জোর্জে লুইজ ফ্রেলো ফিলিয়ো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জর্জিনিয়ো
Jorginho 2020.jpg
২০২০ সালে চেলসির হয়ে জর্জিনিয়ো
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম জোর্জে লুইজ ফ্রেলো ফিলিয়ো[১]
জন্ম (1991-12-20) ২০ ডিসেম্বর ১৯৯১ (বয়স ২৯)[২]
জন্ম স্থান ইম্বিতুবা, ব্রাজিল
উচ্চতা ১.৮০ মিটার (৫ ফুট ১১ ইঞ্চি)[২]
মাঠে অবস্থান মধ্যমাঠের খেলোয়াড়
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব
চেলসি
জার্সি নম্বর
যুব পর্যায়
২০০৭–২০১০ এল্লাস ভেরোনা
জ্যেষ্ঠ পর্যায়*
বছর দল ম্যাচ (গোল)
২০১০–২০১৪ এল্লাস ভেরোনা ৮৯ (১১)
২০১০–২০১১সাম্বোনিফাচেসে (ধার) ৩১ (১)
২০১৪–২০১৮ নাপোলি ১৩৩ (২)
২০১৮– চেলসি ৯৬ (১৩)
জাতীয় দল
২০১৬– ইতালি ২৮ (৫)
* শুধুমাত্র ঘরোয়া লীগে ক্লাবের হয়ে ম্যাচ ও গোলসংখ্যা গণনা করা হয়েছে এবং ০৩:৪৩, ৭ জুন ২০২১ (ইউটিসি) তারিখ অনুযায়ী সকল তথ্য সঠিক।
‡ জাতীয় দলের হয়ে ম্যাচ ও গোলসংখ্যা ০৩:৪৩, ৭ জুন ২০২১ (ইউটিসি) তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

জোর্জে লুইজ ফ্রেলো ফিলিয়ো (পর্তুগিজ উচ্চারণ: [ˈʒoɾ.ʒɨ ɫu.ˈiʃ ˈfɾe.ɫɫu ˈfi.ʎu], পর্তুগিজ: Jorginho; জন্ম: ২০ ডিসেম্বর ১৯৯১; জর্জিনিয়ো (পর্তুগিজ উচ্চারণ: [ʒuɾ.ˈʒi.ɲu]) নামে সুপরিচিত) হলেন একজন ইতালীয় পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়। তিনি বর্তমানে ইতালির পেশাদার ফুটবল লীগের শীর্ষ স্তর প্রিমিয়ার লীগের ক্লাব চেলসি এবং ইতালি জাতীয় দলের হয়ে মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। তিনি মূলত রক্ষণাত্মক মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে খেললেও মাঝেমধ্যে কেন্দ্রীয় মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে খেলে থাকেন।

২০১৬ সালে, জর্জিনিয়ো ইতালির হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক করেছেন; ইতালির জার্সি গায়ে তিনি এপর্যন্ত ২৮ ম্যাচে ৫টি গোল করেছেন। তিনি ইতালির হয়ে এপর্যন্ত ১টি উয়েফা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে (২০২০) অংশগ্রহণ করেছেন। দলগতভাবে, জর্জিনিয়ো এপর্যন্ত ৪টি শিরোপা জয়লাভ করেছেন, যার মধ্যে ২টি নাপোলির হয়ে এবং ২টি চেলসির হয়ে জয়লাভ করেছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

জোর্জে লুইজ ফ্রেলো ফিলিয়ো ১৯৯১ সালের ২০শে ডিসেম্বর তারিখে ব্রাজিলের ইম্বিতুবায় জন্মগ্রহণ করেছেন,[৩] তবে মাত্র ১৫ বয়স বয়সে তিনি ইতালিতে স্থানান্তরিত হয়েছেন।[৪][৫] তিনি তার পিতামহ জাকোমো ফ্রেলোর সূত্রে ইতালীয় বংশোদ্ভূত,[৬] যিনি ভেনেতোর লুসিয়ানায় বসবাস করেছিলেন। তিনি তার পিতামহের কারণেই ইতালীয় নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন; এর পাশাপাশি তিনি ব্রাজিলীয় নাগরিকত্বও ধারণ করেন।[৭][৮] তিনি ফুটবল খেলায় উৎসাহিত করার জন্য তার মাকে কৃতিত্ব দিয়েছেন।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "2018/19 Premier League squads confirmed"। Premier League। ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  2. "Jorginho"। Chelsea F.C.। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০১৮ 
  3. Sergio Chesi (১৬ মার্চ ২০১৬)। "Jorginho da Oscar: sua la miglior regia in Serie A. Per il Napoli... e l'Italia?"Goal.com (ইতালীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০১৬ 
  4. Sergio Chesi (২৭ অক্টোবর ২০১৫)। "Da Rafa a Conte, passando per Sarri: Jorginho si prende il Napoli e l'Italia"Goal.com (ইতালীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০১৬ 
  5. "La Nazionale brasiliana segue Jorginho, ma lui vuole giocare nell'Italia" (ইতালীয় ভাষায়)। Il Mattino। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০১৬ 
  6. Di Marzio, Gianluca (১ অক্টোবর ২০১২)। "Hellas, Jorginho diventa italiano. E l'Under 21..."gianlucadimarzio.com (ইতালীয় ভাষায়)। G.D.M. Comunication। ৪ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  7. Valentino Beccari (২৭ মার্চ ২০১৬)। "Conte, con la Germania un'altra rivoluzione" (ইতালীয় ভাষায়)। Il Centro। ৩০ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০১৬ 
  8. Fabio Tarantino (২৭ জানুয়ারি ২০১৪)। "Jorginho si racconta a +N: "Grande progetto e tecnico vincente. Che emozione l'esordio! Persi punti, ma Roma e Juve non sono così superiori. Sogno il mondiale"" (ইতালীয় ভাষায়)। TuttoNapoli। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০১৬ 
  9. "Jorginho: Chelsea midfielder praises amazing mother on International Women's Day"BBC Sport। ৮ মার্চ ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]