টীকা (অনাক্রম্যতা)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

ভ্যাক্সিন(Vaccine) বা টীকা হল এক ধরনের পদার্থ বা মিশ্রন যা অ্যান্টিবডি তৈরী হওয়ার প্রক্রিয়াকে উত্তেজিত করে দেহে কোন একটি রোগের জন্য প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি জন্মাতে সাহায্য করে ।[১] কোনো প্রাণীর দেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস(Virus), ব্যাক্টেরিয়া (Bacteria) ইত্যাদির জীবিত (রোগসূচনাকারী ক্ষমতা শূন্য) বা মৃতদেহ বা কোনো অংশবিশেষ হতে প্রস্তুত ঔষধ যা ঐ প্রাণীর দেহে ঐ ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে আন্টিবডি (Antibody)সৃষ্টি করে। কোন রোগের টীকা হল কেবলমাত্র সেই নির্দিষ্ট রোগটিরই বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা বর্ধনকারী ক্রিয়া সম্পন্ন জৈব উপাচার যা টিকাকরণ (ইনঅক্যুলেশন) অর্থাৎ ত্বকে সূচ ফুটিয়ে দেওয়া হতে পারে বা অন্য উপায়ে যেমন খাবার ড্রপ (যেমন ওরাল পোলিও ভ্যাক্সিন) হিসাবে দেওয়া হতে পারে। ইহাতে সাধারণত মৃতপ্রায় বা মৃত জীবানু অথবা উহার বিষ থেকে তৈরী হওয়া রোগ সৃষ্টিকারী জীবানু-সদৃশ উপাদান থাকে । ইহা উক্ত উপাদানটিকে বহিরাগত হিসেবে সনাক্ত করতে, উহাকে ধবংস করতে এবং স্মৃতিতে রাখতে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে উদ্দীপিত করে, যাতে পরবর্তীতে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ঐ সমস্ত জীবানুকে খুব সহজে পরবর্তী অনুপ্রবেশে সনাক্ত ও ধবংস করতে পারে।

আবিষ্কার[সম্পাদনা]

এডোয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ খ্রীষ্টাব্দে লক্ষ্য করেন গয়লানীরা (cow-maid) গুটি বসন্তের (small pox) মড়কে আক্রান্ত হয়না। তিনি প্রমাণ করেন তাঁর গয়লানীর রক্ত গরুর বসন্তে সংক্রমিত এবং তার টীকা (inoculation) জেমস ফিলিপ নামে ৮বছরের একটি সুস্থ বালককে দেন। একটু মৃদু বসন্ত উপসর্গের পর সে আবার সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে এবং সে গুটি বসন্তের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়।

প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

ভ্যাক্সিন সাধারনত তিন প্রকার-

  1. লাইভ অ্যাটিনিউটেড-যেমন-
  • ব্যাক্টেরিয়াল- বি সি জি,প্লেগ,টাইফয়েড অরাল।
  • ভাইরাল-অরাল পলিও,হাম, পীত জ্বর।
  • রিকেটসিয়াল-এপিডেমিক টাইফাস।
  1. কিলড/ইনঅ্যাকটিভেটেড-
  • ব্যাক্টেরিয়াল-টাইফয়েড,কলেরা,পারটুসিস,
  • ভাইরাল-রেবিস,হেপাটাইটিস-বি।
  1. টক্সয়েড - টিটেনাস,ডিপথেরিয়া।

উৎপাদন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]