টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকের রেকর্ড তালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
Shahid_Afridi
টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে শহীদ আফ্রিদি সর্বাধিক খেলায় অংশগ্রহণসহ সর্বাধিক উইকেট সংগ্রহ করেছেন।

টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট (টি২০আই) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্ণাঙ্গ সদস্যসহ ৬টি শীর্ষ সহযোগী/অনুমোদিত সদস্যদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।[১] নেপালনেদারল্যান্ডস দলও এ মর্যাদার অধিকারী।[২] টেস্টের বাইরে অবস্থান করে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে উভয় দল একটিমাত্র ইনিংস খেলার সুযোগ পায়। উভয় দলের জন্য ২০ ওভার বরাদ্দ থাকে। ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ তারিখে নিউজিল্যান্ডঅস্ট্রেলিয়ার মধ্যে প্রথমবারের মতো টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।[৩] তারপর থেকেই ১৭ দলের মধ্যে এ পর্যন্ত চারশতাধিক টি২০আই অনুষ্ঠিত হয়েছে। টি২০আই মর্যাদার অধিকারী দলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় খেলা আয়োজনের সংখ্যাও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। মূলতঃ সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ডগুলো তাদের মূলধন বৃদ্ধিকল্পেই এ খেলার আয়োজন করার উদ্যোগ নেয়।[৪]

টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে জয়ের শতাংশে ৬০.৫২% নিয়ে আফগানিস্তান শীর্ষ স্থানে অবস্থান করছে।[৫] অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ে ২০.৯৬% নিয়ে সর্বনিম্নে রয়েছে।[৬]

দলীয় রেকর্ড[সম্পাদনা]

সামগ্রীক ফলাফল[সম্পাদনা]

দল খেলা জয় পরাজয় টাই ও জয় টাই ও পরাজয় এনআর জয় %
 আফগানিস্তান ৩৮ ২৩ ১৫ ৬০.৫২
 অস্ট্রেলিয়া ৮০ ৪০ ৩৭ ৫১.৮৯
 বাংলাদেশ ৫০ ১৫ ৩৪ ৩০.৬১
 বারমুদা ০.০০
 কানাডা ১৯ ১৪ ২৩.৬৮
 ইংল্যান্ড ৭৯ ৩৮ ৩৬ ৫১.৩৩
 হংকং ১২ ৫৮.৩৩
 ভারত ৫৯ ৩৩ ২৪ ৫৭.৭৫
 আয়ারল্যান্ড ৪৫ ২১ ১৯ ৫২.৫০
 কেনিয়া ২৯ ১০ ১৯ ৩৪.৪৮
   নেপাল ১১ ২৭.২৭
 নেদারল্যান্ডস ৩৭ ২১ ১৫ ৫৬.৭৬
 নিউজিল্যান্ড ৮৮ ৪২ ৩৯ ৫১.৭৪
 ওমান ২৮.৫৭
 পাকিস্তান ৯৮ ৫৭ ৩৮ ৫৯.৬৯
 পাপুয়া নিউ গিনি ৬৬.৬৬
 স্কটল্যান্ড ৩৩ ১২ ১৮ ৪০.০০
 দক্ষিণ আফ্রিকা ৮২ ৪৯ ৩২ ৬০.৪৯
 শ্রীলঙ্কা ৭৩ ৪৩ ২৮ ৬০.৪১
 সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৪.২৮
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭১ ৩৩ ৩৩ ৫০.০০
 জিম্বাবুয়ে ৪৮ ১০ ৩৭ ২১.৮৭

ফলাফলবিহীন অবস্থাকে ফলাফলের শতাংশে দেখানো হয়নি। টাইয়ের ক্ষেত্রে অর্ধ-জয় রাখা হয়েছে।
হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬[৭]

সর্বোচ্চ ইনিংস[সম্পাদনা]

রান ব্যাটিং দল প্রতিপক্ষ মাঠ তারিখ স্কোরকার্ড
২৬০/৬ (২০.০ ওভার)  শ্রীলঙ্কা  কেনিয়া জোহানেসবার্গ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ স্কোরকার্ড
২৪৮/৬ (২০.০ ওভার)  অস্ট্রেলিয়া  ইংল্যান্ড সাউদাম্পটন ২৯ আগস্ট ২০১৩ স্কোরকার্ড
২৪১/৬ (২০.০ ওভার)  দক্ষিণ আফ্রিকা  ইংল্যান্ড সেঞ্চুরিয়ন ১৫ নভেম্বর ২০০৯ স্কোরকার্ড
২৩৬/৬ (১৯.২ ওভার)  ওয়েস্ট ইন্ডিজ  দক্ষিণ আফ্রিকা জোহানেসবার্গ ১১ জানুয়ারি ২০১৫ স্কোরকার্ড
২৩১/৭ (২০.০ ওভার)  দক্ষিণ আফ্রিকা  ওয়েস্ট ইন্ডিজ জোহানেসবার্গ ১১ জানুয়ারি ২০১৫ স্কোরকার্ড
হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬[৮]

সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়[সম্পাদনা]

রান ব্যাটিং দল প্রতিপক্ষ মাঠ তারিখ স্কোরকার্ড
২৩৬/৬ (১৯.২ ওভার)  ওয়েস্ট ইন্ডিজ  দক্ষিণ আফ্রিকা জোহানেসবার্গ ১১ জানুয়ারি ২০১৫ স্কোরকার্ড
২১১/৪ (১৯.১ ওভার)  ভারত  শ্রীলঙ্কা মোহালি ১২ ডিসেম্বর ২০০৯ স্কোরকার্ড
২০৮/২ (১৭.৪ ওভার)  দক্ষিণ আফ্রিকা  ওয়েস্ট ইন্ডিজ জোহানেসবার্গ ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৭ স্কোরকার্ড
২০২/৫ (১৯.৪ ওভার)  নিউজিল্যান্ড  জিম্বাবুয়ে হ্যামিল্টন ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ স্কোরকার্ড
২০২/৪ (১৯.৪ ওভার)  ভারত  অস্ট্রেলিয়া রাজকূট ১০ অক্টোবর ২০১৩ স্কোরকার্ড

হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬[৯]

সর্বনিম্ন ইনিংস[সম্পাদনা]

রান ব্যাটিং দল প্রতিপক্ষ মাঠ তারিখ স্কোরকার্ড
৩৯ (১০.৩ ওভার)  নেদারল্যান্ডস  শ্রীলঙ্কা চট্টগ্রাম ২৪ মার্চ ২০১৪ স্কোরকার্ড
৫৩ (১৪.৩ ওভার)    নেপাল  আয়ারল্যান্ড বেলফাস্ট ১৩ জুলাই ২০১৫ স্কোরকার্ড
৫৬ (১৮.৪ ওভার)  কেনিয়া  আফগানিস্তান শারজাহ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ স্কোরকার্ড
৬০ (১৫.৩ ওভার)  নিউজিল্যান্ড  শ্রীলঙ্কা চট্টগ্রাম ৩১ মার্চ ২০১৪ স্কোরকার্ড
৬৭ (১৭.২ ওভার)  কেনিয়া  আয়ারল্যান্ড বেলফাস্ট ৪ আগস্ট ২০০৮ স্কোরকার্ড

যোগ্যতা: কেবলমাত্র পূর্ণাঙ্গ ইনিংস।
হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬ [১০]

রানের ব্যবধানে বৃহত্তম জয়[সম্পাদনা]

ব্যবধান দলসমূহ মাঠ তারিখ স্কোরকার্ড
১৭২ রানে  শ্রীলঙ্কা (২৬০/৬) পরাজিত করে  কেনিয়া (৮৮) জোহানেসবার্গ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ স্কোরকার্ড
১৩০ রানে  দক্ষিণ আফ্রিকা (২১১/৫) পরাজিত করে  স্কটল্যান্ড (৮১) লন্ডন (ওভাল) ৭ জুন ২০০৯ স্কোরকার্ড
১১৬ রানে  ইংল্যান্ড (১৯৬/৫) পরাজিত করে  আফগানিস্তান (৮০) কলম্বো (আরপিএস) ২১ সেপ্টেম্বর ২০১২ স্কোরকার্ড
১০৯ রানে  জিম্বাবুয়ে (১৮৪/৫) পরাজিত করে  কানাডা (৭৫) কিং সিটি ১৩ অক্টোবর ২০০৮ স্কোরকার্ড
১০৬ রানে  আফগানিস্তান (১৬২/৬) পরাজিত করে  কেনিয়া (৫৬) শারজাহ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ স্কোরকার্ড

হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬ [১১]

উইকেটের ব্যবধানে বৃহত্তম জয়[সম্পাদনা]

ব্যবধান দলসমূহ মাঠ তারিখ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  দক্ষিণ আফ্রিকা (১৩২/০) পরাজিত করে  পাকিস্তান (১২৯/৮) জোহানেসবার্গ ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  অস্ট্রেলিয়া (১০২/০) পরাজিত করে  শ্রীলঙ্কা (১০১) কেপটাউন ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  কেনিয়া (১১০/০) পরাজিত করে  স্কটল্যান্ড (১০৯/৯) নাইরোবি (জিম) ১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  নিউজিল্যান্ড (৭৯/০) পরাজিত করে  বাংলাদেশ (৭৮) হ্যামিল্টন ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  কেনিয়া (১২৬/০) পরাজিত করে  স্কটল্যান্ড (১২৩) নাইরোবি (জিম) ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  ইংল্যান্ড (১২৮/০) পরাজিত করে  ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১২৫) লন্ডন (ওভাল) ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  নিউজিল্যান্ড (১২৭/০) পরাজিত করে  জিম্বাবুয়ে (১২৩) হারারে ১৫ অক্টোবর ২০১১ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  আয়ারল্যান্ড (৭২/০) পরাজিত করে  কেনিয়া (৭১) দুবাই (ডিএসসি) ১৪ মার্চ ২০১২ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  আয়ারল্যান্ড (১০৯/০) পরাজিত করে  কানাডা (১০৬/৮) দুবাই (ডিএসসি) ২২ মার্চ ২০১২ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  দক্ষিণ আফ্রিকা (৯৪/০) পরাজিত করে  জিম্বাবুয়ে (৯৩/৮) হাম্বানতোতা ২০ সেপ্টেম্বর ২০১২ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  ইংল্যান্ড (১৪৩/০) পরাজিত করে  নিউজিল্যান্ড (১৩৯/৮) ওয়েলিংটন ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ স্কোরকার্ড
১০ উইকেটে  নিউজিল্যান্ড (১৭১/০) পরাজিত করে  পাকিস্তান (১৬৮/৭) হ্যামিল্টন ১৭ জানুয়ারি ২০১৬ স্কোরকার্ড

হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬[১২]

ক্ষুদ্রতম ব্যবধানে জয় (রানে)[সম্পাদনা]

ব্যবধান দলসমূহ মাঠ তারিখ স্কোরকার্ড
১ রানে  অস্ট্রেলিয়া (১৫০/৭) পরাজিত করে  নিউজিল্যান্ড (১৪৯/৫) সিডনি ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ স্কোরকার্ড
১ রানে  দক্ষিণ আফ্রিকা (১২৮/৭) পরাজিত করে  নিউজিল্যান্ড (১২৭/৫) লন্ডন (এমসিসি) ৯ জুন ২০০৯ স্কোরকার্ড
১ রানে[a]  ইংল্যান্ড (২০২/৬) পরাজিত করে  দক্ষিণ আফ্রিকা (১২৭/৩) জোহানেসবার্গ ১৩ নভেম্বর ২০০৯ স্কোরকার্ড
১ রানে  নিউজিল্যান্ড (১৩৩/৭) পরাজিত করে  পাকিস্তান (১৩২/৭) ব্রিজটাউন ৮ মে ২০১০ স্কোরকার্ড
১ রানে  দক্ষিণ আফ্রিকা (১২০/৭) পরাজিত করে  ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১১৯/৭) নর্থ সাউন্ড ২০ মে ২০১০ স্কোরকার্ড
১ রানে  বাংলাদেশ (১৪৬/৬) পরাজিত করে  আয়ারল্যান্ড (১৪৫/৬) বেলফাস্ট ২০ জুলাই ২০১২ স্কোরকার্ড
১ রানে  নিউজিল্যান্ড (১৬৭/৫) পরাজিত করে  ভারত (১৬৬/৪) চেন্নাই ১১ সেপ্টেম্বর ২০১২ স্কোরকার্ড
১ রানে  ভারত (১৫২/৬) পরাজিত করে  দক্ষিণ আফ্রিকা (১৫১) কলম্বো (আরপিএস) ২ অক্টোবর ২০১২ স্কোরকার্ড

হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬ [১৩]

সর্বনিম্ন ব্যবধানে জয় (উইকেটে)[সম্পাদনা]

ব্যবধান দলসমূহ মাঠ তারিখ স্কোরকার্ড
১ উইকেটে  ইংল্যান্ড (১৫৮/৯) পরাজিত করে  অস্ট্রেলিয়া (১৫৭/৪) অ্যাডিলেড ১২ জানুয়ারি ২০১১ স্কোরকার্ড
১ উইকেটে  নেদারল্যান্ডস (১৩১/৯) পরাজিত করে  বাংলাদেশ (১২৮) দ্য হেগ ২৬ জুলাই ২০১২ স্কোরকার্ড
১ উইকেটে  পাকিস্তান (১৭৪/৯) পরাজিত করে  শ্রীলঙ্কা (১৭২/৭) কলম্বো (আরপিএস) ১ আগস্ট ২০১৫ স্কোরকার্ড
২ উইকেটে  নিউজিল্যান্ড (১৩৯/৮) পরাজিত করে  শ্রীলঙ্কা (১৩৫/৬) প্রভিডেন্স ৩০ এপ্রিল ২০১০ স্কোরকার্ড
২ উইকেটে  বাংলাদেশ (১৪১/৮) পরাজিত করে  আয়ারল্যান্ড (১৪০/৮) বেলফাস্ট ২১ জুলাই ২০১২ স্কোরকার্ড
২ উইকেটে  পাকিস্তান (১৩৬/৮) পরাজিত করে  দক্ষিণ আফ্রিকা (১৩৩/৬) কলম্বো (আরপিএস) ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১২ স্কোরকার্ড
২ উইকেটে  পাকিস্তান (১৫৮/৮) পরাজিত করে  ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১৫২/৭) কিংসটাউন ২৭ জুলাই ২০১৩ স্কোরকার্ড
২ উইকেটে  হংকং (১১৪/৮) পরাজিত করে  বাংলাদেশ (১০৮) চট্টগ্রাম ২০ মার্চ ২০১৪ স্কোরকার্ড
২ উইকেটে  অস্ট্রেলিয়া (১৪৬/৮) পরাজিত করে  দক্ষিণ আফ্রিকা (১৪৫/৬) সিডনি ৯ নভেম্বর ২০১৪ স্কোরকার্ড
২ উইকেটে  হংকং (৭৩/৮) পরাজিত করে    নেপাল (৭২) কলম্বো (পিএসএস) ২৪ নভেম্বর ২০১৪ স্কোরকার্ড

হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬ [১৪]

টাই খেলা[সম্পাদনা]

দলসমূহ টাই ব্রেক মাঠ তারিখ স্কোরকার্ড
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১২৬/৮) টাই  নিউজিল্যান্ড (১২৬/৭) নিউজিল্যান্ড বোল-আউটে বিজয়ী অকল্যান্ড ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৬ স্কোরকার্ড
 ভারত (১৪১/৯) টাই  পাকিস্তান (১৪১/৭) ভারত বোল-আউটে বিজয়ী ডারবান ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ স্কোরকার্ড
 কানাডা (১৩৫/৭) টাই  জিম্বাবুয়ে (১৩৫/৯) জিম্বাবুয়ে বোল-আউটে বিজয়ী কিংস সিটি ১১ অক্টোবর ২০০৮ স্কোরকার্ড
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১৫৫/৮) টাই  নিউজিল্যান্ড (১৫৫/৭) ওয়েস্ট ইন্ডিজ সুপার ওভারে বিজয়ী অকল্যান্ড ২৬ ডিসেম্বর ২০০৮ স্কোরকার্ড
 অস্ট্রেলিয়া (২১৪/৪) টাই  নিউজিল্যান্ড (২১৪/৬) নিউজিল্যান্ড সুপার ওভারে বিজয়ী ক্রাইস্টচার্চ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ স্কোরকার্ড
 অস্ট্রেলিয়া (১৫১/৪) টাই  পাকিস্তান (১৫১/৮) পাকিস্তান সুপার ওভারে বিজয়ী দুবাই (ডিএসসি) ৭ সেপ্টেম্বর ২০১২ স্কোরকার্ড
 শ্রীলঙ্কা (১৭৪/৬) টাই  নিউজিল্যান্ড (১৭৪/৭) শ্রীলঙ্কা সুপার ওভারে বিজয়ী পল্লেকেলে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২ স্কোরকার্ড
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১৩৯) টাই  নিউজিল্যান্ড (১৩৯/৭) ওয়েস্ট ইন্ডিজ সুপার ওভারে বিজয়ী পল্লেকেলে ১ অক্টোবর ২০১২ স্কোরকার্ড

টাই-ব্রেকার মূলতঃ খেলায় ফল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। পরিসংখ্যানের জন্য খেলাগুলো টাই হিসেবে বিবেচিত।
হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬ [১৫]

সর্বাধিক ধারাবাহিক জয়[সম্পাদনা]

জয় দল প্রথম জয় সর্বশেষ জয়
 ইংল্যান্ড  পাকিস্তান, ব্রিজটাউন, ৬ মে ২০১০ (স্কোরকার্ড)  অস্ট্রেলিয়া, অ্যাডিলেড, ১২ জানুয়ারি ২০১১ (স্কোরকার্ড)
 আয়ারল্যান্ড  কেনিয়া, মোম্বাসা, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ (স্কোরকার্ড)  আফগানিস্তান, দুবাই (ডিএসসি), ২৪ মার্চ ২০১২ (স্কোরকার্ড)
 দক্ষিণ আফ্রিকা  অস্ট্রেলিয়া, জোহানেসবার্গ, ২৭ মার্চ ২০০৯ (স্কোরকার্ড)  ভারত, নটিংহাম, ১৬ জুন ২০০৯ (স্কোরকার্ড)
 পাকিস্তান  নিউজিল্যান্ড, লন্ডন (ওভাল), ১৩ জুন ২০০৯ (স্কোরকার্ড)  নিউজিল্যান্ড, দুবাই (ডিএসসি), ১৩ নভেম্বর ২০০৯ (স্কোরকার্ড)
 ভারত  পাকিস্তান, আহমেদাবাদ, ২৮ ডিসেম্বর ২০১২ (স্কোরকার্ড)  দক্ষিণ আফ্রিকা, ঢাকা, ৪ এপ্রিল ২০১৪ (স্কোরকার্ড)

হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬[১৬]

সর্বাধিক ধারাবাহিক পরাজয়[সম্পাদনা]

পরাজয় দল প্রথম পরাজয় সর্বশেষ পরাজয়
১৬  জিম্বাবুয়ে  শ্রীলঙ্কা, প্রভিডেন্স, ৩ মে ২০১০ (স্কোরকার্ড)  ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নর্থ সাউন্ড, ৩ মার্চ ২০১৩ (স্কোরকার্ড)
১২  বাংলাদেশ  দক্ষিণ আফ্রিকা, কেপটাউন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (স্কোরকার্ড)  অস্ট্রেলিয়া, ব্রিজটাউন, ৫ মে ২০১০ (স্কোরকার্ড)
 নিউজিল্যান্ড  দক্ষিণ আফ্রিকা, ডারবান, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (স্কোরকার্ড)  ইংল্যান্ড, ম্যানচেস্টার, ১৩ জুন ২০০৮ (স্কোরকার্ড)
 স্কটল্যান্ড  নেদারল্যান্ডস, বেলফাস্ট, ৪ আগস্ট ২০০৮ (স্কোরকার্ড)  আয়ারল্যান্ড, দুবাই (ডিএসসি), ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ (স্কোরকার্ড)
 কানাডা  আফগানিস্তান, কলম্বো (এসএসসি), ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ (স্কোরকার্ড)  স্কটল্যান্ড, দুবাই (ডিএসসি), ২৩ মার্চ ২০১২ (স্কোরকার্ড)
 কেনিয়া  নেদারল্যান্ডস, আবুধাবি, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ (স্কোরকার্ড)  কানাডা, দুবাই (জিসিএ), ১৫ মার্চ ২০১৩ (স্কোরকার্ড)

হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬[১৭]

ইনিংসে সর্বাধিক ছক্কা[সম্পাদনা]

ছক্কা ব্যাটং দল প্রতিপক্ষ মাঠ তারিখ স্কোরকার্ড
১৯  নেদারল্যান্ডস  আয়ারল্যান্ড সিলেট ২১ মার্চ ২০১৪ স্কোরকার্ড
১৮  অস্ট্রেলিয়া  ইংল্যান্ড সাউদাম্পটন ২৯ আগস্ট ২০১৩ স্কোরকার্ড
১৭  দক্ষিণ আফ্রিকা  ইংল্যান্ড সেঞ্চুরিয়ন ১৫ নভেম্বর ২০০৯ স্কোরকার্ড
১৭  আফগানিস্তান  স্কটল্যান্ড এডিনবরা ১২ জুলাই ২০১৫ স্কোরকার্ড
১৬  অস্ট্রেলিয়া  ভারত বার্বাডোস ৭ মে ২০১০ স্কোরকার্ড

হালনাগাদ: ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬[১৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Classification of Official Cricket" (PDF)। International Cricket Council। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০০৯ 
  2. "ICC Annual Conference 2014: Nepal, Netherlands get T20 International Status–Cricket News–Cricinfo ICC Site–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  3. "Only T20I: New Zealand v Australia at Auckland, Feb 17, 2005-cricket Scorecard-ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০১৩ 
  4. Martin-Jenkins, Christopher (২০০৩)। "Crying out for less"Wisden Cricketers' Almanack – online archive। John Wisden & Co। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০০৯ 
  5. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Results summary–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০১৬ 
  6. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Results summary–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  7. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Results summary–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  8. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Highest innings totals–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  9. "Team records–Twenty20 Internationals–Cricinfo Statsguru–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  10. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Lowest innings totals–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  11. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Largest margin of victory (by runs)–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  12. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Largest margin of victory (by wickets)–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  13. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Smallest margin of victory (by runs)–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  14. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Smallest margin of victory (by wickets)–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  15. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Tied matches–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  16. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Most consecutive wins–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  17. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Most consecutive defeats–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪ 
  18. "Records–Twenty20 Internationals–Team records–Most sixes in an innings–ESPN Cricinfo"Cricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৪