ডেভিড ট্রিম্বল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
অধিকার সম্মানিত
দ্য লর্ড ট্রিম্বল
পিসি
Official portrait of Lord Trimble crop 2.jpg
১ম উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রথম মন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১ জুলাই ১৯৯৮ – ১৪ অক্টোবর ২০০২[a]
Serving with সিমাস মালন এবং মার্ক ডুরকান
সার্বভৌম শাসকদ্বিতীয় এলিজাবেথ
পূর্বসূরীঅফিস প্রতিষ্ঠিত
উত্তরসূরীইয়ান পেইসলি
আলস্টার ইউনিয়নবাদী দলের নেতা
কাজের মেয়াদ
৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ – ২৪ জুন ২০০৫
ডেপুটিজন টেইলর
রেগ এম্পে
পূর্বসূরীজেমস মলিনেয়াস্ক
উত্তরসূরীরেগ এম্পে
for উচ্চ ব্যানের
বিধানসভার সদস্য
কাজের মেয়াদ
২৫ জুন ১৯৯৮ – ৭ মার্চ ২০০৭
পূর্বসূরীঅফিস প্রতিষ্ঠিত
উত্তরসূরীজর্জ স্যাভেজ টেমপ্লেট:Collapsed infobox section begin
Member of the House of Lords
Lord Temporal
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
2 June 2006
Life Peerage
Member of Parliament
for Upper Bann
কাজের মেয়াদ
17 May 1990 – 5 May 2005
পূর্বসূরীHarold McCusker
উত্তরসূরীDavid Simpson টেমপ্লেট:Collapsed infobox section end
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মWilliam David Trimble
(1944-10-15) ১৫ অক্টোবর ১৯৪৪ (বয়স ৭৪)
Bangor, Northern Ireland, UK
জাতীয়তাBritish
রাজনৈতিক দলConservative Party
(2007–present)
অন্যান্য রাজনৈতিক দলUlster Unionist
(Before 1973; 1978–2005)
Ulster Vanguard
(1973–1978)
দাম্পত্য সঙ্গীHeather McComb (1968–1976)
Daphne Orr (1978–present)
সন্তান4
পিতামাতাWilliam Trimble
Ivy Trimble
বাসস্থানBanbridge, County Down
প্রাক্তন শিক্ষার্থীQueen's University, Belfast
পেশাPolitician
জীবিকাBarrister
Lecturer
ওয়েবসাইটOfficial Website
a. ^ Reg Empey served as Acting FM from 1 July 2001 to 6 November 2001 due to disputes between the SDLP and the UUP

উইলিয়াম ডেভিড ট্রিম্বল, ব্যারন ট্রিম্বল, পিসি (জন্ম ১৫ই অক্টোবর ১৯৪৪), হচ্ছেন একজন উত্তর আইরিশ রাজনীতিবিদ যিনি ছিলেন ১৯৯৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত উত্তর আয়ারল্যান্ডের ১ম "প্রথম মন্ত্রী" এবং ১৯৯৫ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আলস্টার ইউনিয়নবাদী পার্টির (ইউইউপি) নেতা ছিলেন।[২][৩] তিনি ১৯৯০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত উচ্চ ব্যানের সংসদ সদস্য এবং ১৯৯৮ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত উচ্চ ব্যানের বিধানসভার সদস্য (এমএলএ) ছিলেন। ২০০৬ সালে, তিনি হাউস অফ লর্ডসে লাইফ পিয়ার হন এবং এক বছর পরে আলস্টার ইউনিয়নবাদী পার্টি ছেড়ে কনজারভেটিভ পার্টিতে যোগ দেন।

১৯৭০-এর দশকে কুইন্স ইউনিভার্সিটি অফ বেলফাস্টের আইন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়, সেই সময় তিনি আধা-সামরিক-সংযোগের ভ্যানগার্ড প্রগ্রেসিভ ইউনিয়নিস্ট পার্টির সাথে জড়িত হতে শুরু করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ড সাংবিধানিক কনভেনশন থেকে নির্বাচিত হন এবং ভ্যানগার্ড প্রগ্রেসিভ ইউনিয়নিস্ট পার্টি ভেঙ্গে যাওয়ার পর ১৯৭৮ সালে আলস্টার ইউনিয়নবাদী পার্টিতে যোগ দেন।[৩] ১৯৯০ সালে উচ্চ ব্যানের এমপি নির্বাচিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি কুইন্স ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা চালিয়ে যান। ১৯৯৫ সালে তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে ইউইউপি-এর নেতা নির্বাচিত হন।[৩] তিনি ১৯৯৮ সালের গুড ফ্রাইডে চুক্তির আলোচনায় সহায়ক ছিলেন, যে বছর তার প্রচেষ্টার জন্য তিনি জন হিউমের সঙ্গে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার জিতেন। পরে তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডের ১ম প্রথম মন্ত্রী হয়েছিলেন, অস্থায়ী আইরিশ রিপাবলিকান আর্মিকে ডিকমিশন করার জন্য তার মেয়াদ দাঙ্গা-হাঙ্গামা পূর্ণ ছিল এবং ঘন ঘন বিরতিতে সময়সীমাজুড়ে মতবিরোধ ছিল।

২০০৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর, শীঘ্রই ট্রিম্বল ইউইউপির নেতৃত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। জুন ২০০৬ সালে, তিনি হাউস অফ লর্ডসে লাইপ পিয়ার গ্রহণ করেন, ব্যারন ট্রিম্বল, অব লিসনাগার্ভে ইন দ্য কাউন্টি অব এন্ট্রিম খেতাব অর্জন করেন।[৪] তিনি আর সংসদ সদস্য পদে দাড়াননি, যা অবশেষে ২০০৭ সালে পুনর্নির্মিত হয়েছিল, পরিবর্তে ইউইউপি থেকে কনজারভেটিভ পার্টিতে যোগ দেন।[৫]

প্রারম্ভের জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

ট্রিম্বল উইলিয়াম এবং আইভি ট্রিমবলের ছেলে, নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রিসবিটারিয়ান যারা বানগর, কাউন্টি ডাউনে বসবাস করতেন।[৬][৭] তিনি বানগর গ্রামার স্কুলে (১৯৫৬–৬৩) ভর্তি হন।[৮] ট্রাম্বলের পিতামহ জর্জ কাউন্টি লংফোর্ডের অধিবাসী ছিলেন।

তিনি কুইন্স ইউনিভার্সিটি অফ বেলফাস্ট (কিউইউবি) থেকে ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন, সেখানে তাকে আইনশাস্ত্রের জন্য ম্যাককেনে পদক প্রদান করা হয়।[৮] তিনি প্রথম বর্ষের সম্মানসূচক ডিগ্রি অর্জন করেন (কুইন্স ইউনিভার্সিটির তিন বছরে প্রথম), স্নাতকোত্তর আইন (এলএল.বি) ডিগ্রি লাভ করেন।[৯][১০]

প্রারম্ভের কর্মজীবন[সম্পাদনা]

শিক্ষা জীবন[সম্পাদনা]

ট্রিম্বল ১৯৬৯ সালে ব্যারিস্টার হিসাবে উর্ত্তীণ হন। প্রথম বছর তিনি কুইন্স ইউনিভার্সিটি অফ বেলফাস্টের লেকচারার হিসেবে, ১৯৭৩ -৭৫ সাল পর্যন্ত আইন অনুষদের সহকারী ডিন, ১৯৭৭ সালে সিনিয়র লেকচারার এবং ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত বাণিজ্যিক ও সম্পত্তির আইন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৮][১১][১২][১৩] ১৯৯০ সালে তিনি সংসদে নির্বাচিত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদত্যাগ করেন।[৮]

১৯৮৩ সালে, যখন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসে বসেছিলেন, তিনি বন্দুকের আওয়াজ শোনেন পরে দেখা যায় বন্দুকধারীরা তার একজন বন্ধু ও সহকারী আইন অধ্যাপক এডগার গ্রাহামকে গুলি করেছে। [১৩] তাকে দেহটি শনাক্ত করতে বলা হয়েছিল।[১৩] ১৯৯৪ সালে তাকে রয়েল আলস্টার কনস্ট্যাবলারি বলেছিলেন যে তাকে হত্যার জন্য লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।[১৩]

রাজনৈতিক কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে ট্রিম্বল ডানপন্থী, আধা-সামরিক সংযোগের ভ্যানগার্ড প্রগ্রেসিভ ইউনিয়নিস্ট পার্টির (ভ্যানগার্ড নামে পরিচিত) সাথে জড়িত হয়। ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বরে উত্তর কাউন্টি ডাউনের বিধানসভার নির্বাচনে তিনি আসন্ন দলের পক্ষে ব্যর্থ হন।[১৪] ১৯৭৪ সালে, তিনি সানিনডেল চুক্তির বিরুদ্ধে সফল ইউডব্লিউসি হরতালের সময় আলস্টার শ্রমিকদের কাউন্সিলের আইনি উপদেষ্টা ছিলেন।[১৫]

তিনি ১৯৭৫ সালে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাংবিধানিক কনভেনশনে নির্বাচিত হন এবং বেলফাস্ট দক্ষিণের জন্য একটি ভ্যানগার্ড সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন এবং এক সময় তিনি দলের যুগ্ম ডেপুটি নেতা হিসেবে কাজ করেন, উলস্টার ডিফেন্স এসোসিয়েশনের গ্লেন বারের সাথে।[১৬] আইরিশ জাতীয়তাবাদীদের সাথে ভাগাভাগি ক্ষমতার বিরোধিতা করার জন্য এবং আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক প্রতিরোধের জন্য দলটি বিল ক্রেইগ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ; তবে ট্রিম্বল ছিলেন কয়েকজনের মধ্যে অন্যতম যারা ক্রেইগতে ফিরিয়ে আনে যখন এসডিএলপির সাথে স্বেচ্ছাসেবী শক্তি ভাগ করার অনুমতি দিয়ে ক্রেইগের প্রস্তাবে দলটি বিভক্ত হয়ে যায়।

তিনি ১৯৭৮ সালে ভ্যানগার্ড বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর মূলধারার আলস্টার ইউনিয়নিস্ট পার্টিতে (ইউউ) যোগদান করেন এবং দলের চারজন সচিবের একজন নির্বাচিত হন।[১০][১৬] তিনি ১৯৮৩-৮৫ সাল পর্যন্ত লাগান ভ্যালি ইউনিয়নিস্ট পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৮৫ সালে চেয়ারম্যান হন।[১১] ১৯৮৯-১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি ইউইউপির আইনি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে এবং ১৯৯০-৯৬ সালে উলস্টার ইউনিয়নিস্ট কাউন্সিলের সম্মানিত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১১]

১৯৯০ সালে উচ্চ ব্যানের নির্বাচনে ৫৮% ভোট পেয়ে সংসদে নির্বাচিত হন।[১৬][১৭][১৮] তিনি কয়েকজন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদদের মধ্যে একজন ছিলেন যিনি ১৯৯০-এর দশকে গৃহযুদ্ধের সময় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ইসলামিক সরকারের জন্য সমর্থন প্রদানের আহ্বান জানান।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

আলস্টার ইউনিয়নিস্ট দলের নেতা[সম্পাদনা]

৮ই সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ সালে, ট্রিম্বল অপ্রত্যাশিতভাবে ইউইউপির নেতা হিসাবে বিজয়ী হন, ফ্রন্ট রানার জন টেলর এবং অন্যান্য তিনজন প্রার্থীকে পরাজিত করেন।[১২][১৯]

A mural in Northern Ireland supporting the Portadown Orangemen

ড্রামক্রি সংঘাতে তার ভূমিকা নেওয়ার পরে নেতা হিসাবে ট্রিম্বলের নির্বাচন আসে, যার মধ্যে তিনি ন্যাশনালিষ্টদের প্রতিবাদে একটি বিতর্কিত ১৯৯৫ অরেঞ্জ অর্ডার প্রোটেস্ট্যান্ট মার্চ পরিচালনা করেন।[৬][১২] ট্রিম্বল এবং ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টির নেতা ইয়ান পাইসলে হাতে-হাত রেখে মার্চ হিসাবে হাটেন, ১৯৯৭ থেকে নিষিদ্ধ করেন, এবং এতে পথ প্রসারিত হয়।[২০] অনেক আইরিশ ক্যাথলিকরা এটিকে অসংবেদী হিসাবে দেখেছিল, যদিও অনেক প্রোটেস্ট্যান্ট মনে করেছিল যে এটি একটি প্রতীক ছিল যে ট্রাম্বল তাদের রক্ষা করছে।[১২]

নির্বাচনের অল্পসময় পরে, ডাবলিনের তাওইসেচের (প্রধানমন্ত্রী এবং আয়ারল্যান্ড সরকারের প্রধান) সাথে দেখা করা ৩০ বছরে (টেরেন্স ও'নেইল থেকে) প্রথম ইউইউপি নেতা হন ট্রিম্বল (টেরেন্স ও'নিয়েল থেকে)।[১২] ১৯৯৭ সালে, শিন ফেইনের সঙ্গে আলোচনার জন্য সম্মত হওয়া প্রথম ইউনিয়নিস্ট নেতা হয়েছিলেন তিনি ১৯২২ সালে আয়ারল্যান্ডের বিভাজনের পর থেকে ।[২১]

পরে, সব পার্টির আলোচনায় তিনি ইউইউপি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এবং সিনে ফেনের সাথে টেবিলে বসেছিলেন, যদিও আলোচনার আট মাসের মধ্যে তিনি সরাসরি তাদের নেতা জেরি এডামসের সাথে কথা বলেননি।[৬][১১] এই আলোচনাগুলি সফল হয়েছিল, ১০ই এপ্রিল ১৯৯৮ সালের বেলফাস্ট চুক্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত পরিণতি পায় , যার ফলে ন্যাশনালিষ্টদের সাথে ক্ষমতার ভাগাভাগি ঘটে।[১০][১১] ২২ মে ১৯৯৮ সালে, উত্তর আয়ারল্যান্ডের ভোটাররা চুক্তির পক্ষে ৭১% ভোটের মাধ্যমে চুক্তিটির অনুমোদন দেয়।[১১]

১৯৯৮ সালের নতুন বর্ষ সম্মানে ট্রিম্বলকে যুক্তরাজ্যের প্রিভি কাউন্সিলে নিযুক্ত করা হয়।[২২][২৩]

উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রথম মন্ত্রী[সম্পাদনা]

প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সেনেটর জর্জ মিচেলকে বহু-পক্ষের আলোচনার চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগের বিরোধিতা করেন, তবে অবশেষে তাঁকে গ্রহণ করেন। আলোচনাটি ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে গুড ফ্রাইডে চুক্তি (জিএফএ) তে রূপ নেয়।[২৪] ট্রিম্বলকে পরবর্তীকালে তার পার্টিকে চুক্তিটি গ্রহণ করানোর জন্য সহায়ক হিসেবে দেখা যায়।[২৫]

২৫ জুন ১৯৯৮ সালে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সংসদের উচ্চ ব্যানের সদস্য হিসাবে ট্রিম্বল নির্বাচিত হন।[১১] তিনি ১ জুলাই ১৯৯৮ সালে উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রথম মন্ত্রী নির্বাচিত হন।[১১]

১৯৯৮ সালের অক্টোবরে, উত্তর আয়ারল্যান্ডের সংঘর্ষের শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে পেতে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ট্রিম্বল এবং জন হিউম নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।[২৬] নোবেল ইনস্টিটিউট উল্লেখ করেছে:

উত্তর আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্যগতভাবে প্রধান পার্টির নেতা হিসাবে, এই প্রক্রিয়ার সমালোচনামূলক পর্যায়ে ডেভিড ট্রিম্বল দুর্দান্ত রাজনৈতিক সাহস দেখিয়েছিলেন, তিনি সমাধানগুলিকে সমর্থন করেছিলেন যা [বেলফাস্ট (গুড ফ্রাইডে)] শান্তি চুক্তির দিকে পরিচালিত করেছিল।[২৬]

অস্থায়ী আইরিশ রিপাবলিকান সেনা ডিকমিশনের বির্তকগুলি প্রথম মন্ত্রী হিসেবে ট্রিম্বলের মেয়াদে পুনরাবৃত্তি ঘটে। বিশেষত:

  • ১১ই ফেব্রুয়ারী ২০০০ থেকে ৩০ই মে ২০০০ সাল পর্যন্ত প্রথম মন্ত্রীর কার্যালয় বরখাস্ত করা হয়
  • আইআরএর প্রত্যাহারের দাবি থেকে উদ্ভূত ক্রমাগত আগ্রাসনের কারণে যা এটির অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষমতাকে নির্মূল করে, এর ফলস্বরুপ ট্রিম্বল ১জুলাই ২০০১ সালে প্রথম মন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করেন, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সব পক্ষ ১৯৯৮ সালের গুড ফ্রাইডে চুক্তির সেকশন ৭ এর ৩ নং ধারায় (২৫ নং পৃষ্ঠা) স্বাক্ষর করেছে,[২৭][২৮] কিন্তু ২০০১ সালের ৫ই নভেম্বর তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন
  • ১৪ ই অক্টোবর ২০০২ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত আইআরএ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযুক্ত হওয়ার অভিযোগে সংসদ স্থগিত করা হয় (তথাকথিত স্টরমন্টগেট অ্যাফেয়ার)

১৯৯৮ সালে, টনি ব্লেয়ার ১৯৭২ সালে ডেরিতে ১৪জন মার্চ আন্দোলনকারীকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় ব্লাডি সানডে ইনকোয়ারি একটি নতুন বিচারিক তদন্তের ঘোষণা দেন। পূর্ববর্তী তদন্ত, উইডগেট ট্রাইব্যুনালে, একই ঘটনাকে নিন্দিত করা হয়েছে। হাউস অফ কমন্সে বিতর্ক চলাকালীন, ট্রিম্বল কয়েকজন ভিন্নমত পোষণকারীর মধ্যে একজন ছিলেন। তিনি বললেন "I am sorry to have to say to the Prime Minister that I think that the hope expressed by the Honourable Member for Foyle [John Hume] that this will be part of the healing process is likely to be misplaced. Opening old wounds like this is likely to do more harm than good. The basic facts of the situation are known and not open to dispute."[২৯] ২০১০ সালে রিপোর্ট করা হয়েছে, স্যাভিল ইনকুইয়ারি নিশ্চিত করেছে যে ১৪ টি হত্যাকান্ড এবং ১৩ টি আহতের ঘটনা সবই কারনহীন ছিল।[৩০]

আভিজাত্য[সম্পাদনা]

২০০৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে, ওয়েস্টমিনস্টারের সংসদে পুনরায় নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টির ডেভিড সিম্পসনের কাছে উচ্চ ব্যানের নির্বাচনে ট্রিম্বল পরাজিত হয়। ২০০৫ সালের সাধারণ নির্বাচনের পরে আলস্টার ইউনিয়নিস্ট পার্টি সংসদে মাত্র একটি আসন (উত্তরাঞ্চলীয় আয়ারল্যান্ডের ১৮ টি মধ্যে) ধরে রেখেছিল, এবং ট্রিম্বল ৭ই মে ২০০৫ সালে পার্টির নেতৃত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।

১১ই এপ্রিল ২০০৬ সালে, ঘোষণা করা হয়েছিল যে ট্রিম্বল হাউস অফ লর্ডসে একজন "লাইফ পিয়ার" হিসাবে আসন নেবেন, আভিজাত্যের একজন নিযুক্ত সদস্য হিসাবে যার শিরোনাম উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হতে পারে না।[৩১] On 21 May 2006 it was announced that he had chosen the geographical designation Lisnagarvey, the original name for his adopted home town of Lisburn. Subsequently, on 2 June 2006, he was created Baron Trimble, of Lisnagarvey in the County of Antrim.[৩২]

১৮ই ডিসেম্বর ২০০৬-এ, তিনি ঘোষণা করেন যে পরবর্তী নির্বাচনে তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডের আসন থেকে সরে দাঁড়াবেন।[৩৩]

ইউনিভার্সিটি ফিলোসফিকাল সোসাইটি, ট্রিনিটি কলেজ, ডাবলিন এ ট্রাম্বলকে সম্মানসূচক পৃষ্ঠপোষক নামকরণ করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

১৭ই এপ্রিল ২০০৭-এ, ট্রিম্বল ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে বৃহত্তর প্রভাব বিস্তার করার জন্য কনজারভেটিভ পার্টিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।[৫] একই সময়ে, তিনি বলেন যে তিনি উলস্টার ইউনিয়নিস্ট দলের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে চান নাহ এবং কনজারভেটিভস এবং আলস্টার ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে ভবিষ্যতের জোটের ধারণাটির প্রস্তাব করেছিলেন, যা ১৯৭৪ সালের আগে বিদ্যমান ছিল এবং এর ফলাফল ছিল সানিংডেল চুক্তি। ২০০৮ সালের শেষের দিকে আলস্টার কনজারভেটিভস এন্ড ইউনিয়নিস্ট - নিউ ফোর্স গঠনের মাধ্যমে এই ধারণাটি বাস্তব হয়ে উঠেছে। ২০১০ সালের সাধারণ নির্বাচনে কনজারভেটিভসরা যদি জয়ী হয়, তাহলে ট্রিম্বল সম্ভবত "মন্ত্রিসভায়" গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।[৩৪] তবে, কনজারভেটিভ-লিবারেল ডেমোক্রেট জোট সরকার গঠনের পর ট্রিম্বলকে সরকারি বা সামনের বেঞ্চের অবস্থান দেওয়া হয়নি।

২০১০ সালের মে মাসে, ট্রিম্বল "ফ্রেন্ডস অফ ইজরায়েল ইনিশিয়েটিভ"-এ যোগদান করেছিলেন, এটি একটি অ-ইহুদি আন্তর্জাতিক প্রকল্প যা ইসরাইলের অধিকারকে সমর্থন করে। স্পেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জোসে মারিয়া আজনার এর উদ্যোগে জাতিসংঘের সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জন আর. বোল্টন, ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ অ্যান্ড্রু রবার্টস, এবং সাবেক পেরুর প্রেসিডেন্ট আলেজান্ড্রো টোলেডো কর্তৃক এটি গঠিত হয়েছিল।[৩৫] ২৯ জানুয়ারী ২০১৩-এ, ট্রিম্বল ও আজনার "দ্য টাইমস" এ লেখা একটি নিবন্ধে হিজবুল্লাহর নিন্দা জানিয়ে এবং এটিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে তালিকাভুক্ত করার জন্য ইউরোপীয় সরকারগুলিকে আহ্বান জানিয়ে একটি নিবন্ধ লিখেন।[৩৬]

২০১৬ সালে ট্রিম্বল যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন সদস্যপদ গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের পক্ষের সমর্থক ছিলেন। তিনি বলেন যে যদি এই বিষয়ে তার কোন সন্দেহ থাকে, "হাউস অফ লর্ডসে ইইউ নির্বাচন কমিটিতে তার আট বছর – যা ইইউর কার্যক্রম তদারকি করে – ব্রাসেলসের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার প্রয়োজন তাকে প্রনোদিত করেছে"। তিনি একটি গবেষণা উদ্ধৃত করেছেন যেখানে পাওয়া গিয়েছে যে সাধারণ বাজারে প্রবেশের সিদ্ধান্তের পর যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেয়েছে, আরো ককমেছে যযখন যুক্তরাজ্য একক বাজারে গিয়েছে।[৩৭]

টার্কেল তদন্ত কমিশন[সম্পাদনা]

Routes of Gaza-bound flotilla (green) and Israeli Navy (orange)

১৪ জুন, ২০১০-এ ট্রিম্বল গাজার ফ্লোটিল্লায় হামলার তদন্তে ইজরায়েলি বিশেষ স্বাধীন পাবলিক টার্কেল কমিশনের পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হন।[৩৮][৩৯]

গাজায় জাহাজ আগমন প্রতিরোধে ইসরায়েলের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ছিল কিনা তা তদন্ত কমিশন তদন্ত করেছিল।[৩৯] এটি গাজা স্ট্রিপে নৌবাহিনীর অবরোধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের বিধিগুলির সাথে নৌ অবরোধের সাদৃশ্যের জন্য নিরাপত্তা বিবেচনায় অন্যান্য বিষয়গুলির মধ্যে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে; আন্তর্জাতিক আইনের নীতিমালায় অভিযানের সময় কর্মসূচীর সাদৃশ্য; এবং ফ্লোটিলা হামলায় যারা সংগঠিত এবং অংশগ্রহণ করেছিল তাদের দ্বারা গৃহীত কর্ম, এবং তাদের সনাক্তকরণ করে।[৩৯]

কমিশনে সাবেক ইসরায়েলি সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি, জ্যাকব টার্কেল, এবং সাবেক টেকনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, আমোস হোরেভ এবং জুলাই ২০১০-এ আরও দুজন সদস্য যোগ হয়। (বার আইলান বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইন বিভাগের অধ্যাপক শাবতাই রোসেনে ২১ সেপ্টেম্বর ২০১০-এ তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কমিশনে দায়িত্ব পালন করেন।[৪০]) এছাড়াও, কমিশনে দুজন বিদেশী পর্যবেক্ষক ছিল, ট্রিম্বল এবং কানাডিয়ান সামরিক বিচার বিভাগের সাবেক প্রধান, বিচারক অ্যাডভোকেট জেনারেল কেন ওয়াটকিন, যিনি শুনানিতে এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোট দেননি।[৪১][৪২] ২০১১ সালের জানুয়ারিতে প্যানেলটি ইসরাইলের গাজায় নৌবাহিনীর অবরোধ এবং ফ্লোটিলায় হস্তক্ষেপ উভয়ই "আন্তর্জাতিক আইনের বিধি অনুসারে" বলে পরিগণিত হয়।[৪৩]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

১৯৬৮ সালের আগস্ট মাসে হেথার ম্যাককম্বের সাথে ট্রিম্বলের প্রথম বিবাহ, ১৯৭৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদের মাধ্যমে শেষ হয়। তার প্রথম বিবাহ থেকে কোন সন্তান ছিল না। ১৯৭৮ সালের আগস্টে ট্রিম্বল তার প্রাক্তন ছাত্রী ডাফনে এলিজাবেথ (নীর অর্র ) কে বিয়ে করেছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] তাদের দুই ছেলে এবং দুই কন্যা (রিচার্ড, ভিক্টোরিয়া, নিকোলাস এবং সারা) আছে।[৭] ইউকেইউএনফের হয়ে ২০১০ সালের ইউকে সংসদীয় নির্বাচনে ব্যর্থতার আগে লেডি ট্রিম্বল উত্তর আয়ারল্যান্ডের সমতা কমিশনের সদস্য হিসেবে এবং পরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের মানবাধিকার কমিশনের সদস্য হিসাবে কাজ করেছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

তার ছেলে নিকোলাস আলস্টার ইউনিয়নিস্ট পার্টিতে সক্রিয় রয়েছ।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ২০১৬ সালে নিকোলাস ট্রিম্বলকে লিসবার্ন এবং কাসলরেঘ সিটি কাউন্সিলের পশ্চিম ডাউনশায়ারের প্রতিনিধিত্বকারী কাউন্সিলর হিসেবে আলেকজান্ডার রেডপাথের স্থলে প্রতিস্থাপন করার জন্য মনোনীত করা হয়েছিল।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

নির্বাচিত কাজ[সম্পাদনা]

বই[সম্পাদনা]

নিবন্ধ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Elvis Presley"Great Lives। ১৪ আগস্ট ২০০৭। BBC Radio 4। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০১৪ 
  2. "The Stormont debacle: Opinions divided on d'Hondt drama; From Portrush to Portaferry and Larne to Strabane the people of Ulster were split over the shambles at Stormont. Stephen Dunwoody assesses the mood on the streets"News Letter। Johnston Publishing। ১৬ জুলাই ১৯৯৯। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১০ – Questia Online Library-এর মাধ্যমে। 
  3. "David Trimble (British politician)"Encyclopædia Britannica। ১৫ অক্টোবর ১৯৪৪। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১০ 
  4. "নং. 58004"দ্যা লন্ডন গেজেট (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জুন ২০০৬। 
  5. "Statement by the Rt. Hon. The Lord Trimble, Tuesday, 17 April 2007"Official website (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। David Trimble। ১৭ এপ্রিল ২০০৭। ৩ জুলাই ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০০৭Consequently I have decided to join the Conservatives. 
  6. The Nobel Peace Prize and the ...। Google Books। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১০ 
  7. Newsmakers। Google Books। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১০ 
  8. "The Rt. Hon. Lord David Trimble"। TMC Entertainment। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১০ 
  9. Dod's parliamentary companion। Google Books। ১৬ অক্টোবর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১০ 
  10. "Obiter Dicta" (PDF)। Warwick Law Society। Spring ২০০৪। ৮ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১০ 
  11. "David Trimble – Biography"NobelPrize.org। Nobel Prize Organisation। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১০ 
  12. "Irish leader in U.S. for talks"The Day। ২ নভেম্বর ১৯৯৫ – Google News-এর মাধ্যমে। 
  13. "New Unionist leader represents new style but old philosophy"Daytona Beach Sunday News। ২ অক্টোবর ১৯৯৫ – Google News-এর মাধ্যমে। 
  14. North Down 1973–1982, Northern Ireland Elections (ARK - Access Research Knowledge)
  15. The Routledge Dictionary of Modern British History। Google Books। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১০ 
  16. The Nobel Peace Prize and the ...। Google Books। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১০ 
  17. "Tories trounced in N. Ireland"Tuscaloosa News। Google News। 
  18. "নং. 52150"দ্যা লন্ডন গেজেট (ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ মে ১৯৯০। 
  19. "Ulster Protestant Party Names a Hard-Liner"The New York Times। ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১০ 
  20. Drumcree Parade 1995 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩ জুন ২০১৬ তারিখে BBC News
  21. James F Clarity (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭)। "Key Ulster Protestant agrees to join talks with Sinn Fein"Tuscaloosa News – Google News Archive-এর মাধ্যমে। 
  22. "নং. 54993"দ্যা লন্ডন গেজেট (সম্পূরক) (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ ডিসেম্বর ১৯৯৭। 
  23. "Life Peers to Order of the Companion of Honour"BBC News। ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৭। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১০ 
  24. "Mitchell takes seat in Ulster - and hardliners walk out"Deseret News। Associated Press। ১২ জুন ১৯৯৬ – Google News Archive-এর মাধ্যমে। 
  25. "Key players"The Telegraph। ২৫ অক্টোবর ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১০ 
  26. "Nobel Peace Prize 1998, John Hume and David Trimble"। Boes.org। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১০ 
  27. "The Agreement" (PDF)। Northern Ireland Office। ৩ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০১১ 
  28. "The long and arduous road to paramilitary decommissioning"Belfast Telegraph। Independent News and Media। ১৯ জুন ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১০ 
  29. Department of the Official Report (Hansard), House of Commons, Westminster (২৯ জানুয়ারি ১৯৯৮)। "Hansard Record of Commons Debate launching the Saville Inquiry"Hansard। UK Parliament। ৭ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০১০ 
  30. "Bloody Sunday 'unjustified and unjustifiable'"The Independent। ESI Media। Press Association। ১৫ জুন ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  31. "New working life peers unveiled"BBC News। ১১ এপ্রিল ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০০৭ 
  32. "নং. 58004"দ্যা লন্ডন গেজেট (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জুন ২০০৬। 
  33. "Trimble set to quit assembly seat"BBC News। ১৮ ডিসেম্বর ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০০৭ 
  34. "Lord Trimble lined up as minister in Cameron government"The Telegraph। ২৪ জুলাই ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০০৮ 
  35. "Aznar, Trimble to launch new pro-Israel project. 'Friends of Israel'"The Jerusalem Post। ৩১ মে ২০১০। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০১০ 
  36. David Trimble; Jose Maria Aznar (২৯ জানুয়ারি ২০১৩)। "Don't Mince Words. Hezbollah are terrorists"The Times। Times Newspapers। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৩ (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)
  37. Sam McBride (২৬ মার্চ ২০১৬)। "EU isn't working on economic grounds: Trimble"The Newsletter। Johnston Publishing। 
  38. Zrahiya, Zvi (১৭ জুন ২০১০)। "Israeli members of flotilla inquiry panel meet for first time"Haaretz। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১০ 
  39. "Cabinet asked to approve independent public commission"। Israel Ministry of Foreign Affairs। ১৩ জুন ২০১০। ২২ জুন ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১০ 
  40. Ravid, Barak; Oren, Amir (২২ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "Turkel Committee Member Shabtai Rosenne Dies at 93"Haaretz। Haaretz Daily Newspaper। 
  41. "Gaza flotilla inquiry panel members"BBC News। ১৪ জুন ২০১০। 
  42. "Who's Who on Israel's Committee on the Gaza Flotilla Raid"Haaretz। Haaretz Daily Newspaper। ১৪ জুন ২০১০। 
  43. Weiss, Mark (২৪ জানুয়ারি ২০১১)। "Israeli inquiry clears soldiers over Gaza flotilla raid"The Irish Times