তাইন্দং ইউনিয়ন

স্থানাঙ্ক: ২৩°১৭′৫২″ উত্তর ৯১°৪৮′১০″ পূর্ব / ২৩.২৯৭৭৮° উত্তর ৯১.৮০২৭৮° পূর্ব / 23.29778; 91.80278
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
তাইন্দং
ইউনিয়ন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সীল.svg ১নং তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদ
তাইন্দং চট্টগ্রাম বিভাগ-এ অবস্থিত
তাইন্দং
তাইন্দং
তাইন্দং বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
তাইন্দং
তাইন্দং
বাংলাদেশে তাইন্দং ইউনিয়নের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°১৭′৫২″ উত্তর ৯১°৪৮′১০″ পূর্ব / ২৩.২৯৭৭৮° উত্তর ৯১.৮০২৭৮° পূর্ব / 23.29778; 91.80278 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগচট্টগ্রাম বিভাগ
জেলাখাগড়াছড়ি জেলা
উপজেলামাটিরাঙ্গা উপজেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
সরকার
 • চেয়ারম্যানমোহাম্মদ হুমায়ুন
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৪৪৫০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
মানচিত্র

তাইন্দং বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার অন্তর্গত মাটিরাঙ্গা উপজেলার একটি ইউনিয়ন

আয়তন[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

অবস্থান ও সীমানা[সম্পাদনা]

মাটিরাঙ্গা উপজেলার সর্ব-উত্তরে তাইন্দং ইউনিয়নের অবস্থান। এ ইউনিয়নের দক্ষিণে তবলছড়ি ইউনিয়ন, পূর্বে পানছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি ইউনিয়নলোগাং ইউনিয়ন এবং উত্তরে ও পশ্চিমে ভারতের ত্রিপুরা প্রদেশ অবস্থিত।

প্রশাসনিক কাঠামো[সম্পাদনা]

তাইন্দং ইউনিয়ন মাটিরাঙ্গা উপজেলার আওতাধীন ১নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম মাটিরাঙ্গা থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ২৯৮নং নির্বাচনী এলাকা পার্বত্য খাগড়াছড়ি এর অংশ।

শিক্ষা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানঃ[সম্পাদনা]

উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে ১টি।

তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয়

দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে ১টি।

তাইন্দং দাখিল মাদ্রাসা

এছাড়া রয়েছে জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ২টি।

তাইন্দং বিদ্যা নিকেতন

ওয়াদুদভূইয়া জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়(নাম পরিবর্তন হয়েছে সম্ভবত)

এছাড়া বেশ কিছু সরকারি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে তাইন্দং ইউনিয়নে।


যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ[সম্পাদনা]

জেলা শহরের সাথে যোগাযোগের রাস্তা হলো তাইন্দং তবলছড়ি রোড(তানিক্কা পাড়া রোড), পানছড়ি চৌমুহনী গিয়ে দুইটি রাস্তায় বিভক্ত হয়েছে তাইন্দং তবলছড়ি রোড(তানিক্কা পাড়া রাস্তা)। শহরের সাথে যোগাযোগের জন্য বিভক্ত দুইটি রাস্তা হলো,তাইন্দং পানছড়ি রোড এবং তানিক্কা পাড়া রোড।

খাল ও নদীঃ[সম্পাদনা]

ফেনী নদীঃ

এখানে রয়েছে বাংলাদেশের ভূখন্ডে উৎপত্তি একমাত্র নদী যার নাম,ফেনী নদী। ফেনী নদীর উৎপত্তি হয়েছে ভগবান টিলা অরূপে বি টিলা থেকে। এই নদী তাইন্দং,তবলছড়ি,বড়নাল,আমতলী ইউনিয়ন সহ পশ্চিম খাগছড়িকে ভারতের মূল ভূখন্ড থেকে পৃথক করেছে। ফেনী নদীর এপাড় বাংলাদেশ এবং ওপাড় ভারত এভাবেই সীমানা নির্ধারণ হয়েছে, তবে ফেনী নদীর ৮০% নদী বাংলাদেশের সীমানার ভিতর রয়েছে এবং কিছু কিছু অংশ ভারতের সীমানায় পড়েছে যা শতকরা হারে ২০%।

তাইন্দং ছড়াঃ

ফেনী নদী ছাড়াও রয়েছে তাইন্দং ছড়া(ছোট নদী)। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য এবং বাংলাদেশের অসংখ্য পাহাড়ি ধর্ণার মূল প্রবাহ বয়ে যায় তাইন্দং ছড়া দিয়ে। বর্ষা মৌসমে তাইন্দং ছড়া ফিরে পায় তার চিরচেনা যৌবন। তখন ভাঙ্গনের মুখে পড়ে আস-পাসের রাস্তাঘাট,দোকানপাঠ,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,ও বসতঘর। তাইন্দং ছড়া তাইন্দং বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে, যা তবলছড়ি ইউনিয়নের সাথে তাইন্দং ইউনিয়নের সীমানা হিসেবে কাজ করেছে। তাইন্দং ছড়া শেষ হয়েছে তবলছড়ি ইউনিয়নের তালুকদার পাড়ায়, যা ফেনী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।

অসংখ্য ছোট ছোট ছড়া দিয়ে তাইন্দং ইউনিয়ন পানির চাহিদার ৯০% পূরণ করে থাকে।







হাট-বাজারঃ[সম্পাদনা]

তাইন্দং বাজারঃ

তাইন্দং ইউনিয়নে কেবল মাত্র একটি বাজার রয়েছে যা মাটিরাঙ্গা উপজেলা থেকে ৩৭ কিলোমিটার দূরে। এবং তাইন্দং ইউনিয়নের মূল কেন্দ্র হলো তাইন্দং বাজার। যার হাঁটবার হচ্ছে প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার। সোমবার হচ্ছে বড় বাজার। কিন্তু এই তাইন্দং বাজারে সবসময়ই হইহই একটা বেপার থাকে যা বাজারকে করেছে চিরযৌবনা। এখানে বাজার শুধু তাইন্দংবাসি করে না, তবলছড়ির অন্তর্ভুক্ত সিংহপাড়া,বড়বিল,তুলাতুলি,শুখনাড়ছি,তালুকদারপাড়া,লাইসা পাড়া,ভাগ্যপাড়া এবং পানছড়ি উপজেলার অনেক গ্রামের লোক এখানে বাজার করে নিয়মিত।

দর্শনীয় স্থানঃ[সম্পাদনা]

বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে তাইন্দং ইউনিয়নে।

পাহাড়ে আবৃত এই দৃশ্য মানুষকে আকর্ষণ করে সবসময়।

পোড়াবাড়ি ঝর্ণাঃ

চারদিকে পাহাড় বিস্তৃত সবুজের মাঝে রয়েছে পোড়াবাড়ি ঝর্ণা, ঝর্ণাতে যেতে চাইলে সম্পূণ পায়ে হেটে যেতে হবে, স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে, ঝর্ণা ছোট হলেও বেশ গভীর হয়াতে গোসল করে এবং উপর থেকে লাফ দিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করা যায় এবং উপরে রয়েছে হাতি আকৃতির প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্ট পাথর। যা ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর লোকেরা পূজা করে থেকে সবসময়।

বি-টিলা/ভগবান টিলাঃ

তাইন্দং ইউনিয়নের সর্বউত্তরে রয়েছে বি-টিলা, যা সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১৩শ ফুট উচু। যেখান থেকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য,ডুম্বুর হ্রদ, এবং বাংলাদেশ,ভারতের শতশত পাহাড় একত্রে দেখা যায়, বর্তমানে বি-টিলা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠচ্ছে শহরের মানুষের কাছে।

কৃষ্ণদল পাড়াঃ

যদিও একটি গ্রাম মাত্র,কিন্তু এখানে রয়েছে ভারত বাংলাদেশ সীমানা দেখার সুযোগ এবং ফেনী নদী,চাবাগান,রাবার বাগান,পামওয়েল বাগান দেখার সুযোগ,স্থানীয়দের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয় একটি স্থান।নিরাপত্তা নিশ্চিতে রয়েছে" বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।"


মুসলিম পাড়া থে, স্থানীয় লোকদের সহায়তায় ে


জনপ্রতিনিধি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]