ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন
ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন লোগো.jpg
গঠিত১৯৫৮
সদরদপ্তরঢাকা, বাংলাদেশ
যে অঞ্চলে কাজ করে
বাংলাদেশ
দাপ্তরিক ভাষা
বাংলা
ওয়েবসাইটwww.ahsaniamission.org.bd

ঢাকা আহসানিয়া মিশন বাংলাদেশের একটি অলাভজনক সমাজসেবামূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যেটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত গরিব বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সংস্কারক ও সমাজহিতৈষী খান বাহাদুর আহ‌্ছানউল্লা এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এই মিশনটি ১৯৫৮ সালে খান বাহাদুর আহ‌্ছানউল্লা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এনজিওগুলির মধ্যে একটি এবং এটি ১.৯ মিলিয়ন নারীকে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা অর্জনে সহায়তা করেছে। মিশন আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার ডিটেকশন এবং ট্রিটমেন্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা করে। এটির একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যার নাম আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দেশের প্রথম বেসরকারি শিক্ষক কলেজ, খান বাহাদুর আহসানুল্লাহ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। মিশনটি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, আহসানুল্লাহ ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি, আহসানউল্লাহ মিশন কলেজ এবং ওয়ার্কিং ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ফর ওয়ার্কিং চাইল্ডস প্রতিষ্ঠা করেছিল। এটি হজ ফাইন্যান্স কোম্পানি, বইবাজার, নাগরদোলা, এবং আহসানিয়া-মালয়েশিয়া হজ্জ মিশন সহ বেশ কয়েকটি সামাজিক কল্যাণ সংস্থা পরিচালনা করে। এটি ২০০২সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করে। ২০১৪ সালে আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার এবং জেনারেল হাসপাতাল চালু করে, এটি বাংলাদেশে বৃহত্তম ক্যান্সার হাসপাতাল।

কর্মকান্ডসমূহ[সম্পাদনা]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

এদেশে মানব সেবায় অসাধারণ অবদানের জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত দেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার” হিসাবে পরিচিত “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয় এই প্রতিষ্ঠানটিকে।[১][২][৩][৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সানজিদা খান (জানুয়ারি ২০০৩)। "জাতীয় পুরস্কার: স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার"। সিরাজুল ইসলাম[[বাংলাপিডিয়া]]ঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশআইএসবিএন 984-32-0576-6। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০১৭স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।  ইউআরএল–উইকিসংযোগ দ্বন্দ্ব (সাহায্য)
  2. "স্বাধীনতা পদকের অর্থমূল্য বাড়ছে"কালেরকন্ঠ অনলাইন। ২ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৭ 
  3. "এবার স্বাধীনতা পদক পেলেন ১৬ ব্যক্তি ও সংস্থা"এনটিভি অনলাইন। ২৪ মার্চ ২০১৬। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৭ 
  4. "স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের তালিকা"মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০১৭ 

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]