টি আলী
টি আলী | |
|---|---|
| পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ৭ ডিসেম্বর ১৯৫৩ – ৪ অক্টোবর ১৯৫৪ | |
| গভর্নর-জেনারেল | মালিক গোলাম মুহাম্মদ |
| দপ্তর | বাণিজ্য |
| পূর্বসূরী | ফজলুর রহমান |
| উত্তরসূরী | আবুল হাসান ইস্পাহানি |
| পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক মন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮ – ৬ ডিসেম্বর ১৯৫৩ | |
| গভর্নর | |
| দপ্তর | অর্থ, রাজস্ব ও কৃষি |
| পূর্বসূরী | |
| উত্তরসূরী | |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | মোঃ তফাজ্জল আলী ১ জুলাই ১৯০৬ ত্রিপুরা জেলা, পূর্ববঙ্গ ও আসাম, ব্রিটিশ ভারত |
| মৃত্যু | ১৩ ডিসেম্বর ১৯৮৮ (বয়স ৮২) ব্যাংকক হাসপাতাল, থাইল্যান্ড |
| সমাধিস্থল | বনানী কবরস্থান |
| রাজনৈতিক দল | পাকিস্তান মুসলিম লীগ |
| অন্যান্য রাজনৈতিক দল | নিখিল ভারত মুসলিম লীগ (১৯৩৭–১৯৪৭) |
| সম্পর্ক | রেজা আলী (পুত্র) |
| বাসস্থান | কসবা ভবন, নিউ ইস্কাটন |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় |
| জীবিকা | আইনজীবী |
মোঃ তফাজ্জল আলী (১৯০৬–১৯৮৮) একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি মিনিস্ট্রি অব ট্যালেন্টসের সদস্য হিসেবে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং আমিন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
জীবনী
[সম্পাদনা]তফাজ্জল ১ জুলাই ১৯০৬ সালে ব্রিটিশ ভারতের পূর্ববঙ্গ ও আসামের ত্রিপুরা জেলার কসবায় জন্মগ্রহণ করেন।[১][২] তিনি কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে কলাবিদ্যায় স্নাতক অর্জন করেন। ১৯৩৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনবিদ্যায় স্নাতক লাভ করার পর তফাজ্জল কলকাতা উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৩৬ সালে তিনি ত্রিপুরা জেলা বোর্ডের সদস্য হন।[২]
তিনি ১৯৪৬ সালের বঙ্গীয় আইনসভা নির্বাচনে ত্রিপুরা উত্তর-পূর্ব আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে বঙ্গীয় আইনসভার সদস্য এবং ডেপুটি স্পিকার হন।[৩][১] ১৯৪৭ সালের পর তিনি পূর্ববঙ্গ আইনসভার সদস্য হন।[৪] ১৯৪৮ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের রাজস্ব বিষয়ক প্রাদেশিক মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান।[৫] পরে তাকে প্রাদেশিক অর্থ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।[১] ১৯৫৩ সালে তিনি পাকিস্তানের বাণিজ্য বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান।[৬]
১৯৫৫ সালে তিনি এক বছরের জন্য মিশরে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।[৭][১] ১৯৬২ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্ট আইনজীবী সমিতি এবং ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন।[৮][১] তফাজ্জল ১৩ ডিসেম্বর ১৯৮৮ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।[১] রাজনীতিবিদ রেজা আলী[৭] এবং সামরিক কর্মকর্তা মেজর সাদেক আলী তার ছেলে ছিলেন।[৯]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 "টি আলীর ইন্তেকাল"। দৈনিক ইত্তেফাক। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৮৮। পৃ. ১, ২।
- 1 2 রিড, স্ট্যানলি (১৯৫০)। The India and Pakistan Year Book and Who's Who (ইংরেজি ভাষায়)। খণ্ড ৩৬। বেনেট, কোলম্যান অ্যামড কোঃ, লিঃ। পৃ. ৭৯১।
- ↑ "Bengal Legislative Assembly Proceedings on Partition of Bengal (The 20th June 1947) Volume LXXII Issue IV" (নথি) (ইংরেজি ভাষায়)। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। ২০০২ [১৯৪৭]। পৃ. V, VIII।
- ↑ প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব। বুড়িচং উপজেলা। ৮ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ পূর্ব্ববঙ্গের নূতন মন্ত্রিসভা বিভিন্ন দপ্তর বণ্টন। যুগান্তর পত্রিকা। ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮। পৃ. ৬।
- ↑ "পাকিস্তান মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ সমাপ্ত"। দৈনিক আজাদ। ৮ ডিসেম্বর ১৯৫৩। পৃ. ১।
- 1 2 "সাবেক এমপি ও বিটপী'র প্রতিষ্ঠাতা রেজা আলী মারা গেছেন"। একাত্তর টিভি। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "SCBA | SCBA Presidents"। এসসিবিএ.অর্গ.বিডি (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২৩।
- ↑ "মেজর (অব.) সাদেক আলীর মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমিতি ঢাকা'র শোক"। দৈনিক ইত্তেফাক। ৭ মার্চ ২০২৩।
- ১৯০৬-এ জন্ম
- ১৯৮৮-এ মৃত্যু
- ২০শ শতাব্দীর বাংলাদেশী আইনজীবী
- মিশরে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত
- পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী
- পূর্ব পাকিস্তানের মন্ত্রী
- পূর্ববঙ্গ আইনসভার সদস্য ১৯৪৭-১৯৫৪
- বঙ্গীয় আইনসভার সদস্য ১৯৪৬-১৯৪৭
- নিখিল ভারত মুসলিম লীগের রাজনীতিবিদ
- ঢাকার আইনজীবী
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রাজনীতিবিদ
- মৌলানা আজাদ কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী