ডেনড্রিটিক কোষ
| ডেনড্রিটিক কোষ | |
|---|---|
ত্বকে ডেনড্রিটিক কোষ | |
একটি মানব ডেনড্রিটিক কোষের উপরিতলের শৈল্পিক চিত্রায়ণ যেখানে চাদরের মতো প্রবর্ধগুলো ভাঁজ হয়ে ঝিল্লি পৃষ্ঠে ফেরত এসেছে। কিছু গবেষক বিশ্বাস করেন যে, এই চাদরের মতো আবরণগুলো এইচআইভির সংস্পর্শে আসলে আশেপাশের ভাইরাসগুলোকে বন্দি করে ফেলে এবং তাদেরকে সংক্রমণের জন্য লক্ষ্যীকৃত টি কোষের সাথে সংযোগ অঞ্চলে মিলিত করে। এই গবেষণাগুলো আয়ন আব্রেজন স্ক্যানিং ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপির মাধ্যমে করা হয়েছে। | |
| বিস্তারিত | |
| পূর্বভ্রূণ | অস্থিমজ্জা উদ্ভূত সিডি৩৪+ রক্তোৎপাদী মাতৃকোষ |
| তন্ত্র | অনাক্রম্যতন্ত্র |
| শনাক্তকারী | |
| লাতিন | কেলুলা দেনদ্রিতিফরমিস (cellula dendritiformis) |
| মে-এসএইচ | D003713 |
| টিএইচ | H1.00.01.0.00038 |
| এফএমএ | FMA:83036 |
| শারীরস্থান পরিভাষা | |
ডেনড্রিটিক কোষ (ইংরেজি: Dendritic cell) হলো স্তন্যপায়ীদের রোগপ্রতিরোধব্যবস্থার একটি অ্যান্টিজেন-উপস্থাপনকারী কোষ, সংক্ষেপে ডিসি নামে পরিচিত। ডিসি’র প্রধান কাজ হলো অ্যান্টিজেন বস্তু প্রক্রিয়াকরণ করে অনাক্রম্যতন্ত্রের টি লিম্ফোসাইটের কোষীয় পৃষ্ঠে উপস্থাপন করা। তারা সহজাত ও অভিযোজনমূলক অনাক্রম্যতন্ত্রের মধ্যে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করা।[১] বাহ্যিক পরিবেশের সাথে সম্পর্ক আছে এমন টিসুতেও ডেনড্রিটিক কোষ পাওয়া যায়, যেমন ত্বক (যেখানে বিশেষ ধরনের ডেনড্রিটিক কোষ পাওয়া যায় যা ল্যাঙ্গারহ্যান্স কোষ নামে পরিচিত।) এবং নাক, ফুসফুস, পাকস্থলী ও পরিপাক নালি|অন্ত্রের]] অভ্যন্তরীণ আবরণ। রক্তে পরিপক্ব ও অপরিপক্ব উভয় অবস্থাতেই পাওয়া যায়। সক্রিয় হওয়ার পর, এরা লিম্ফনোডে চলে যায়, যেখানে টি কোষ ও বি কোষ-এর সাথে মিথস্ক্রিয়া করার মাধ্যমে অভিযোজনমূলক অনাক্রম্য ক্রিয়া শুরু করে। বিকাশের এক পর্যায়ে এরা দীর্ঘ, সরু শাখাযুক্ত অভিক্ষেপ তৈরি করে যা বাহ্যিক বস্তুর সাথে সংযোগ তৈরিতে এদেরকে আরও কার্যকর করে তুলে, এটি ডেনড্রাইট নামে পরিচিত, এজন্যই এই কোষের নাম ডেনড্রিটিক কোষ (গ্রিক ভাষা থেকে আগত δένδρον বা দেনদ্রোন শব্দের অর্থ ‘বৃক্ষ’ বা ‘দ্রোণ’)। নিউরনের ডেনড্রাইটের মতো দেখতে হলেও গাঠনিক দিক থেকে এরা ভিন্ন।[২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রথমবারের মতো ডেনড্রিটিক কোষের বর্ণনা দেন জার্মান বিজ্ঞানী পাউল লাঙ্গারহান্স। ১৯৭৩ সালে ডেনড্রিটিক কোষ নামটি উদ্ভাবন করেছিলেন রাল্ফ এম. স্টেইনম্যান ও জানভিল এ. কোন।[৩] অর্জিত প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় ডেনড্রিটিক কোষের কেন্দ্রীয় ভূমিকা আবিষ্কারের জন্য,[৪] স্টেইনম্যানকে ২০০৭ সালে মৌলিক চিকিৎসা গবেষণার জন্য অ্যালবার্ট লাস্কার পুরস্কার[৫] এবং ২০১১ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।[৬]
ধরন
[সম্পাদনা]ডেনড্রিটিক কোষের অক্টোপাস-সদৃশ লতাপ্রতান এবং লিম্ফোসাইটের সাথে মিথস্ক্রিয়া করার জন্য বড়ো পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল রয়েছে। সাধারণত তিন ধরনের ডেনড্রিটিক কোষ বিদ্যমান, যথা ফলিকুলার, মাইলয়েড (মজ্জাকল্প)ও প্লাজমাসাইটয়েড (প্লাজমাকোষবৎ)।[৭] ডেনড্রিটিক কোষ প্রাথমিকভাবে প্রতিবন্ধক টিসুগুলোতে অবস্থান করে, এর মধ্যে রয়েছে ত্বক এবং পরিপাক নালি, শ্বাসনালি ও জনন-মূত্র নালির শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি। কিছু ডেনড্রিটিক কোষ মনোসাইট থেকেও উদ্ভূত হয় যেগুলোকে প্রদাহী সংকেতের মাধ্যমে সংক্রমিত টিসুতে নিয়ে আনা হয়।[৭]
ফলিকুলার ডেনড্রিটিক কোষগুলো লিম্ফনোড ও প্লীহার বি-কোষ অঞ্চলে অবস্থান করে, এরা রক্তোৎপাদী কোষ থেকে উৎপন্ন হয় না এবং অ্যান্টিজেন প্রক্রিয়াকরণ করে না কিন্তু লতাপ্রতান (ডেনড্রাইট) এবং একটি “আঠালো” পৃষ্ঠতল রয়েছে যার মাধ্যমে অ্যান্টিজেন ধরে বি-কোষের নিকট প্রদর্শন করতে পারে।[৭]
প্লাজমাসাইটয়েড ডেনড্রিটিক কোষ বা পিডিসি দেখতে অক্টোপাস বা তারামাছের মতো নয় বরং প্লাজমাকোষের মতো গোলাকার। এরা রক্তে থাকে এবং ভাইরাস ও অন্যান্য সংক্রমণে সাড়া প্রদানের জন্য প্রচুর পরিমাণ ইন্টারফেরন আলফা ও সাইটোকাইন উৎপন্ন করে, এরা টি কোষের নিকট অ্যান্টিজেন উপস্থাপনও করতে পারে। মানব পিডিসি টিএলআর৭ ও টিএলআর৯ ব্যবহার করে যথাক্রমে ভাইরাল আরএনএ ও ডিএনএ শনাক্ত করে, যখন এই প্যাটার্ন রিকগনিশন রিসেপ্টরগুলোর যে-কোনোটি নিযুক্ত হয়ে যায়, তখন পিডিসিগুলো তাদের ইন্টারফেরন তৈরি করার সক্ষমতার অর্ধেকের বেশি এই কাজে নিয়োজিত করে।[৮] এর ফলে, একটি প্লাজমাসাইটয়েড ডেনড্রিটিক কোষ অন্য যে-কোনো ধরনের কোষের তুলনায় ১০০০ গুণ বেশি ইন্টারফেরন ধরন ১ উৎপন্ন করতে পারে! এ-সকল “ইন্টারফেরন কারখানা” ভাইরাসের বিরুদ্ধে সহজাত প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, বিশেষ করে ভাইরাস সংক্রমণের প্রথম দিকে।[৯]
মাইলয়েড-উদ্ভূত ডেনড্রিটিক কোষগুলো টি কোষের জন্য পেশাদার অ্যান্টিজেন-উপস্থাপনকারী কোষ হিসেবে কাজ করে, এরা সাইটোকাইনও উৎপন্ন করতে পারে। এদেরকে কনভেনশনাল বা গতানুগতিক ডেনড্রিটিক কোষও বলা হয়। নিচের সারণিতে কনভেনশনাল ডেনড্রিটিক কোষ বা মায়েলয়েড ডেনড্রিটিক কোষ ও প্লাজমাসাইটয়েড ডেনড্রিটিক কোষের বর্ণনা দেওয়া হলো:
| নাম | বর্ণনা | ক্ষরণ | টোল-লাইক রিসেপ্টর[১০] |
|---|---|---|---|
| কনভেনশনাল বা গতানুগতিক ডেনড্রিটিক কোষ (সিডিসি) (অপর নাম মাইলয়েড ডেনড্রিটিক কোষ) |
মনোসাইট কোষের অনুরূপ। এটি কমপক্ষে দুটি উপসেট নিয়ে গঠিত:
|
ইন্টারলিউকিন ১২, ইন্টারলিউকিন ৬, টিএনএফ, কেমোকাইন | টিএলআর২, টিএলআর৪ |
| প্লাজমাসাইটয়েড ডেনড্রিটিক কোষ (পিডিসি) | দেখতে প্লাজমাকোষের মতো গোলাকার, কিন্তু কিছু বৈশিষ্ট্য মাইলয়েড ডেনড্রিটিক কোষের মতো[১১] | প্রচুর পরিমাণ ইন্টারফেরন-α উৎপন্ন করতে পারে।[১২] এবং পূর্বে এদেরকে ইন্টারফেরন উৎপাদনকারী কোষ বলা হতো.[১৩] | টিএলআর৭ ও টিএলআর৯ |
বিভিন্ন ধরনের অপরিপক্ব ও পরিপক্ব ডেনড্রিটিক কোষ টিসু ও রক্তে পাওয়া যায়, এদের মধ্যে রয়েছে ত্বকের ল্যাঙ্গারহ্যান্স কোষ; অন্তস্ত্বকের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ; প্লীহার প্রান্তিক ডেনড্রিটিক কোষ; এছাড়া যকৃৎ, থাইমাস, লিম্ফনোডের জার্মিনাল কেন্দ্র ও রক্তে অবস্থিত ডেনড্রিটিক কোষ। ডেনড্রিটিক কোষগুলো মাইলয়েড মাতৃকোষ বা মনোসাইট থেকে উদ্ভূত হয়। অপরিপক্ব ডিসিগুলো কার্যকরভাবে অ্যান্টিজেনকে বন্দি করে এবং ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় ভক্ষণ করে এবং সাইটোকাইন অবমুক্ত করার মাধ্যমে পরবর্তী অনাক্রম্য প্রতিক্রিয়া চালনা করে। পরিপক্বতা লাভের পর, ডেনড্রিটিক কোষগুলো টি কোষসমৃদ্ধ লিম্ফনোড অঞ্চলে চলে যায় এবং ক্লাস ১ ও ক্লাস ২ এমএইচসি প্রোটিনে অ্যান্টিজেন উপস্থাপনা করে। ডিসি হলো একমাত্র অ্যান্টিজেন-উপস্থাপনকারী কোষ যারা নবীন টি লিম্ফোসাইটের সাথে অনাক্রম্য প্রতিক্রিয়া শুরু করতে পারে এবং পরবর্তী টি-কোষ প্রতিক্রিয়ার প্রকৃতিকে পরিচালিত করতে পারে।

- সেন্ট্রোসাইট হলো কোণযুক্ত, দীর্ঘায়িত, বিভক্ত বা বাঁকানো নিউক্লিয়াসযুক্ত ছোটো থেকে মাঝারি আকারের কোষ
- সেন্ট্রোব্লাস্ট হলো বৃহত্তর কোষ যেগুলোর ভেসিকুলার (পুটিকাময়) নিউক্লিয়াস থাকে এবং নিউক্লীয় ঝিল্লি সংলগ্ন এক থেকে তিনটি বেসোফিলিক (ক্ষারাকর্ষী) নিউক্লিওলাস থাকে।
- ফলিকুলার ড্রেনড্রিটিক কোষ গোলাকার নিউক্লিয়াসযুক্ত, নিউক্লিওলাস কেন্দ্রে অবস্থান করে, ক্রোমাটিনগুলো দেখতে ফ্যাকাশে এবং ছড়ানো ছিটানো থাকে এবং সংলগ্ন নিউক্লীয় ঝিল্লি চ্যাপটা।
কাজ
[সম্পাদনা]
ম্যাক্রোফেজের সাথে ডেনড্রিটিক কোষগুলো বাহ্যিক বস্তুসমূহকে গ্রাস করে ফেলে, প্রক্রিয়াকরণ করে পেপটাইড খণ্ডে বা অ্যান্টিজেনে পরিণত করে এবং এগুলোকে এমএইচসি প্রোটিনে উপস্থাপন করে। ক্লাস ১ এমএইচসি প্রোটিনের মাধ্যমে কোষ-বিষাক্তকারক টি কোষ ও ক্লাস ২ এমএইচসি প্রোটিনের মাধ্যমে সাহায্যকারী টি কোষের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে। তবে, দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য আছে যা ডেনড্রিটিক কোষকে ম্যাক্রোফেজ থেকে আলাদা করে।
প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো এরা অ্যান্টিজেন সংগ্রহ করে এ-সব প্রতিবন্ধক অবস্থান থেকে লসিকানালির মধ্য দিয়ে পরিভ্রমণ করে স্থানীয় লিম্ফনোডে যায়। এ-কাজ সম্পাদনের জন্য ডেনড্রিটিক কোষ সি-সি কেমোকাইন রিসেপ্টর টাইপ ৭ ব্যবহার করে।[২] এটি উক্ত কোষের কোষ তলে অবস্থান করে এবং লিম্ফয়েড টিসুতে স্ট্রোমাল কোষ বা করণ্ডীয় কোষ (ফাইব্রোব্লাস্টিক রেটিকুলার কোষ বলা হয়) কর্তৃক উৎপাদিত কেমোকাইনের উপস্থিতি অনুভব ও সেদিকে ভ্রমণে এটি ব্যবহৃত হয়। লিম্ফনোডে যাওয়ার পর, ডেনড্রিটিক কোষ এমএইচসি প্রোটিনের সাথে যুক্ত অ্যান্টিজেনকে টি-কোষ অঞ্চলে অবস্থিত নাইভ টি কোষের নিকট উপস্থাপন করে। সুতরাং, ম্যাক্রোফেজ নয় বরং ডেনড্রিটিক কোষই অনাক্রম্য প্রতিক্রিয়ার শুরুতে নবীন টি কোষকে সক্রিয় হওয়ার জন্য প্রস্তুত করে।[২] ম্যাক্রোফেজ কেবল প্রান্তীয় প্রদাহযুক্ত টিসুতে ইতোমধ্যে-সক্রিয় টি কোষের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে।
ডেনড্রিটিক কোষের দ্বিতীয় বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এদের কেউ কেউ এন্ডোসোমাল অ্যান্টিজেনকে ক্লাস১ এমএইচসি প্রোটিনে উপস্থাপন করতে পারে। সকল নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষ ক্লাস১ এমএইচসি প্রোটিনে সাইটোসলিক পেপটাইড অভিব্যাক্ত করে। সাধারণত, এ-সব পেপটাইড নির্বিষ “স্ব” অ্যান্টিজেন এবং কোনো অনাক্রম্য প্রতিক্রিয়া দেখায় না, তবে যদি কোনো কোষ ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়, তাহলে সে-সব ভাইরাল পেপটাইড ক্লাস১ এমএইচসি প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে উপস্থাপিত হবে যেন কোষবিষাক্তকারক টি কোষ সেগুলোকে চিনতে পারে।[২]
ডেনড্রিটিক কোষের একটি নির্দিষ্ট উপসেট ভাইরাস কণাগুলোকে তাদের এন্ডোসোমের মধ্যে ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় ভক্ষণ করতে এবং ক্লাস১ ও ক্লাস২উভয় এমএইচসি প্রোটিনে উপস্থাপন করতে সক্ষম, যার ফলে কোষের ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ধাপটি এড়ানো যায়। এই প্রক্রিয়াটি ক্রস-প্রেজেন্টেশন (বজ্র-উপস্থাপন) নামে পরিচিত, এর মাধ্যমে ডেনড্রিটিক কোষ নিজে ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত না হয়েই নবীন সাইটোটক্সিক টি কোষকে টিসু-ট্রপিক (কলা-অনুবর্তী) ভাইরাস, যেমন হেপাটাইটিস বি ভাইরাস শনাক্ত করার প্রশিক্ষণ দিতে পারে।[১৪]
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]- একটি ডেনড্রিটিক কোষ
- একটি স্পষ্টভাবে শনাক্তযোগ্য ডেনড্রিটিক কোষ একটি কোনিডিয়ামকে ৯Βm দূরত্ব পর্যন্ত টেনে নিতে পারে, তবে এটিকে গ্রাস করে না। এই পর্যবেক্ষণটি প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একটি ফ্রেম হিসেবে ৩ ঘণ্টা ধরে করা হয়েছে।
- একটি ডেনড্রিটিক কোষ দেখা যাচ্ছে যা দক্ষতার সাথে তার আশেপাশের চারটি কোনিডিয়াকে গ্রাস করছে।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Monga I, Kaur K, Dhanda S (মার্চ ২০২২)। "Revisiting hematopoiesis: applications of the bulk and single-cell transcriptomics dissecting transcriptional heterogeneity in hematopoietic stem cells"। Briefings in Functional Genomics। ২১ (3): ১৫৯–১৭৬। ডিওআই:10.1093/bfgp/elac002। পিএমআইডি 35265979।
- 1 2 3 4 Levinson, W; Chin-Hong, P; Joyce, EA; Nussbaum, J; Schwartz, B (২০১৮)। "Chapter 58: Innate Immunity"। Review of Medical Microbiology & Immunology - A Guide to Clinical Infectious Disease (ইংরেজি ভাষায়) (১৫ তম সংস্করণ)। McGraw-Hill Education। পৃ. ৪৮৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-২৫-৯৬৪৪৫০-৪।
- ↑ Steinman, R. M.; Cohn, Z. A. (১৯৭৩)। "Identification of a Novel Cell Type in Peripheral Lymphoid Organs of Mice : I. Morphology, Quantitation, Tissue Distribution"। The Journal of Experimental Medicine। ১৩৭ (5): ১১৪২–১১৬২। ডিওআই:10.1084/jem.137.5.1142। পিএমসি 2139237। পিএমআইডি 4573839।
- ↑ Banchereau J, Steinman RM (মার্চ ১৯৯৮)। "Dendritic cells and the control of immunity"। Nature। ৩৯২ (6673): ২৪৫–৫২। বিবকোড:1998Natur.392..245B। ডিওআই:10.1038/32588। পিএমআইডি 9521319। এস২সিআইডি 4388748।
- ↑ "The Lasker Foundation – 2007 Awards"। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১০।
- ↑ "Nobel Prize in Physiology or Medicine for 2011"।
- 1 2 3 Murray, PR; Rosenthal, KS; Pfaller, MA। "7.Elements of Host Protective Responses"। Medical microbiology (ইংরেজি ভাষায়) (৯ম সংস্করণ)। Elsevier। পৃ. ৪৫-৪৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩২৩-৬৭৪৫০-৮।
- ↑ Siegal FP, Kadowaki N, Shodell M, Fitzgerald-Bocarsly PA, এবং অন্যান্য (১১ জুন ১৯৯৯)। "The nature of the principal type 1 interferon-producing cells in human blood"। Science। ২৮৪ (5421): ১৮৩৫–৭। ডিওআই:10.1126/science.284.5421.1835। পিএমআইডি 10364556।
- ↑ Sompayrac, L (২০১৯)। "The Magic of Antigen Presentation"। How the Immune System Works (ইংরেজি ভাষায়) (৬ষ্ঠ সংস্করণ)। Wiley Blackwell। পৃ. ৪৫-৪৮। আইএসবিএন ৯৭৮১১১৯৫৪২১২৪।
- ↑ Sallusto F, Lanzavecchia A (২০০২)। "The instructive role of dendritic cells on T-cell responses"। Arthritis Res.। ৪ (Suppl 3): S১২৭–৩২। ডিওআই:10.1186/ar567। পিএমসি 3240143। পিএমআইডি 12110131।
- ↑ McKenna K, Beignon A, Bhardwaj N (২০০৫)। "Plasmacytoid Dendritic Cells: Linking Innate and Adaptive Immunity"। Journal of Virology। ৭৯ (1): ১৭–২৭। ডিওআই:10.1128/JVI.79.1.17-27.2005। পিএমসি 538703। পিএমআইডি 15596797।
- ↑ Vanbervliet B, Bendriss-Vermare N, Massacrier C, এবং অন্যান্য (সেপ্টেম্বর ২০০৩)। "The Inducible CXCR3 Ligands Control Plasmacytoid Dendritic Cell Responsiveness to the Constitutive Chemokine Stromal Cell–derived Factor 1 (SDF-1)/CXCL12"। J. Exp. Med.। ১৯৮ (5): ৮২৩–৩০। ডিওআই:10.1084/jem.20020437। পিএমসি 2194187। পিএমআইডি 12953097।
- ↑ Liu YJ (২০০৫)। "IPC: professional type 1 interferon-producing cells and plasmacytoid dendritic cell precursors"। Annu. Rev. Immunol.। ২৩ (1): ২৭৫–৩০৬। ডিওআই:10.1146/annurev.immunol.23.021704.115633। পিএমআইডি 15771572।
- ↑ Smith, C. M.; Wilson, N. S.; Waithman, J; Villadangos, J. A.; Carbone, F. R.; Heath, W. R.; Belz, G. T. (২০০৪)। "Cognate CD4(+) T cell licensing of dendritic cells in CD8(+) T cell immunity"। Nature Immunology। ৫ (11): ১১৪৩–৮। ডিওআই:10.1038/ni1129। পিএমআইডি 15475958। এস২সিআইডি 27757632।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Website of the Center for Infection and Immunity of Lille contains information on DCs and their study in research, link currently dead
- যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় চিকিৎসা গ্রন্থাগারের মেডিকেল সাবজেক্ট হেডিংসে (MeSH) ডেনড্রিটিক কোষ (ইংরেজি)
- www.dc2007.eu 5th International Meeting on Dendritic Cell Vaccination and other Strategies to tip the Balance of the Immune System
- Website of Ralph M. Steinman at The Rockefeller University ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৭ জুন ২০০৯ তারিখে contains information on DCs, links to articles, pictures and videos
- "Cancer 'danger receptor' found", BBC News, 15 February 2009