ডয়চেস জাদুঘর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

এই নিবন্ধ থেকে {{Short description}} সরান। এটি বাংলা উইকিপিডিয়ায় কাজ করবে না।

ডয়েচ জাদুঘর
বোচব্রিজ এর সাথে ডয়েচ জাদুঘর
বোচব্রিজ এর সাথে ডয়েচ জাদুঘর
স্থাপিত২৮ জুন ১৯০৩ (1903-06-28)
অবস্থান
  • মিউসিয়ামসিন্সেল 1
  • ৮০৫৩৮ মুঞ্চেন
  • জার্মানি
স্থানাঙ্ক৪৮°০৭′৪৮″ উত্তর ১১°৩৫′০০″ পূর্ব / ৪৮.১৩০০০° উত্তর ১১.৫৮৩৩৩° পূর্ব / 48.13000; 11.58333স্থানাঙ্ক: ৪৮°০৭′৪৮″ উত্তর ১১°৩৫′০০″ পূর্ব / ৪৮.১৩০০০° উত্তর ১১.৫৮৩৩৩° পূর্ব / 48.13000; 11.58333
ধরন
সংগ্রহের আকার২৮০০০
পরিদর্শক১.৫ মিলিয়ন
ওয়েবসাইটDeutsches Museum

ডয়েচে জাদুঘর (জার্মান মিউজিয়াম, আনুষ্ঠানিকভাবে Deutsches Museum von Meisterwerken der Naturwissenschaft und Technik; ইংরেজী: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাস্টারপিসেসের জার্মান যাদুঘর) জার্মানির মিনুয়ানে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি জাদুঘর। এখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ৫০ টি ক্ষেত্রের প্রায় ২৮০০০ প্রদর্শনী বস্তু রয়েছে। [১] প্রতি বছর প্রায় ১.৫ মিলিয়ন দর্শক এখানে ঘুরতে আসে।

ওস্কার ভন মিলারের প্রথম এই জাদুঘর নির্মানের উদ্যগ নেন এবং জার্মান প্রকৌশলীদের (ভিডিআই) সমিতির সভাতে বিষয়টি উপস্থাপন করেন। যার ফলে ১৯০৩ সালের ২৪ জুন জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মিউনিখের বৃহত্তম যাদুঘর। একটি সময়ে দ্য হু, জিমি হেন্ডরিক্স এবং এলটন জন সহ বিভিন্ন পপ এবং রক কনসার্টগুলি হোস্ট করার জন্য যাদুঘরটি ব্যবহার করা হত। [২]

মিউসিয়ামসিন্সেল[সম্পাদনা]

ডয়েচে মিউজিয়াম

ইশার নদীতে একটি ছোট দ্বীপে ডয়েচে মিউজিয়ামের প্রধান কাঠামো অবস্থিত। মধ্যযুগের থেকে এটি রাফটিং কাঠের জন্য ব্যবহৃত হত। ১৭৭২ সালের পূর্বে দ্বীপটিতে কোনও ভবন ছিল না কারণ সেসময় নিয়মিত বন্যা হত।

লুডুইংসব্রুক থেকে ডয়েস মিউজিয়াম

১৭৭২ সালে দ্বীপে ইসার ব্যারাকগুলি নির্মান করা হয় এবং ১৮৯৯ সালের বন্যার পর ভবনগুলি বন্যার সুরক্ষা দিয়ে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৯০৩ সালে নগর পরিষদ দ্বীপটি নতুন নির্মিত ডয়েচে মিউজিয়ামের জন্য দান করবে বলে ঘোষনা করে। কোহলিনিনসেল (কয়লা দ্বীপ) নামের দ্বীপটির নাম পরিবর্তন করে তখন মিউসিয়ামসিন্সেল করা হয়। [৩] [৪]

অন্যান্য স্থান[সম্পাদনা]

মিউসিয়ামসিন্সেলের মূল স্থান ছাড়াও, যাদুঘরের ২টি শাখা রয়েছে, একটি মিউনিখে অন্যটি বনে।

ফ্লুওয়ার্ট শ্লেইসহেইম শাখাটি মিউনিখের কেন্দ্র থেকে ১.৮ কিলমিটার দূরে শিলিসেহেম প্যালেসের কাছাকাছি অবস্থিত। এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ঠিক আগে প্রতিষ্ঠিত জার্মানির প্রথম সামরিক বিমানবন্দরগুলির প্রাঙ্গনে অবস্থিত। এটি পুরাতন বায়ু নিয়ন্ত্রন কেন্দ্র, তথ্যকেন্দ্র নিয়েগঠিত ছিল। ২০০০ সালের শেষের দিকে বাভারিয়ার প্রধানমন্ত্রী ফ্রেন্স-জোসেফ স্ট্রাউসের দৃঢ় অনুমোদনের পরে আধুনিক ভবনগুলো জাদুঘরের আওতায় আনা হয়।

ডয়েচে মিউজিয়াম বন

ফ্লুওয়ার্ট শ্লেইসহেইমে বিভিন্ন আকর্ষণীয় বিমানের প্রদর্শন শুরু করে যার জন্য মিউনিখের জাদুঘরটিতে যায়গা কম পড়ে। আরও অনেকগুলো বিশিষ্ট প্রদর্শনীর মধ্যে উল্লেখযগ্য ১৯৪০ এর দশকে নির্মিত হোর্টেন উড়ন্ত গ্লাইডারের পাখা, যার কয়েকটি অবশিষ্ট অংশ বিভিন্ন যায়গা থেকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। ১৯৫০ এবং1960-এর দশকে নির্মিত একটি স্থাপনা ভিটিওএল (উল্লম্বভাবে উড্ডয়ন এবং অবতরণ) এখানে সংগ্রহ করা হয়েছে। পূর্ব জার্মানির সাথে পুনর্মিলনের পর ভিয়েতনাম যুগের যোদ্ধা বিমানের পাশাপাশি রাশিয়ান বিমানগুলি পুনরায় জার্মানির কাছে নিয়ে আসা হয় এগুলো ও এখানে প্রদর্শনী করা হচ্ছে।

ডয়েচ জাদুঘর ভেরকেহারজেন্ট্রাম নামে পরিচিত সর্বশেষ শাখাটি ২০০৩ সালে খোলা হয়েছিল , এটি মিউনিখের থেরেসিয়ানোয়ে অবস্থিত, এবং এটি পরিবহন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

বোনের মধ্যে অবস্থিত শাখাটি ১৯৯৫ সালে খোলা হয়েছিল এবং এটি ১৯৪৫ সাল থেকে জার্মান প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং গবেষণার নিদর্শন প্রদর্শন করে।

ওস্কার ভন মিলার[সম্পাদনা]

ওস্কার ভন মিলার

ওস্কর ভন মিলার বৈদ্যুতিক প্রকৌশল গবেষণা করেন এবং ১৮৮২ সালে মিউনিখের গ্লাসপলাস্টে বৈদ্যুতিক প্রযুক্তি প্রদর্শনীর জন্য মাইসবাচ থেকে মিউনিখ পর্যন্ত (৫৭ কিলোমিটার) প্রথম উচ্চ ভোল্টেজ লাইন নির্মাণের জন্য পরিচিত।। ১৮৮৩ সালে তিনি এইজিতে যোগ দেন এবং মিউনিখে একটি প্রকৌশল অফিস প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৯১ সালে ফ্রাঙ্কফুর্ট বিদ্যুৎ প্রদর্শনী ও বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি ওস্কার ভন মিলারের খ্যাতি বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছিল। প্রাথমিক যুগে, ডয়েচে মিউজিয়ামের প্রদর্শনী ও সংগ্রহটি ওস্কার ভন মিলারের দ্বারা ব্যক্তিগতভাবে প্রভাবিত হয়েছিল।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯০৩ সালের সোসাইটির অব জার্মান ইঞ্জিনিয়ার্সের বৈঠকের কয়েক মাস আগে, ওস্কর ভন মিলার একটি ছোট্ট দল গঠন করেছিলেন যারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর স্থাপনের তার ইচ্ছা সমর্থন করেছিলেন। সমর্থনের একটি প্রদর্শনীতে এই দল স্বতঃস্ফূর্তভাবে ২৬০,০০০ চিহ্ন দান করে এবং কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি "অস্থায়ী কমিটি" গঠন করা হয়।

ইউরোপের রেলের এর অনুরুপ মডেল ট্রেন

১৯০৩ সালের জুন মাসে প্রিন্স লুডভিগ মিউজিয়ামের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে কাজ করাতে সম্মত হন এবং মিউনিখ শহর প্রকল্পটির জন্য কোল আইল্যান্ডকে দান করে। এ ছাড়া মিউনিখ, জার্মানি এবং বিদেশের সংগ্রহগুলিও প্রদর্শনীতে অংশগ্রহন করতে শুরু করে। তখন জাদুঘন ভবন ছিল না, জাতীয় যাদুঘরে প্রদর্শনীগুলো প্রদর্শিত হয়েছিল।

১৯০৬ সালের ১২ নভেম্বর জাতীয় যাদুঘরে আনুষ্ঠানিকভাবে জনসাধারণের জন্য অস্থায়ী প্রদর্শনী আয়োজন করা হয় এবং ১৩ই নভেম্বর স্থায়ী যাদুঘরের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

যাদুঘরের প্রথম নাম দেওয়া হয়, "প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাস্টারপিসেসের জার্মান যাদুঘর", যার উদ্দেশ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জার্মান অগ্রগতিতে যাদুঘরে সীমাবদ্ধ না রেখে, বরং জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া।

প্রায় ১০ বছর অপেক্ষার পর ওস্কার ভন মিলার ২ মে ১৯২৫ সালে তার ৭০ তম জন্মদিনে নতুন যাদুঘর উদ্বোধন করেন। শুরু থেকে, জাদুঘরটিতে বিভিন্ন গুরুত্ত্বপূর্ণ নথি রাখা হয় এবং সপ্তাহে সাত দিন খোলা থাকে যাতে জনসাধারণের প্রবেশ নিশ্চিত করা যায়।

যাদুঘর এর সিঁড়ির পরিষ্কার সাদা দাগ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে এবং সময়কালে জাদুঘরটি নাৎসি বাহিনীর একটি জুতা এবং ৭ মে ১৯৩৭ সালের সম্পূর্ণ নতুন অটোমোবাইল রুমের মতো কয়েকটি ব্যতিক্রমী সংগ্রহ নিয়ে প্রাচীন প্রদর্শনীর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ১৯৪৪ সালের শেষ নাগাদ বায়ু বোমা হামলায় জাদুঘরটি ভবনের ৮০ শতাংশ এবং ২০ শতাংশ প্রদর্শনী ক্ষতিগ্রস্ত এবং ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাসে স্বজাতীয় সৈন্যরা মিউনিখে মিছিল করে, এবং শেষ পর্যন্ত জাদুঘর পরিচালক কার্ল ব্যাসলার জার্মান সেনাবাহিনীকে হটিয়ে জাদুঘর সংলগ্ন ব্রিজটিকে রক্ষা করতে সমর্থ হন।

যুদ্ধের পর জাদুঘরটি মেরামত ও অস্থায়ী প্রজাদের জন্য বন্ধ করা হয়, এবং কলেজ অব টেকনোলজি এবং পোস্ট অফিসে জাদুঘরের জিনিসপ্ত্র রাখা হয়েছিল কারণ তাদের নিজস্ব ভবন পুনর্গঠন করা হচ্ছিল। এই জাদুঘর যুদ্ধরত ইহুদিদের কেন্দ্রীয় কমিটিও ছিল, যুদ্ধের পর জার্মানির আমেরিকান জোনে ইহুদি বিচলিত ব্যক্তিদের আশ্রয়দান করেছিল।

এরপরে ১৯৪৬ সালের জানুয়ারিতে কংগ্রেস হল অনুযায়ী ১৯৪৫ সালের নভেম্বরে, লাইব্রেরিটি পুনরায় চালু করা হয়।১৯৪৭ সালের অক্টোবরে ডিজেল ইঞ্জিনের পঞ্চাশ বছরের একটি বিশেষ প্রদর্শনী করা হয় এবং ১৯৪৮ সালের মে থেকে নিয়মিত প্রদর্শনী চালু করা হয়।

১৯৫০-এর দশকে, যাদুঘরটি প্রযুক্তির পরিবর্তে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানগুলির প্রদর্শনীতে মনোনিবেশ করেছিল এবং প্রথাগত বড় বড় প্রকৌশল প্রদর্শনীগুলোর পথ আকারে হ্রাস পেয়েছিল।

ডয়েচে মিউজিয়ামে আলতামিরা এর গুহা ছবি

১৯৬৯ সালের আগস্ট মাসে অ্যাপোলো ৮ স্পেস ক্যাপসুলটি "ম্যান অ্যান্ড স্পেস" নামের একটি বিশেষ প্রদর্শনীতে দেখানো হয় এবং ১৯৭০ সালে প্রথম পূর্ণ-সময়ের পরিচালক থিও স্টিলার নিযুক্ত হন। ১৯৭০ দশকে জাদুঘরের প্রধান লক্ষ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাংস্কৃতিক তাত্পর্য ব্যাখ্যাহিসেবে নির্ধারন করা হয়।

১৯৮০ এর দশকের প্রথম দিকে অগ্নিসংযোগের কারণে বেশিরভাগ প্রদর্শনীর স্থানে মারাত্মক ক্ষতি দেখা দেয়। এর ফলে ৩৪,১৪০ বর্গ মিটারের ক্ষুদ্র একটি প্রদর্শনীর স্থান তৈরী করা হয়। এর পরে ১৯৯৩ সালে বড় আকারে একটি পুনর্গঠন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত একটি বিল্ডিং প্রদর্শনী স্থানের আওতায় আনা হয় যা প্রদর্শনীর যায়গাকে আনুমানিক ৫৫,০০০ বর্গ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করে। ১৯৮০ এবং ৯০ এর দশকেও বন-এর বিজ্ঞান কেন্দ্রের সাথে ডয়েচে মিউজিয়াম চুক্তিতে আনা হয়।

গ্লাস ফাউল, জাদুঘরের গ্লাস বিভাগ থেকে

1996 সালে, বাভারিয়ান সরকার ডায়চেস মিউজিয়ামের ঐতিহাসিক থ্রেসিয়েনহো শাখায় একটি নতুন ভবন দেয় যেখানে নতুন পরিবহন যাদুঘর স্থাপন করা হয়। ২০০৩ সালে ডয়েচে মিউজিয়ামে ভেরেকহারজেন্ট্রুম তৈরি হয় যেখানে সড়ক যানবাহন এবং ট্রেনের প্রদর্শনীগুলি রাখা হয়েছে এগুলো আনা হয়েছে মূল ডয়েচে মিউজিয়াম থেকে।

কালনিরুপণ[সম্পাদনা]

  • ১৯০৩ মিউজিয়ামের ভিত্তি
  • ১৯০৬ ম্যাক্সিমিলিস্টারস্ট্রাসের প্রাক্তন জাতীয় মিউজিয়ামের কক্ষগুলি সাম্প্রতিক সংগ্রহগুলি খোলা
  • ১৯০৯ ইসারের পুরানো ব্যারাকগুলিতে অতিরিক্ত সংগ্রহ খোলা
  • ১৯১১ সংগ্রহস্থল ঘরের শীর্ষস্থাপন
  • ১৯২৫ মিউজিয়াম আইল্যান্ডের নতুন ভবনে ডয়েচে জাদুঘর উদ্বোধন
  • ১৯২৪ লাইব্রেরী ও হলের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা
  • ১৯৩০ লাইব্রেরী এর শীর্ষস্থাপন
  • ১৯৩২ লাইব্রেরী উদ্বোধন
  • ১৯৩৫ কংগ্রেস কেন্দ্র খোলা
  • ১৯৪৪ ভবন ৮০ শতাংশ ধ্বংস
  • ১৯৪৮ ধ্বংসের পর পুনরায় চালু
  • ১৯৮৩ আগুনে সামুদ্রিক ও ইঞ্জিন বিভাগ ধ্বংস
  • ১৯৮৪ এয়ারস্পেসের জন্য নতুন হল উদ্বোধন
  • ১৯৯২ ওবারস্লেইবিম এর বিমানবন্দর এ এভিয়েশন জাদুঘর খোলা
  • ১৯৯৫ বোনের ডয়েচে মিউজিয়ামের একটি শাখা খোলা
  • ২০০৩ প্রাক প্রদর্শনী ভিত্তিতে পরিবহন কেন্দ্র খোলা
  • ২০০৬ ১ম ও পরিবহন সেন্টারের ২য় থেরেসিএনহো খোলা
  • ২০১৫ এর অক্টোবর আধুনিকীকরণের প্রথম নতুন পর্যায় শুরু এবং বেশ কয়েকটি প্রদর্শনী বন্ধ

বর্তমান স্থায়ী প্রদর্শনী[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

  • ডয়েচে মিউজিয়াম ফ্ল্যাগওয়ার্ট শ্লেইসহেইম (ডিএম এর অফসাইট বিমান পরিবহন যাদুঘর)
  • জার্মানি জাদুঘর তালিকা

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The New York Times Travel Guide dated 10 Aug 2008 states that "this is the largest technological museum of its kind in the world.""। Travel.nytimes.com। মে ৩, ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১১-২৭ 
  2. Abendzeitung, Germany (২০১৬-০১-২৭)। "Deutsches Museum: Kongresshalle wird zur Event-Location: Gaudi und Tralala - München - Abendzeitung München"। Abendzeitung-muenchen.de। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৬-১৯ 
  3. Pudor, Heinrich (১৯১৮)। "Zur Geschichte der technischen Museen - Vierteljahrschrift für Sozial- und Wirtschaftsgeschichte": 356–375। জেস্টোর 20725016 
  4. Bühler, Dirk (মে ২০০৯)। Building a Masterpiece of Concrete-Technology: The Deutsches Museum in Munich (1906-1911) 

গ্রন্থ-পঁজী[সম্পাদনা]

বাহ্যিক লিঙ্ক[সম্পাদনা]