বিষয়বস্তুতে চলুন

তারিখ-এ-মির্জা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
তারিখ-এ-মির্জা
تاریخ مرزا
লেখকসানাউল্লাহ অমৃতসরী
প্রকাশনার স্থানব্রিটিশ ভারত
ভাষাউর্দু
ধরনজীবনী, ইতিহাস, ইসলাম, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব, কাদিয়ানি
প্রকাশনার তারিখ
১৯২৩

তারিখে মির্জা (উর্দু: تاریخ مرزا), (ইংরেজি: Tarikh-i-Mirza) হলো বিখ্যাত ইসলামি পণ্ডিত এবং আহলে হাদিস আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরী কর্তৃক ১৯২৩ সালে উর্দু ভাষায় রচিত একটি ইসলামী গ্রন্থ।[] বইটি মূলত মির্জা গোলাম আহমদের জীবন, দাবি এবং আন্দোলনের সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ হিসেবে পরিচিত।[][] ১৯০৫ সালের দিকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই বইটিতে মির্জা গোলাম আহমদ-এর নবুওয়তের দাবি, তাঁর বিভিন্ন ভবিষ্যদ্বাণী এবং কাদিয়ানি বা আহমদিয়া আন্দোলনের উত্থানকে ঐতিহাসিক ও ধর্মতাত্ত্বিক প্রেক্ষাপট থেকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।[][]

প্রেক্ষাপট

[সম্পাদনা]

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব অঞ্চলে মির্জা গোলাম আহমদ যখন নিজেকে 'মসীহ' ও 'নবী' হিসেবে দাবি করেন, তখন মূলধারার মুসলিম পণ্ডিতদের সাথে তাঁর ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়।[] মাওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরী ছিলেন তাঁর প্রধানতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের একজন। মির্জা গোলাম আহমদের দাবির অসারতা প্রমাণ করার লক্ষ্যেই সানাউল্লাহ এই বইটি সংকলন করেন।[]

বিষয়বস্তু

[সম্পাদনা]

বইটিতে প্রধানত নিচের বিষয়গুলো আলোচিত হয়েছে:

  • ভবিষ্যদ্বাণীর বিশ্লেষণ: মির্জা গোলাম আহমদ যেসকল ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন (যেমন: আব্দুল্লাহ আথাম বা ডক্টর আলেকজান্ডার ডাউই সম্পর্কে), সানাউল্লাহ অমৃতসরী যুক্তি দেখিয়েছেন যে সেগুলো বাস্তবে সফল হয়নি।
  • স্ববিরোধী বক্তব্য: লেখক মির্জা গোলাম আহমদের বিভিন্ন বই থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছেন যে, তাঁর বক্তব্যে অসংখ্য স্ববিরোধিতা বিদ্যমান।
  • ধর্মতাত্ত্বিক যুক্তি: ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী 'খতমে নবুয়ত' বা নবুওয়াতের সমাপ্তির ধারণা ব্যাখ্যা করে মির্জা আহমদের দাবিকে খণ্ডন করা হয়েছে।
  • ঐতিহাসিক বিবরণ: মির্জা গোলাম আহমদের পারিবারিক পটভূমি এবং তাঁর আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ের ঘটনাবলি এখানে নথিবদ্ধ করা হয়েছে।

মাওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরীর 'তারিখে মির্জা' বইটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় সেই অধ্যায়গুলোকে, যেখানে তিনি মির্জা গোলাম আহমদের দাবির সত্যতা যাচাইয়ে সরাসরি যুক্তি ও ঐতিহাসিক প্রমাণ হাজির করেছেন। বইটির সবচেয়ে প্রভাববিস্তারী অংশগুলো নিচে তুলে ধরা হলো[]:

  1. ভবিষ্যদ্বাণীসমূহের ব্যর্থতার তালিকা: এটি বইটির সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ। সানাউল্লাহ অমৃতসরী এখানে মির্জা গোলাম আহমদের করা প্রধান প্রধান ভবিষ্যদ্বাণীগুলো তালিকাভুক্ত করেছেন এবং ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে দেখিয়েছেন যে সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি।
    1. বিশেষ করে আব্দুল্লাহ আথাম, মোহাম্মদী বেগম এবং ডক্টর আলেকজান্ডার ডাউই সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীগুলো নিয়ে তিনি দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। সানাউল্লাহর যুক্তি ছিল, একজন সত্য নবী বা ঐশী নেতার ভবিষ্যদ্বাণী কখনো ভুল হতে পারে না।
  2. 'মুবাহালা' বা চূড়ান্ত প্রার্থনা প্রতিযোগিতা: বইটির একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে সানাউল্লাহ ও মির্জা গোলাম আহমদের মধ্যকার দীর্ঘ পত্রবিনিময় এবং চ্যালেঞ্জ।[]
    1. ১৯০৭ সালের ১৫ এপ্রিল মির্জা গোলাম আহমদ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন যেখানে তিনি সানাউল্লাহ অমৃতসরীকে 'মিথ্যাবাদী' আখ্যা দিয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যে— "আমাদের মধ্যে যে মিথ্যাবাদী, সে যেন সত্যবাদীর জীবদ্দশায় মৃত্যুবরণ করে।"
    2. ১৯০৮ সালে মির্জা গোলাম আহমদের মৃত্যুর পর সানাউল্লাহ এই ঘটনাটিকে তাঁর বইয়ের পরবর্তী সংস্করণগুলোতে একটি 'চূড়ান্ত ফয়সালা' হিসেবে যুক্ত করেন। এটি পাঠকদের কাছে বইটির সবচেয়ে নাটকীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত।[১০]
  3. লিখনশৈলী ও স্ববিরোধী বক্তব্যের সংকলন: সানাউল্লাহ অমৃতসরী অত্যন্ত নিপুণভাবে মির্জা গোলাম আহমদের বিভিন্ন সময়ের লেখা বই থেকে উদ্ধৃতি তুলে ধরে দেখিয়েছেন যে, একই বিষয়ে তিনি সময়ের ব্যবধানে ভিন্ন ভিন্ন (কখনো পরস্পরবিরোধী) দাবি করেছেন।
    1. যেমন— শুরুতে নিজেকে সাধারণ মুসলিম দাবি করা, পরে মুজাদ্দিদ (সংস্কারক), এরপর মসীহ এবং সবশেষে নবীর দাবি করা। এই ক্রমবিকাশকে সানাউল্লাহ 'মানসিক অস্থিরতা' বা 'পরিকল্পিত পরিবর্তন' হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
  4. খতমে নবুওয়াতের আইনি ও ধর্মীয় ব্যাখ্যা: বইটির শেষের দিকে লেখক পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে 'খতমে নবুওয়াত' (নবুওয়াতের সমাপ্তি) বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন যে, উম্মতে মুহাম্মাদীতে নতুন কোনো নবী আসার কোনো অবকাশ নেই— না শরীয়তধারী, না শরীয়তবিহীন।

এই অংশগুলোই মূলত সাধারণ মুসলিমদের মনে মির্জা গোলাম আহমদের দাবি সম্পর্কে সন্দেহের জন্ম দিয়েছিল এবং তৎকালীন ভারতে কাদিয়ানি আন্দোলনের অগ্রযাত্রাকে বড় ধরনের বাধার মুখে ফেলেছিল। বিশেষ করে মুবাহালার বিষয়টি আজও ইসলামি তাত্ত্বিক বিতর্কে প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।[১১]

প্রভাব

[সম্পাদনা]

এই বইটির ঐতিহাসিক গুরুত্বের একটি বড় কারণ হলো লেখক এবং বিষয়ের মধ্যকার ব্যক্তিগত সম্পর্ক। মির্জা গোলাম আহমদ সানাউল্লাহ অমৃতসরীকে উদ্দেশ্য করে একটি ঐতিহাসিক 'মুবাহালা' (প্রার্থনা প্রতিযোগিতা) আহ্বান করেছিলেন, যেখানে বলা হয়েছিল যে আমাদের মধ্যে যে মিথ্যাবাদী সে সত্যবাদীর জীবদ্দশায় মৃত্যুবরণ করবে। ১৯০৮ সালে মির্জা গোলাম আহমদের মৃত্যুর পর সানাউল্লাহ অমৃতসরী আরও দীর্ঘকাল জীবিত ছিলেন, যা তাঁর অনুসারীরা এই বইয়ের যুক্তির চূড়ান্ত বিজয় হিসেবে গণ্য করেন।[১২] মির্জা গোলাম আহমদ এবং মাওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরীর মধ্যকার 'মুবাহালা' এবং 'ভবিষ্যদ্বাণী' সংক্রান্ত বিষয়টি ইতিহাসে অত্যন্ত আলোচিত। নিচে এর বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:

  1. ঐতিহাসিক মুবাহালা:

'মুবাহালা' হলো এমন একটি বিশেষ প্রার্থনা যেখানে দুটি পক্ষ আল্লাহর কাছে এই মর্মে প্রার্থনা করে যে, "আমাদের মধ্যে যে মিথ্যাবাদী, তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ বা মৃত্যু আসুক।"[১৩]

  • প্রেক্ষাপট: মাওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরী ক্রমাগত মির্জা গোলাম আহমদের দাবির বিরোধিতা করে আসছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯০৭ সালের ১৫ এপ্রিল মির্জা গোলাম আহমদ একটি বিজ্ঞপ্তি বা ইশতিহার প্রকাশ করেন।
  • মির্জা সাহেবের প্রার্থনা: তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন, "হে আল্লাহ! যদি সানাউল্লাহ অমৃতসরী তাঁর অভিযোগে সত্যবাদী হন তবে আমার ওপর মৃত্যু দান করুন, আর যদি আমি (মির্জা) সত্যবাদী হই তবে সানাউল্লাহকে আমার জীবদ্দশায় ধ্বংস করুন এবং কলেরার মতো মহামারীতে তাঁর মৃত্যু দিন।"
  • ফলাফল: এই প্রার্থনার মাত্র ১ বছর ১ মাস পর ১৯০৮ সালের ২৬ মে মির্জা গোলাম আহমদ মারা যান। অন্যদিকে, মাওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরী আরও প্রায় ৪০ বছর জীবিত ছিলেন এবং ১৯৪৮ সালে মারা যান।

ইসলামি পণ্ডিতগণ একে 'তারিখে মির্জা' বা ইতিহাসের এক বড় প্রমাণ হিসেবে দেখেন যে, মির্জা গোলাম আহমদ নিজের করা প্রার্থনার মুখেই মৃত্যুবরণ করেছেন। মাওলানা সানাউল্লাহ তাঁর বইতে মির্জা সাহেবের বেশ কিছু ভবিষ্যদ্বাণীর ব্যবচ্ছেদ করেছেন:

  • মোহাম্মদী বেগম: মির্জা গোলাম আহমদ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, মোহাম্মদী বেগম নাম্নী এক মহিলার সাথে তাঁর বিবাহ নিশ্চিতভাবে হবে। কিন্তু সেই মহিলার বিয়ে অন্যত্র হয়ে যায় এবং মির্জা সাহেবের জীবদ্দশায় সেই বিয়ে ভাঙেনি।
  • আব্দুল্লাহ আথাম: এটি ছিল একজন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের সাথে বিতর্ক। মির্জা সাহেব ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে আথাম ১৫ মাসের মধ্যে মারা যাবেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তিনি মারা যাননি, যা তৎকালীন সময়ে মির্জা সাহেবের অনুসারীদের মধ্যে বড় বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল।
  • ডক্টর আলেকজান্ডার ডাউই: ডাউই ছিলেন আমেরিকার একজন ধর্মীয় নেতা। মির্জা সাহেব ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে ডাউই তাঁর জীবদ্দশায় চরম দুর্দশার মধ্যে মারা যাবেন। ডাউই সত্যি মারা গিয়েছিলেন, তবে সানাউল্লাহ অমৃতসরী যুক্তি দেন যে, ডাউই ইতিমধ্যে বৃদ্ধ ও অসুস্থ ছিলেন, তাই এটি কোনো অলৌকিক ভবিষ্যদ্বাণী নয়।

মাওলানা সানাউল্লাহ তাঁর বইতে দেখিয়েছেন যে, একজন ব্যক্তি যদি নিজেকে নবী হিসেবে দাবি করেন, তবে তাঁর একটি ভবিষ্যদ্বাণীও মিথ্যা হতে পারে না। তিনি মির্জা গোলাম আহমদের উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছেন যে মির্জা সাহেব নিজেই লিখেছেন: "যদি আমার কোনো কথা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে আমি সকল অভিশাপ গ্রহণ করতে প্রস্তুত।" সানাউল্লাহ অমৃতসরী এই একটি পয়েন্টেই মির্জা সাহেবকে পরাস্ত করার চেষ্টা করেছেন এবং ঐতিহাসিক নথিপত্র দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে মির্জা সাহেবের দাবিগুলো অলৌকিক নয় বরং পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল ছিল।

  • গ্রহণযোগ্যতা: সুন্নি এবং আহলে হাদিস ঘরানার পাঠকদের কাছে এটি কাদিয়ানি মতবাদ খণ্ডনের একটি মৌলিক আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।
  • আহমদিয়া দৃষ্টিভঙ্গি: আহমদিয়া সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে এই বইয়ের বিভিন্ন তথ্যের প্রতিবাদ করা হয়েছে। তারা সানাউল্লাহ অমৃতসরীর করা উদ্ধৃতিগুলোকে 'আংশিক' বা 'প্রাসঙ্গিকতাহীন' বলে দাবি করেন।[১৪]

প্রকাশনা

[সম্পাদনা]

বইটি আজও উর্দু ভাষায় বিভিন্ন ইসলামিক প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় এবং খতমে নবুওয়াত সংশ্লিষ্ট গবেষণায় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আধুনিক সময়ে এর বিভিন্ন অনলাইন সংস্করণ, অনুবাদ এবং সারাংশ পাওয়া যায়।[১৫]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Amritsari, Sanaullah; Khan, Uzair (২০২৩)। Tareekh-e-Mirza: The Life and Times of Mirza Ghulam Ahmad Qadianiআইএসবিএন ৯৭৯-৮৩৭৪৩৫৬১২০
  2. "Tareekh-e-mirza"। Matba Barqi (amritsar)। ১৯২৩। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  3. نور, مكتبة। tareekh e mirza english translation 1st edition pdf (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  4. https://lutonislamiccentre.com/wp-content/uploads/2023/03/Tareekh-e-Mirza.pdf&ved=2ahUKEwjo24SsgNCRAxWPTGwGHSsELqAQ1fkOegQIChAG&opi=89978449&cd&psig=AOvVaw3ti6Za-fZub0ERhDN3e
  5. Murat Akdeniz (১৯ জানুয়ারি ২০২৪)। "الأحمدية القاديانية قصة طائفة ساعدت المحتل البريطاني في الهند | تاريخ مؤلم | الحلقة 5 (Ahmadiyya Qadiani Sect: A Group That Aided the British Occupier in India - Painful History Ep. 5)"তারিখুনা ইউটিউব পাতা। tareekhuna.com। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  6. Aziz, Dr Zahid (২০২১)। The Ahmadiyya Case of South Africa (ইংরেজি ভাষায়)। Ahmadiyya Anjuman Lahore Publications, U.K.। পৃ. ১৭৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯০৬১০৯-৭০-৭। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  7. Aʻẓamī, Ṣafīurraḥmān (১৯৭৯)। فتنه قاديانيت اور مولانا ثناءالله امرتسرى: حالات و سوانع، سلسله كشاكش، اثرات و نتائح (উর্দু ভাষায়)। اداره ال-بحوث الاسلاميه و الدعوة و الافتا، مركزى دارالعلوم،। পৃ. ২৩৪। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  8. The Ahmadiyya Case (ইংরেজি ভাষায়)। www.aaiil.org। পৃ. ১৫২। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  9. Rafiabadi, Hamid Naseem (২০০৭)। Challenges to Religions and Islam: A Study of Muslim Movements, Personalities, Issues and Trends (ইংরেজি ভাষায়)। Sarup & Sons। পৃ. ৯৮১-১০০৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৬২৫-৭৩২-৯। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  10. Aḥmad, Ḵh̲ālid Shabbīr (১৯৭৯)। Tarikh i muhasabah yi Qadiyaniyyat (উর্দু ভাষায়)। Qirtis। পৃ. ২৭। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  11. Memon, Naeem Osman (১৯৯০)। Some Prophecies of Hazrat Ahmad - A Critical Study (ইংরেজি ভাষায়)। Islam International Publications Ltd। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৫৩৭২-৩৫৮-২। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  12. "تبصرہ کتاب:شیخ الاسلام ثناء اللہ امرتسری کےساتھ مرزا قادیانی کا آخری فیصلہ(ظفر اقبال ظفر)"Authentic Islamic Info | محدث فورم - Mohaddis Forum (উর্দু ভাষায়)। ২৪ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  13. জহীর, ইহসান ইলাহী। কাদিয়ানী মতবাদ (পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ)। IslamHouse.com। পৃ. ২২৭। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  14. Muhammad, Khawaja Khan (২০০৬)। Historical Documents: Qadiyani (উর্দু ভাষায়)। Urdu-Books। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  15. "تاریخ مرزا | Tareekh-e-Mirza"kitabosunnat.comkutub-library (উর্দু ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫