টালা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
টালা বাঁধ
দেশভুটান
অবস্থানচুখা জেলা
অবস্থাচালু
নির্মাণ শুরু১৯৯৭
পাওয়ার স্টেশন
সম্পাদনের তারিখ2006-2007

টালা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বা টালা হাইড্রোইলেক্ট্রিক পাওয়ার স্টেশন (ইংরেজি: Tala Hydroelectric Power Station ) হল ভুটানের চুখা জেলার ওয়াংচু নদীতে নির্মিত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র।এই স্টেশনটি একটি ৯২ মিটার (৩০২ ফুট) লম্বা মাধ্যাকর্ষণ বাঁধ যার একটি বিদ্যুৎ স্টেশন (২৬ ° 50'২৬.৬৬" উত্তর ০৮৯ ° ৩৫'১২.৫৫" পূর্ব) যা ২২ কিলোমিটার (১৪ মাইল) লম্বা সুড়ঙ্গ দিয়ে জলের প্রবাহ তৈরি করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।ছয়টি ১৭০ মেগাওয়াট পেল্টন টারবাইন-জেনারেটর রয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে।[১] বাঁধ এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে ৮৬০ (২,৮২২ ফুট) মিটার উচ্চতার একটি জলবাহী মাথা পার্থক্য দেয়। [২]

প্রকল্পটি প্রারম্ভিক নির্মাণ ১৯৯৭ সালে শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত প্রধান কাজ চলছিল। প্রথম জেনারেটর ৩১ জুলাই ২০০৬ তারিখে কমিশন করা হয় এবং ৩০ মার্চ ২০০৭ চালু হয়।[৩] প্রকল্প খরচ প্রায় $ ৯০০ মিলিয়ন এবং ভারত দ্বারা অনুদান ও ঋণের মাধ্যমে ৯% সুদের হারে অর্থায়ন করা হয়েছিল।তিনটি ৪৪০ কিলোবাইট ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ ভারতে রপ্তানি করা হয়।[২]

বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দেশের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ১৯৮৮ সালে চুখা প্রকল্প (৩৩৬ মেগাওয়াট), ২০০১ সালে কুরিখু (৬০ মেগাওয়াট) এবং ২০০৫ সালে বসুখো (৪০ মেগাওয়াট) প্রকল্পের পরে চতুর্থ প্রকল্প। বিদ্যুৎ রাজস্বের আয় কম হবে না বলে আশা করা হয়েছিল ।২০০৯ সালে বিদ্যুৎ রাজস্বের আয় হয় সরকারের সমগ্র রাজস্বের ৬০% এর চেয়েও বেশি। তবুও ভুটানদের মাত্র ৬৬% এবং তার গ্রামের ৩৯% বিদ্যুতায়িত হয়।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Salient Features - Tala"। DrukGreen। ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  2. "Tala Hydroelectric Project, Bhutan"। Power Technology। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ [অনির্ভরযোগ্য উৎস?]
  3. "Tala Hydropower Plant"। DrukGreen। ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  4. "Bhutan's happiness is large dam, fast GDP"। The Economic Times, India। ২ নভেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৪