বিষয়বস্তুতে চলুন

ডেভিড লেভারিং লুইস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ডেভিড লেভারিং লুইস
জন্ম (1936-05-25) ২৫ মে ১৯৩৬ (বয়স ৯০)
লিটল রক, আরকানসাস, যুক্তরাষ্ট্র
মাতৃশিক্ষায়তনফিস্ক বিশ্ববিদ্যালয়
কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস
পুরস্কারপুলিৎজার পুরস্কার (১৯৯৪, ২০০১)
ন্যাশনাল হিউম্যানিটিজ মেডেল (২০০৯)
ব্যাঙ্ক্রফট পুরস্কার
ফ্রান্সিস পার্কম্যান পুরস্কার
বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন
কর্মক্ষেত্রইতিহাস
প্রতিষ্ঠানসমূহনিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়
ওয়েবসাইটNYU faculty page

ডেভিড লেভারিং লুইস (David Levering Lewis) (জন্ম ২৫ মে ১৯৩৬) একজন মার্কিন ইতিহাসবিদ। তিনি নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসের জুলিয়াস সিলভার ইউনিভার্সিটি অধ্যাপক এবং ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ইতিহাসের জন্য দু’বার পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেছেন—বিশিষ্ট আফ্রিকান-আমেরিকান বুদ্ধিজীবী ডাব্লিউ. ই. বি. ডু বোইস-এর উপর তার দ্বি-খণ্ডে রচিত জীবনীগ্রন্থের জন্য (১৯৯৪ ও ২০০১ সালে)। তিনি একই বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে লেখা দুই খণ্ডের জন্য পুলিৎজার বিজয়ী হওয়া প্রথম লেখক।

তিনি আটটি বইয়ের লেখক এবং দুটি বইয়ের সম্পাদক। তার গবেষণা ক্ষেত্র তুলনামূলক ইতিহাস, বিশেষ করে ২০শ শতকের মার্কিন সমাজ ও নাগরিক অধিকার আন্দোলন। এছাড়াও তিনি উনিশ শতকের আফ্রিকা, বিশ শতকের ফ্রান্স ও ইসলামিক স্পেন নিয়ে আগ্রহী।

প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা

[সম্পাদনা]

লুইস ১৯৩৬ সালে লিটল রক, আরকানসাস-এ এক মধ্যবিত্ত আফ্রিকান-আমেরিকান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জন হেনরি লুইস সিনিয়র ছিলেন ইয়েল ডিভিনিটি স্কুলের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান স্নাতক এবং সমাজবিজ্ঞানে এম.এ. করেছিলেন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তার মা অ্যালিস ইউ. বেল লুইস ছিলেন গাণিতিকের শিক্ষক।

তিনি কিশোর বয়সেই ফিস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং ১৯৫৬ সালে Phi Beta Kappa সম্মানে স্নাতক হন। এরপর তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে মাস্টার্স করেন (১৯৫৯) এবং পরে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসে পিএইচডি করেন (১৯৬২), যেখানে তার গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আধুনিক ইউরোপীয় ও ফরাসি ইতিহাস।

একাডেমিক ও পেশাগত জীবন

[সম্পাদনা]

১৯৬৩ সালে তিনি ঘানা বিশ্ববিদ্যালয়-এ মধ্যযুগীয় আফ্রিকান ইতিহাস পড়িয়েছেন। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মরগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়, নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়, হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। ১৯৮০ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান ডিয়েগো-তে ইতিহাস পড়িয়েছেন।

১৯৮৫ সালে তিনি রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং সেখানেই ডু বোইস-এর উপর লেখা তার দুই খণ্ড জীবনীগ্রন্থ রচনা করেন।

২০০৩ সালে তিনি নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন।

তিনি মার্কিন দার্শনিক সমাজ, আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস-এর সদস্য এবং ন্যাশনাল হিউম্যানিটিজ মেডেল-এ ভূষিত হন (২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-র কাছ থেকে)।

বিশিষ্ট গ্রন্থসমূহ

[সম্পাদনা]

সম্মাননা ও পুরস্কার

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]