বিষয়বস্তুতে চলুন

তিমবুকতু

তিমবুকতু
Tumbutu (Koyra Chiini Songhay)
Tin Bukt (Tamashek)

হিমবা
শহর
নামসমূহ প্রতিলিপি
  তামাশেকটেমপ্লেট:Script/Tifinagh
تِينْ بُكْتْ
  কয়রা চিইনিتُمْبُتُ
মানচিত্রে প্রধান আন্তঃসাহারা কাফেলা পথ দেখানো হয়েছে (আনু.  1400)। এছাড়া ঘানা সাম্রাজ্য (১৩শ শতাব্দী পর্যন্ত) ও মালি সাম্রাজ্য-ও (১৩শ থেকে ১৫শ শতাব্দী) দেখানো হয়েছে। পশ্চিমের পথটি জেনে থেকে তিমবুকতু হয়ে সিজিলমাসা পর্যন্ত চলে গেছে। বর্তমান নাইজার দেশটিকে হলুদ রঙে দেখানো হয়েছে।
মানচিত্রে প্রধান আন্তঃসাহারা কাফেলা পথ দেখানো হয়েছে (আনু. 1400)। এছাড়া ঘানা সাম্রাজ্য (১৩শ শতাব্দী পর্যন্ত) ও মালি সাম্রাজ্য-ও (১৩শ থেকে ১৫শ শতাব্দী) দেখানো হয়েছে। পশ্চিমের পথটি জেনে থেকে তিমবুকতু হয়ে সিজিলমাসা পর্যন্ত চলে গেছে। বর্তমান নাইজার দেশটিকে হলুদ রঙে দেখানো হয়েছে।
তিমবুকতু মালি-এ অবস্থিত
তিমবুকতু
তিমবুকতু
মালিতে তিমবুকতু শহরের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ১৬°৪৬′৩৩″ উত্তর ৩°০০′৩৪″ পশ্চিম / ১৬.৭৭৫৮৩° উত্তর ৩.০০৯৪৪° পশ্চিম / 16.77583; -3.00944
Country মালি
প্রশাসনিক অঞ্চলতোমবুকতু প্রশাসনিক অঞ্চল
সের্কল (সার্কেল)তিমবুকতু সের্কল
Settledখ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দী
আয়তন[]
  স্থলভাগ২১ বর্গকিমি (৮ বর্গমাইল)
উচ্চতা২৬১ মিটার (৮৫৬ ফুট)
জনসংখ্যা (২০০৯)[][]
  মোট৫৪,৪৫৩
মানদণ্ডCultural: ii, iv, v
সূত্র119
তালিকাভুক্তকরণ1988 (১২তম সভা)
বিপদাপন্ন1990–2005; 2012–present

তিমবুকতু (বিকল্পে তোমবুকতু বা তিমবাকতু) উত্তর আফ্রিকার দেশ মালি-র একটি প্রাচীন শহর, যেটি নাইজার নদী থেকে ২০ কিলোমিটার (১২ মাইল) উত্তরে অবস্থিত। এটি মালির আটটি প্রশাসনিক অঞ্চলের মধ্যে একটি প্রশাসনিক অঞ্চল তোমবুকতু প্রশাসনিক অঞ্চলের রাজধানী। ২০১৮ সালের জনগণনা অনুসারে এর জনসংখ্যা ৩২,৪৬০।

প্রত্নতাত্ত্বিক সাক্ষ্যপ্রমাণ ইঙ্গিত দেয় যে মধ্যযুগীয় পর্বে ইসলামী পাণ্ডিত্যের কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্ব লাভের আগেই এই অঞ্চলে প্রাগৈতিহাসিক বসতি ছিল। তিমবুকতু একটি মৌসুমী বসতি হিসেবে শুরু হয়েছিল এবং দ্বাদশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে এখানে মানুষ স্থায়ীভাবে বসবাস করা শুরু করে। বাণিজ্য পথে পরিবর্তনের পর, বিশেষ করে ১৩২৫ সালের দিকে মানসা মুসার সফরের পর লবণ, সোনা এবং হাতির দাঁতের বাণিজ্যে কৌশলগত অবস্থানের কারণে তিমবুকতু সমৃদ্ধ হয়। এটি ধীরে ধীরে সাহারা মরুভূমির বাণিজ্য পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী শহর হিসেবে সম্প্রসারণ লাভ করে এবং ১৪শ শতাব্দীর গোড়ার দিকে মালি সাম্রাজ্যে অঙ্গীভূত হওয়ার আগে অনেক পণ্ডিত ও ব্যবসায়ীকে আকৃষ্ট করে। ১৫শ শতাব্দীর প্রথমার্ধে তুয়ারেগ নৃগোষ্ঠীর লোকেরা নাতিদীর্ঘ সময়ের জন্য শহরটির নিয়ন্ত্রণ হাতে নেয়। কিন্তু ১৪৬৮ সালে সম্প্রসারণশীল সোংহাই সাম্রাজ্য এটিকে অঙ্গীভূত করে নেয়।

১৫৯১ সালে মরক্কোর একটি সেনাবাহিনী সোংহাইকে পরাজিত করে এবং তিমবুকতু শহরকে তাদের রাজধানী নির্ধারণ করে। আক্রমণকারীরা আরমা নামের একটি নতুন শাসকশ্রেণী প্রতিষ্ঠা করে, যারা ১৬১২ সালের পর মরক্কো থেকে কার্যত স্বাধীন হয়ে ওঠে। স্বর্ণযুগের সময় শহরের ইসলামী পণ্ডিতবৃন্দ এবং বিস্তৃত বাণিজ্য জালকব্যবস্থার সুবাদে একটি গুরুত্বপূর্ণ বইপুস্তকের বাণিজ্য গড়ে ওঠে। এর পাশাপাশি সানকোরে মাদ্রাসা নামক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষায়তনগুলির কারণে তিমবুকতু আফ্রিকার একটি উচ্চশিক্ষা কেন্দে হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। শাবেনি এবং লিও আফ্রিকানাসের মতো উল্লেখযোগ্য ইতিহাস রচয়িতারা এই শহর সম্পর্কে লিখেছেন। এই গল্পগুলি ইউরোপে জল্পনা-কল্পনাকে উস্কে দেয়, যেখানে প্রথমে ধনী ও পরবর্তীতে রহস্যময় এক শহর হিসেবে তিমবুকতুর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। শহরের স্বর্ণযুগের সময় এটি মালি সাম্রাজ্যের একটি প্রধান শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল। কিন্তু এরপর দীর্ঘ সময় ধরে শহরের অবক্ষয় ঘটে। ১৮৯৩ সালে ফরাসিদের মালি দখলের আগ পর্যন্ত এখানে বিভিন্ন উপজাতি শাসন করেছিল। ফরাসিরা ১৯৬০ সালে দেশটি মালি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হওয়ার আগ পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেছিল।

সাম্প্রতিক ইতিহাসে তিমবুকতু চরমপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠীর হুমকির সম্মুখীন হয়, যারা শহরের অনেক সাংস্কৃতিক স্থান ধ্বংস করে দেয়। বর্তমানে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় শহরের ঐতিহ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে কাজ করছে। সাম্প্রতিক সমস্যাগুলির ফলে শহরের জনসংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "2016 TOMBOUCTOU PRIX INTERNATIONAL CGLU-VILLE DE MEXICO-CULTURE 21 CATÉGORIE VILLE/GOUVERNEMENT LOCAL GAGNANT 2016" (পিডিএফ)United Cities and Local Governments। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২৪[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "A Guide to Timbuktu"education.nationalgeographic.org

উৎসপঞ্জি

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Niger River টেমপ্লেট:Communes of the Tombouctou Region