বিষয়বস্তুতে চলুন

জে মার্সিকুট্টি আম্মা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জে. মার্সিকুট্টি আম্মা
মৎস্য, বন্দর প্রকৌশল, কাজু শিল্প মন্ত্রী, কেরালা মৎস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-চ্যান্সেলর
কাজের মেয়াদ
২৫ মে ২০১৬ (2016-05-25)   মে ২০২১ (2021-05-03)
উত্তরসূরীসাজি চেরিয়ান
কেরল বিধানসভার সদস্য
কাজের মেয়াদ
২০১৬  ২০২১
পূর্বসূরীএম. এ. বেবি
উত্তরসূরীপি. সি. বিষ্ণুনাথ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1955-09-30) ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫ (বয়স ৭০)
কোল্লাম, কেরালা, ভারত
জাতীয়তাভারতীয়
রাজনৈতিক দলভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)
দাম্পত্য সঙ্গীবি তুলসীধর কুরুপ
সন্তান
পিতামাতা
  • ফ্রান্সিস
  • জৈনম্মা

জে মার্সিকুট্টি আম্মা (জন্ম: ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। তিনি ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত কেরালা সরকারের মৎস্য, বন্দর প্রকৌশল, কাজু শিল্প ও মৎস্য বিশ্ববিদ্যালয় মন্ত্রী ছিলেন।[] তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে তিনবার কেরালার কোল্লামের কুন্দারা নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]

জে মার্সিকুট্টি আম্মা ১৯৫৫ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর মুনরোথুরথুতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা ও বাবা ছিলেন যথাক্রমে জৈনাম্মা এবং ফ্রান্সিস। তিনি কোল্লামের ভারতীয় ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি বি. তুলসীধর কুরুপের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।[][] তিনি কোল্লামের কেরালাপুরমে থাকেন।

শিক্ষা

[সম্পাদনা]

মার্সিকুট্টি আম্মা মালয়ালমে স্নাতকোত্তর এবং এলএল. বি. কোর্স সম্পন্ন করেছেন।

রাজনৈতিক জীবন

[সম্পাদনা]

ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় কর্মী হিসেবে দীর্ঘ যাত্রার পর, মার্সিকুট্টি আম্মা বামপন্থী রাজনীতিতে নিজের আসন লাভ করেন। ১৯৭৪ সালে তিনি স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইণ্ডিয়ার (এসএফআই) একজন কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি কোল্লামের ফতিমা মাঠা ন্যাশনাল কলেজ এবং কোল্লামের শ্রী নারায়ণ কলেজে এসএফআইয়ের পদাধিকারী ছিলেন। তিনি ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত এসএফআই রাজ্য সহ-সভাপতি এবং সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[]

তিনি সিআইটিইউ এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) দলে বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি ২০১২ সাল পর্যন্ত কোল্লামের মৎস্যথোজিলালি (মৎস্যজীবী) ফেডারেশনের জেলা কমিটির সভাপতি ছিলেন এবং ১৯৮৭ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত রাজ্য সহ-সভাপতি ছিলেন।[] তিনি ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত কোল্লামের কয়ার শ্রমিক ইউনিয়নের জেলা কোষাধ্যক্ষ এবং খাদি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন। তিনি কেরালা রাজ্য সমবায় ফেডারেশন ফর ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের (মৎস্যফেড) চেয়ারপারসনও ছিলেন।

তিনি সিপিআই (এম) রাজ্য কমিটির সদস্য; সিআইটিইউ-এর সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং রাজ্য সম্পাদক; কেরালা কাজু শ্রমিক কেন্দ্রের সহ-সভাপতি।[]

তিনি প্রথমবারের মতো ১৯৮৭ সালে কেরালা বিধানসভায় নির্বাচিত হন (২৬ মার্চ ১৯৮৭ – ১৭ জুন ১৯৯১)। ১৯৯৬ সালে তিনি আবার কেরালা বিধানসভায় নির্বাচিত হন (২০ মে ১৯৯৬ – ১৩ মে ২০০১)। মার্সিকুট্টি আম্মা ২০১৬ সালে তৃতীয়বারের মতো কেরালা বিধানসভায় নির্বাচিত হন এবং মৎস্য, বন্দর প্রকৌশল ও কাজু শিল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হন।[]

তিনি ২০২১ সালের কেরালা বিধানসভা নির্বাচনে কুন্দারা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পি সি বিষ্ণুনাথের কাছে ৫,০৭৯ ভোটে পরাজিত হন।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "J. Mercykutty Amma - Government of Kerala, India"[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "Smt. J. Mercykutty Amma - 1. KLA_Title" (পিডিএফ)
  3. 1 2 3 "Members - Kerala Legislature"www.niyamasabha.org। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২০
  4. "Smt. J. Mercykutty Amma - 1. KLA_Title" (পিডিএফ)
  5. "PC Vishnunath sinks Mercykutty Amma in Kundara, only minister in fray to suffer defeat"PC Vishnunath sinks Mercykutty Amma in Kundara, only minister in fray to suffer defeat (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

টেমপ্লেট:Pinarayi Vijayan Cabinet 2016