ডেটল
| পণ্যের ধরন | জীবাণুনাশক |
|---|---|
| মালিক | রেকিট বেনকিজার |
| দেশ | যুক্তরাজ্য |
| প্রবর্তন | ১৯৩২[১] |
| সম্পর্কিত মার্কা | লাইসল, একই সংস্থা দ্বারা তৈরি অন্য পণ্য |
| বাজার | বিশ্বব্যাপী (যু্ক্তরাষ্ট্র বাদে) |
| ট্যাগলাইন | "স্মৃতি রাখুন, তবে ব্যাকটিরিয়া নয়" |
| ওয়েবসাইট | dettol.co.uk |
ডেটল হল জীবাণুনাশক এবং অ্যান্টিসেপটিক হিসাবে ব্যবহৃত পণ্যের একটি ব্র্যান্ড লাইন । এই ব্র্যান্ডটি ১৯৩৩ সালে ব্রিটিশ - ডাচ সংস্থা রেকিট বেনকিসার দ্বারা ডেটল অ্যান্টিসেপটিক তরল প্রবর্তনের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল।[২] ডেটল ব্র্যান্ড লাইনটি বছরের পর বছর ধরে প্রসারিত হয়েছে এবং এখন এতে বিভিন্ন সক্রিয় উপাদানযুক্ত পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
গাঠনিক উপাদান
[সম্পাদনা]ডেটলের মধ্যে ক্লোরোজাইলেনল (C8H9ClO), আইসো প্রোপানল, পাইন অয়েল, ক্যাস্টার অয়েল, সাবান ও পানি থাকে। তবে ক্লোরোজাইলেনলই মুখ্য উপাদান। ডেটলে এর পরিমাণ প্রায় ৪.৮% (W/V)।[৩] এর অণুতে -OH মূলকের সংখ্যা ৩টি, তাই পানির অণুর সাথে হাইড্রোজেন বন্ধন করে এটি পানিতে খুবই কম পরিমাণে দ্রবীভূত হয়। এর অন্য উপাদান, পাইন অয়েল অপোলার দ্রাবক। দ্রবণে উক্ত দ্রাবক যোগ করে ক্লোরোজাইলেনলের দ্রাব্যতা বাড়ানো হয়। ক্ষারীয় করার জন্য দ্রবণে সাবান যোগ করা হয় এবং এর ফলে ক্লোরোজাইলেনলের দ্রাব্যতা আরো বাড়ে। এরই সাথে প্রয়োজনীয় আইসো প্রোপানল ও পানি যোগ করে ডেটল উৎপাদন শেষ করা হয়।[২]
ডেটলের pH মান ১০-এর মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ করা হয়।[২]
ব্যবহারপ্রণালী
[সম্পাদনা]এটি গাঢ় বাদামি রং এর তরল, একে অবশ্যই পানি মিশ্রিত (প্রায় সকল জীবাণুনাশক তরল) করে ব্যবহার করতে হয়, নয়ত নরম চামড়া (চোখের নিচে, মুখ) পুড়ে যেতে পারে।পচন নিবারক হিসাবে ডেটল ব্যবহার হয়।
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ Viveat Susan Pinto (১২ মার্চ ২০১৫)। "40 years ago...And now: Not just germs, Dettol fights rivals unabated"। Business Standard India। www.business-standard.com। ৩০ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০২০।
- 1 2 3 সঞ্জিত কুমার গুহ (২০১৪)। উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন (২য় পত্র)। লেকচার পাবলিকেশন্স লি.। পৃ. ১৫১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৯০৬৪৩-৩-৬।
- ↑ "Summary of Product Characteristics / Dettol Liquid" (পিডিএফ)। MHRA। ২২ নভেম্বর ২০১০। ৮ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৪।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- গুহ, সঞ্জিত কুমার (২০১৪)। উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন (২য় পত্র)। বাংলাদেশ: লেকচার পাবলিকেশন্স লি.। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৯০৬৪৩-৩-৬।
- ড. গাজী মোঃ আহসানুল কবীর, ড. মোঃ রবিউল ইসলাম (২০১৫)। উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন (২য় পত্র)। বাংলাদেশ: এবাকাস পাবলিকেশন্স লি.। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৩-৭৬৭৬-৩।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |