বিষয়বস্তুতে চলুন

ডেলা হেইডেন রেনি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ডেলা হেইডেন রেনি
১৯৪৫ সালে রেনি
স্থানীয় নাম
Della Hayden Raney
ডাকনামমাও রেনি
জন্ম(১৯১২-০১-১০)১০ জানুয়ারি ১৯১২
সাফোক, ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যু২৩ অক্টোবর ১৯৮৭(1987-10-23) (বয়স ৭৫)
সমাধি
আর্লিংটন জাতীয় গোরস্থান
আনুগত্যযুক্তরাষ্ট্র
সেবা/শাখামার্কিন সেনাবাহিনী
কার্যকাল১৯৪১–১৯৭৮
পদমর্যাদামেজর
ইউনিটসেনা নার্স কোর
পরিচিতির কারণ
  • মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন নারী নার্স
  • সেনা নার্স কোরের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন নারী সেকেন্ড ল্যাফটেনান্ট
  • সেনা নার্স কোরের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন নারী ক্যাপ্টেন
  • সেনা নার্স কোরের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন নারী মেজর
যুদ্ধ/সংগ্রামদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
পুরস্কারভাল আচরণ পদক
নারীদের সেনা কোর সেবা পদক
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিজয় পদক
এশিয়া-প্যাসিফিক অভিযান পদক
যুক্তরাষ্ট্র অভিযান পদক
মাতৃশিক্ষায়তনলিঙ্কন হাসপাতাল 'স্কুল অফ নার্সিং'

ডেলা হেইডেন রেনি (১০ জানুয়ারি, ১৯১২ - ২৩ অক্টোবর, ১৯৮৭) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনা নার্স কোরের একজন নার্স ছিলেন। তিনি প্রথম আফ্রিকান-মার্কিন নার্স যিনি দায়িত্ব পালনের জন্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন এবং প্রথম প্রধান নার্স নিযুক্ত হয়েছিলেন।[] ১৯৪৪ সালে, তিনি ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হয়ে আর্মি এয়ার কোরের সাথে যোগ দেওয়া প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নার্স। ১৯৪৬ সালে তিনি মেজর পদে উন্নীত হন।[] রেনি ১৯৭৮ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন।

জন্ম ও শিক্ষা

[সম্পাদনা]

ডেলা রেনি ১৯১২ সালের ১০ জানুয়ারি ভার্জিনিয়ার সাফোক শহরে জন্মগ্রহণ করেন।[] তিনি তার বাবা-মা জর্জ ও উইলি রানে'র ১২ সন্তানের মধ্যে চতুর্থ।[] ১৯৩৭ সালে নর্থ ক্যারোলিনার ডারহামে অবস্থিত লিঙ্কন হাসপাতাল 'স্কুল অফ নার্সিং' থেকে স্নাতক অর্জন করেন।[] লিঙ্কনে, তিনি একটি কার্য অধীক্ষক হিসাবে কাজ করেছিলেন এবং সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আগে ভার্জিনিয়ার নরফোকের কমিউনিটি হাসপাতালে এবং উইনস্টন-সালেমের কেবি রেনল্ডস হাসপাতালেও কাজ করেছিলেন।[]

সেনা-জীবন

[সম্পাদনা]

১৯৪১ সালের এপ্রিলে, রেনি প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান নার্স হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আর্মি নার্স কোরে নিজ দায়িত্বে যোগদানের জন্য রিপোর্ট করেছিলেন।[][] সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশন পাওয়া রেনি প্রথমে ফোর্ট ব্র্যাগে নিযুক্ত ছিলেন, এখানে তিনি নার্সিং অধীক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। পরের বছর, তাকে তুস্কেগি আর্মি এয়ার ফিল্ড স্টেশন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।[] রেনি সেখানে প্রধান নার্স হিসেবে কাজ করেন। ১৯৪৪ সালে ক্যাপ্টেন হিসেবে পদোন্নতি পান।[] একইবছর তাকে ফোর্ট হুয়াচুকাতে বদলি করা হয়েছিল।[] সেই সময়ে, তিনিই একমাত্র কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা যিনি এই পদমর্যাদা অর্জন করেছিলেন এবং মার্কিন আর্মি এয়ার ফোর্সে কাজ করেছিলেন।[] ১৯৪৬ সালে, তিনি ক্যাম্প বিলে থেকে প্রান্তিক ছুটি নিয়েছিলেন, এখানেও তিনি প্রধান নার্স ছিলেন।[] সেবছর রেনি মেজর পদে উন্নীত হন।[] তিনি ছিলেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নার্স যিনি মার্কিন সেনাবাহিনীতে মেজর পদে উন্নীত হন।[] ১৯৫০- এর দশকে, তাকে পার্সি জোন্স আর্মি মেডিকেল হাসপাতালে পদায়ন করা হয়েছিল।[] রেনি ১৯৭৮ সালে অবসরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেনাবাহিনীতে চাকরি করেন।[]

মৃত্যু ও সম্মাননা

[সম্পাদনা]

তিনি ১৯৭৮ সালে কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান বিমানসেনাদের নিয়ে গঠিত দল টাস্কেগি এয়ারম্যান কর্তৃক তার পরিষেবার জন্য সম্মানিত হন,[] সহকর্মী সৈন্যরা তাকে "মাও রেনি" বলে ডাকতো।[] বিয়ের পর তিনি ডেলা রেনি জ্যাকসন নাম গ্রহণ করেন।[] ১৯৮৭ সালের ২৩ অক্টোবর রেনি মারা যান।[] তাকে ভার্জনিয়ার আর্লিংটন জাতীয় গোরস্থানে তার বিবাহিত নামে সমাহিত করা হয়।[] টাস্কেগি এয়ারম্যান এবং ন্যাশনাল ব্ল্যাক নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন ২০১২ সালে তার সম্মানে একটি বৃত্তি চালু করেছিল।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 4 5 "Negro Nurses"ন্যাশনাল নিগ্রো হেল্থ নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ (২): ৭। এপ্রিল ১৯৪৪ গুগল বুকস এর মাধ্যমে।
  2. 1 2 3 4 5 6 7 8 "Della Hayden Raney (Jackson)"আর্মি উইমেন্স ফাউন্ডেশন (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০
  3. "Maj. Della H. Raney"আফ্রিকান আমেরিকান্স ইন দ্য ইউ এস আর্মি (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  4. 1 2 3 আমস্প্যাচার, শেলবি। "Della Raney"মার্কিন সেনাবাহিনী জাতীয় যাদুঘর (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  5. 1 2 3 কোডোস্কি, রবার্ট জে (২০২০)। Tuskegee in Philadelphia: Rising to the Challenge (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য হিস্টোরি প্রেস। পৃ. ১২৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৬৭১-৪৪৬৭-৪
  6. "Only Negress With Rank of Major Visits Sacramento"দ্য স্যাক্রোমেন্টো বি। ১৩ জুলাই ১৯৪৬। পৃ. । সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০ নিউজপেপার.কম এর মাধ্যমে।
  7. 1 2 "Major Della H. Raney"আলাবামা ট্রিবিউন (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫১। পৃ. । সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০ নিউজপেপার.কম এর মাধ্যমে।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]