তাকাশি মিইকে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
তাকাশি মিইকে
Takashi Miike.jpg
২০১১ কানাস চলচ্চিত্র উৎসবে মিইকে
স্থানীয় নাম
三池 崇史
জন্ম (1960-08-24) ২৪ আগস্ট ১৯৬০ (বয়স ৫৮)
ইয়াও, ওসাকা, জাপান
পেশাপরিচালক,প্রযোজক, লেখক, অভিনেতা
কার্যকাল১৯৯১-বর্তমান

তাকাশি মিইকে(জন্মঃ ২৪ আগস্ট, ১৯৬০), একজন জাপানি জনপ্রিয় এবং বিতর্কিত চলচ্চিত্র নির্মাতা। ১৯৯১ সালে তার প্রত্যাবর্তনের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় একশয়েরও বেশি চলচ্চিত্র, নাটক প্রযোজনা করেছেন। ২০০১ এবং ২০০২ সালে মিইকে একা পনেরটি প্রযোজনা পরিচালনা করার জন্য স্বীকৃত করা হয়। তার ছবিসমূহ হিংসাত্মক এবং উদ্ভট বা অবাস্তব থেকে নাটুকে পরিবার-বন্ধুদের বিন্যস্ত হয়ে থাকে।

জীবনি[সম্পাদনা]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

মিইকে জন্মগ্রহণ করেন জাপানের ইয়াও অঞ্চলে একটি দরিদ্র কোরিয়ান অভিবাসী পরিবারে। তার পরিবার মূলত প্রবাসিত হয় কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তারা দাদা চীন এবং কোরিয়ার দায়িত্ব পান, এবং তার পিতা সিওল এ জন্মগ্রহণ করেন যেটি বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া। তার বাবা একজন ঢালাইকারী এবং মা দর্জি হিসাবে কাজ করেন।[১] যদিও তিনি বলেন যে তিনি খুবই কম শ্রেণীকক্ষে গেছেন, তিনি ইয়কুহামা ভোকেশনাম স্কুল অব ব্রডকাস্ট এন্ড ফিল্ম থেকে স্নাতকোত্তর করেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা শুহাই ইমামুরা এর তত্ত্বাবধানে, যিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিন।[২]

পেশাজীবন[সম্পাদনা]

মিইকের প্রথম ছবি টেলিভিশন প্রযোজনা, কিন্তু তিনি সরাসরি ভিডিওতে বা ভি-সিনেমাতে কিছু মুক্তি দেন। মিইকে এখনও থেমে থেমে ভি-সিনেমা পরিচালনা করেন উৎপাদনের স্বাধীনতার জন্য যেখানে কঠোর সেন্সরশিপ কম হয় বলে।

মিইকে “তৃতীয় গুন্ডা”(দাইসান ন গকুডও) ছবি মুক্তির মাধ্যমে হলে ছবি প্রকাশ শুরু করেন।[৩] কিন্তু “শিনজুকু ত্রায়াড সোসাইটি”(১৯৯৫) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ছবিটিতে প্রদর্শীত হয় তার চরম রচনাশৈলী এবং ধরণ, এবং এর সফলতা তাকে আরো বড় বাজেটের ছবি করার স্বাধীনতা দেয়।“শিনজুকু ত্রায়াড সোসাইটি” তার ব্লাক সোসাইটি থ্রিলজির প্রথম ছবি, বাকি দুটো হচ্ছে “রেইনি ডগ”(১৯৯৭) এবং “লে লাইন্স”(১৯৯৯)। সে আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতি পায় ২০০০ সালে তার ভৌতিক ছবি “অডিশন”(১৯৯৯), তার আক্রমণাত্মক ছবি ইয়াকুজাএপিক “ডেড অর এলাইব”(১৯৯৯) এবং তার বিতর্কমূলক মাঙ্গা রূপান্তর “ইচি দ্য কিলার” যেটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবসমূহে প্রদর্শিত হয়। এরপর থেকে সে পশ্চিমা বিশ্বে বিশাল ভক্তকূল লাভ করে যেটি বাড়তে চলে তার কাজের ডিভিডি প্রকাশের মাধ্যমে। তার ছবি “হারা-কিরিঃ ডেথ অব এ সামুরাই” ২০১১ কান চলচ্চিত্র উৎসব প্রতিযোগিতায় প্রদর্শিত হয়।[৪] তার ২০১৩ সালের ছবি “স্ট্রো শিল্ড” মনোনীত হয় পাল্ম দর২০১৩ কান চলচ্চিত্র উৎসবে[৫]

কাজের ধরণ[সম্পাদনা]

মিইকে তার কাজের আন্তর্জাতিকভাবে দুর্নাম রয়েছে চরম হিংস্রতা এবং যৌন বিকৃতি চিত্র বর্ণনার জন্য। তার অনেক ছবিতেই গ্রাফিক এবং ভয়াবহ রক্তপাত দেখা যায়। তার বেশির কাজেই চিত্রিত করা হয় অপরাধীদের(বিশেষ করে ইয়াকুজা) বা গাইজিন, জাপানি প্রবাসী। সে তার কৌতুকপ্রদতা এবং সেন্সরশিপের সীমানাকে যতটুকু প্রসারিত করা যায় এর জন্যও পরিচিত।

তার কুখ্যাতির পরও, মিইকে বিভিন্ন ধরণের ছবি পরিচালনা করেছেন। সে শিশুতোষ চলচ্চিত্র “জেব্রাম্যান” এবং “দ্য গ্রেইট ইয়োকাই ওয়ার”, ভ্রমণ চলচ্চিত্র “দ্য বার্ড পিপল অব চীন”, কিশোর নাটক “দ্য হ্যাপিনেস অব দ্য কারাকুরিস” এবং এমনকি ভিডিও গেইম রূপান্তর “লাইক এ ড্রাগন” এবং “এইস এটর্নি” নির্মাণ করেছেন।

যেখানে মিইকের ছবি কম সুগম এবং লক্ষ থাকে চরম আক্রমণাত্নক চলচ্চিত্র ভক্তদের যেমন “ইজো”, এবং “থ্রী... এক্সট্রিমস”, এছাড়াও সে কিছু মূলধারার এবং বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র নির্মান করেছে যেমন ভৌতিক ছবি “ওয়ান মিসড কল” এবং কাল্পনিক-নাট্য ছবি “দ্য গ্রেইট ইয়কাই ওয়ার”

মিইকে বলেছে যে “স্টারশিপ ট্রুপারস” তার প্রিয় চলচ্চিত্র।[৬] সে শ্রদ্ধা করে চলচ্চিত্র পরিচালক “আকিরা কুরুসাওয়া”,[৭] হিদো গসা,[৭][৮] ডেভিড লাইঞ্চ,[৯] ডেভিড ক্রনেনবার্গ,[৯] এবং পল ভারহোভেন[৯]

বিতর্ক[সম্পাদনা]

তার সবচেয়ে বিতর্কমূলক ছবিগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে অতি-হিংস্রাত্নক চলচ্চিত্র “ইচি দ্য কিলার”(২০০১), যেটি মাঙ্গা থেকে রূপান্তর করা হয়। আর এই অতিরিক্ত হিংস্রাত্নতা কাজে লাগানো হয় ছবির প্রচারণায় এটির আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে টরেন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ২০০১ সালে, যেখানে দর্শকদের "বমি করার থলে দেয়া" হয় যেটি শোভা পায় চলচ্চিত্রের লগোর সাথে প্রচারণার জন্য[১০] (ছবিটির একটি দৃশ্য ছিল যে একটি চরিত্র অন্যটিকে আধটুকরো করে কেটে ফেলে বা মাথা কেটে ফেলা)।

কিন্তু ব্রিটিশ বোর্ড অব ফিল্ম ক্লাসিফিকেশন অসম্মতি জানায় ছবিটি বিনাকর্তনে যুক্তরাজ্যে প্রকাশ করতে, বর্ণনা করে এটি মহিলাদের প্রতি চরম মাত্রার যৌন সহিংসতা রয়েছে। হং কং এ ছবিটির প্রায় ১৫ মিনিট কেটে প্রকাশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ছবিটি বিনাকর্তনে প্রকাশ পায়।

চলচিত্রসমূহ[সম্পাদনা]

পরিচালক হিসাবে[সম্পাদনা]

  • শিসো ফেরারি ২৫০ জিটিও (১৯৯১)
  • আইক্যাচ জাংশন (১৯৯১)
  • লেডি হান্টারঃপ্রিলোড টু মার্ডার(১৯৯১)
  • এ হিউম্যান মার্ডাড় ওয়েপন (১৯৯২)
  • বডিগার্ড কিবা (১৯৯৩)
  • ওরিতেচাই ওয়া তেনশি জা নাই (১৯৯৩)
  • ওরিতেচাই ওয়া তেনশি জা নাই ২ (১৯৯৩)
  • শিনজুকু আউটলো (১৯৯৪)
  • শুরানো মকুশিরুকুঃ বডিগার্ড কিবা (১৯৯৪)
  • দাইসেন ন গকুদো (১৯৯৫)
  • শুরানো মকুশিরুকু ২: বডিগার্ড কিবা (১৯৯৫)
  • ওসাকা টাফ গাইজ (১৯৯৫)
  • শিনজকু ট্রায়াড সোসাইটি (১৯৯৫)
  • শিন দাইসেন ন গকুদোঃ বপাসু কানসাই গকুদো সেনসো (১৯৯৬)
  • শিন দাইসেন ন গকুদো ২(১৯৯৬)
  • এমবিশন উইদাউট অনার(১৯৯৬)
  • পিনাটস(১৯৯৬)
  • দ্য ওয়ে অব ফাইট(১৯৯৬)
  • ফুদোঃ দ্য নিউ জেনারেশন(১৯৯৬)
  • এমবিশন উইদাউট অনার ২ (১৯৯৭)
  • ইয়াং থাগসঃইননোসেন্ট ব্লাড (১৯৯৭)
  • রেয়নি ডগ(১৯৯৭)
  • ফুল মেটাল ইয়াকুজা (১৯৯৭)
  • দ্য বার্ড পিপল অব চীন (১৯৯৮)
  • আন্দ্রোমিডিয়া(১৯৯৮)
  • ব্লুস হার্প (১৯৯৮)
  • ইয়াং থাগসঃ নস্টালজিয়া(১৯৯৮)
  • ম্যান, এ ন্যাচারাল গার্ল (১৯৯৯)
  • লে লাইন্স (১৯৯৯)
  • সিলভার (১৯৯৯)
  • অডিশন (১৯৯৯)
  • ডেড অর এলাইভ (১৯৯৯)
  • স্যালারিম্যান কিন্তো (১৯৯৯)
  • ম্যান, দ্য নেক্সট ন্যচারাল গার্লঃ ১০০ নাইটস এট ইয়োকুহামা (১৯৯৯)
  • দ্য মেকিং অব ‘জেমিনি’ (২০০০)
  • এমপিডি সাইকো (২০০০)
  • দ্য সিটি অব লস্ট সোলস (২০০০)
  • দ্য গাইজ ফর্ম প্যারাডাইজ (২০০০)
  • ডেড অর এলাইভ ২: বার্ডস (২০০০)
  • কুকুচি-জো মনোগাটারিঃ সাকিমরি-তাচি ন উথা (২০০১)
  • জুইকেতসু গেনসুঃ টনোকারারিন ইউমে দেনসেতু (২০০১)
  • ফেমেলি (২০০১)
  • ফেমেলি ২ (২০০১)
  • ভিজিটর কিউ (২০০১)
  • ইচি দ্য কিলার (২০০১)
  • আগিট্যাটর (২০০১)
  • দ্য হ্যাপিনেজ অব কাতাকুরিস (২০০১)
  • ডেড অর এলাইবঃ ফাইনাল (২০০২)
  • অন্না কুনিশু ইক্কি (২০০২)
  • সাবু (২০০২)
  • গ্রেইভইয়ার্ড অব অনার (২০০২)
  • শাংরি-লা (২০০২)
  • প্যান্ডোরা (২০০২)
  • ডেডলি আউটলোঃ রেক্কা (২০০২)
  • পাতো-থাইমু থানতেই (২০০২)
  • দ্য মেন ইন হোয়াইট (২০০৩)
  • গজু (২০০৩)
  • ইয়াকুজা ডেমন (২০০৩)
  • কোশুনিন (২০০৩)
  • ওয়ান মিসড কল (২০০৩)
  • জেব্রাম্যান (২০০৪)
  • পাতো-থাইমু থানতেই ২ (২০০৪)
  • থ্রি এক্সট্রিমস (২০০৪)
  • ইজো (২০০৪)
  • আল্ট্রাম্যান ম্যাক্স (২০০৫)
  • দ্য গ্রেইট ইয়কাই ওয়ার (২০০৫)
  • বিগ ব্যাঙ লাভ, জুভেনিল এ (২০০৬)
  • ওয়ারু (২০০৬)
  • মাস্টারস অব হরর (এপিসোডঃ ইমপ্রিন্ট) (২০০৬)
  • ওয়ারুঃ কানকেতসু-হেন (২০০৬)
  • সান সাক্রেড (২০০৬)
  • শুকিয়াকি ওয়েস্টার্ন ডিজাঙ্গো (২০০৭)
  • ক্রোস জিরো (২০০৭)
  • লাইক এ ড্রাগন (২০০৭)
  • জাতোচি (২০০৭)
  • ডিটেকটিভ স্টোরি (২০০৭)
  • গড’স পাজল (২০০৮)
  • কে-থাই ইনভেস্টিগেটর ৭ (২০০৮)
  • ইয়াত্তারম্যান (২০০৯)
  • ক্রোস জিরো ২(২০০৯)
  • থার্টিন এসএসসিন (২০১০)
  • জেব্রাম্যান ২: এট্যাক অন জেব্রা সিটি (২০১০)
  • নিঞ্জা কিডস (২০১১)
  • হারা-কিরিঃ ডেথ অব এ সামুরাই (২০১১)
  • এইস এটর্নি (২০১২)
  • ফর লাভস সেইক (২০১২)
  • লেসন অব দ্য ইভিল (২০১২)
  • শিল্ড অব স্ট্রো (২০১৩)
  • দ্য মোল সং: আন্ডারকভার এজেন্ট রেইজি (২০১৩)
  • অভার ইউর বডি (২০১৪)
  • এজ দ্য গডস উইল (২০১৪)
  • দ্য লায়ন স্ট্যান্ডিং ইন দ্য ওয়াইন্ড (২০১৫)
  • ইয়াকুজা এপোক্লিপ্স (২০১৬)
  • টেরা ফার্মারস (২০১৬)
  • দ্য মোলঃ হংকং ক্যাপ্রিকো (২০১৬)
  • আইডল x ওয়ারিওর মিরাকল টিউন্স! (২০১৭)
  • ব্লেইড অব ইমমোর্টাল (২০১৭)
  • জো জো বিজার এডবেঞ্চারঃ ডায়মন্ড ইজ আনব্রেইকেভল চ্যাপ্টার ওয়ান (২০১৭)
  • ল্যাপলেইস উইচ (২০১৮)

অভিনেতা হিসাবে[সম্পাদনা]

  • আগিট্যাটোর(২০০১)
  • গ্রেইভইয়ার্ড অব অনার(২০০১)
  • ইচি দ্য কিলারঃ এপিসোড ০ (২০০২)
  • লাস্ট লাইফ ইন দ্য ইউনিভার্স (২০০৫)
  • নেইভর নং ১৩ (২০০৫)
  • হোস্টেল(২০০৫)
  • দভসু ন মরি(২০০৬)
  • টেঞ্চিন(২০০৯)
  • ন মোর হিরোজ ২:ডেসপাইট স্ট্রাগল(২০১০)

প্রযোজক হিসাবে[সম্পাদনা]

  • দ্য মেকিং অব ‘জেমিনি’ (২০০০)
  • রায়ু গা গতকু (২০০৬)

অন্যান্য[সম্পাদনা]

২০০৫ সালে তাকাশি মিইকে পরিচালনা করেন একটি মঞ্চ নাটক “ডেমন পন্ড” নামে।[১১][১২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Mes, Tom. Agitator: The Cinema of Takashi Miike. Godalming: FAB Press, 2003. আইএসবিএন ১-৯০৩২৫৪-২১-৩. p. 15.
  2. Mes, pp. 16-18.
  3. Agitator: The Cinema of Takashi Miike
  4. "Festival de Cannes: Official Selection"Cannes। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-১৫ 
  5. "2013 Official Selection"Cannes। ১৮ এপ্রিল ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৩ 
  6. Interview Footage included in special features on American Region 1 DVD of Gozu
  7. Hoad, Phil (মে ৫, ২০১১)। "Takashi Miike: Why I am bringing Japanese classics back to life"The Guardian। London। 
  8. "『私と東映』 x 三池 崇史監督 (第1回 / 全2回)"। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৬ 
  9. "Takashi Miike director of Gozu by Anderswolleck - SuicideGirls"। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৬ 
  10. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৭ 
  11. "Demon Pond (2005)"। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৬ 
  12. Brown, Todd (২৭ ডিসেম্বর ২০০৭)। "Miike Stage Production DEMON POND Coming To DVD!"। ১২ জুলাই ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]