বিষয়বস্তুতে চলুন

জুলাই ঘোষণাপত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(জুলাই বিপ্লব ঘোষণাপত্র থেকে পুনর্নির্দেশিত)
জুলাই ঘোষণাপত্র
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করছেন
উপস্থাপন৫ আগস্ট ২০২৫
অবস্থানমানিক মিয়া এভিনিউ, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ
লেখকঅন্তর্বর্তীকালীন সরকার
উদ্দেশ্যছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান

জুলাই বিপ্লব ঘোষণাপত্র বা জুলাই ঘোষণাপত্র হলো বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের একটি সরকারি ঘোষণা। বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এটি ঘোষণা করেন। ঘোষণাপত্রটিতে জুলাই বিপ্লবে নিহতদের জাতীয় বীর ও আহতদের সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়েছে। ঘোষণাপত্রটি পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার সংস্কার করা সংবিধানের তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করবে।[][]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি একটি রাজনৈতিক ঘোষণাপত্র প্রকাশের পরিকল্পনা জানায়, যা জুলাই ঘোষণাপত্র নামে পরিচিত।[] ২০২৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এটির প্রকাশ ঘোষণা করে এবং ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশের সময়সূচি নির্ধারণ করে। এই ঘোষণার সময় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন যে, ঘোষণাপত্রের উদ্দেশ্য হলো আওয়ামী লীগকে—একটি নাৎসি শাসনের সাথে তুলনা করে—অপ্রাসঙ্গিক করে তোলা এবং ১৯৭২-এর সংবিধানের কবর রচনা করা।[] যদিও সরকার প্রাথমিকভাবে এতে জড়িত ছিল না, পরবর্তীতে তারা এই উদ্যোগে যুক্ত হয় এবং শাসন-সংক্রান্ত প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংস্কার কমিশনগুলোর আলোচনা শুরু হয়। একই সময়ে, জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদ প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলতে থাকে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ের শুরুতে ঘোষণাপত্রের একটি প্রাথমিক খসড়া প্রস্তুত করা হয় এবং বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীজাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মতামত চাওয়া হয়।[] ১ আগস্টের মধ্যে সরকার-সমর্থিত দুই ছাত্র উপদেষ্টা নিশ্চিত করেন যে চূড়ান্ত সংস্করণটি ৫ আগস্টের আগে প্রকাশ করা হবে।[] ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন।

ঘোষণাপত্র

[সম্পাদনা]
জুলাই ঘোষণাপত্র
  1. যেহেতু উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের সুদীর্ঘ ধারাবাহিকতায় এই ভূখণ্ডের মানুষ ২৩ বছর ধরে পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল, নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল।
  2. যেহেতু বাংলাদেশের আপামর জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছিল।
  3. যেহেতু স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতির কাঠামোগত দুর্বলতা ও অপপ্রয়োগের কারণে আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ক্ষুণ্ন করেছিল।
  4. যেহেতু স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার বিপরীতে বাকশাল নামে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করে মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করেছিল, যার প্রতিক্রিয়ায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব সংঘটিত হয়, এবং পরবর্তীতে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়।
  5. যেহেতু আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে নয় বছরব্যাপী ছাত্র-জনতার সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্র চালু হয়।
  6. যেহেতু দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়ে ১/১১-এর পটপরিবর্তনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার একচ্ছত্র আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের পথ উন্মুক্ত হয়।
  7. যেহেতু গত ষোলো বছরে একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অবৈধ ও অগণতান্ত্রিকভাবে সংবিধান পরিবর্তন করে একচ্ছত্র ক্ষমতা কায়েম করা হয়।
  8. যেহেতু শেখ হাসিনার সরকারের দুঃশাসন, গুম-খুন, আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ ও একদলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন বাংলাদেশের সকল রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে।
  9. যেহেতু শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার একটি ফ্যাসিবাদী, মাফিয়া ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে রূপ দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।
  10. যেহেতু তথাকথিত উন্নয়নের নামে সীমাহীন দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, অর্থপাচার ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেশের সম্ভাবনা বিপর্যস্ত করা হয়েছে এবং পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু হুমকির মুখে পড়েছে।
  11. যেহেতু রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনসহ সাধারণ জনগণ নিরন্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, গুম ও খুনের শিকার হয়েছে।
  12. যেহেতু বিদেশি শক্তির অন্যায় খবরদারির বিরুদ্ধে জনগণের ন্যায্য আন্দোলন দমন করতে আওয়ামী লীগ সরকার বর্বর বলপ্রয়োগ করেছে।
  13. যেহেতু ২০১৪, ২০১৮২০২৪ সালের প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
  14. যেহেতু বিরোধী মতাবলম্বী রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, ছাত্র ও তরুণদের নির্যাতন করা হয়েছে এবং দলীয় নিয়োগ ও কোটাভিত্তিক বৈষম্যে ছাত্রসমাজে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
  15. যেহেতু বিরোধী দল ও সংগঠনের ওপর দমন-পীড়নের ফলে জনরোষ সৃষ্টি হয় এবং জনগণ গণতান্ত্রিক পন্থায় ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই চালিয়ে যেতে থাকে।
  16. যেহেতু ছাত্র-আন্দোলনের সময় কোটা বৈষম্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে সরকার নির্মম দমন-পীড়ন, হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ চালায়, যার ফলে দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার গণবিক্ষোভ গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
  17. যেহেতু ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সকল স্তরের মানুষ যুক্ত হয় এবং আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বাহিনী নারী-শিশুসহ প্রায় এক হাজার মানুষকে হত্যা করে, বহু মানুষ পঙ্গু ও অন্ধ হয়ে যায়, শেষপর্যন্ত সেনাবাহিনীর সদস্যগণ আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে।
  18. যেহেতু শেখ হাসিনার পতন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপে জনগণ অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে, ৫ আগস্ট ঢাকা-মুখী লংমার্চ করে এবং গণভবন অভিমুখে যাত্রায় বাধ্য হয়ে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।
  19. যেহেতু গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রয়োগ রাজনৈতিক ও আইনি দিক থেকে বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
  20. যেহেতু জনগণের দাবিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের মতামতের আলোকে ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়।
  21. যেহেতু ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্য ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
  22. যেহেতু জনগণ সুশাসন, সুষ্ঠু নির্বাচন, আইনের শাসন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে গণতান্ত্রিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে।
  23. যেহেতু গত ষোলো বছরের আন্দোলন ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গুম, খুন, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও রাষ্ট্রীয় লুণ্ঠনের বিচার জনগণ দাবি করছে।
  24. যেহেতু জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদকে জাতীয় বীর ঘোষণা করে, শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ও আন্দোলনকারীদের আইনি সুরক্ষা প্রদানের অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
  25. যেহেতু জনগণ আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কার করে আইনের শাসন, মানবাধিকার, দুর্নীতি ও শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন এবং মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করতে চায়।
  26. যেহেতু জনগণ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও পরিবেশ-জলবায়ুসংবেদনশীল উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষণের প্রত্যাশা করছে।
  27. যেহেতু ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-কে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদানের এবং এই ঘোষণাপত্রকে পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে সংযোজনের দাবি উঠেছে।
  28. অতএব, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।[]

অঙ্গীকার

[সম্পাদনা]

সনদের অঙ্গীকারগুলো হয়:[][]

  1. জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা;
  2. শাসনব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, নির্বাচন, জনপ্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম সংক্রান্ত সুপারিশসমূহ প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধন, আইন পরিমার্জন বা নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে কার্যকর করা;
  3. ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হওয়ার পর নবনির্বাচিত সরকারের গঠনের দুই বছরের মধ্যে এসব সংস্কার সম্পন্ন করা;
  4. বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া জুড়ে আইনগত ও সাংবিধানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা;
  5. ঘোষণাপত্রের বিষয়বস্তুর জন্য পূর্ণাঙ্গ আইনগত ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা;
  6. সংবিধানের মধ্যে ২০২৪ সালের গণতন্ত্রী আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক গুরুত্বকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া।

প্রতিক্রিয়া

[সম্পাদনা]

যেখানে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল জুলাই ঘোষণাপত্রকে স্বাগত জানালেও, কিছু দল এর বিরোধিতা করে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইসলামি আলেম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অবৈধ গ্রেপ্তার, হত্যা ও নির্যাতনের বিষয়টি উল্লেখ না করায় হতাশা প্রকাশ করে।[] অপরদিকে, অরাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলাম ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর আন্দোলনের কোনো উল্লেখ না থাকায় জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে নিজেদের হতাশা জানায়।[১০] বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও আরও অনেক দল নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকলেও মন্তব্য করে যে, এটি কিছু দলের জন্য বিশেষভাবে লাভজনক হবে, যা ছাত্রনেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টির দিকেই ইঙ্গিত করে।[১১] পরবর্তীতে বিএনপি জুলাই সনদকে সংবিধান স্বীকৃতি দিতে নাকচ করে[১২]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "বিবিসি বাংলা লাইভ: জুলাই ঘোষণাপত্র ঘোষণা করলেন প্রধান উপদেষ্টা, সন্নিবেশিত হবে সংবিধানের তফসিলে"BBC News বাংলা। ৫ আগস্ট ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০২৫
  2. "জুলাই ঘোষণাপত্র (৩ অগাস্ট , রাত ১১ টা, ২০২৫)" (পিডিএফ)আজকের পত্রিকা। ৩ আগস্ট ২০২৫। ৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০২৫
  3. 1 2 "জুলাই ঘোষণাপত্রের খসড়ায় চব্বিশের অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতির অঙ্গীকার"bdnews24.com। ৩০ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫
  4. "জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে মুজিববাদী সংবিধানের কবর রচিত হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ"The Daily Star Bangla। ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫
  5. "মধ্যরাতে জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে দুই উপদেষ্টার স্ট্যাটাস"দৈনিক যুগান্তর। ২ আগস্ট ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫
  6. "জুলাই সনদে কি আছে?"
  7. "জুলাই সনদের খসড়ায় রয়েছে যে ৭ অঙ্গীকার"
  8. "'জুলাই সনদ' পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে দলগুলোর অঙ্গীকারনামা নেওয়া হবে"
  9. "জামায়াত জুলাই ঘোষণায় হতাশ, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের স্বাগত জানায়"
  10. "হেফাজত ২০১৩ শাপলা চত্তার ক্র্যাকডাউন উপেক্ষা করার জন্য জুলাইয়ের ঘোষণার সমালোচনা করে"
  11. "জুলাই চার্টার খসড়া সম্পর্কে রাজনৈতিক পক্ষগুলি কী বলেছে"
  12. "বিএনপি সাংবিধানিক স্থিতি নয়, জুলাই সনদের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চায়"