ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র

একটি অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল ( ATGM ), অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড ওয়েপন ( ATGW ) অথবা অ্যান্টি-আর্মর গাইডেড অস্ত্র প্রধানত ভারী সাঁজোয়া সামরিক যানবাহনকে আঘাত ও ধ্বংস করার জন্য ডিজাইন করা একটি গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র। এটিজিএমগুলোর আকার বিভিন্ন হয়ে থাকে। যেমনঃ একজন সৈনিক বহন করতে পারে এমন কাঁধে বহনযোগ্য অস্ত্র থেকে শুরু করে বহন ও গুলি চালানোর জন্য একটি স্কোয়াড বা দলের প্রয়োজন হয় এমন বড় ট্রাইপড-স্থাপনযোগ্য অস্ত্র, এমনকি যানবাহন ও বিমান-স্থাপিত মিসাইল সিস্টেম পর্যন্ত বিস্তৃত।
আগের ম্যান-পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাংক অস্ত্র যেমন অ্যান্টি-ট্যাংক রাইফেল ও চৌম্বকীয় অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন সাধারণত খুব স্বল্প পাল্লার (কখনও কখনও কয়েক মিটার বা কয়েক দশক মিটারের মধ্য) ছিল। রকেট-চালিত উচ্চ-বিস্ফোরক অ্যান্টি-ট্যাংক (HEAT) সিস্টেমগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আবির্ভূত হয় এবং সেগুলোর পাল্লা শত মিটার পর্যন্ত বেড়েছিল, কিন্তু নির্ভুলতা কম ছিল এবং এই দূরত্বে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা প্রায়ই ভাগ্যের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াত। রকেট চালনা ও রিমোট ওয়্যার গাইডেন্সের সংমিশ্রণ এটিজিএমকে আগের এসব অস্ত্রের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর করে তোলে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে হালকা পদাতিক বাহিনীকে যুদ্ধপরবর্তী ট্যাংক ডিজাইনের বিরুদ্ধে বাস্তব সক্ষমতা প্রদান করে। ১৯৬০-এর দশকে সেমি-অটোমেটিক গাইডেন্সের প্রবর্তন এটিজিএমগুলোর কর্মক্ষমতা আরও উন্নত করে।
২০১৬-এর হিসাব অনুযায়ী[হালনাগাদ] এটিজিএম বিশ্বব্যাপী ১৩০টিরও বেশি দেশ ও অনেক অ-রাষ্ট্রীয় সংগঠন ব্যবহার করেছে।[১] ঠাণ্ডা যুদ্ধ-পরবর্তী যুগের কম্পোজিট ও রিয়্যাকটিভ আর্মার ব্যবহৃত হওয়া প্রধান যুদ্ধ ট্যাংকগুলো (এমবিটি) ছোট এটিজিএমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধযোগ্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।[২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]

আরো দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ MAJ Michael J. Trujillo; MAJ Frank Adkinson, "Getting Left of Launch: Guided Missiles and the Threat to Our Force", ARMOR, খণ্ড জানুয়ারি–মার্চ ২০১৬
- ↑ "T-90 tank"। ২৯ জানুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০০৮। is tested against ATGMs.