ঝিন্দের বন্দী
| ঝিন্দের বন্দী | |
|---|---|
পোস্টার | |
| পরিচালক | তপন সিংহ |
| রচয়িতা | শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় |
| শ্রেষ্ঠাংশে | উত্তম কুমার রাধামোহন ভট্টাচার্য সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় অরুন্ধতী দেবী তরুণ কুমার দিলীপ রায় সাধনা রায় |
| সুরকার | আলী আকবর খান |
| মুক্তি | ১৯৬১ |
| দেশ | ভারত |
| ভাষা | বাংলা |
ঝিন্দের বন্দী চলচ্চিত্রটি তৈরি হয়েছিল শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের একই নামের উপন্যাসের কাহিনী নিয়ে। এই সিনেমার মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন উত্তম কুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং অরুন্ধতী দেবী।
শুটিং তথ্য
[সম্পাদনা]ছবির কাজ শুরু করার আগে তার নায়ককে বললেন, ‘‘তোমাকে একটু ঘোড়ায় চড়া শিখতে হবে।’’ উত্তমকুমার শুনে বললেন, ‘‘জানতাম, জানো। অনেক দিন চড়ি না, এই যা। প্র্যাকটিস করতে হবে।’’ ব্যবস্থা করে দিলেন পরিচালক। ভোর পাঁচটায় উঠে ময়দানে ঘোড়া চড়তেন তার নায়ক। একেবারে নিয়ম করে। সে যত কাজই থাকুক। তাতে ফলও মিলল হাতেনাতে। শ্যুটিং-এর সময় তাকে দেখে তপন সিংহর মনে হয়েছিল, এ নায়ক উত্তমকুমার নয়, পোড়খাওয়া কোনও এক ঘোড়-সওয়ার।
ছবির জন্য তরোয়াল খেলাও শিখতে হবে। তাতেও রাজি হলেন নায়ক। ম্যাসি টেলর বলে একজন বিদেশিকে আনলেন তপন সিংহ। অলিম্পিক বিজয়ী। চেয়ারে বসে ম্যাসির অসিচালনা দেখে দেখে তাকে হুবহু কপি করে ফেললেন নায়ক। পরিচালক তো বটেই, চমকে গিয়েছিলেন স্বয়ং ম্যাসিও।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র
- ভারতীয় চলচ্চিত্র
- ১৯৯৪-এর চলচ্চিত্র
- ভারতীয় ঐতিহাসিক নাট্য চলচ্চিত্র
- বাংলা ভাষার ভারতীয় চলচ্চিত্র
- ভারতীয় সাদাকালো চলচ্চিত্র
- ভারতীয় উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র
- ভারতীয় ঐতিহাসিক অভিযানধর্মী চলচ্চিত্র
- ভারতীয় ঐতিহাসিক মারপিটধর্মী চলচ্চিত্র
- ১৯৬১-এর চলচ্চিত্র
- ১৯৬১-এর ভারতীয় চলচ্চিত্র
- ১৯৬১-এর বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র
- ভারতীয় মারপিটধর্মী চলচ্চিত্র
- কলকাতার পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- কলকাতায় ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- মধ্যপ্রদেশের পটভূমিতে চলচ্চিত্র
- মধ্যপ্রদেশে ধারণকৃত চলচ্চিত্র
- রাজা সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- রাজপদ সম্পর্কে চলচ্চিত্র