টিনা ফে
টিনা ফে | |
|---|---|
ইংরেজি: Tina Fey | |
২০২২ সালে ফে | |
| জন্ম | এলিজাবেথ স্ট্যাম্যাটিনা ফে ১৮ মে ১৯৭০ |
| শিক্ষা | ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বিএ) |
| পেশা |
|
| কর্মজীবন | ১৯৯৩-বর্তমান |
| দাম্পত্য সঙ্গী | জেফ রিচমন্ড (বি. ২০০১) |
| সন্তান | ২ |
| কৌতুকাভিনয় কর্মজীবন | |
| মাধ্যম |
|
| ধরন | |
| বিষয়(সমূহ) | |
এলিজাবেথ স্ট্যাম্যাটিনা "টিনা" ফে (ইংরেজি: Elizabeth Stamatina Fey; জন্ম ১৮ মে ১৯৭০) একজন মার্কিন অভিনেত্রী, কৌতুকাভিনেত্রী, লেখিকা ও প্রযোজক। স্কেচ কৌতুকাভিনয়, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সুপরিচিত ফে দশটি প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার ও দুটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অর্জন করেছেন এবং একটি গ্র্যামি পুরস্কার ও একটি টনি পুরস্কারের মনোনয়নসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। ফে টাইম সাময়িকীর ২০০৭ ও ২০০৯ সালের বিশ্বের ১০০ সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি তালিকায় স্থান লাভ করেন এবং মার্কিন হাস্যরসের জন্য ২০১০ সালে মার্ক টোয়েন পুরস্কার অর্জন করেন।
ফে ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে শিকাগো-ভিত্তিক তাৎক্ষণিক কৌতুকাভিনয়ের দল দ্য সেকেন্ড সিটির চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবে কৌতুকাভিনয় জীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এনবিসির স্কেচ কৌতুকাভিনয় অনুষ্ঠান স্যাটারডে নাইট লাইভ-এ অভিনয় করেন এবং এর প্রধান লেখিকা, অভিনয়শিল্পী ও উইকেন্ড আপডেট অনুষ্ঠানের সহ-উপস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এরপর এই অনুষ্ঠানে ২০০৮ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রিপাবলিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী সারা পালিনের বিদ্রূপাত্মক ভূমিকায় অতিথি হিসেবে অভিনয় করেন। তিনি এনবিসির সিটকম থার্টি রক (২০০৬-২০১৩)-এ লিজ লেমন চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন, যার জন্য তিনি প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার, দুটি গোল্ডেন গ্লোবস ও চারটি অ্যাক্টর পুরস্কার অর্জন করেন।
ফে প্রায়ই অ্যামি পোলারের সাথে স্যাটারডে নাইট লাইভ-এ কাজ করতেন এবং পরে মিন গার্লস (২০০৪), বেবি মামা (২০০৮), সিস্টার্স (২০১৫) ও ওয়াইন কান্ট্রি (২০১৯) চলচ্চিত্রে একসাথে অভিনয় করেন। তারা একত্রে ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ ও ২০২১ সালে চারবার গোল্ডেন গ্লোবস অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]এলিজাবেথ স্ট্যাম্যাটিনা ফে ১৯৭০ সালের ১৮ই মে পেন্সিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের ডেলাওয়্যার কাউন্টির আপার ডার্বি টাউনশিপে জন্মগ্রহণ করেন।[১][২] ফে'র মাতা জেনোবিয়া "জিঅ্যান" (১৯৩০-২০২৪) গ্রিসের পিরেউসে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ব্রোকারেজ হাউজে কাজ করতেন।[৩][৪] ফে'র নানী ভাসিলিকি কুরেলাকু গ্রিসের লাকোনিয়ার পেট্রিনা গ্রাম ছেড়ে একাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং ১৯২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান।[৫][৬] ফে'র নানা কনস্টান্টিন জেনাকেস গ্রিক দ্বীপ ইকারিয়ার পানাজিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।[৭] তার পিতা ডোনাল্ড হেনরি ফে (১৯৩৩-২০১৫) কোরীয় যুদ্ধের যোদ্ধা, পেন্সিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও টমাস জেফারসন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসক ছিলেন। ফে'র পিতার পূর্বপুরুষগণ ইংরেজ, জার্মান ও স্কটস-আইরিশ ছিলেন। তার পিতার দিক থেকে একজন পূর্বপুরুষ ছিলেন ইংরেজ টেক্সটাইল প্রস্তুতকারক জন হিউসন, যিনি বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের সহযোগিতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। ফ্রাঙ্কলিন তাকে পেন্সিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়ার নিকটবর্তী কেনসিংটনে একটি ফ্যাক্টরি খুলতে সহযোগিতা করেন।[৫]
শৈশবে তার ডাকনাম ছিল "টিনা"।[৮][৯] মাত্র ১১ বছর বয়সে তিনি কৌতুকাভিনয় বিষয়ক একটি স্কুল প্রজেক্টে জো ফ্র্যাঙ্কলিনের সেভেন্টি ইয়ার্স অব গ্রেট ফিল্ম কমেডিয়ান্স পড়েছিলেন। তিনি সেকেন্ড সিটি টেলিভিশন দেখে বড় হয়েছেন এবং ক্যাথরিন ওহ্যারাকে তার আদর্শ বলে উল্লেখ করেন।[১০]
ফে আপার ডার্বির কার্ডিংটন-স্টোনহার্স্ট এলিমেন্টারি স্কুল ও বেভারলি হিলস মিডল স্কুলে পড়াশোনা করেন।[১১] মিডল স্কুলে তিনি অনুধাবন করেন তার কৌতুকাভিনয়ের প্রতি আগ্রহ রয়েছে।[১২] ফে আপার ডার্বি হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন, সেখানে তিনি ঐকতান-বাদকদল, নাট্যকলা ক্লাব ও টেনিস দলের সদস্য ছিলেন এবং বিদ্যালয়ের সংবাদপত্র দি অ্যাকর্ন-এর সহ-সম্পাদক ছিলেন।[১৩][১৪] তিনি অজ্ঞাত পরিচয়ে এই সংবাদপত্রের বিদ্রূপাত্মক সম্পাদকীয় দ্য কর্নেল লিখতেন।[১৫] ১৯৮৮ সালে বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে[১১][১৬] তিনি ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে তিনি নাটক রচনা ও অভিনয় নিয়ে পড়াশোনা করেন এবং পেটওয়ে পুরস্কার অর্জন করেন।[১৭] ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তিনি ডেল্টা জিটা সরোরিটি এবং শিক্ষার্থীদের থিয়েটার সংগঠন ফার্স্ট ইয়ার প্লেয়ার্সের সদস্য ছিলেন।[১৮] ১৯৯২ সালে তিনি নাট্যতত্ত্বে কলাবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।[১৯]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]স্নাতক সম্পন্ন করার পর ফে শিকাগোতে পাড়ি জমান। তিনি দিনে ইলিনয়ের ইভানস্টনে ওয়াইএমসিএতে অভ্যর্থনাকারী হিসেবে কাজ করতেন এবং রাতে তাৎক্ষণিক কৌতুকাভিনয় দল দ্য সেকেন্ড সিটিতে ক্লাস করতেন।[২০] ফে ১৯৯৩ সালে ইমপ্রভ অলিম্পিকে মুজরো করতেন, সেখানে প্রথমে তিনি তার ভবিষ্যৎ স্বামী পিয়ানোবাদক জেফ রিচমন্ড ও তার সহশিল্পী অ্যামি পোলারের সাথে কাজ করেন।[২১] ফে ও রিচমন্ড উভয়ই সেকেন্ড সিটিতে চাকরি পান। ফে কিংবদন্তিতুল্য গীতিনাট্য প্যারাডাইম লস্টে রেচল ড্র্যাচ, কেভিন ডর্ফ, স্কট অ্যাডসিট, জেনা জলোভিৎজ ও জিম জুলেভিচের সাথে অভিনয় করেন।[২২]
১৯৯৭ সালে দ্য সেকেন্ড সিটির অনুষ্ঠানে পরিবেশনার সময়[২৩][২৪] ফে এনসবিসির বিচিত্রানুষ্ঠান স্যাটারডে নাইট লাইভ-এর প্রধান লেখক ও সেকেন্ড সিটির প্রাক্তন কৌতুকাভিনেতা অ্যাডাম ম্যাকির অনুরোধে এই অনুষ্ঠানের জন্য কয়েকটি পাণ্ডুলিপি জমা দেন।[৩] অনুষ্ঠানটির নির্মাতা লর্ন মাইকেলস একটি সাক্ষাতের পর তাকে লেখক হিসেবে নিয়োগ দেন[২৫] এবং তিনি শিকাগো থেকে নিউ ইয়র্কে পাড়ি জমান।[২৬] ফে দ্য নিউ ইয়র্কার-কে বলেন, "আমার এই অনুষ্ঠানের প্রতি সর্বদায় নজর ছিল, যেমনটা অন্যান্য বাচ্চাদের ডেরেক জিটারের প্রতি থাকে।"[৩] এসএনএলে শুরুতে তাকে সংগ্রাম করতে হয়।[২৬] তার প্রথম প্রচারিত স্কেচ ছিল স্যালি জেসি রাফায়েলের বিদ্রূপাত্মকে ক্রিস ফার্লি অভিনীত কৌতুকাভিনয়।[২৬] ফে এরপর এবিসির প্রাতকালীন কথোপকথন অনুষ্ঠান দ্য ভিউ-সহ একাধিক লালিকা রচনা করেন।[২৭] তিনি রেচল ড্র্যাচের সাথে যৌথভাবে "সালি অ্যান্ড ডেনিস" স্কেচ রচনা করেন,[২৬] ড্র্যাচ এতে একজন কিশোরী চরিত্রে অভিনয় করতেন।[২৭]
২০০১ সালে ফে ও এই অনুষ্ঠানের বাকি লেখকদল এসএনএলের ২৫তম বার্ষিকীর বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য রাইটার্স গিল্ড অব আমেরিকা পুরস্কার অর্জন করেন।[৩] পরের বছর ২০০২ সালের ৫৪তম প্রাইমটাইম এমি পুরস্কারে তারা বিচিত্রানুষ্ঠান, সঙ্গীত ও হাস্যরসাত্মক অনুষ্ঠানের সেরা লেখনী বিভাগে এমি পুরস্কার অর্জন করেন।[২৮]
২০২৫ সালের ১লা মে থেকে নেটফ্লিক্সে দ্য ফোর সিজন্স এর স্ট্রিমিং শুরু হয়। এটি অ্যালান আলডার ১৯৮১ সালের একই নামের চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত। ফে ট্রেসি উইগফিল্ড ও ল্যাং ফিশারের সাথে যৌথভাবে আধুনিক সংস্করণটি নির্মাণ করেন। এতে তিনি কলম্যান ডমিঙ্গো, কেরি কিনারি-সিলভার, স্টিভ ক্যারল, উইল ফোর্ট, এরিকা হেনিংসন ও মার্কো ক্যালভানির সাথে অভিনয় করেন। ২০২৫ সালের ১৪ই মার্চ নেটফ্লিক্স এর দ্বিতীয় মৌসুম নির্মাণের ঘোষণা দেয়।[২৯]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Monitor"। এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি। নং ১২০৭। Time Inc.। ১৮ মে ২০১২। পৃ. ২৯।
- ↑ মক, জ্যানেট। "Tina Fey Biography"। People। পৃ. ১। ২৯ মার্চ ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 4 হেফারনান, ভার্জিনিয়া (৩ নভেম্বর ২০০৩)। "Annals of Entertainment: Anchor Woman; Tina Fey rewrites late-night comedy"। দ্য নিউ ইয়র্কার। ১৪ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Tina Fey Celebrates Her 50th Birthday"। দ্য ন্যাশনাল হেরাল্ড। ২২ মে ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "Ancient Roots – Full Episode"। Episode transcript। ফাইন্ডিং ইউর রুটস। ১৮ নভেম্বর ২০১৪। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Three Greek Americans trace their roots in popular US show"। ২০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Family tree of Constantine Xenakes"। জিনিয়ানেট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ পিয়েরডোমেনিকো, ক্রিস (৮ অক্টোবর ২০০৭)। "The Quad chats with '30 Rock' star Tina Fey"। দ্য কোয়াড। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ ডাক, শার্লট (১ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। "Celebrities who changed their names"। গ্ল্যামার। ৮ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ লেভিন, স্টুয়ার্ট (৩০ জুলাই ২০০৭)। "Tina Fey"। ভ্যারাইটি। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "Wall of Fame — Upper Darby High School: Tina Fey"। Upper Darby School District। ২৩ জুলাই ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ মারি, নোয়েল (১ নভেম্বর ২০০৬)। "Interviews: Tina Fey"। দি এ.ভি. ক্লাব। ২৯ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ স্টাইন, জোয়েল (১৮ এপ্রিল ২০০৪)। "Goddess of the Geeks"। টাইম। ১৪ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ স্পিট্জনাজেল, এরিক (জানুয়ারি ২০০৮)। "Tina Fey Interview"। প্লেবয়। ২৬ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ ডান, জ্যানসি (এপ্রিল ২০০৮)। "Tina Fey: Funny Girl"। রিডার্স ডাইজেস্ট। পৃ. ১। ২৫ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Tina Fey Gets the Last Laugh"। ফক্স নিউজ। ২৫ এপ্রিল ২০০৪। ৭ এপ্রিল ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ কাপলান, জেমস (৯ মার্চ ২০০৮)। "Making It All Work"। প্যারেড। ২১ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ গ্রুৎজিক, রেনে (২৩ এপ্রিল ২০২৩)। "UVA Alumna Tina Fey: 'It Feels So Good To Be Back'"। ইউভিএ টুডে। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ অ্যাডামস, গাই (৪ অক্টোবর ২০০৮)। "Tina Fey: Queen of satire"। দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট। লন্ডন। ২১ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ গ্রাহাম, জর্ডান (২৮ মার্চ ২০১৩)। "Four Celebrities With Surprising Evanston Connections"। প্যাচ মিডিয়া। ২১ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ লোগান, লিজি; ফক্স, জেসি ডেভিড (১ মার্চ ২০২১)। "The History of Tina Fey and Amy Poehler's Best Friendship"। ভালচার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ জোন্স, ক্রিস (১৯ ডিসেম্বর ২০১৯)। "How Tina Fey's Chicago love story led to the movie and musical 'Mean Girls'"। শিকাগো ট্রিবিউন। ২২ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "The Second City – Tina Fey"। দ্য সেকেন্ড সিটি (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Tina Fey's climb to the top of the comedy heap"। পপম্যাটার্স। ১২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ লেভিন, গ্যারি (৮ ফেব্রুয়ারি ২০০১)। "Fey makes way in funnyman's world"। ইউএসএ টুডে: ৪.ডি।
- 1 2 3 4 গে, জেসন (৪ মার্চ ২০০১)। "Meet Four-Eyed New Sex Symbol, 'Weekend Update' Anchor Tina Fey"। দ্য নিউ ইয়র্ক অবজারভার। ৯ জানুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 ফ্রেডকিন, ডোনা (২২ এপ্রিল ২০০৪)। "Fey gets her skewers out"। ইউএসএ টুডে। ১ জুন ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ ওনিল, টম (৯ অক্টোবর ২০০৮)। "Do Tina Fey + Sarah Palin = Emmy Award?"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। ১১ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ গোমেজ, ডেসি (১৪ মে ২০২৫)। "'The Four Seasons' Renewed For Season 2 At Netflix"। ডেডলাইন হলিউড (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে টিনা ফে (ইংরেজি)
- টার্নার ক্লাসিক মুভিজ ডেটাবেজে টিনা ফে (ইংরেজি)
| গণমাধ্যম ক্ষেত্রের পদ | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী কলিন কুইন |
উইকেন্ড আপডেট উপস্থাপক জিমি ফ্যালনের সাথে ২০০০–২০০৪, অ্যামি পোলারের সাথে ২০০৪–২০০৬ ২০০০–২০০৬ |
উত্তরসূরী সেথ মায়ার্স ও অ্যামি পোলার |
- ১৯৭০-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন কৌতুকাভিনেত্রী
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন চিত্রনাট্যকার
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন লেখিকা
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন কৌতুকাভিনেত্রী
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন চিত্রনাট্যকার
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন লেখিকা
- ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- গ্রিক বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- স্কচ-আইরিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- অডিওবই পাঠক
- নারীবাদী কৌতুকাভিনয়শিল্পী
- পেন্সিলভেনিয়ার চলচ্চিত্র প্রযোজক
- পেন্সিলভেনিয়ার চিত্রনাট্যকার
- পেন্সিলভেনিয়ার টেলিভিশন প্রযোজক
- ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- মার্কিন আত্মজীবনীকার
- মার্কিন কণ্ঠাভিনেত্রী
- মার্কিন কৌতুকাভিনেত্রী
- মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
- মার্কিন টেলিভিশন অভিনেত্রী
- মার্কিন টেলিভিশন পরিচালক
- মার্কিন টেলিভিশন লেখিকা
- মার্কিন নারী চলচ্চিত্র প্রযোজক
- মার্কিন নারী চিত্রনাট্যকার
- মার্কিন নারী টেলিভিশন পরিচালক
- মার্কিন নারী টেলিভিশন প্রযোজক
- মার্কিন নারী আত্মজীবনীকার
- মার্কিন নারীবাদী
- মার্কিন স্কেচ কৌতুকাভিনেত্রী
- শ্রেষ্ঠ সঙ্গীতধর্মী বা হাস্যরসাত্মক অভিনেত্রী (টেলিভিশন) বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব বিজয়ী
- হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিকে সেরা প্রধান অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী
- হাস্যরসাত্মক ধারাবাহিকে সেরা অতিথি অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী
- রাইটার্স গিল্ড অব আমেরিকা পুরস্কার বিজয়ী