তসবিহ (জপমালা)

তাসবীহ বা জপমালা একটি প্রথাগত ধর্মীয় উপাসনার বস্তু। তাসবীহ আরবি শব্দ (তাজবীহ) থেকে এসেছে (تارجاالخارجي )। সাধরনত একটা সুতার মধ্যে অনেকগুলো বোতাম বা গোটা গেঁথে তাসবীহ তৈরি হয়। অতীতে প্রাকৃতিক উপাদান বা বিভিন্ন গাছের ফল বা বীজ দিয়ে তাসবীহ তৈরি হলেও অধুনা প্লাস্টিক, পিতল, সংকর ধাতু ইত্যাদির সমন্বয়েও তাসবীহ তৈরি হতে দেখা যায়।[১]
ব্যবহার
[সম্পাদনা]ইসলাম
[সম্পাদনা]মধ্যযুগ থেকেই আরবরা এই বস্তুটি ধমীর্য় উপাসনায় ব্যবহার করত। মুসলমানেরা এটি ব্যবহার করে এবং ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বাণীবাহক (নবী) ও তাদের সহচররাও (সাহাবি) এর ব্যবহার করতেন। একটি তাসবীহতে ১০০টি আলাদা আলাদা বোতাম বা গোটা থাকে, যে বোতামগুলো গুণে গুণে ব্যক্তি ঈশ্বরের (আল্লাহ) নাম জপ করেন। তবে তাসবীহতে ১০০'রও অধিক অথবা এর কম বোতামও থাকতে পারে তবে বোতামগুলো ১–১০০ পর্যন্ত পড়তে হয়। এর মধ্যে প্রতি ৩৩টি বোতাম ধরার পরে একবার থামতে হয় এবং বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম বা পরম কুরুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহ'র নামে বলে নিয়ে আবার পড়তে হয়।[২]
হিন্দুধর্ম
[সম্পাদনা]হিন্দুধর্মেও ঈশ্বরের নাম জপ করতে 'জপমালা' হিসেবে তাসবীহ ব্যবহৃত হয়ে থাকে।[৩]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "তাসবিহ তৈরিতে রেকর্ড গড়তে চান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হায়দার"। banglanews24.com। ১৩ মার্চ ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "তিন তাসবিহ পড়ার কয়েকটি নিয়ম"। www.kalerkantho.com। 2023-10। সংগ্রহের তারিখ 2025-10-05।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Ram, Priyanka (৭ জুলাই ২০২০)। "কোন দেব-দেবীর জন্য কোন জপমালা, জানুন তার গুরুত্ব"। Hindustantimes Bangla। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৫।