জিঝি টংজিয়ান
জিঝি টংজিয়ান-এর মূল পুস্তকগুলির একটি থেকে অংশ | |
| লেখক | সিমা গুয়াং |
|---|---|
| ভাষা | শাস্ত্রীয় চীনাভাষা |
| বিষয় | চীনের ইতিহাস |
প্রকাশনার তারিখ | ১০৮৪ |
| মিডিয়া ধরন | Scrolls |
মূল পাঠ্য | চীনা উইকিসংকলনে জিঝি টংজিয়ান |
জিঝি টংজিয়ান (ইংরেজি: Zizhi Tongjian) (চীনা: 資治通鑑 ) (আক্ষরিক অর্থে - সরকারের সহায়তার জন্য সর্বার্থসাধক দর্পণ) হলো ১০৮৪ খ্রিস্টাব্দে উত্তর সং রাজবংশের সময় প্রকাশিত একটি উপাখ্যান তথা ইতিহাসগ্রন্থ। এটি ৪০৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চীনা ইতিহাসের একটি রেকর্ড বা ধারাবাহিক লিপিবদ্ধ বিবরণী, যা ওই সময়ের ১৬টি রাজবংশের ১৪০০ বছরের সময়কাল শাস্ত্রীয় চীনাভাষায় ধরে রেখেছে। [১] মূল সংকলনটিতে ২৯৪টি স্ক্রোল ( চীনা :卷; পিনয়িন : জুয়ান ) তথা অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে। প্রতিটি স্ক্রোল একটি অধ্যায়ের সমতুল্য এবং সর্বসাকুল্যে প্রায় ৩০ লক্ষ চীনা অক্ষর রয়েছে।
১০৬৫ খ্রিস্টাব্দে, সং রাজবংশের সম্রাট ইংজং তার কর্মকর্তা সিমা গুয়াংকে (১০১৯-১০৮৬) চীনের সার্বজনীন ইতিহাসের এক সংকলন রচনার দায়িত্ব দেন এবং সেজন্য তাকে তহবিল এবং নিজস্ব কর্মী নিয়োগের ক্ষমতাও প্রদান করেন। তার দল কাজটি সম্পন্ন করতে ঊনিশ বছর সময় নেয় [১] এবং ১০৮৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট ইংজং-এর উত্তরসূরি সম্রাট শেনজং-এর কাছে উপস্থাপন করেন। এটি ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয় এবং পণ্ডিত এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে অত্যন্ত প্রভাবশালী প্রমাণিত হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের চীনা রাষ্ট্রদূত 'এন্ডিমিওন উইলকিনসন' ঐতিহাসিক ঘটনার বিশদ থাকায় আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচনা করেন-
| (ইংরেজি)
«"It had an enormous influence on later Chinese historical writing, either directly or through its many abbreviations, continuations, and adaptations. It remains an extraordinarily useful first reference for a quick and reliable coverage of events at a particular time"» |
(বাংলা)
«"পরবর্তীতে চীনা ঐতিহাসিক ঘটনা রচনায় এর বিরাট প্রভাব হয় সরাসরি নতুবা এর অনেক সংক্ষিপ্ত রূপে, ধারাবাহিকতায় ও অভিযোজনে নিহিত। এটি একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘটনাবলীর দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ব্যাপ্তির জন্য একটি অসাধারণ উপযোগী প্রথম আকর হিসাবে রয়ে গেছে।"» |
অন্যদিকে চীনা পণ্ডিত ও শিক্ষাবিদ অ্যাকিলিস ফ্যাং ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে লেখেন- "জিঝি টোংজিয়ান"এবং এর অসংখ্য পুনর্বিন্যাস, সারসংক্ষেপ এবং ধারাবাহিকতা, কার্যত প্রাক-প্রজাতন্ত্রী চীনের বেশিরভাগ পাঠক জনসাধারণের কাছে একমাত্র সাধারণ ইতিহাস হিসাবেপরিচিত ছিল।" [৩]
গ্রন্থটি
[সম্পাদনা]
জিঝি টংজিয়ান মূল গ্রন্থে চীনের ইতিহাসের বছরের পর বছর ২৯৪ টি অধ্যায়ে কালানুক্রমিক বর্ণনা রয়েছে যা বহু চীনা ঐতিহাসিক সময়কাল ( যুদ্ধরত রাজ্য , কিন, হান, তিন রাজ্য, জিন এবং ষোল রাজ্য, দক্ষিণ ও উত্তর রাজবংশ, সুই, তাং এবং পাঁচ রাজবংশ ) জুড়ে বিস্তৃত, যার পরিপূরক ৩০টি স্ক্রোলের দুটি বিভাগ - 'টেবিল' (目錄; mùlù ) এবং 'সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ' (考異; kǎoyì )।
সিমা গুয়াং প্রথাগত চীনা রাজবংশীয় ইতিহাসে ব্যবহৃত বিন্যাস থেকে সরে এসেছিলেন, যার মধ্যে প্রধানত শাসকদের ইতিহাস ['অ্যানাল' (紀; jì ) ] এবং কর্মকর্তাদের 'জীবনী' (傳; ঝুআন ) রয়েছে। পরিবর্তে, সিমা 'জীবনীমূলক শৈলী'র (紀傳體; jìzhuàntǐ ) পরিবর্তে 'কালানুক্রমিক শৈলী' (編年體; biānniántǐ ) স্থানান্তর করেন। গুয়াং সম্রাটের কাছে গুয়াং এক স্মারকলিপিতে লেখেন-:
ছোটবেলা থেকেই আমি ইতিহাসের পাতায় ঘুরে বেড়িয়েছি। আমার মনে হয়েছে যে, বর্ষানুক্রমিক ঘটনা ও জীবন ইতিহাস অসংখ্য ও বিক্ষিপ্ত ভাবে আছে যে, একজন পণ্ডিত ব্যক্তিও যদি বারবার সেগুলো পড়েন, তিনিও সেগুলো বুঝতে এবং বাছাই করতে পারেন না। ... আমি ক্রমাগত সো-চুয়ান (左傳) এর ধরণ অনুযায়ী একটি কালানুক্রমিক ইতিহাস লিখতে চেয়েছি, যাতে যুদ্ধরত রাজ্য থেকে শুরু করে পাঁচ রাজবংশ পর্যন্ত, সরকারী ইতিহাস ছাড়াও অন্যান্য বই থেকে শুরু করে একজন শাসকের যা জানা উচিত যেমন- রাজবংশের উত্থান-পতনের সাথে সম্পর্কিত এবং জনগণের সুখ-দুঃখের সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলি যার মধ্যে ভালো গুলি মডেল এবং মন্দ বিষয়গুলি সতর্কীকরণ হিসাবে গণ্য হতে পারে।
প্রথমদিকে, সিমা গুয়াং তার প্রধান সহকারী হিসেবে লিউ শু (劉恕) এবং ঝাও জুনসিকে নিয়োগ করেন, কিন্তু শীঘ্রই ঝাওর স্থলাভিষিক্ত হন 'হান ইতিহাস ' বিশেষজ্ঞ লিউ বান (劉攽),। ১০৭০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট শেনজং গুয়াংয়ের অনুরোধে তাং ইতিহাস বিশেষজ্ঞ ফান জুয়ু (范祖禹) কে যুক্ত করার অনুমতি দেন। [১][৫] যেহেতু জিঝি টোংজিয়ান ৩২২ টি [৪] ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সংকলন তাই কাজটি সম্পন্ন করতে নির্বাচন, খসড়া এবং সম্পাদনা প্রক্রিয়া এবং বিশেষ করে সিমা গুয়াংয়ের সম্ভাব্য রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, একাডেমিক বিতর্কের বিষয় হয়ে পড়ে। [৬][৭]
উদ্ভূত এবং আধারিত রচনাসমূহ
[সম্পাদনা]দ্বাদশ শতাব্দীতে, চীনা ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক ঝু শি পুনমার্জন করে জিঝি টোংজিয়ান গাংমু নামে জিঝি টোংজিয়ান-এর সংক্ষিপ্ত সংস্করণ তৈরি করেন। কাংজি সম্রাট কিং-এর অনুরোধে এই সংস্করণটি পরে 'মাঞ্চু ভাষা'য় তুং গিয়ান গাং মু নামে অনুবাদ করা হয়। এই মাঞ্চু ভাষার সংস্করণটি ফরাসি জেসুইট ধর্মযাজক জোসেফ-অ্যান-মারি ডি মোয়ারিক ডি মাইলা ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন। তার মৃত্যুর পর প্যারিসে বারো-খণ্ডের অনুবাদ (১৭৭৭ - ১৭৮৩ ) খ্রিস্টাব্দ সময়ে হিস্টোইর জেনেরালে দে লা চীন, ওইউ অ্যানালেস দে সিট এম্পায়ার; অনুবাদ ডু টং-কিয়েন-কাং-মৌ পার দে মাইলা প্রকাশিত হয়।[৮]জিঝি টোংজিয়ান গাংমু সংক্ষিপ্ত সংস্করণ যা প্রাচীনকাল থেকে 906 পর্যন্ত যা চীনের রাজনৈতিক ইতিহাসের টেক্সটেস হিস্টোরিক্সের প্রধান উৎস, ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি জেসুইট ধর্মযাজক লিওন উইগার দ্বারা প্রকাশিত হয়। [৯]
ঝংহুয়া বুক কোম্পানি সংস্করণে ইউয়ান রাজবংশের ইতিহাসবিদ হু সানক্সিং- এর লেখা সমালোচনা রয়েছে। দার্শনিক ওয়াং ফুঝি টোংজিয়ানের উপর একটি ভাষ্যও লেখেন, যার শিরোনাম ছিল "আফটার রিডিং দ্য টোংজিয়ান(讀通鑑論; ডু টংজিয়ান লুন)।
ইতিহাসবিদ রাফে ডি ক্রেস্পিনি "এ হান্ড্রেড ইয়ারস অফ হান" (২০২৫),[১০][১১]"সম্রাট হুয়ান অ্যান্ড এম্পেরার লিং" (১৯৮৯),[১২] এবং "টু এস্টাব্লিশ পিস" (১৯৯৬) শিরোনামে ধারাবাহিক তিনটি রচনায় ৪৪ থেকে ৬৯ অধ্যায়ের টীকাযুক্ত অনুবাদ প্রকাশ করেন,[১৩] যা ৫৭-২২০ খ্রিস্টাব্দকে অন্তর্ভুক্ত করে, যা অ্যাকিলিস ফ্যাং -এর ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত পরবর্তী দশটি অধ্যায়ের (৭০-৭৯) টীকাযুক্ত অনুবাদের উপর ভিত্তি করে ২৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত। [৩] এছাড়াও অধ্যায় ১-৮ এর ইংরেজিতে স্ব-প্রকাশিত অনুবাদ রয়েছে, যা ৪০৩-২০৭ খ্রিস্টাব্দ এবং জিওনগনু জনগণের সাথে সম্পর্কিত কিছু অতিরিক্ত বিভাগ যুক্ত হয়। [১৪][১৫]
সময়কাল অনুসারে অধ্যায়
[সম্পাদনা]
বইটিতে ২৯৪টি অধ্যায় ছিল, যার মধ্যে নিম্নলিখিত সংখ্যাগুলি প্রতিটি নিজ নিজ রাজবংশীয় যুগের বর্ণনা দেয়-
- ৫টি অধ্যায় – চৌ রাজবংশ (১০৪৬-২৫৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)
- ৩টি অধ্যায় – ছিন রাজবংশ কিন (২২১-২০৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)
- ৬০ অধ্যায় - হান সাম্রাজ্য (২০৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ২২০ )
- ১০টি অধ্যায় – কাও ওয়েই সাম্রাজ্য (২২০–২৬৫)
- ৪০টি অধ্যায় – জিন সাম্রাজ্য(২৬৬–৪২০)
- ১৬টি অধ্যায় – লিউ সং (৪২০–৪৭৯)
- ১০টি অধ্যায় – কিউ সাম্রাজ্য(৪৭৯–৫০২)
- ২২টি অধ্যায় – লিয়াং সাম্রাজ্য (৫০২–৫৫৭)
- ১০টি অধ্যায় – চেন সাম্রাজ্য (৫৫৭–৫৮৯)
- ৮টি অধ্যায় – সুই সাম্রাজ্য (৫৮৯–৬১৮)
- ৮১টি অধ্যায় – তাং রাজবংশ (৬১৮–৯০৭)
- ৬টি অধ্যায় – পরবর্তী লিয়াং (৯০৭–৯২৩)
- ৮টি অধ্যায় – পরবর্তী তাং (৯২৩–৯৩৬)
- ৬টি অধ্যায় – পরবর্তী জিন (৯৩৬–৯৪৭)
- ৪টি অধ্যায় – পরবর্তী হান (৯৪৭–৯৫১)
- ৫টি অধ্যায় – পরবর্তী চৌ (৯৫১–৯৬০)
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]- সং রাজবংশের সংস্কৃতি
- সং রাজবংশের ইতিহাস
- গ্র্যান্ড হিস্টোরিয়ানের রেকর্ডস
মন্তব্য
[সম্পাদনা]উদ্ধৃতি
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 Xu, Elina-Qian (২০০৫)। "Introduction to the Sources on the Pre-dynastic Khitan" Historical development of the pre-dynastic Khitan (Doctoral dissertation)। University of Helsinki, Faculty of Arts, Institute for Asian and African Studies.।
- ↑ Wilkinson, Endymion (২০০০)। Chinese History: a manual (Revised and enlarged ed.) (ইংরাজি ভাষায়)। Cambridge: Harvard University Asia Center। পৃ. ৪৯৯। আইএসবিএন ০-৬৭৪-০০২৪৯-০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: প্রকাশকের অবস্থান (লিঙ্ক) - 1 2 Fang, Achilles (১৯৫২)। The Chronicle of the Three Kingdoms। Harvard-Yenching Institute Studies VI, Harvard University Press.।
- 1 2 Chan, Ming K. (১৯৭৫)। "The Historiography of the Tzu-chih t'ung-chien: A Survey"। Monumenta Serica. 31: 1–38. doi:10.1080/02549948.1974.11731093. JSTOR 40726165.।
- ↑ Barenghi, Maddalena (২০১৪)। Historiography and narrative construction of the Five Dynasties Period (907-960) in the Zizhi tongjian and its sources (Doctoral dissertation) (ইংরাজী ভাষায়)। Ca' Foscari University of Venice.। পৃ. ১৬।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ Xiao-bin, Ji (২০০৩)। "Mirror for Government: Ssu-ma Kuang's Thought on Politics and Government". In Lee, Thomas H.C. (ed.) (ইংরাজী ভাষায়)। Tzu-chih t'ung-chien. Hong Kong: Chinese University Press pp. 1–32.। পৃ. ১–৩২।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ Tillman, Hoyt (২০০৪)। "Textual Liberties and Restraints in Rewriting China's Histories The Case of Ssu-ma Kuang's Re-construction of Chu-ko Liang's Story". In Lee, Thomas H.C. (ed.)। The New and the Multiple. Hong Kong: Chinese University Press.।
- ↑ "通鑑綱目 [Chinese Literature: Tongjian gangmu]"।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|url=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য);|সংগ্রহের-তারিখ=এর জন্য|ইউআরএল=প্রয়োজন (সাহায্য);-এ বহিঃসংযোগ (সাহায্য); লেখা "Archived from the original on October 11, 2007" উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)|·ইউআরএল= - ↑ Needham, Joseph (১৯৫৪)। Science and Civilisation in China: Volume 1, Introductory Orientations, Cambridge (ইংরাজি ভাষায়)। Cambridge University Press। পৃ. ৭৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০৫২১০৫৭৯৯-৮।
{{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ Crespigny, Rafe de (১৪ এপ্রিল ২০২৫), "A Hundred Years of Han (vol. 1): Being the Chronicle of the Later Han Dynasty for the Years 57 to 156 AD as Recorded in Chapters 44 to 53 of the Zizhi tongjian of Sima Guang", A Hundred Years of Han (vol. 1) (ইংরেজি ভাষায়), Brill, আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-৭২৫৩৫-৫, সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৫
- ↑ Crespigny, Rafe de (১৪ এপ্রিল ২০২৫), "A Hundred Years of Han (vol. 2): Being the Chronicle of the Later Han Dynasty for the Years 57 to 156 AD as Recorded in Chapters 44 to 53 of the Zizhi tongjian of Sima Guang", A Hundred Years of Han (vol. 2) (ইংরেজি ভাষায়), Brill, আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-৭২৫৩৬-২, সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৫
- ↑ de Crespigny, Rafe; Ssu-ma, Kuang (১৯৮৯)। Emperor Huan and Emperor Ling: being the Chronicle of the Later Han dynasty for the years 157 to 189 AD as recorded in Chapters 54 to 59 of the Zizhi tongjian of Sima Guang (অস্ট্রেলীয় ইংরেজি ভাষায়)। Faculty of Asian Studies, Australian National University। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৩১৫-০৬৫৫-২।
- ↑ de Crespigny, Rafe (২০২০)। To Establish Peace: being the Chronicle of the Later Han dynasty for the years 189 to 200 AD as recorded in Chapters 59 to 69 of the Zizhi tongjian of Sima Guang (অস্ট্রেলীয় ইংরেজি ভাষায়)। Australia Centre on China in the World, The Australian National University। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৩১৫-২৫৩৭-৯।
- ↑ Yap 2016।
- ↑ Yap 2009।