস্কারের পক্ষে কথা বলার জন্য তাদের অবমাননা করেছে, যার ফলে তারা এই স্লোগান গ্রহণ করেছে।[২১] এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজাকার শব্দটি ব্যবহার করে আরো নানা ধরনের স্লোগান দিয়েছেন, এরমধ্যে "তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার", "রাবির মাটি, রাজাকারের ঘাঁটি", "ছাত্র সমাজের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন", '"তোমার বাবা আমার বাবা, রাজাকার রাজাকার", "বঙ্গবন্ধুর মাটি রাজাকারের ঘাঁটি" স্লোগান ব্যবহার করে প্রতিবাদ জানান।[২২]
প্রতিক্রিয়া
[সম্পাদনা]বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ও লেখক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল বলেছিলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার বিশ্ববিদ্যালয়, আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আমার মনে হয় আমি আর কখনও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চাইব না। যখনই আমি কোন ছাত্রকে দেখবো, আমার মনে হবে, সে রাজাকার।”[২৩] দীপু মনি, জুনাইদ আহমেদ পলক এবং অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সংগঠন দাবি করেছেন যে এই স্লোগান দেওয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতি গভীর অসম্মান প্রদর্শন করে।[২৪] শেখ হাসিনা পরে বলেন যে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে রাজাকার বলে কোন বক্তব্য রাখেননি।[২৫] সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফেসবুকে লিখেন, 'যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের রক্তস্নাত লাল সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে বা সে পতাকা কপালে বেঁধে নিয়ে মিছিল করবার কোন অধিকার থাকতে পারে না।'[২৬] শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ফেসবুক পোস্টে বলেন, যাদের মুখ থেকে বের হয়, আমি রাজাকার, তারা প্রমাণ করছে তারা এ-যুগের ‘সাচ্চা’ রাজাকার! যারা প্রকাশ্যে নিজের আত্মপরিচয়, জন্মপরিচয়, ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিয়ে, ‘রাজাকার’ স্লোগান দিয়েছে, এরা সবাই এই যুগের রাজাকার।[২৭] ২০২৫ সালের ১৬ আগস্ট টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের মাকড়াই এলাকায় মাকড়াই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশে বাহিনী প্রধান আবদুল কাদের সিদ্দিকী বলেন, 'বাংলাদেশ নিয়ে মশকরা করবেন না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে মশকরা করবেন না। বাংলাদেশ খেলার পুতুল না। যাঁরা বলেন, তুমি কে আমি কে রাজাকার, রাজাকার। মনে রাখবেন, দুই দিন আগে আর পরে বাংলাদেশে কোনো রাজাকারের ঠাঁই নাই।'[২৮]
স্লোগান বিকৃতির অভিযোগ
[সম্পাদনা]১৬ জুলাইয়ের পরে দুই মাসপূর্তি উপলক্ষ্যে ১৬ সেপ্টেম্বর কয়েকজন সমন্বয়ক আন্দোলনের স্লোগানকে স্মরণ করে ফেসবুকে পোস্ট দেয়। তখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে স্লোগান বিকৃত করার অভিযোগ করে ঢাবি ক্যাম্পাসে মিছিল বের করে।[২৯] আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক এবি জুবায়ের বলেন,[৩০]
| “ | স্বৈরাচার শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের রাজাকারের নাতিপুতি বলার পর হল থেকে শিক্ষার্থীরা ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’ প্রতিবাদ করে। | ” |
| — এবি জুবায়ের, সহ সমন্বয়ক, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন | ||
পরবর্তী চেতনা
[সম্পাদনা]এই স্লোগানকে ঘিরে পরবর্তীতে বেশ কিছু সাহিত্য ও সঙ্গীত রচিত হয় এবং এই স্লোগানের ব্যাখ্যা নিয়েও বহু আলোচনা সমালোচনা হয়।[৩১][৩২][৩৩] ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীরা এই স্লোগানের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে দিবসটিকে পুনরায় স্মরণ করে।[৩৪] এমনকি কিছু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে স্লোগানটিকে বিকৃতির অভিযোগও উঠে। আসিফ নজরুল ছাত্রদের এই রাজাকার স্লোগান নিয়ে বলেন, এটা ছাত্ররা প্রতিবাদের আয়রনি হিসাবে ব্যবহার করেছে।

আন্দোলনের মাঝে স্লোগানটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে, ফেসবুকে স্লোগানটির পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।[৩৫][৩৬][৩৭] কোটা আন্দোলনকে সমর্থন করে বহু মানুষ স্লোগানটি ফেসবুকে শেয়ার করে।[৩৮][৩৯][৪০] তবে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও সরকারি দলের পক্ষের লোকজন এই স্লোগানটিকে প্রত্যাখ্যান করে, এই স্লোগানের বিপরীতে তারা স্লোগান বানায় আমি কে? তুমি কে? বাঙালি বাঙালি, তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা মেঘনা যমুনা।[৪১]
কোটা আন্দোলন নিয়ে অঙ্কিত জুলাই ক্যালেন্ডারে ১৪ জুলাইয়ের ঘরে স্লোগানটি উল্লেখ করা হয়।[৪২] যা আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক পোস্টে ১৫ আগস্ট ২০২৪ শেয়ার করেন।[৪৩] এবং পরবর্তীতে ক্যালেন্ডারটি তার "জুলাই: মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু" বইয়ের প্রচ্ছদে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু উক্ত প্রচ্ছদে স্লোগানটির পরিবর্তে "আসছে ফাগুন আমরা হবো দ্বিগুণ" শ্লোগানটি ব্যবহার করায় তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।[৪৪]
পরের বছর ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই আবারো বিভিন্ন ক্যাম্পাসে এই স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করা হয়। এরমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে বের হয়ে মিছিল করে।[৪৫] কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জিয়ামোড়ে এই স্লোগানের বর্ষপূর্তি স্লোগান মিছিলের আয়োজন করা হয়।[৪৬] মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেইন গেটে গিয়ে শেষ হয়।[৪৭] জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও বর্ষপূর্তি স্লোগানের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি বটতলা এলাকা শুরু হয়ে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের নিকটে গিয়ে সমাপ্ত হয়।[৪৮]
জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে
[সম্পাদনা]এই স্লোগানের উপর পরবর্তীতে অনেক গান, কবিতা, প্রবন্ধ এবং ছোটগল্প লেখা হয়েছিল, যার মধ্যে রয়েছে হিরো আলম, লেমন মাহমুদ, টি মাহমুদ, অনিক সাহান, অনিক শুত্রধর, নিউটন জুনিয়র প্রমুখ গান ও কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন।[৪৯][৫০] ইতিমধ্যে এই স্লোগানের উপর ভিত্তি করে র্যাপার হান্নার "আওয়াজ উঠা" নামে একটি গান তৈরি করা হয়েছিল।[৫১] অন্যান্য গানগুলো হলো শায়ানের ‘ভয় বাংলা’, মৌসুমীর ‘দেশটা তোমার বাপের নাকি?’, বাজান আমার হয় গ্যাছে লাশ, সেজানের ‘কথা ক’, ‘চব্বিশের গেরিলা’, পার্সা মাহজাবীনের ‘চলো ভুলে যাই’, কোল্ডক্রাফ্টের ‘অ্যাক-ম্যাক’, ‘অ্যাক-ম্যাকস’, ‘ম্যাক-অ্যাক-এ’, ‘কথা কা’। জি কে কিবরিয়ার 'স্লোগান' ও 'ইনকিলাব', সিয়াম ফারদিনের 'আবু সাঈদ', নাহিদ হাসানের 'জবাব দে', রেভোলিউশন ইন মোশনের 'পাল্টে দে ইতিহাস', বিপ্লবের 'রাজাকার', পাগলা বীর ও রিদমাস্টারের 'ডি।[৫২]
আমি কে? তুমি কে? রাজাকার রাজাকার স্লোগানটি প্রতিমূর্ত করে লেখক হোসাইন ফারুক জ্ঞান বিতরণী প্রকাশনা থেকে একই নামে একটি বই লিখেছেন।[৫৩]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "'তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার' স্লোগানে প্রকম্পিত ঢাবি"। Bangla Tribune। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "'তুমি কে আমি কে- রাজাকার রাজাকার' স্লোগানে ছিল চূড়ান্ত বিপ্লবের ডাক"। মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "'তুমি কে, আমি কে, রাজাকার রাজাকার' স্লোগানে ফের প্রকম্পিত ঢাবি"। The Daily Ittefaq। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "'তুমি কে? আমি কে? রাজাকার...' স্লোগান নিয়ে নাহিদ ইসলামের ব্যাখ্যা"। www.kalerkantho.com। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "پایان حسینه در بنگلادش"। www.khorasannews.com। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "در بنگلادش چه خبر است؟ دولت معترضان به سهمیهایها را «رضاکار» خطاب کرد"। euronews (ফার্সি ভাষায়)। ১৯ জুলাই ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "How 'tagging' silences critical voices in Bangladesh"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ নভেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৫।
- ↑ Modak, Ruma (৩০ নভেম্বর ২০২৪)। "ট্যাগিং: রাজনৈতিক দমন-পীড়নে এক নির্মম ও প্রতারক অস্ত্র – DW – 30.11.2024"। DW। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "ট্যাগিং রাজনীতি যে সর্বনাশ ডেকে আনবে"। দৈনিক প্রথম আলো। ১০ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৫।
- ↑ আকাশ, এম এম (১ আগস্ট ২০২৪)। "'কোটা আন্দোলন ২০২৪' কী শিক্ষা দিল"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারাদিন যা হয়েছে"। বিবিসি বাংলা। ১০ জুলাই ২০২৪। ১২ জুলাই ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০২৪।
- ↑ "How প্রধানমন্ত্রী হাসিনার 'রাজাকার' শব্দটি বাংলাদেশের বিক্ষোভের মূল শব্দ হয়ে ওঠে; এর অর্থ এখানে দেওয়া হল"। WION। ২০ জুলাই ২০২৪। ৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২৪।
- 1 2 "'চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার' স্লোগানে উত্তাল চবি"। আমাদের সময়। ১৫ জুলাই ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২৫।
- ↑ মোদক, রুমা (৩০ নভেম্বর ২০২৪)। "ট্যাগিং: রাজনৈতিক দমন-পীড়নে এক নির্মম ও প্রতারক অস্ত্র – DW – 30.11.2024"। ডয়চে ভেলে বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "ট্যাগিং রাজনীতি যে সর্বনাশ ডেকে আনবে"। প্রথম আলো। ১০ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "How 'tagging' silences critical voices in Bangladesh"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ নভেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "'তুমি কে আমি কে- রাজাকার রাজাকার' স্লোগানে ছিল চূড়ান্ত বিপ্লবের ডাক"। মানবজমিন। ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "তুমি কে? আমি কে? রাজাকার...' স্লোগান নিয়ে নাহিদ ইসলামের ব্যাখ্যা"। www.kalerkantho.com। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "'We are Razakars': What is this loaded term used by student protesters that has irked Bangladesh govt?"। Firstpost (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ জুলাই ২০২৪। ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০২৪।
- 1 2 "Who were the Razakars and why are they central to Bangladesh protests?"। Al Jazeera। ২২ জুলাই ২০২৪। ৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "Students demand PM withdraw comment on quota reform protesters"। ঢাকা ট্রিবিউন। ১৫ জুলাই ২০২৪। ১৫ জুলাই ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "'এক দুই তিন চার, মেধাবীরা রাজাকার' স্লোগানে উত্তাল রাবি ক্যাম্পাস"। যায়যায়দিন। ১৫ জুলাই ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'I don't want to go to Dhaka University anymore'"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ জুলাই ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "এবার বিক্ষোভকারীদের নিয়ে মন্তব্য করলেন দুই মন্ত্রী"। The Daily Ittefaq। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "শিক্ষার্থীদের রাজাকার বলিনি: শেখ হাসিনা"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "এবার বিক্ষোভকারীদের নিয়ে মন্তব্য করলেন দুই মন্ত্রী"। The Daily Ittefaq। ১৫ জুলাই ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "'রাজাকার' স্লোগানের ব্যাখ্যা শেয়ার করলেন আসিফ নজরুল"। Jugantor (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ জুলাই ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "বঙ্গবন্ধু আর শেখ হাসিনাকে এক করে দেখবেন না : কাদের সিদ্দিকী
- ↑ "'তুমি কে, আমি কে, রাজাকার রাজাকার' স্লোগানে ফের প্রকম্পিত ঢাবি"। The Daily Ittefaq। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'তুমি কে, আমি কে, রাজাকার রাজাকার' স্লোগানে ফের প্রকম্পিত ঢাবি"। The Daily Ittefaq। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী"। দৈনিক প্রথম আলো। ১৫ জুলাই ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "Why is 'Razakar' (volunteer) a derogatory term in Bangladesh?"। দি নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ইউটিউব পাতা। ৭ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "তুমি কে? আমি কে?, রাজাকার রাজাকার' সেদিন কি ঘটেছিল?"। যায়যায়দিন। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "'তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার' স্লোগানের দুই মাস, ঢাবিতে জড়ো হচ্ছে শিক্ষার্থীরা"। ntvbd.com (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ নিউজ, সময়। "ফেসবুকে কিটো ভাই লিখলেন, 'তুমি কে, আমি কে?' | বাংলাদেশ"। Somoy News। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী"। দৈনিক প্রথম আলো। ১৫ জুলাই ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ ""তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার", শ্লোগানের প্রবক্তা কারা ? Tumi Ke Ami Ke Rajakar Rajakar Slogan"। এটিএন নিউজ ইউটিউব পাতা। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ ""তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার", শ্লোগানের প্রবক্তা কারা ? Tumi Ke Ami Ke Rajakar Rajakar Slogan"। ATN Bangla News YouTube Page। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "Why is 'Razakar' (volunteer) a derogatory term in Bangladesh?"। The New Indian Express YouTube Page। ৭ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "'তুমি কে? আমি কে?, রাজাকার রাজাকার' সেদিন কি ঘটেছিল?"। JaiJaiDin। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ নিউজ, সময়। "নিজেকে 'রাজাকার' বলে শিক্ষার্থীদের স্লোগান, সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় | বাংলাদেশ"। Somoy News। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "ঢাকার দেয়ালে রক্তাক্ত জুলাইয়ের 'অন্যরকম' ক্যালেন্ডার"। Jugantor। ১০ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ https://www.facebook.com/share/p/1D4hVtvhLd/?mibextid=oFDknk
- ↑ "উপদেষ্টা আসিফের বই: অফলাইন-অনলাইনে চলছে 'ইতিহাস' উপস্থাপন নিয়ে বিতর্ক"। Bangla Tribune। ১৭ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "'তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার' স্লোগানে ফের উত্তাল ঢাবি"। Jugantor। ১৪ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার'—স্লোগানে ফের উত্তাল ইবি"। CampusTimes। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "ইবিতে তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার স্লোগানের বর্ষপূর্তি উদযাপন"। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস। ১৫ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "বর্ষপূর্তিতে 'তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার' স্লোগানে মুখরিত জাবি"। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস। ১৫ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'রাতে গান আপলোড, সকাল ৬টায় এলাকাছাড়া' | Tumi Ke Ami Ke Raja Kar Raja Kar | Anik Sutradhar"। দৈনিক প্রথম আলো official YouTube page। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "কোটা আন্দোলন নিয়ে হিরো আলমের গান | তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার | Hero Alom Song 2024"। Hero Alam Official YouTube page। ১৮ জুলাই ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "আন্দোলন, গান, জেল - সে সময়ের গল্প শোনালেন র্যাপার হান্নান ও সেজান | Rapper Hannan & Shezan | ITV"। Independent Television। ১২ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "কোটা আন্দোলন ঘিরে আলোচনায় যেসব গান"। ৪ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৫।
- ↑ Faruk, Hossain (২০২৫)। আমি কে? তুমি কে? রাজাকার রাজাকার - হোসাইন ফারুক (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: জ্ঞান বিতরণী।