জিয়াউর রহমান (চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাজনীতিবিদ)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জিয়াউর রহমান
জন্ম
জিয়াউর

(1952-12-07) ৭ ডিসেম্বর ১৯৫২ (বয়স ৬৬)
জাতীয়তাবাংলাদেশী
যেখানের শিক্ষার্থীরহনপুর এ. বি. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,রহনপুর ইউসুফ আলী কলেজ
পেশারাজনীতিবিদ
আদি নিবাসরহনপুর
রাজনৈতিক দলআওয়ামী লীগ
দাম্পত্য সঙ্গীকাশমেরী রহমান
পিতা-মাতা
  • রিয়াজউদ্দিন অাহমদ (পিতা)
  • নুরজাহান বেগম (মাতা)

জনাব মু. জিয়াউর রহমান তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান এবং বর্তমান বাংলাদেশের একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদ। তিনি ২০০৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনিত একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।[১] বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি।[সম্পাদনা]

প্রাথমিক জীবন মু. জিয়াউর রহমান ৭ ডিসেম্বর, ১৯৫২ সালে ঢাকায় এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ। তার পিতার নাম রিয়াজউদ্দিন অাহমদ এবং মাতা নুরজাহান বেগম। তার স্ত্রী কাশমেরী রহমান একজন গৃহিণী। মোঃ জিয়াউর রহমান এর মোট ৩ সন্তান, তাদের নাম সানজিদা রহমান (জেমি); ফাহমিদা রহমান(জুলি); রাজীব অাহমদ জয়। বর্তমানে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলাস্থ রহনপুর পৌরসভার শেখপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।

শিক্ষা জীবন[সম্পাদনা]

জিয়াউর রহমান ১৯৭০ সালে রহনপুর এ. বি. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি রহনপুর ইউসুফ অালী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন এবং পরবর্তীতে একই কলেজ থেকে তিনি বি.এ পর্যন্ত লেখা পড়া করেন।

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

জিয়াউর রহমান ছাত্রাবস্থায় রাজনিতি সূত্রপাত হয় স্থানীয় অাওয়ামী লীগ নেতা হাফিজুর রহমান হাসনুর হাত ধরে। তিনি ছাত্র জীবনে গোমস্তাপুর থানা ও চাঁপাইনবাাবগঞ্জ সাংগঠনিক জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক, সাধারন ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর গোমস্তাপুর উপজেলা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়মী লীগের সাংগঠনিক ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সহ বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৬৯ সালে আইউব বিরোধী আন্দোলনে তিনি টেলিফোন তার বিছিন্ন মামলায় সর্বকনিষ্ঠ আসামী ছিলেন। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযোদ্ধে দেশের ভিতরে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ হয়ে তথ্য সরবরাহের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত গোমস্তাপুর থানা ছাত্রলীগকে শক্তিশালী করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৫ এ জাতির পিতার শাহাদাৎ বরণের পর প্রতিকূল অবস্থায় এলাকার যুবক ও তরুণদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ করেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং কারাবরণসহ প্রশাসন ও জামাত-বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির দ্বারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হোন। ২০০৯ সালে অষ্টম জাতীয় নির্বাচনে অাওয়ামী লীগ এর হয়ে চাঁপাই নবাবগঞ্জ-২ অাসনে অংশগ্রহণ করে নির্বাচিত হন। জাতীয় সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময় তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।[২]

রহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ[সম্পাদনা]

১৯৮৮ সালে কারাগার থেকে নির্বাচন করে তিনি রহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

রহনপুর পৌরসভা গঠন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ সালে রহনপুর ইউনিয়ন কে রহনপুর পৌরসভা হিসেবে পুনর্গঠন করার সিদ্ধান্ত নিলে জিয়াউর রহমান কে রহনপুর পৌরসভা এর প্রথম প্রশাসক নির্বাচিত করেন। পরবর্তিতে ১৯৯৯ সালে তিনি রহনপুর পৌরসভা এর প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "List of 9th Parliament Members Party Wise (Bangla)" (PDF)Bangladesh Parliament। Bangladesh Parliament। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  2. "9th Parliament Committees Name"parliament.gov.bd। Bangladesh Parliament। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭